০৬:১৩ পি.এম
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, দেশে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে।
তিনি রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই কথা উল্লেখ করেন।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি যদি ভারত সরকারের অধীনে থাকেন, তাহলে তার নিজে নিজে আসার কোনও সুযোগ নেই। তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য হয় প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে, অথবা তাকে পুশব্যাক করা হবে। আর শেখ হাসিনা (রয়টার্সে) বলেছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতাকর্মীরা একসঙ্গে এসে আত্মসমর্পণ করবেন। কিন্তু এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, তিনি এখন স্বাধীন নন অথবা তার নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আত্মগোপনেও নেই।
আরও পড়ুন: বিআরটি প্রকল্প বাতিলের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান ধর্মঘট
চিফ প্রসিকিউটর আরও যোগ করেন, আমাদের কাছে মনে হয় তার বক্তব্যের কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে তার নেতাকর্মীদের কিছুটা উজ্জীবিত রাখা অথবা একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশের পরবর্তী আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সেকশন ২১ এর ৩ স্পষ্ট বলে ৩০ দিনের পর আর কোনো আপিল হবে না। যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় কিংবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, তিনি প্রথমে জেলে যেতে বাধ্য হবেন। জেলে যাওয়ার পর, আপিল করার সুযোগ থাকবে কিনা, সেটি নিষ্পত্তি হবে। যদি আপিলের সুযোগ না থাকে, তাহলে সাজাবাহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তির সাপেক্ষে যা হবে, তাই হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন