মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৬:২০ পি.এম
ভূমি ব্যবস্থার অটোমেশনের মাধ্যমে সৃজিত “Land Acquisition and Requisition Management System” সফটওয়্যারে ডাটা এন্ট্রি বিষয়ক একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির মহোদয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ জনাব রিনাত ফৌজিয়া।
উক্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জ।
সভাটি অনুষ্ঠিত হয় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জে, ১৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যখাতে স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনকালে এই তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, "আমরা একটি অথৈ সাগরের ভেতরে সাঁতার কাটছি। তবুও আল্লাহর রহমতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার ডাক্তার নেব।" তিনি বলেন, "আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক নতুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন যোগদান করেনি। দুইজন কনসালটেন্ট দেওয়া হয়েছে। আরও যা দরকার, আমরা দেব।"
তিনি উল্লেখ করেন, "সারা বাংলাদেশে যে ডেপুটেশন ছিল, এগুলো আমরা বাতিল করছি।" এখানে এক নারী ডাক্তার দুই মাস ধরে আসছেন না বলেও তিনি জানান। "তিনি অন্য জায়গায় প্র্যাকটিস করেন। তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। যদি তিনি এখানে যোগদান না করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছু কিছু কাজ আমরা করছি। ১৭ বছরের জঞ্জাল তো একবারে শেষ করতে পারবো না।"
মন্ত্রী বলেন, "মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে। আমরা আসলে একটা টিম। ডাক্তার, নার্স, আয়াসহ অন্যান্য যারা রয়েছে, আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের সমন্বিতভাবে দেশটাকে গড়তে হবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি। এটি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। বিনা চিকিৎসায় কাউকে মরতে দিতে চাই না। এই জিনিসগুলো বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে মানুষ যাতে সত্যিকারের সেবা পায়, সেজন্য আমরা সবাইকে মোটিভেট করছি। আর ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের জন্য আমরা ডিসিকে বলেছি।"
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এরপর বলেন, "আমাদের আসার উদ্দেশ্য হাসপাতালের নতুন ভবনটি দেখা। এটা খুব শিগগিরই উদ্বোধন করবো। এটাতে কি কি ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতি লাগবে, এগুলো দেখলাম। হাসপাতালের সুপেয় পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে হবে, যাতে পানি স্মুথলি চলে যেতে পারে। কোথাও যাতে পানি না জমে। হাসপাতালে একটা ফ্রিজার দিতে হবে। এই বাকি কাজগুলো আমাদের করতে হবে। এগুলো শেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটির ২৫০ শয্যা উদ্বোধন করবেন।"
তিনি আরও বলেন, "এই হাসপাতালে সার্ভিসের ব্যবস্থা দেখলাম। কর্মচারীরা বেতন ঠিক মতো পায় কিনা, তাদের উপস্থিতি ঠিক আছে কিনা, ডাক্তাররা নিয়মিত আসেন কিনা, নতুন পদায়নকৃত ডাক্তাররা ঠিকমতো কাজ করছেন কিনা— বিভিন্ন সাইড আমরা দেখলাম। আমি এই হাসপাতালে বড় ধরনের কোনো নোটেবল ত্রুটি পাইনি।"
মন্ত্রী জানান, "প্রত্যেক হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা চালুসহ ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছি। আমরা এ বিষয়ে মিটিং করেছি, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলায় প্রত্যেকটি হাসপাতালে এমনকি উপজেলা পর্যন্ত গরিব মানুষের জন্য কম দামে কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হবে। এজন্য আমরা মেশিন ক্রয় করছি। গরিব মানুষ কিডনি ডায়ালাইসিস যাতে কম টাকায় করতে পারে, আমরা এবার বাজেটেও কিডনি ডায়ালাইসিসের টাকা কমিয়ে দিয়েছি। গত সপ্তাহেও ১০টি হাসপাতালে আমরা আইসিইউ দিয়েছি।"
এর আগে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ওয়ার্ডের টয়লেট ও রান্নাঘর দেখতে যান। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন রোগীদের কাছে খোঁজখবর নেন। এ ছাড়াও, হাসপাতালের নতুন ভবন তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে কর্মরত ডাক্তারদের হাজিরা খাতা চেক করেন। পরে বাইরে এসে হাসপাতালের মাস্টাররোলে নিয়োজিত কর্মচারীদের হাজিরা খাতা নিয়ে তারা উপস্থিতি আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসির একেকটি গোলে উদ্যাপন করছে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা কানসাস সিটির গ্যালারিতে। ঠিক যেমনটি ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। আলজেরিয়ার বিপক্ষে যখন আর্জেন্টিনা গোল করেছে, তখন বাংলাদেশে দেখা যায় বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাটি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে।
ফুটবল বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের একটি বড় অংশ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘গ্রুপে’ ভাগ হয়ে যায়, এ কথা তো সকলের জানা। প্রিয় দলের হারে সমর্থকদের মধ্যে বিমর্ষতা দেখা যায়, আবার যখন তারা জিতেন, তখন যেন আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। আজ আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার ম্যাচটি দেশের বহু এলাকায় বড় পর্দায় ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করেছেন। আর্জেন্টিনার একেকটি গোলের পরে দর্শকদের মধ্যে হর্ষধ্বনি শোনা গেছে। অনেকে ভুভুজেলা বাজিয়ে এবং নাচানাচি করে উদ্যাপন করেছেন।
