ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে ঢাবি সাদা দলের শোক প্রকাশ


অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে ঢাবি সাদা দলের শোক প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল।

রবিবার এক শোক বার্তায় জানানো হয় যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে। তারা তার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করছে। একই সঙ্গে, তারা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সহকর্মী, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

বাংলা ভাষা, সাহিত্য, শিক্ষা ও জাতীয় জ্ঞানচর্চায় তার অসামান্য অবদান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমগ্র জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দীর্ঘদিন স্মরণ করবে বলেও জানানো হয়েছে শোক বার্তায়।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

এর আগে, রবিবার দুপুর আড়াইটায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ৮৬ বছর বয়সে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার সহধর্মিণী, একমাত্র কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরব রাষ্ট্রগুলো কি তাদের ভুল বুঝতে পেরে সঠিক পথে আসবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


আরব রাষ্ট্রগুলো কি তাদের ভুল বুঝতে পেরে সঠিক পথে আসবে?

সারা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান, ইসলাম ধর্মের অনুসারী মানুষদের প্রথম কিবলা থেকে শুরু করে পরবর্তী কিবলা - মক্কা মদিনা সহ নবী-রাসূলদের, সাহাবীদের আগমন প্রস্থান এর জন্য পবিত্র ও পূণ্যভূমি হিসেবে পরিচিত মধ্যপ্রাচ্যে সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল। কিন্তু ইসলামের নীতি আদর্শ,  মূল্যবোধ ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র ক্ষমতা এবং বিলাসিতার জন্য আরব রাষ্ট্রগুলো দীর্ঘদিন থেকেই ইসলামের সুমহান ঐতিহ্য থেকে দূরে সরে গিয়ে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও ইসলামের সুমহান আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। সেই সাথে তারা ভুলে গিয়েছে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী ধর্ম এবং জাতি হিসেবে তারা একসময় গোটা পৃথিবী শাসন করত। যাতে মানুষ শান্তিতে, নিরাপত্তায় এবং স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদন করে বেঁচে থাকতে পারতো। কিন্তু ক্ষমতা, অর্থ ও  বিলাসিতার মোহে গা ভাসিয়ে দিয়ে তারা বিধর্মী ইহুদি, খ্রীষ্টান , নাছারাদের কে বন্ধু মেনে নিজেদেরকে বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। শুধু তাই নয়, প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকেও ধ্বংসের জন্য ইহুদিবাদী মুসলিম বিদ্বেষী শক্তি গুলোকে তাদের রাষ্ট্র ব্যবহার করে সহযোগিতা এবং বন্ধুত্ব তৈরি করার এমন মুসলিম বিদ্বেষী অবস্থান বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের মুসলমানদের জন্য কখনোই কাম্য ছিল না। ফিলিস্তিন বিশ্বের একমাত্র এমন একটি বিশ্বাসী মুসলিম রাষ্ট্র যাদের উপর যুগের পর যুগ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনা বর্বরতম ও ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা চালাতে নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো হয়েছে। অথচ এসব করার জন্য আরব বিশ্বের এই মুসলিম নামক রাষ্ট্রগুলোই তাদের দায়িত্ব ভুলে গিয়েছে। যেখানে তাদের ভাইকে হত্যা করা হয় সেখানে তারা শত্রুদেরকে নিজেদের দেশে জায়গা থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে আসছিল এবং এখনো সে কাজই করছে। এখান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত কখনোই তারা ইসলামের ঐতিহ্যবাহী এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সঠিক প্রতিনিধি বলে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে দাবী করতে পারবে না। সুতরাং সময় এসেছে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে ইসলামের সুমহান আদর্শকে ধারণ করে ইসলামের ঐতিহ্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং মুসলিম বিশ্বের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ঠিক পূর্বের মতোই তৈরি করা যখন একটি রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্র বা অঞ্চল তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—এই অঞ্চলের নিরাপত্তা আর কেবল বাইরের শক্তির কৌশলের ওপর নির্ভর করে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা, ইয়েমেন সংকট, গাজায় দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিপর্যয় এবং আরব রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাস মিলিয়ে গোটা অঞ্চল এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পুরোনো নীতির পুনরাবৃত্তি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না।

দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি বিভাজন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বহিঃশক্তির প্রভাবের মধ্যে আবর্তিত হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই অঞ্চলের জনগণ এবং সামগ্রিকভাবে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ধারণা। ফিলিস্তিন প্রশ্নে বহু আরব রাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে মুসলিম বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। অনেকের দৃষ্টিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ প্রায়ই নৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানকে ছাপিয়ে গেছে। এই ধারণা সঠিক হোক বা না হোক, বাস্তবতা হলো—এটি আরব নেতৃত্বের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সম্পর্কও এই বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। কয়েক বছরের সংঘাত, সীমান্ত উত্তেজনা এবং সামরিক মুখোমুখি অবস্থান শেষ পর্যন্ত দেখিয়েছে যে যুদ্ধ কোনো স্থায়ী সমাধান এনে দেয় না। সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা কমানোর যে প্রচেষ্টা দেখা গেছে, তা প্রমাণ করে যে আলোচনার পথ শেষ পর্যন্ত সংঘাতের পথকেই প্রতিস্থাপন করে। এই অভিজ্ঞতা শুধু সৌদি আরব ও ইয়েমেনের জন্য নয়, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি শিক্ষা।

একইভাবে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংকটও আরব বিশ্বের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তিত হচ্ছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ধীরে ধীরে একমেরুকেন্দ্রিকতা থেকে বহুমেরুকেন্দ্রিক কাঠামোর দিকে এগোচ্ছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় যদি আরব রাষ্ট্রগুলো নিজেদের পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকেই অগ্রাধিকার দেয় এবং একে অপরকে দুর্বল করার কৌশলে ব্যস্ত থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত লাভবান হবে বহিঃশক্তি; ক্ষতিগ্রস্ত হবে মধ্যপ্রাচ্যই।

আজ প্রয়োজন সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যকে সংলাপের মাধ্যমে কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গেও এমন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা দরকার, যেখানে মতভেদ থাকবে, কিন্তু তা যুদ্ধের কারণ হবে না। প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু তা ধ্বংসাত্মক সংঘাতে রূপ নেবে না।
এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই—নাকি তাদের ভবিষ্যৎ বারবার বাইরের শক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার হাতে নির্ধারিত হবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দিতে হবে। কারণ প্রতিটি নতুন সংঘাত শুধু সামরিক ক্ষতিই ডেকে আনে না; অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মের ভবিষ্যৎকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়।

আরব বিশ্বের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আস্থার পুনর্গঠন। সেই আস্থা কেবল বক্তব্যে নয়, বাস্তব পদক্ষেপে অর্জিত হবে। আঞ্চলিক সংলাপ, পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, ফিলিস্তিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ইস্যুতে সমন্বিত কূটনৈতিক অবস্থান এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান—এসবই হতে পারে নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভিত্তি।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বিভক্ত মধ্যপ্রাচ্য কখনোই স্থিতিশীল ছিল না। প্রতিদ্বন্দ্বিতার রাজনীতি বহুবার বাইরের শক্তিকে হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু ঐক্য, পারস্পরিক স্বার্থের স্বীকৃতি এবং কৌশলগত সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

আজকের প্রশ্ন তাই একটাই—আরব রাষ্ট্রগুলো কি অতীতের বিভাজনকে আঁকড়ে ধরে অনিশ্চয়তার পথে এগোবে, নাকি পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় নিজেদের মধ্যে সমঝোতা গড়ে তুলে একটি আরও স্থিতিশীল, আত্মনির্ভর ও সহযোগিতামূলক মধ্যপ্রাচ্য নির্মাণের পথে হাঁটবে? এই সিদ্ধান্ত শুধু তাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নয়, সমগ্র অঞ্চলের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের গতিপথও নির্ধারণ করবে। অন্যথায় একই পথে হাঁটতে থাকলে মক্কা-মদিনা কিংবা পবিত্র ভূমির উছিলায় সৃষ্টিকর্তা মহান রাব্বুল আলামিন তাদেরকে ধ্বংসের হাত থেকে হয়তো ভবিষ্যতে না-ও বাঁচাতে পারে, এমন আশঙ্কা অমূলক নয়।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরে শহীদ মাসরুরের কবর জিয়ারত করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎শোরাফ উদ্দিন ‎রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


