ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মারাকানায় বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে


মারাকানায় বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে

মারাকানায় নারী ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এই ফাইনালটি পর্দা উঠবে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট, যা অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকায়, বিশেষ করে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।

নারী ফুটবল বিশ্বকাপের এই আসরটি পরবর্তী বছরের জুনে শুরু হবে।

আরও পড়ুন: ফরিদপুর-দৌলতদিয়া ৪০ কিলোমিটারজুড়ে যেন মৃত্যুফাঁদ

এটি প্রথমবারের মতো লাতিন আমেরিকায় আয়োজন করা হচ্ছে।

ফিফা উদ্বোধনী ও ফাইনাল ম্যাচের সূচি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখাচ্ছে ফাইনাল এবং উদ্বোধনী মিলবে একই স্থানে।

রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়াম হলে নারী বিশ্বকাপের প্রথম খেলা হবে ব্রাজিলের স্বাগতিক হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচে।

বিশ্বকাপের প্রথম দিন ২৪ জুন।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে ২৫ জুলাই।

মারাকানা স্টেডিয়ামকে ব্রাজিলের দুঃখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এখানেই ১৯৫০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপের ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিল হেরে যায়।

বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে ব্রাজিলের ৮টি শহরে।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

প্রতিটি শহরে হবে কমপক্ষে ৭টি গ্রুপ ম্যাচ এবং একটি নকআউট ম্যাচ।

শহরগুলো হল: ব্রাসিলিয়া, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফে, সালভাদর, বেলো হরিজন্তে, ফর্তালেজা, রিও ডি জেনিরো এবং সাও পাওলো।

ব্রাসিলিয়া, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফে সালভাদরে হবে শেষ ১৬ ম্যাচ।

আবার বেলো হরিজন্তে, ফর্তালেজা, রিও ডি জেনিরো এবং সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনাল।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

সেমিফাইনাল খেলা হবে সাও পাওলো এবং রিওতে।

চূড়ান্ত সূচি প্রকাশিত হবে চলতি বছরের শেষে।

বর্তমানে নারী বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেন।

আর ২০২৬ সালের পুরুষ বিশ্বকাপেও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সর্বাধিক ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

বর্তমানে ৯ বারের আসরে ব্রাজিলের মেয়েরা সোনালি ট্রফি স্পর্শ করতে পারেনি।

অথচ ব্রাজিলের ছেলেরা সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে ৬৬০ বোতল ভেজাল সয়াবিন তেল জব্দ, দুইজনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


ময়মনসিংহে ৬৬০ বোতল ভেজাল সয়াবিন তেল জব্দ, দুইজনের কারাদণ্ড

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ‘বস নাম্বার ওয়ান’ নামে একটি নকল ও ভেজাল বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রির অভিযোগে দুজনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময়ে ৬৬০ বোতল ভেজাল সয়াবিন তেল জব্দ করে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে অভিযানের কাজটি সম্পন্ন হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন সয়াবিন তেল কম্পানির ডেলিভারিম্যান মো. হানিফ মিয়া (৬০) এবং অন্যজন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক জুনাইদ আলী (৪০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায় যে, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল ও গৌরীপুরসহ আশপাশের অসংখ্য এলাকায় খুচরা দোকানে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৪৫০ গ্রাম ওজনের ৬৬০টি সয়াবিন তেলের বোতল পরিবহন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায় এবং তেলভর্তি ২৭টি কার্টন জব্দ করে।

পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখা যায় সেগুলি বোতলজাত সয়াবিন তেল কেরোসিনের মতো তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ বের করছে। তাঁরা আবিষ্কার করেন যে, বোতলগুলোর উপর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদনের কোনো তথ্য ছিল না। এছাড়া, বোতলগুলোর গায়ে উল্লিখিত প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাও প্রাথমিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণিত হয়।

জব্দ করা বোতলগুলোর গায়ে লেখা ছিল ‘Boss Number-1 Fortified Soyabean Oil’। লেবেলে প্রস্তুতকারক হিসেবে ‘Arikh Consumer Product Ltd., স্বদেশ টাওয়ার, ১ম তলা, নোটারি, গাজীপুর, বাংলাদেশ’ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু তদন্তের ফলে ওই ঠিকানার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ভেজাল তেল জনস্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বিবেচনায় ৬৬০টি বোতল তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস করা তেলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। এ পন্য বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত হানিফ মিয়া ও জুনাইদ আলীকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শূল্ক প্রদান করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুর সদর কোর্ট পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


মাদারীপুর সদর কোর্ট পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি

ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) এম এ জলিল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে মাদারীপুর সদর কোর্টের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।

মাদারীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সকাল ১০টায় এ পরিদর্শনের শুরুতে জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে অতিরিক্ত ডিআইজিকে। এই সময় মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে অতিরিক্ত ডিআইজি সদর কোর্টে পৌঁছালে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ এনামুল হক ফুল দিয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

