০৪:০৭ পি.এম
ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে শহরের পুলিশপ্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশপ্রধান কালিরাজ মহেশের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আর নিশান্থিনি। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত অতিরিক্ত জেলা বিচারকের ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে ঘিরে বিতর্কের কারণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিচারকের ছেলে মার্সিডিজ-বেঞ্জ চালানোর সময় একটি স্কুটিতে ধাক্কা দেয়, যার ফলে স্কুটিচালক জয়বালকৃষ্ণনের (৫৫) মৃত্যু ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর ভিডিও তৈরির উদ্দেশ্যে ওই কিশোর গভীর রাতে গাড়িটি নিয়ে বের হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ‘বাবাকে হত্যা করতে চাইছে’ : ইমরান খানের ছেলের সতর্কবার্তা
বিচারক তার ছেলের ফোন থেকে ওই ভিডিও মুছে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তদন্তকারীরা দুর্ঘটনার পূর্বে গাড়িটি দ্রুতগতিতে চলার একটি ভিডিও উদ্ধার করেছেন। মার্সিডিজ ও সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত স্কুটির অবস্থা দেখে গাড়ির গতি অনেক বেশি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে যে মামলাটি দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, প্রভাবশালী বিচারক বাবার কারণে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় পরিবারটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব অপরাধ তদন্ত বিভাগকে দেওয়া হয়েছে।
প্রথমে ওই কিশোরের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। পরে তাকে থানার জামিনে ছেড়ে দেওয়া হলে ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তীতে মামলাটি জোরদার করা হয় এবং গাড়ির মালিক কিশোরের বাবাকেও আসামি করা হয়।
রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা বিধানসভায় জানিয়েছেন, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: দিল্লির রেসকোর্স মসজিদে নামাজ বন্ধ করল সরকার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন