ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের


নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মসজিদের এক খতিবের মৃত্যু হয়েছে|

বুধবার (১ জুলাই) ভোরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে|

নিহত হাফেজ মুফতি মাকছুদ আলম (৩৬) উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ন¤^র ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম মন্ত্রী সওদাগরের ছেলে এবং উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন|

আরও পড়ুন: দালালদের দিন শেষ: কাঠালিয়া থানায় সরাসরি সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গবার দিবাগত রাতে এলাকায় বৃষ্টি হয়| মাকছুদ ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন| যাত্রা পথে তিনি চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুত্বর আহত হন| এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়| তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে|

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে| মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান|

 

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আকিলপুর সমুদ্র সৈকতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একই দিনে বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একই দিনে বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী নিখোঁজ
 

 

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তাদের স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 
নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
 
পরিবারের সদস্য ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
 
এ ঘটনায় চার পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
 
নিখোঁজ শিক্ষার্থী ঋতু দেবনাথের বাবা রমেশ দেবনাথ মুঠোফোনে বলেন, “আমার মেয়েসহ চারজন নিখোঁজ রয়েছে। আমি এখন বিষয়টি নিয়ে ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।” এরপর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
 
সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মঞ্জুর আলম বলেন, “প্রাথমিকভাবে বিষয়টি প্রেমঘটিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, তারা একটি ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান বিশ্লেষণে জানা গেছে, তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া অভিমুখে রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।”
 
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় রাস্তার সংস্কার কাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া, পাথর আর বিটুমিন ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে, কাজ শেষ হওয়ার পরদিনই হাতের টানে সড়কের কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। যা সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্যের দেখা মিলল উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়া গ্রামের কালাম হুজুরের দোকান থেকে ইতালি মার্কেট সড়ক সংস্কার কাজে। স্থানীয়দের অভিযোগ নিম্নমানের সামগ্রী ও পরিমাণে কম বিটুমিন ব্যবহারের ফলেই রাস্তার এমন বেহাল দশা হয়েছে।

স্থানীয় ছাত্রদল নেতা আব্দুল হান্নান হৃদয় জানান, সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় এবং ঠিকাদারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহিত করলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার নলুয়া গ্রামের কালাম হুজুরের দোকান থেকে ইতালি মার্কেট সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ পান চাষী নামে এক ঠিকাদার ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিডিউল না মেনে কবিরহাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইসলাম হোসেনকে ম্যানেজ করে কয়েক দিন ধরে সড়কে কার্পেটিংয়ের কাজ করেন ঠিকাদারের লোকজন। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তারা সড়কের ৯৮ ভাগ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেন। পরদিন শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন হাত দিয়ে টানলে উঠে আসে রাস্তার কার্পেটিং। স্থানীয় ননা মিয়ার দোকানের সামনের রাস্তার এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার বিকেলে ঠিকাদারের লোক সড়কে গিয়ে গালমন্দ করে চলে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, নোয়াখালী কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের যেগসাজশে কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এমন অবস্থা হয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছেন খোদ নোয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল হোসাইন। নিন্মমানের কাজ শেষে বিল পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা সহযোগিতা করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কবিরহাট উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গেলে অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি উপজেলা প্রকৌশলী। বরং তিনি ঠিকাদারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, কাজের সিডিউল ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পেতে হলে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করতে হবে। এর বাইরে তিনি কোনো তথ্য প্রদান করবেন না বলে জানান।

মো. সাজু নামে এক যুবক বলেন, এই সড়কের কাজ শুরুর পর থেকেই ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। কার্পেটিংয়ে নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। কার্পেটিংয়ে নির্ধারিত পুরুত্বও বজায় রাখা হয়নি। ফলে হাত দিলেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। সরকার এত টাকা খরচ করে রাস্তা করেছে, কিন্তু এলজিইডি ও ঠিকাদারের দুর্নীতির কারণে সব টাকা জলে গেল। যেখানে হাত দিয়ে রাস্তার কার্পেট তোলা যাচ্ছে, সেখানে ভারী যানবাহন কীভাবে চলবে। এলজিইডি-ঠিকাদারের জন্য সরকারের বদনাম।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঠিকাদার মো.চাষীর মুফোঠোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কবিরহাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইসলাম হোসেন বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি কয়েকবার কাজ পরিদর্শনে যান। যে অভিযোগ উঠেছে এটা কোন অভিযোগের আওতায় পড়েনা। কিছু উৎসুক জনতা কার্পেটিং তুলে ফেলেছে। ইতিমধ্যে সড়কের কাজ শেষ হয়ে গেছে। কোন কিছু জানার থাকলে তথ্য আইনে আবেদন করুন। তখন আমি তথ্য দেব।  

