ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনছে মালয়েশিয়া


বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনছে মালয়েশিয়া

জাতীয় স্বার্থ ও শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রেখে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া।

সরকার জানিয়েছে, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গতকাল মঙ্গলবার এক বিশেষ বৈঠক শেষে দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী জাহিদ হামিদি জানান, বিদেশি কর্মী বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যপদ ও কার্যপরিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আমরা মাফিয়া ডন বানাব না: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

পাশাপাশি বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনার ওয়ান স্টপ সেন্টার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, শিল্পখাতের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় বিদেশি শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

এর মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

উপ-প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিদেশি কর্মীর ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে স্থানীয় কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং শিল্পখাতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: মন্ত্রী

জাহিদ হামিদি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা।

একই সঙ্গে শিল্পখাতের চাহিদা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করা।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সরকার এ সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিমির ভাষায়ও রয়েছে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: নতুন গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


তিমির ভাষায়ও রয়েছে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: নতুন গবেষণা

মানুষের মতো তিমিরও কি আলাদা আলাদা আঞ্চলিক ভাষা থাকা সম্ভব? সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে ঠিক এমনই বিস্ময়কর তথ্য। এমনটাই জানা যায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে।

গবেষকদের দাবি, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে বসবাসকারী স্পার্ম তিমি একে অপরের সঙ্গে ভিন্ন ধরনের শব্দের ছন্দে যোগাযোগ করে। অর্থাৎ, তাদেরও রয়েছে আলাদা ‘আঞ্চলিক ভাষা’।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি-তে। এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আলাদা এলাকায় বসবাস করার কারণে স্পার্ম তিমিদের যোগাযোগের ধরন ধীরে ধীরে বদলে গেছে। ঠিক যেমন দেখা যায় মানুষদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাষার উচ্চারণে পার্থক্য।

কীভাবে কথা বলে স্পার্ম তিমি? স্পার্ম তিমি শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করে না। তারা এক ধরনের ছন্দময় ‘ক্লিক’ শব্দের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই নির্দিষ্ট ছন্দের শব্দমালাকেই গবেষকেরা ‘কোডা’ নামে উল্লেখ করেছেন।

একই ধরনের শব্দের ছন্দ ব্যবহার করা তিমিরা সাধারণত একই সামাজিক দলে থাকে এবং একে অপরকে সহযোগিতা করে। গবেষণার সহলেখক এবং সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লুক রেনডেল জানান, এই শব্দের ধরন তিমিদের সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কীভাবে করা হয়েছে গবেষণা? গবেষণার জন্য ২০০৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১১২ দিন সমুদ্রের নিচে শব্দ রেকর্ড করা হয়। গ্রিসের হেলেনিক ট্রেঞ্চ এবং স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে থাকা স্পার্ম তিমিদের শব্দ বিশ্লেষণ করেন গবেষকেরা।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই অঞ্চলের তিমিই চারটি ক্লিকের ধারাবাহিক শব্দ বেশি ব্যবহার করে। তবে শব্দের গতি ও ছন্দে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের তিমিরা প্রথম তিনটি ক্লিক প্রায় সমান বিরতিতে দেয় এবং শেষে কিছুটা বিরতি দিয়ে চতুর্থ ক্লিক করে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের তিমিরা একই ধরনের শব্দ তুললেও সেটি অনেক দ্রুত গতিতে উচ্চারণ করে।

তবে গবেষকেরা আরও দেখেছেন, পূর্বাঞ্চলের কিছু তিমি মাঝেমধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের শব্দের ছন্দও ব্যবহার করে। কেন বদলে গেল শব্দের ধরন? গবেষকদের ধারণা, স্পার্ম তিমিরা প্রথমে ভূমধ্যসাগরের পশ্চিম অংশে বসতি গড়ে তোলে এবং পরে ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় ভৌগোলিকভাবে আলাদা থাকার কারণে তাদের যোগাযোগের ধরনও বদলে যায় এবং সৃষ্টি হয় নতুন আঞ্চলিক ভাষা।

গবেষণায় বলা হয়েছে, নতুন ভাষার ধরন তৈরি হতে হলে জনগোষ্ঠীর মধ্যে কিছুটা বিচ্ছিন্নতা থাকা প্রয়োজন। মানুষের ভাষা এবং পাখির গানেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।

বিলুপ্তির ঝুঁকিতে স্পার্ম তিমি, বর্তমানে ভূমধ্যসাগরের স্পার্ম তিমিকে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলে এখন মাত্র কয়েক হাজার স্পার্ম তিমি রয়েছে।

ধারণা করা হয়, প্রায় ২০ হাজার বছর আগে তারা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করেছিল। এরপর থেকে বিশ্বের অন্যান্য স্পার্ম তিমির তুলনায় তারা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। নতুন কী জানাল এই গবেষণা? গবেষকদের মতে, এই গবেষণা আরও একবার প্রমাণ করে, স্পার্ম তিমির যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে মানুষের ভাষার অনেক মিল রয়েছে। শুধু জন্মগত বৈশিষ্ট্য নয়, শেখা আচরণ এবং সামাজিক সংস্কৃতিও তাদের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিমিদের সমাজে কীভাবে নতুন আঞ্চলিক ভাষা তৈরি হয়, তার অন্যতম শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবেই বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাকে দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রশাসনের অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রশাসনের অভিযান
পিরোজপুরের কাউখালীতে অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতুর নিচে সরকারি জায়গা ও নদী দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা গেছে, কাউখালী প্রান্তে অবস্থিত বেকুটিয়া সেতুর নিচে পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে কিছু ব্যক্তি কংক্রিটের ঢালাই এবং লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান নির্মাণ করার চেষ্টা করে। এতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দখলদারদের পূর্বে নোটিশ প্রদান করা হয় এবং স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে একটি কুচক্রী মহল সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই এলাকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। সরকারি জায়গা কিংবা নদী দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। যারা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
 স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উলিপুরে ১৫০ গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন ও ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


উলিপুরে ১৫০ গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন ও ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদান

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৫০টি গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন এবং ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের উমানন্দ এলাকায় আয়োজিত এ ক্যাম্পে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন গবাদি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় রোগ নির্ণয়, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ, ওষুধ বিতরণ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। এতে এলাকার খামারি ও পশুপালকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের পশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।

মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোছাঃ রেবা বেগম ও ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ সামছুন নাহার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গবাদি পশুর বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

ক্যাম্পে সেবা গ্রহণকারী খামারিরা এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদানের ফলে তারা উপকৃত হয়েছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গ্রামীণ পর্যায়ে নিয়মিত ভেটেরিনারি সেবা ও ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন এবং খামারিদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মসজিদের এক খতিবের মৃত্যু হয়েছে|

বুধবার (১ জুলাই) ভোরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে|

নিহত হাফেজ মুফতি মাকছুদ আলম (৩৬) উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ন¤^র ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম মন্ত্রী সওদাগরের ছেলে এবং উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন|

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গবার দিবাগত রাতে এলাকায় বৃষ্টি হয়| মাকছুদ ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন| যাত্রা পথে তিনি চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুত্বর আহত হন| এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়| তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে|

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে| মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান|

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%