ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ডান্সিং গার্ল’-এর নগ্ন ছবি, ভারতজুড়ে বিতর্ক


ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ডান্সিং গার্ল’-এর নগ্ন ছবি, ভারতজুড়ে বিতর্ক

সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো প্রত্নস্থল খনন করে চার হাজার বছরের আগের পাওয়া ‘ডান্সিং গার্ল’ আবারও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি সেই ‘ডান্সিং গার্ল’ মূর্তি ক্লাস সিক্স-এর সমাজবিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে ‘সেন্সর’ করা ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ভারতজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯২৬ সালে মহেঞ্জোদারোর এইচআর অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা মূর্তিটি ভারতের স্বাধীনতার শুরুর দিক থেকেই বার বার বিতর্কের মধ্যে জড়িয়েছে। এর মধ্যে বহু বিতর্ক ‘অশ্লীলতার’ সংজ্ঞা নিয়েই হচ্ছে। সে বছর এই মূর্তিটি আবিষ্কারের পর এটিকে অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে রাখা হয়েছিল। তখন দিল্লিতে ‘সেন্ট্রাল ইম্পিরিয়াল মিউজিয়াম’ তৈরি করছিল ব্রিটিশ সরকার। বর্তমানে মিউজিয়ামটি এখন দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়াম নামে পরিচিত।

কিছু মানুষের মতে, ডান্সিং গার্ল একটি শিল্পকর্ম এবং এটিকে শ্লীল-অশ্লীলের চশমা পরে বিচার করা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

দেশটির ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)-এর টেক্সটবুক ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান মাইকেল ড্যানিও এসব বক্তব্যকে সমর্থন করেন।

তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, নগ্নতা মানেই অশ্লীল- এই ভাবনা ভিক্টোরিয়ান নৈতিকতার অংশ। আমরা ঔপনিবেশিকতার থেকে ভারতীয় শিক্ষাকে মুক্ত করার কথা বলেও এই মূর্তিকে যদি যথাযথভাবে উপস্থাপন না করি, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও একটা বড় সমস্যা রয়েছে।

ড্যানিও আরও বলেন, ক্লাস সিক্সের শিক্ষকদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম। কারও মনে হয়নি এই মূর্তি অশ্লীল। তবু আমাকে বলা হয়েছিল, এই মূর্তি ক্লাস সিক্সের বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত নয়, আমাদের টিমও এই কথার সঙ্গে একমত হতে পারেনি।

তবে পাঠ্যবই থেকে কবে এই ছবি সরানো হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি এনসিইআরটি প্রধান।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হরপ্পার রংপুর (গুজরাত) ও কোটলা নিহাং খান (পাঞ্জাব)-এর মতো কিছু ছোটো পুরাতাত্বিক অঞ্চল ভারতে পড়েছিল। কিন্তু মহেঞ্জোদারোর মতো বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি পাকিস্তানের অংশে পড়ে। যেহেতু হরপ্পা সভ্যতার সব নিদর্শন মহেঞ্জোদারো থেকেই পাওয়া গিয়েছিল এবং মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের অংশেই পড়ছিল, সেহেতু পাকিস্তান প্রথমে দাবি করেছিল, সব পুরকীর্তিই যেন পাকিস্তানে ফেরানো হয়। পরে অবশ্য এএসআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল মর্টিমার হুইলারের মধ্যস্থতায় ঠিক হয় যে, মহেঞ্জোদারো ও চানহুদারোয় প্রাপ্ত পুরাকীর্তিগুলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আধাআধি ভাগ হবে।

