ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
কর্মশালায় বিডা চেয়ারম্যান

বিনিয়োগে বড় সমস্যা জ্বালানী সংকট


বিনিয়োগে বড় সমস্যা জ্বালানী সংকট

দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জ্বালানী সংকট একটি বড় সমস্যা বলে মনে করা হচ্ছে। গ্যাস সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এর পর বিদ্যুতের সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা সমাধান করা খুবই জরুরী এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। তবে এটি রাতারাতি সম্ভব নয়। সংকট সমাধানের জন্য এখন থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। তারপরও সমাধানে দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক কর্মশালায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ এসব কথা বলেন। 'বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রবাহ ও বিনিয়োগের সুবিধা' শীর্ষক কর্মশালার প্রথম পর্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক (পরিসংখ্যান বিভাগ) নূরজাহান আক্তার। দ্বিতীয় পর্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডার নির্বাহী সদস্য নাহিয়ান রহমান রচি। বিডার নির্বাহী সচিব মো. হুমায়ূন কবির এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিডার মহাপরিচালক (অপারেশন-২) মো. মুজিব উল-ফেরদৌস।

বিডার চেয়ারম্যান বলেন, জ্বালানী সংকট সমাধানের জন্য আমাকে দপ্তরিক কাজের বড় সময় জ্বালানী মন্ত্রণালয়ে করতে হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানী নিয়ে অনেক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের বিদ্যুতের সংকট সমাধান সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সম্ভব নয়। যদি বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য নতুন পাওয়ার স্টেশন তৈরি করি, তাহলে সেটি চালু করতে হলে গ্যাসের প্রয়োজন হবে। আমাদের বিদ্যমান অবকাঠামোতে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব নয়। সরবরাহ লাইন দ্রুত প্রস্তুত করতে হবে। যদি এখনই শুরু করি তাহলে দুবছর পর সুফল মিলবে।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গত বছর বিডার ‘বিনিয়োগ সামিটের’ পর দেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ কেমন বেড়েছে সে সম্পর্কে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, 'আমি বলতে পারি ৪০ শতাংশ বেড়েছে।' তবে পাইপলাইনে যে পরিমাণ বিনিয়োগপ্রস্তাব রয়েছে সেগুলোকে বাস্তবে রূপান্তরে সময় লাগছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সবাই নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণে ছিলেন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি বড় সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল। নির্বাচনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এতে জ্বালানী তেলের সংকট তৈরি হয়। ফলে আমরা এ বছর বিদেশী বিনিয়োগকারীদের চেয়ে দেশী বিনিয়োগকারীদের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেব। বাইরে থেকে বিনিয়োগের পরিবর্তে নিজের দেশের বিনিয়োগকারীদের দিকে নজর থাকবে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ হলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করবো।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের প্রসঙ্গে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, চীন বাংলাদেশের জন্য অনেক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য একটি ইকোনোমিক জোনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা খুব দ্রুত এটির উন্নয়ন কাজ শুরু করবো। মংলায় তারা আরও একটি ইকোনোমিক জোন তৈরি করতে চায়। চীন সফরে আমরা সেদেশের সম্ভাব্য বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করছি। সেখানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সম্ভাব্য খাতগুলো তুলে ধরা হবে।

ব্যাংকগুলোর খারাপ রেটিংয়ের কারণে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আশিক চৌধুরী বলেন, 'ব্যাংকিং খাতের দুর্দশা অনেক পুরনো। এতদিন এ খাতের সংকটকে স্বীকার করা হয়নি। ভুল ব্যালেন্সশিট তৈরি করে ভুল মুনাফা দেখানো হয়েছিল। এখন আমরা সে ভুলগুলো স্বীকার করছি, এটা আরও তিন বছর আগে হওয়া উচিত ছিল। তা হলে এখন আমাদের এ সমস্যায় পড়তে হতো না। তবে যে কোন সংকট সমাধানের জন্য ভুল স্বীকার করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং খাতের এখন যে অবস্থা তা থেকে নীচে নামার আর সুযোগ নেই। আমাদের ধীরে ধীরে এ সংকট থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) চালু হলেও সেটি কার্যকর না হওয়ার কারণ জানিয়ে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, 'অনলাইনের পাশাপাশি ম্যানুয়াল সেবা যদি কার্যকর থাকে তাহলে তার সুফল পাওয়া যায় না।' ওয়ান স্টপের পরিবর্তে বাংলাবিজ নামে ওয়ান স্টপ গেটওয়ে চালু হচ্ছে, যাতে ব্যবসা সম্পর্কিত সবগুলো সংস্থার সঙ্গে এপিআই করা হবে। বিজনেস প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি ইউনিক আইডি চালুর কথাও জানান বিডা চেয়ারম্যান। এখন একজন ব্যক্তির সব ধরনের তথ্য যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের সঙ্গে যুক্ত তেমনি বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার চালু হলে একটি কোম্পানির একই ধরনের তথ্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বারবার দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। বিনিয়োগ সংস্থায় একীভূতকরণের মাধ্যমে 'বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা' গঠন হলে বিনিয়োগকারীদের জটিলতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করতে যাচ্ছে