বাংলাদেশে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উদ্যাপনের একটি ভিডিও শেয়ার করেছে আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস এবং ডায়রিও ওলে তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। টিওয়াইসি স্পোর্টস এক্স হ্যান্ডলে ক্যাপশনে লিখেছে, ‘মেসির একটি গোলের পর বাংলাদেশে এভাবেই উদ্যাপন করা হয়েছিল।’ ডায়রিও ওলে ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছে, ‘এভাবেই বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার জয় উদ্যাপন করা হয়েছিল।’
রেকর্ডের বরপুত্র মেসি আজ আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পুরো আলো নিজের দিকে আকর্ষণ করেছেন। তিনি এই ম্যাচেই বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করেছেন। ফলে তিনি ও মিরোস্লাভ ক্লোসা যৌথভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে উঠেছেন। দুইজনেই ১৬টি করে গোল করেছেন বিশ্বকাপে।
৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করে মেসি আজ বিশ্বকাপ ইতিহাসে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিকের একটি কীর্তিও গড়েছেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামে, যিনি ২০১৮ সালে ১৫ জুন স্পেনের বিপক্ষে ৩৩ বছর ১২২ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ এক পরিবারের তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ঘিওর থানা পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের কারণে উত্তেজিত স্থানীয় জনতা মাদক ব্যবসায়ীদের বসতবাড়ির রান্নাঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এরপর পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এটি ঘটে বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২ ঘটিকায় ঘিওর থানার গোলাপ নগর কুঠিবাড়ী এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাপ নগর কুঠিবাড়ী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে খোকন ও তার পরিবার মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরীর সার্বিক দিকনির্দেশনায়, ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে ৬৮ পুরিয়া হেরোইন এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ৫৪০ টাকা উদ্ধার করে একই পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, গোলাপ নগর কুঠিবাড়ী গ্রামের দলু বেপারীর ছেলে খোকন (৫২), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ওরফে মম (৪৫) এবং তাদের ছেলে মানিক (২৫)।
তাদের আটক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই পুরো এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। মাদক ব্যবসায়ীদের ওপর ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অনমনীয়ভাবে তাদের বাড়ির রান্নাঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং থানা পুলিশের সহায়তায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে রান্নাঘরের আনুমানিক ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত এবং স্বাভাবিক রয়েছে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের যবিপ্রবিতে দীর্ঘ ১৩ বছর পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কাবাডি (ছাত্র) ও হ্যান্ডবল (ছাত্র-ছাত্রী) প্রতিযোগিতা ২০২৬। শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।
আগামী ১৮ জুন বৃহস্পতিবার থেকে ২২ জুন সোমবার পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত প্রতিযোগিতাটি চলবে।
সংক্রান্ত আয়োজকসূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় দেশের মোট ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেলে ও মেয়েদের উভয়ের ১০টি করে দল অংশগ্রহন করবে। অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
অন্যদিকে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কাবাডি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধুমাত্র ছেলেদের সাতটি দল। এসব বিশ্ববিদ্যালয় হলো যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছেলেদের জন্য যবিপ্রবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ভবন এবং মেয়েদের জন্য তারামন বিবি হলে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতার সার্বিক বিষয়ে শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ড. মো: শাহেদুর রহমান বলেন, "এই আয়োজনকে সফল করার লক্ষ্যে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। খেলোয়াড়দের জন্য উপযুক্ত আবাসনসহ প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় আমরা সর্বাঙ্গীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। একই সাথে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই টুর্নামেন্টটি সম্পন্ন করতে পারব।"
এছাড়াও, শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর ও যবিপ্রবির হ্যান্ডবল ছাত্রী দলের কোচ মোঃ শাহিনুর রহমান জানান, “২০১৩ সালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় যবিপ্রবির খেলোয়াড় হিসেবে আমি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। এবার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি গর্বিত। গত এক মাস ধরে দলকে অনুশীলন করিয়েছি এবং ভালো ফলাফলের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। পাশাপাশি খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর ভূমিকা পালন করবো এবং প্রতিটি দলের মধ্যে সুষ্ঠু ও ফেয়ার প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করবো।”
এছাড়া উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ ২০২২ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল ও কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