সেসময় পাকিস্তান দুটি গুরুত্বপূর্ণ মূর্তি, ‘ডান্সিং গার্ল’ ও ‘প্রিস্ট কিং’ দুটিই দাবি করেছিল। কিন্তু ভারত যে কোনো একটি দিতে রাজি হয়। কিন্তু নগ্ন ‘ডান্সিং গার্ল’ সেই দেশের ধর্মীয় নৈতিকতার সঙ্গে খাপ খায় না বলে ‘প্রিস্ট কিং’ পাকিস্তানে চলে গেলেও ‘ডান্সিং গার্ল’ দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়ামে রয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিসিআরসি'র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত "পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা ও মৌসুমী ফল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এই আয়োজনটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, আগামীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ছাদ কৃষির জন্য পুরস্কৃত করা হবে। আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা আগাম কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের উন্নয়নের জন্য বেশি করে গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তাও তিনি তুলে ধরেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আলী আশরাফ আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, জাসাসের সাবেক সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পর্যটন শহরজুড়ে ঝুলন্ত তারের জঞ্জাল বাড়ছে, প্রাণহানির ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


পর্যটন শহরজুড়ে ঝুলন্ত তারের জঞ্জাল বাড়ছে, প্রাণহানির ঝুঁকি

কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝুলন্ত তারের অগণিত জঞ্জালের কারণে সড়কপথে ক্রমাগত বাড়ছে প্রাণহানিসহ একাধিক ঝুঁকি। বিশেষ করে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে পর্যটন এলাকা কলাতলীর বিভিন্ন স্থানে এই ঝুলন্ত তারের কারণে ঝুঁকির শঙ্কা ক্রমাগত বাড়ছে।

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক এবং অলিগলির বিভিন্ন উপ-সড়কে দাঁড়ালে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, মাথার ওপর ঝুলন্ত তার গুলো নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কগুলো বিপজ্জনক এ সকল তারে প্রায় পুরোপুরি ঢেকে গেছে। শহরের ফুটপাত ও রাস্তা ঘেঁষে বিদ্যুতের খুঁটি ও ল্যাম্পপোস্টে ঝুলছে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট সংযোগের তার। এসব জঞ্জাল গোটা শহরের সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়েছে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে শহরের বার্মিজ মার্কেট, বাজারঘাটা, গোলদিঘীর পাড়, বিলকিস মার্কেট, ভোলাবাবুর পেট্টোলপাম্ব এলাকা, কালুর দোকান, টার্মিনাল, হলিডে মোড়, হাসপাতাল সড়ক, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট ও লাবণী পয়েন্টের আশপাশে এই ধরনের চিত্র অতি পরিলক্ষিত হয়েছে। কেউই কোন ধরনের নীতিমালা মানছে না। সরকারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উদাসীনতা এবং যথাযথ আইন প্রয়োগে ব্যর্থতার কারণে তারের জঞ্জাল ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে মাঝেমধ্যে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এই তারের জঞ্জালের কারণে সড়কের মূল্যবান বৈদ্যুতিক ও সড়কবাতির খুঁটির ক্ষতি হচ্ছে। ঝুলতে ঝুলতে অনেক স্থানেই তারগুলো মাটি পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। বর্তমানে এসব তারের জঞ্জালে একটি দিকে নগরীর সৌন্দর্যের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন সময় অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটছে। ঝুলন্ত ডিশ বা ইন্টারনেটের ক্যাবল থেকেও অগ্নিকাণ্ড ঘটতে দেখা গেছে। পুরোনো তারের ত্রুটি দেখা দিলে সেগুলো কেটে ফেলার পরিবর্তে নতুন তার সংযোজন করা হচ্ছে সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা, যার কারণে তারের জঞ্জাল দিন দিন বিস্তার লাভ করছে।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, শহরকে এই জঞ্জালের কবলা থেকে মুক্ত করতে বিদ্যুৎলাইন এবং ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ক্যাবল অপারেটরদের লাইন মাটির নিচে নিয়ে যেতে হবে। এর ফলে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি সিস্টেম লস কমিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য উপকারিতার দিকেও এগিয়ে যাবে। ঝড়-বৃষ্টিতেও বিদ্যুৎ-সংযোগ বাধাগ্রস্ত হবে না এবং মহানগরীর সৌন্দর্যও বজায় থাকবে। ঘোনারপাড়ার অটোরিকশাচালক নজরুল বলেন, "পর্যটক শহর কক্সবাজার। আমাদের পর্যটক ও সমুদ্রের জন্য সবাই প্রশংসা করে। এতে আমরা গর্বিত। কিন্তু যখন দেখি পরিচ্ছন্ন শহরের সৌন্দর্যহানি হচ্ছে তারের জঞ্জালের কারণে, তখন এটি আমাদের খারাপ লাগে। তারের জঞ্জাল ঝুঁকিপূর্ণও বটে। তারের জঞ্জালমুক্ত শহর গড়তে এখনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।"

কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ বলেন, "ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ক্যাবল অপারেটরদের তারের জঞ্জাল সরাতে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এরপরও তারা এই জঞ্জাল সরাচ্ছে না। বিভিন্ন বিদ্যুতের খুঁটি ও ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে অতিরিক্ত তার পেঁচিয়ে রাখছে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ক্যাবল অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এগুলো অপসারণ করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জলক্রীড়া প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জলক্রীড়া প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জলক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সদর দপ্তর ১৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের মাধ্যমে আর্মি সুইমিং কমপ্লেক্সে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল। তিনি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

গত ১৪ জুন শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন থেকে মোট ১৪টি দল অংশগ্রহণ করেছে।

সাঁতার ও ডাইভিং ইভেন্টে ১৯ পদাতিক ডিভিশন দল ১৪টি স্বর্ণ, ১০টি রৌপ্য এবং সাতটি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

১০ পদাতিক ডিভিশন দল দুটি স্বর্ণ, ৯টি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে রানার আপ হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ সাঁতারু নির্বাচিত হয়েছেন ৯ পদাতিক ডিভিশন দলের ইউপি ল্যান্স কর্পোরাল মো. সিফাত উল্লাহ।

ওয়াটার পোলো ইভেন্টে ১১ পদাতিক ডিভিশন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ১৯ পদাতিক ডিভিশন দল রানার আপ হয়। এই ইভেন্টে শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ১১ পদাতিক ডিভিশন দলের ইউপি ল্যান্স কর্পোরাল মো. রাশিবুল হাসান।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায় থেকে কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁও মাছ বাজারের ইজারা মওকুফের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


ঈদগাঁও মাছ বাজারের ইজারা মওকুফের দাবি

ঈদগাঁও মাছ বাজারের ইজারা মওকুফের দাবি উঠেছে।

এফএনএস (রেজাউল করিম; ঈদগাঁও, কক্সবাজার) : ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪০ এএম । জনস্বার্থে এবং ব্যবসার সুবিধার্থে ঈদগাঁও মাছ বাজারের সকল পথ খোলা রাখতে হবে। ঈদগাঁও মাছ বাজারের পশ্চিম পাশের সড়ক বন্ধ থাকায় জনগণ চরম বিপাকে পড়েছেন। পূর্ব পাশের একটি সড়ক দিয়ে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য জমবে না। এই কারণে উভয় সড়ক খুলে দিতে হবে।

জনস্বার্থে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দখলমুক্ত খোলা শেডের দাবি জানিয়ে জালালাবাদ ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক এমইউপি মোকতার আহমদ বলেন, ৫০ থেকে ৫৪ বছর পর্যন্ত মাছ বাজারের শেড ছিল দুই চালা বিশিষ্ট। পাকা শেড নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘ বছর এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে হচ্ছে আলো-বাতাসহীন ভাবে। তিনি বর্তমান শেডের নিচতলায় দেয়াল না তোলে উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে বলেন, মানুষের সুবিধার্থে শেডের সকল পথ পুরোপুরি খোলা রাখতে হবে। পশ্চিম পাশের বন্ধ পথ খোলা না রাখলে লোকজন চলাচল করতে পারবেন না। কেবলমাত্র পূর্বের সড়ক দিয়ে মাছ বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য জমে উঠবে না।

উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের জনগণ ও দূর-দূরান্তের ক্রেতা-বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত এ বাজারে আসে। তাই তাদের সুবিধার্থে চারপাশের রাস্তা সম্পূর্ণ খোলা রাখতে হবে। শেডের নিচতলায় দেয়াল থাকলে জনগণের চলাচল মারাত্মক বিঘ্নিত হবে এবং ক্রেতা-bিক্রেতারা মুক্ত বাতাস থেকে বঞ্চিত হবেন। পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোর সাথে মাছ বাজার শেডটি মিলিয়ে ফেলায় শেডের অধিকাংশ স্থান দখল হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য সাবেক জনপ্রতিনিধি মনে করেন দখলমুক্ত শেড প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি। অন্যদিকে ঈদগাঁও বাজারের মাছ ব্যবসায়ীদের ইজারা মওকুফের দাবি জানানো হয়েছে।

ঈদগাঁও বাজারের ইজারা সাড়ে চার কোটি টাকার মতো হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা অপরিকল্পিত। মাছ বাজারে যে অবকাঠামো হচ্ছে তা এলাকার সাথে সঠিকভাবে এডজাস্ট হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের স্বস্তির জন্য সমন্বয় করে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। মাছ বাজারের পুরোনো শেডটি ভেঙে ফেলায় মাছ ব্যবসায়ীরা জায়গার ভাড়া ও ইজারাও দিচ্ছেন। তারা ডাবল দেন। তাই ইউএনওর কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, যেন মাছ বাজারের ইজারাটা মওকুফ বা শিথিল করা হয়। বাজারের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে ঋণগ্রস্ত এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও নিপীড়িত। তাদের দুরবস্থার নিরসন এবং মাছ বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা আনতে পথঘাট উন্মুক্ত করা, ইজারা মওকুফ বা শিথিলের দাবি জানিয়েছেন বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ।

ঈদগাঁও মাছ বাজারের পুরোনো সড়কটি জন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন দীর্ঘদিনের ক্ষতিগ্রস্ত মাছ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।

পথের বাঁক পরিবর্তন মেনে নিতে পারবেন না ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ীরা। এই উন্নয়ন সরকারের আমলেই প্রকৌশলীর পরিকল্পনাতে মাছ বাজারের প্রধান ও দ্বিতীয় সড়ক বন্ধ থাকলে মাছ বাজারে ব্যবসা করা সম্ভব হবে না। জন চলাচলের পথ খোলা রাখলে মালামাল আনা নেওয়া ও ব্যবসা-বাণিজ্য করা সহজ হবে। সরকারের কাছে এ সম্পর্কে দাবি জানালেন ঈদগাঁও মাছ বাজার ভাই ভাই সমিতির সভাপতি শওকত আলম।

অন্যদিকে ঈদগাঁও মাছ বাজারের জন চলাচলের সড়ক ব্যবহার উপযোগী করার আহ্বান জানিয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ঈদগাঁও বাজারে নির্মাণাধীন মাছ বাজার সেডের প্রধান ও দ্বিতীয় সড়ক জন চলাচলের উপযোগী করতে হবে। তারা উন্নয়ন চান, তবে এলাকাবাসীর ক্ষতি হবে এমন উন্নয়ন তারা চান না। জন চলাচলে রাস্তার যেন কোনো ক্ষতি না হয়। মাছ বাজার সেডে যে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে তা অপরিকল্পিতভাবে হচ্ছে। তারা মনে করেন অন্য কোন জায়গার 'প্ল্যান' এখানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে এখানকার পারিপার্শ্বিকতার সাথে এই ভবনের নির্মাণ কাজ কোনোভাবেই এডজাস্ট হচ্ছে না। এলাকায় ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই উন্নয়নের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মাছ ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি মোহাম্মদ রুবেল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%