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে ভারতের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস খুকরি ডুবিয়ে দেয় পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস হাঙ্গর। বহু বছর পর পাকিস্তানের সেই হাঙ্গর শ্রেণির সাবমেরিন আবার বঙ্গোপসাগরে ফিরছে। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে এ ধরনের দাবি করা হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে চীনে কমিশনপ্রাপ্ত পাকিস্তানের হাঙ্গর শ্রেণির সাবমেরিন গত সপ্তাহে করাচিতে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ নৌ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে আরব সাগরের সীমা ছাড়িয়ে এই সাবমেরিনকে আরও বিস্তৃত ভূমিকায় কাজ লাগানোর পরিকল্পনা করছেন।

পাকিস্তান নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, নতুন সাবমেরিনটির মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা অর্জন করবে পাকিস্তান। চলতি মাসের শুরুতে শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর স্পষ্ট মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নতুন সাবমেরিনটিকে দেশে নিয়ে যাওয়ার বহরের কমান্ডার কমোডর ওমর ফারুকের বক্তব্য অনুযায়ী, হাঙ্গর শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত হলে পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরে কার্যকর উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

সাবমেরিনটিকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করে ফারুক জানান, পাকিস্তান এই শ্রেণির মোট আটটি সাবমেরিন নৌবহরে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে।

চীন থেকে পাকিস্তানে ফেরার পথে ফারুক শ্রীলঙ্কায় যাত্রাবিরতি করেন। কলম্বো বন্দরে পাকিস্তানি ফ্রিগেট পিএনএস তৈমুর-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ফারুকের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, ইসলামাবাদ শুধু উপকূলীয় প্রতিরক্ষা সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না, বরং ভারত মহাসাগরে আরও বিস্তৃত অপারেশনাল উপস্থিতি গড়ে তুলতে আগ্রহী, যা তাদেরকে উন্মুক্ত সমুদ্রে ভারতীয় নৌবাহিনীর মুখোমুখি করতে পারে।

গত পাঁচ দশকে ভারতীয় নৌবাহিনী উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে তাদের কাছে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং দীর্ঘ-পাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি সক্ষমতা।

তাহলে পাকিস্তান হয়তো বঙ্গোপসাগরের সামরিক ভারসাম্য বদলে দিতে সক্ষম হবে না, তবে তাদের উপস্থিতি ভারতের কাছে একটি কৌশলগত অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো দলই আমার দায়িত্ব নেয় না: সংসদে রুমিন ফারহানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


কোনো দলই আমার দায়িত্ব নেয় না: সংসদে রুমিন ফারহানা

জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, নিজের এলাকার বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য স্পিকারের কাছে বাড়তি সময়ের দাবি জানান। এ সময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সরকারি বা বিরোধী দল, কোনো দলের হুইপই আমার দায়িত্ব নিতে চান না।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে, তিনি এ কথা বলেন। চলমান অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

বাজেট আলোচনার এক পর্যায়ে, রুমিন ফারহানা নিজের এলাকার উন্নয়নের কথা তুলে ধরার জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরো কিছুটা সময় চান। তিনি স্পিকারের কাছে বলেন, স্পিকার, আমি এবার আমার এলাকার কথায় একটু আসি।

আমাকে দুটো মিনিট সময় বাড়িয়ে দেবেন স্পিকার, কারণ আমি সরকারি দলেরও নই, বিরোধী দলেরও নই। কোনো দলের চিফ হুইপ আমার দায়িত্ব নিতে চান না, মাননীয় স্পিকার।

স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরো বলেন, আমি আপনার স্পেশাল ডিসক্রেশনের (বিশেষ ক্ষমতা বা বিবেচনা) দিকে তাকিয়ে আছি, মাননীয় স্পিকার। দুটো মিনিট আমাকে বাড়িয়ে দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াবা উদ্ধারের সময় যুবককে কামড় দিল কারবারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


ইয়াবা উদ্ধারের সময় যুবককে কামড় দিল কারবারি

সুনামগঞ্জ সদরের একটি এলাকায় বৃদ্ধ একজন মাদক (ইয়াবা) কারবারির মুখ থেকে ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করতে গিয়ে কামড়ে আহত হয়েছেন এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

অভিযুক্ত বৃদ্ধ ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম হলো ফিরোজ মিয়া (৬০)। তিনি সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের নৈগাং গ্রামের আফতাব মিয়ার ছেলে।

এই ঘটনাক্রমে ফিরোজ মিয়ার কাছ থেকে একটি পলিথিনের প্যাকেটে থাকা ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