অতিরিক্ত ডিআইজি কোর্টের বিভিন্ন অফিস কক্ষ ও মালখানা ঘুরে দেখেন পরিদর্শনকালে। তিনি মালখানায় সংরক্ষিত জব্দকৃত আলামত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এ ছাড়া তিনি সদর কোর্টের বিভিন্ন রেজিস্টার ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। পাশাপাশি কোর্টে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবরও নেন।

পরিদর্শন শেষে এম এ জলিল বিচারিক আদালতের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এই সময়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সদর কোর্টে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালে পানি সংকট, একটি নৌকায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


খালে পানি সংকট, একটি নৌকায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার খালে পানির অভাবের কারণে এবার ঐতিহ্যবাহী খেজুরতলা নৌকাবাইচ শুধুমাত্র একটি নৌকা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। খালে যথেষ্ট পানি না থাকার জন্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাইচের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

তবে ঐতিহ্য ধরে রাখতে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নৌকা নিয়ে আয়োজন সম্পন্ন করা হয় নৌকাবাইচ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের খেজুরতলা খালে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা দাবি করেন যে, প্রায় দুইশত বছর ধরে প্রতিবছর ১ ভাদ্র এই খালে নৌকাবাইচ হয়ে আসছে।

স্থানীয়দের মতে, নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর খেজুরতলা খাল ও আশপাশের এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের নৌকা নিয়ে শতশত প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। নৌকার পাল্লা দেখতে খালের দুই পাড়ে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হতে দেখা যায়। তবে, এবারে খালে পানি কম থাকায় প্রতিযোগিতামূলক বাইচের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

তবুও, আয়োজনের প্রতি মানুষের আগ্রহ তেমন কমেনি।

অনুষ্ঠানের স্থলে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় নানা বয়সী মানুষ ভিড় করেন। নারী, পুরুষ ও শিশুরা খালের দুপাড়ে দাঁড়িয়ে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন উপভোগ করেন। কিছু লোক নৌকায় উঠে খালের পানিতে ভেসে বাইচ দেখতে থাকেন।

উৎসবের আবহকে কেন্দ্র করে খালের দুই পাড়ে শত শত অস্থায়ী দোকান বসে। খেলনা, খাবার, মিষ্টি, ঝালমুড়ি, চটপটি, কাপড়সহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা ব্যবসায়ীরা সাজিয়ে রাখেন।

যদিও প্রতিযোগিতামূলক বাইচ হচ্ছে না, তবুও মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা জমজমাট হয়ে ওঠে।

খেজুরতলা গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ূন কবির (৬৫) বলেন, ‘খেজুরতলার নৌকা বাইচ এ অঞ্চলের প্রায় দুইশত বছরের ঐতিহ্য। এক সময়ে বড় বড় নৌকা নিয়ে দূর থেকে প্রতিযোগীরা আসতেন। বাদ্যযন্ত্রের মাদ্যে মাঝিদের বৈঠা চলত আর হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে খালপাড় মুখর হয়ে উঠত। তবে, সময়ের সাথে সাথে নানা কারণে ঐতিহ্যে ভাটা পড়েছে।’

আয়োজক কমিটির সভাপতি ও চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘খালে পানি কম থাকায় এবার প্রতিযোগিতামূলকভাবে নৌকাবাইচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায়, সে কারণে একটি নৌকা দিয়েও আয়োজনটি সম্পন্ন করা হয়েছে। যদি ভবিষ্যতে খালে যথেষ্ট পানি থাকে, তবে বড় পরিসরে নৌকাবাইচের আয়োজনের চেষ্টা করা হবে।’

আয়োজক কমিটির সদস্য মাওলানা রাশেদ হোসেন বলেন, ‘নৌকাবাইচ আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এবার একটি নৌকা থাকলেও মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা দেখে আমরা আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আবারও আগের মতো জাঁকজমকপূর্ণ নৌকাবাইচ আয়োজন করা সম্ভব হবে।’

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, খেজুরতলার দুইশত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এবং খালটি নাব্য রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজপথের কর্মী থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, রিজভীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


রাজপথের কর্মী থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, রিজভীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। সম্প্রতি, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিটি জানায়, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ এর খ (৬) ধারা অনুযায়ী অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে, বিগত বিএনপি সরকারের সময়, ১৭ ফেব্রুয়ারি রুহুল কবীর রিজভীকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী আহমেদের পৈতৃক নিবাস কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে এবং ইতিহাস বিষয়ে এমএ ডিগ্রি লাভ করেছেন। এছাড়া, আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিও গ্রহণ করেছেন।

রাজনীতিতে তার জীবন শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর, যখন তিনি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পরে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর, তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দেন। সেখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পান এবং এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

১৯৮৯ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন এবং ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ, বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুহুল কবীর রিজভী বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তারপর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিযুক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায়, ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট, তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে, ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট, তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%