কমলনগরে শহীদ মাসরুরের কবর জিয়ারত করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া মাজহারুল ইসলাম মাসরুরের কবর জিয়ারত করেছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ।
‎
‎শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ২টায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৬ নং পাটারীরহাট ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে শহীদ মাসরুরের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ মাসরুরের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি।
‎
‎জানা যায়, শহীদ মাজহারুল ইসলাম মাসরুর লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার ৬ নং পাটারীরহাট ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত ৫ আগস্ট সকালে গাজীপুরে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ৬ নং পাটারীরহাট ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
‎
‎কবর জিয়ারতকালে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় স্কুল ও কলেজ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ শোরাফ উদ্দিন স্বপন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মুরাদ, কমলনগর উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ জাবের, সাধারণ সম্পাদক জোবায়েরসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
‎
‎এ সময় উপস্থিত নেতারা শহীদ মাসরুরের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহযোগিতার আশ্বাস ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে ডিবির অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


ঈশ্বরদীতে ডিবির অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৭

পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযান চালানোর মাধ্যমে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়, তাদের মাদক সেবনের প্রমাণও পাওয়া গেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া বাজারের এনসিডিপি গোয়ার্স মার্কেটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে জেলা পুলিশের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইকবাল হোসেন ইমন (৩১), মো. নাজমুল হাসান (৩০), সজীব (২৭), মো. তুষার ইমরান (৩৩), মো. জনি ইসলাম (৩০), মো. রতন ইসলাম (১৯) এবং মো. সাজাদুর রহমান (২১)।

পুলিশের জানান, মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তারা ওই মার্কেটে অভিযান চালান। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে যারা ভেতরে ছিলেন, তারা পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের একটি চৌকির নিচ থেকে একটি সচল বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৭ দশমিক ৬৫ মিলিমিটারের পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটি ইকবাল হোসেন ইমনের হেফাজতে ছিল। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা অস্ত্রটি চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখেন, কিন্তু অস্ত্রটির কোনো বৈধ লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের মাদক পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে অস্ত্রটির উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের সরকার কাজ করছে -এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের সরকার কাজ করছে -এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম
 
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ড্যাবের সাবেক মহাসিচব ডাঃ আব্দুস সালাম বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে লুটপাট করে স্বাস্থ্যসেবাকে ভঙ্গুর অবস্থায় পরিণত করে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। সেই ভঙ্গুর অবস্থার পরিবর্তন করতে তারেক রহমানের সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আমরা এই দেশের জনগণের শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবো। 
 
রবিবার (০৫ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 
 
এরপর হরিপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাসেবা অফিসের আয়োজনে ক্যান্সর ও জটিল রোগে আক্রান্ত ৯জন ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা করে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম। এছাড়াও চিকিৎসা ও দুর্যোগ সহায়তার অংশ হিসেবে ২৫জনকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। সেই সাথে অসহায় ২জন ব্যক্তিকে ২টি হুইল চেয়ার, ২০ জন কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন ও ২০জন দরিদ্র নারীর মাঝে ২০টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুস সালাম। 
 
এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম বলেন, স্বাস্থ্যসেবার নামে বিগত ১৭ বছরে জনগণকে ভুল বুঝিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে। এই লুটপাটের কারণে আজ স্বাস্থ্যসেবা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তাই স্বাস্থ্যখাতকে বেহাল দশা থেকে উত্তোরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। 
 
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনেক স্বপ্ন, তিনি দেশকে উন্নতির সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে চান। তাই এবারের বাজেটে সবথেকে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে। দেশের মানুষ একদিকে যেমন শিক্ষিত হবেন, ঠিক তেমনি শতভাগ স্বাস্থ্যসেবাও পাবেন। 
 
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এমপি আব্দুস সালাম বলেন, আসুন আমরা সকলে মিলে তারেক রহমানের সরকারকে সহযোগিতা করি। এক হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করি। আমরা সবাই এক থাকে বাংলাদেশ উন্নতির সর্বোচ্চস্তরে পৌঁছাবে। 
 
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী ডাঃ , হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চন্দন কর, হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল হক খানসহ হরিপুর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%