ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিমির ভাষায়ও রয়েছে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: নতুন গবেষণা


তিমির ভাষায়ও রয়েছে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: নতুন গবেষণা

মানুষের মতো তিমিরও কি আলাদা আলাদা আঞ্চলিক ভাষা থাকা সম্ভব? সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে ঠিক এমনই বিস্ময়কর তথ্য। এমনটাই জানা যায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে।

গবেষকদের দাবি, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে বসবাসকারী স্পার্ম তিমি একে অপরের সঙ্গে ভিন্ন ধরনের শব্দের ছন্দে যোগাযোগ করে। অর্থাৎ, তাদেরও রয়েছে আলাদা ‘আঞ্চলিক ভাষা’।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি-তে। এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আলাদা এলাকায় বসবাস করার কারণে স্পার্ম তিমিদের যোগাযোগের ধরন ধীরে ধীরে বদলে গেছে। ঠিক যেমন দেখা যায় মানুষদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাষার উচ্চারণে পার্থক্য।

আরও পড়ুন: পুরাতন রমনা থানার সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ

কীভাবে কথা বলে স্পার্ম তিমি? স্পার্ম তিমি শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করে না। তারা এক ধরনের ছন্দময় ‘ক্লিক’ শব্দের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই নির্দিষ্ট ছন্দের শব্দমালাকেই গবেষকেরা ‘কোডা’ নামে উল্লেখ করেছেন।

একই ধরনের শব্দের ছন্দ ব্যবহার করা তিমিরা সাধারণত একই সামাজিক দলে থাকে এবং একে অপরকে সহযোগিতা করে। গবেষণার সহলেখক এবং সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লুক রেনডেল জানান, এই শব্দের ধরন তিমিদের সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কীভাবে করা হয়েছে গবেষণা? গবেষণার জন্য ২০০৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১১২ দিন সমুদ্রের নিচে শব্দ রেকর্ড করা হয়। গ্রিসের হেলেনিক ট্রেঞ্চ এবং স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে থাকা স্পার্ম তিমিদের শব্দ বিশ্লেষণ করেন গবেষকেরা।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই অঞ্চলের তিমিই চারটি ক্লিকের ধারাবাহিক শব্দ বেশি ব্যবহার করে। তবে শব্দের গতি ও ছন্দে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের তিমিরা প্রথম তিনটি ক্লিক প্রায় সমান বিরতিতে দেয় এবং শেষে কিছুটা বিরতি দিয়ে চতুর্থ ক্লিক করে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের তিমিরা একই ধরনের শব্দ তুললেও সেটি অনেক দ্রুত গতিতে উচ্চারণ করে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির মূল হোতা ইসরাইল, দাবি মিসর, সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের

তবে গবেষকেরা আরও দেখেছেন, পূর্বাঞ্চলের কিছু তিমি মাঝেমধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের শব্দের ছন্দও ব্যবহার করে। কেন বদলে গেল শব্দের ধরন? গবেষকদের ধারণা, স্পার্ম তিমিরা প্রথমে ভূমধ্যসাগরের পশ্চিম অংশে বসতি গড়ে তোলে এবং পরে ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় ভৌগোলিকভাবে আলাদা থাকার কারণে তাদের যোগাযোগের ধরনও বদলে যায় এবং সৃষ্টি হয় নতুন আঞ্চলিক ভাষা।

গবেষণায় বলা হয়েছে, নতুন ভাষার ধরন তৈরি হতে হলে জনগোষ্ঠীর মধ্যে কিছুটা বিচ্ছিন্নতা থাকা প্রয়োজন। মানুষের ভাষা এবং পাখির গানেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।

বিলুপ্তির ঝুঁকিতে স্পার্ম তিমি, বর্তমানে ভূমধ্যসাগরের স্পার্ম তিমিকে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলে এখন মাত্র কয়েক হাজার স্পার্ম তিমি রয়েছে।

ধারণা করা হয়, প্রায় ২০ হাজার বছর আগে তারা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করেছিল। এরপর থেকে বিশ্বের অন্যান্য স্পার্ম তিমির তুলনায় তারা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। নতুন কী জানাল এই গবেষণা? গবেষকদের মতে, এই গবেষণা আরও একবার প্রমাণ করে, স্পার্ম তিমির যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে মানুষের ভাষার অনেক মিল রয়েছে। শুধু জন্মগত বৈশিষ্ট্য নয়, শেখা আচরণ এবং সামাজিক সংস্কৃতিও তাদের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিমিদের সমাজে কীভাবে নতুন আঞ্চলিক ভাষা তৈরি হয়, তার অন্যতম শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবেই বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাকে দেখছেন।

আরও পড়ুন: ইতালিতে ১২ বার ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রশাসনের অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রশাসনের অভিযান
পিরোজপুরের কাউখালীতে অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতুর নিচে সরকারি জায়গা ও নদী দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা গেছে, কাউখালী প্রান্তে অবস্থিত বেকুটিয়া সেতুর নিচে পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে কিছু ব্যক্তি কংক্রিটের ঢালাই এবং লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান নির্মাণ করার চেষ্টা করে। এতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দখলদারদের পূর্বে নোটিশ প্রদান করা হয় এবং স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে একটি কুচক্রী মহল সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই এলাকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। সরকারি জায়গা কিংবা নদী দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। যারা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
 স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উলিপুরে ১৫০ গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন ও ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


উলিপুরে ১৫০ গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন ও ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদান

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৫০টি গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনেশন এবং ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের উমানন্দ এলাকায় আয়োজিত এ ক্যাম্পে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন গবাদি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় রোগ নির্ণয়, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ, ওষুধ বিতরণ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। এতে এলাকার খামারি ও পশুপালকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের পশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।

মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোছাঃ রেবা বেগম ও ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ সামছুন নাহার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গবাদি পশুর বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

ক্যাম্পে সেবা গ্রহণকারী খামারিরা এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদানের ফলে তারা উপকৃত হয়েছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গ্রামীণ পর্যায়ে নিয়মিত ভেটেরিনারি সেবা ও ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন এবং খামারিদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মসজিদের এক খতিবের মৃত্যু হয়েছে|

বুধবার (১ জুলাই) ভোরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে|

নিহত হাফেজ মুফতি মাকছুদ আলম (৩৬) উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ন¤^র ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম মন্ত্রী সওদাগরের ছেলে এবং উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন|

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গবার দিবাগত রাতে এলাকায় বৃষ্টি হয়| মাকছুদ ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন| যাত্রা পথে তিনি চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুত্বর আহত হন| এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়| তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে|

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে| মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান|

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একই দিনে বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একই দিনে বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী নিখোঁজ
 

 

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তাদের স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 
নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
 
পরিবারের সদস্য ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
 
এ ঘটনায় চার পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
 
নিখোঁজ শিক্ষার্থী ঋতু দেবনাথের বাবা রমেশ দেবনাথ মুঠোফোনে বলেন, “আমার মেয়েসহ চারজন নিখোঁজ রয়েছে। আমি এখন বিষয়টি নিয়ে ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।” এরপর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
 
সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মঞ্জুর আলম বলেন, “প্রাথমিকভাবে বিষয়টি প্রেমঘটিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, তারা একটি ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান বিশ্লেষণে জানা গেছে, তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া অভিমুখে রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।”
 
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%