ঘটনা ঘটনার ভিডিও সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ফেসবুক পেজে প্রকাশ করার ফলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের একটি এলাকায় ইয়াবা বেচাকেনা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর মডেল থানার পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে পুলিশের নজরে আসে যে বৃদ্ধ ফিরোজ মিয়ার কাছে ইয়াবার একটি প্যাকেট রয়েছে। কিন্তু তিনি সেটি লুকানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে, বৃদ্ধ ইয়াবার প্যাকেটটি গিলে ফেলার উদ্দেশ্যে মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। এরপর পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তার মুখ থেকে ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করে। এ সময় বৃদ্ধের কামড়ে একজন যুবক আহত হন। যুবকটি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। পরে ইয়াবাসহ ফিরোজ মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গিয়েছিল। অভিযানের সময় বৃদ্ধ ফিরোজ মিয়া তার কাছে থাকা ইয়াবার প্যাকেট গিলে ফেলার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়নি। তার মুখের ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ইয়াবা উদ্ধারের সময় বৃদ্ধ ফিরোজ মিয়ার কামড়ে একজন আহত হয়েছেন। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ডান্সিং গার্ল’-এর নগ্ন ছবি, ভারতজুড়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ডান্সিং গার্ল’-এর নগ্ন ছবি, ভারতজুড়ে বিতর্ক

সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো প্রত্নস্থল খনন করে চার হাজার বছরের আগের পাওয়া ‘ডান্সিং গার্ল’ আবারও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি সেই ‘ডান্সিং গার্ল’ মূর্তি ক্লাস সিক্স-এর সমাজবিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে ‘সেন্সর’ করা ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ভারতজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯২৬ সালে মহেঞ্জোদারোর এইচআর অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা মূর্তিটি ভারতের স্বাধীনতার শুরুর দিক থেকেই বার বার বিতর্কের মধ্যে জড়িয়েছে। এর মধ্যে বহু বিতর্ক ‘অশ্লীলতার’ সংজ্ঞা নিয়েই হচ্ছে। সে বছর এই মূর্তিটি আবিষ্কারের পর এটিকে অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে রাখা হয়েছিল। তখন দিল্লিতে ‘সেন্ট্রাল ইম্পিরিয়াল মিউজিয়াম’ তৈরি করছিল ব্রিটিশ সরকার। বর্তমানে মিউজিয়ামটি এখন দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়াম নামে পরিচিত।

কিছু মানুষের মতে, ডান্সিং গার্ল একটি শিল্পকর্ম এবং এটিকে শ্লীল-অশ্লীলের চশমা পরে বিচার করা উচিত নয়।

দেশটির ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)-এর টেক্সটবুক ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান মাইকেল ড্যানিও এসব বক্তব্যকে সমর্থন করেন।

তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, নগ্নতা মানেই অশ্লীল- এই ভাবনা ভিক্টোরিয়ান নৈতিকতার অংশ। আমরা ঔপনিবেশিকতার থেকে ভারতীয় শিক্ষাকে মুক্ত করার কথা বলেও এই মূর্তিকে যদি যথাযথভাবে উপস্থাপন না করি, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও একটা বড় সমস্যা রয়েছে।

ড্যানিও আরও বলেন, ক্লাস সিক্সের শিক্ষকদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম। কারও মনে হয়নি এই মূর্তি অশ্লীল। তবু আমাকে বলা হয়েছিল, এই মূর্তি ক্লাস সিক্সের বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত নয়, আমাদের টিমও এই কথার সঙ্গে একমত হতে পারেনি।

তবে পাঠ্যবই থেকে কবে এই ছবি সরানো হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি এনসিইআরটি প্রধান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হরপ্পার রংপুর (গুজরাত) ও কোটলা নিহাং খান (পাঞ্জাব)-এর মতো কিছু ছোটো পুরাতাত্বিক অঞ্চল ভারতে পড়েছিল। কিন্তু মহেঞ্জোদারোর মতো বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি পাকিস্তানের অংশে পড়ে। যেহেতু হরপ্পা সভ্যতার সব নিদর্শন মহেঞ্জোদারো থেকেই পাওয়া গিয়েছিল এবং মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের অংশেই পড়ছিল, সেহেতু পাকিস্তান প্রথমে দাবি করেছিল, সব পুরকীর্তিই যেন পাকিস্তানে ফেরানো হয়। পরে অবশ্য এএসআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল মর্টিমার হুইলারের মধ্যস্থতায় ঠিক হয় যে, মহেঞ্জোদারো ও চানহুদারোয় প্রাপ্ত পুরাকীর্তিগুলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আধাআধি ভাগ হবে।

সেসময় পাকিস্তান দুটি গুরুত্বপূর্ণ মূর্তি, ‘ডান্সিং গার্ল’ ও ‘প্রিস্ট কিং’ দুটিই দাবি করেছিল। কিন্তু ভারত যে কোনো একটি দিতে রাজি হয়। কিন্তু নগ্ন ‘ডান্সিং গার্ল’ সেই দেশের ধর্মীয় নৈতিকতার সঙ্গে খাপ খায় না বলে ‘প্রিস্ট কিং’ পাকিস্তানে চলে গেলেও ‘ডান্সিং গার্ল’ দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়ামে রয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%