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নোয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল হোসাইন বলেন, এখানে কোনো সিন্ডিকেটের বিষয় নেই। কোথাও কাজের গাফিলতি হয়ে থাকলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৭ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ পি.এম


কাউখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৭ জন
 

 

 

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বুধবার (১ জুলাই) কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে হাসপাতাল থেকে মোট ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। বর্তমানে ভর্তি রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার পুরাতন ডাকবাংলো এলাকা, হাসপাতালের আশেপাশে, উপজেলার বিভিন্ন খালি জায়গা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত না হওয়ায় ডেঙ্গু বিস্তারের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীরা বলেন, কয়েকদিন ধরে জ্বর, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা অনুভব করছিলাম। পরে পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করাতে হবে।
কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার বলেন, উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ির আশপাশে কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পরিষ্কার পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই ডেঙ্গু বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে ইতিহাস ব্রাজিলের বিপক্ষে, নরওয়ের আশায় নতুন সমীকরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


যে ইতিহাস ব্রাজিলের বিপক্ষে, নরওয়ের আশায় নতুন সমীকরণ

গত রাতে (৩০ জুন) আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের শেষ ১৬–তে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। এর আগের দিন ব্রাজিল জাপানকে একই ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মতো মাঝারি শক্তির প্রতিপক্ষ পেয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তেমন খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা কি তেমন? ইতিহাস বলছে, সুযোগ থাকলে ব্রাজিল বরং নকআউট রাউন্ডে নরওয়েকে এড়িয়েই চলতে চাইবে।

আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেক্সান্ডার শরলথ, আন্তনিও নুসা এসব নামগুলো সমীহ করার মতোই। এ কারণে এবারের আসরে নরওয়েই পেয়েছে ডার্ক হর্সের তকমা। কিন্তু পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বলা হয় বিশ্বকাপের চিরকালীন ফেবারিট। তাদের কি আর কাউকে ভয় পেলে চলে? কিন্তু অন্তত নরওয়ের বিরুদ্ধে ভয় না পেয়ে উপায় নেই! ব্রাজিল যদি সুপারম্যান হয় তবে নরওয়ে যে ক্রিপ্টোনাইট! যার সামনে এই মহাপরাক্রমশালী ফুটবল পরাশক্তিরও সাদামাটা দল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ফুটবল ইতিহাসে নরওয়ে হচ্ছে একমাত্র দল, যাদের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলেও ব্রাজিল জয় পায়নি। অর্থাৎ, কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে কার্লো আনচেলত্তির দলে রীতিমতো ইতিহাস বদলে দিতে হবে এবং প্রথমবারের মতো হারাতে হবে নরওয়েকে।

এর আগে এই তালিকায় সেনেগালের নামও ছিল। কিন্তু গত বছর নভেম্বরে এক প্রীতি ম্যাচে তাদের ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে সেই খরা কাটিয়েছে ক্যানারিনহারা। বর্তমানে ৩ ম্যাচে দুই দলের জয় একটি করে, বাকি ম্যাচটি অমিমাংসীতভাবে শেষ হয়েছিল।

ব্রাজিল-নরওয়ে হেড টু হেড:

০৭/২৭/১৯৮৮ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল

০৫/২৯/১৯৯৭ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ৪-২ ব্রাজিল

০৬/২৩/১৯৯৮ (বিশ্বকাপ): ব্রাজিল ১-২ নরওয়ে

০৮/১৬/২০০৬ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল

১৯৮৮ সালে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল-নরওয়ে। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে চারবার মুখোমুখি লড়াইয়ে নরওয়ে দুবার জয় পেয়েছে এবং বাকি দুটি ড্র হয়েছে। তবে, এই দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইটি হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। সেই ম্যাচে বেবেতোর গোলে ব্রাজিল এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হারায়। নরওয়ের হয়ে গোল করেন তোরে আন্দ্রে ফ্লো এবং শেতিল রেকথাল। তবে ওই পরাজয়ের পরও ব্রাজিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে ওঠে।

দুই দেশের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৬ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে। সেটিই ছিল তারকাসমৃদ্ধ দল নিয়ে ২০০৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ব্রাজিলের নতুন যাত্রার সূচনালগ্নের ম্যাচ। সেই матчটি ১-১ গোলে ড্র হয়।

এবার ইতিহাস বদলে দিতে পারবে ব্রাজিল, নাকি নরওয়ে 'অভিশাপ' দীর্ঘ হবে আরও? উত্তর জানতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী রোববার (৫ জুলাই) পর্যন্ত। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউজার্সি স্টেডিয়ামে শেষ ১৬–এর ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-নরওয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%