ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ওষুধ জব্দ


বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ওষুধ জব্দ

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক এবং ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বিজিবি কুষ্টিয়া সেক্টরের অধীনস্থ মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর মাটিলা এবং মাধবখালী বিওপি পৃথক দুটি অভিযানিক টহল দল মহেশপুর এবং জীবননগর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায়। এই অভিযানে ১৭২ বোতল মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় মদ এবং ৫০ পিস ওষুধ আটক করা হয়। এই আটককৃত মালামালের সিজার মূল্য ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়। জব্দকৃত মালামাল সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেবার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে অটোভ্যান ছিনতাইয়ে কিশোর হত্যা, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি দেখা গেছে বিগত কয়েক বছরের তুলনায়।

শুধু পাশের হারই নয়, বরং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং সামগ্রিক ফলাফলের প্রায় সমস্ত সূচকেই নিম্নমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।

বোর্ডের সাত বছরের তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৬ সালে পাশের হার নেমে এসেছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে, যা সাম্প্রতিক সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পাশের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২২ হাজার ৩২৭ জন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে পাশের হার কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশীয় পয়েন্ট, আর জিপিএ-৫ কমেছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ জন।

এর আগে ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৮ হাজার ৭৪ জন। ২০২৩ সালে পাশের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৬ হাজার ৮৭৭ জন। ২০২২ সালে পাশের হার ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ হলেও জিপিএ-৫-এর সংখ্যা ছিল সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ- ৪২ হাজার ৫২৭ জন। ২০২১ সালে পাশের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, আর ২০২০ সালে ছিল ৯০ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

এ বছরের ফলাফলেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ভালো করেছে। ২০২৬ সালে মেয়েদের পাশের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের পাশের হার ৫৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যেও মেয়েদের সংখ্যা বেশি। এ বছর ৮ হাজার ৯৯১ জন ছাত্রী এবং ৭ হাজার ৬২২ জন ছাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

এর আগের বছরগুলোতেও একই ধারা দেখা গেছে। ২০২৫ সালে মেয়েদের পাশের হার ছিল ৮২ দশমিক ০১ শতাংশ, ছেলেদের ৭৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে মেয়েদের পাশের হার ছিল ৯১ দশমিক ৯০ শতাংশ, ছেলেদের ৮৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭৭ হাজার শিক্ষার্থী। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৯০৮ জন।

এর আগের বছর ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার, উপস্থিত ছিল প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার এবং অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৪৮২ জন।

অন্যদিকে ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ২ লাখ ৮ হাজার, ২০২৩ সালে ২ লাখ ৬ হাজারের বেশি, ২০২২ সালে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার, ২০২১ সালে ২ লাখ ৮ হাজারের বেশি এবং ২০২০ সালে ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি।

সাত বছরের পরিসংখ্যানে সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বছর ছিল ২০২২। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪২ হাজার ৫২৭ জন শিক্ষার্থী। পরের বছরেই সেই সংখ্যা কমে ২৬ হাজার ৮৭৭-এ নেমে আসে।

২০২৪ সালে কিছুটা বেড়ে ২৮ হাজার ৭৪, ২০২৫ সালে কমে ২২ হাজার ৩২৭ এবং ২০২৬ সালে আরও নেমে ১৬ হাজার ৬১৩-এ দাঁড়িয়েছে।

অতএব, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে জিপিএ-৫ কমেছে প্রায় ২৫ হাজার ৯০০ জন। আবার ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন।

ফলাফলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাতেও বড় ধরনের পতন ঘটেছে।

২০২৬ সালে শতভাগ পাস করেছে মাত্র ৩৫টি প্রতিষ্ঠান। অথচ ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৯৯, ২০২৪ সালে ২৮৯, ২০২৩ সালে ১৭৮, ২০২২ সালে ১৪৭, ২০২১ সালে ৩৯৮ এবং ২০২০ সালে ৩০৮।

একই সঙ্গে এ বছর ৫টি প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এছাড়া ১ থেকে ৫০ শতাংশ পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১টি। অথচ ২০২৫ সালে শূন্য কিংবা ৫০ শতাংশের নিচে ফল করা কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না।

২০২৬ সালে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৮৪০ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছে প্রায় ৯৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সাত বছরের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে দুর্বল ফলগুলোর একটি। পাশের হার, জিপিএ-৫, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-সব ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের ফলাফলের এই পতন শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতার পিছনের কারণগুলো খুঁজে বের করে পাঠদান, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তা না হলে আগামী বছরগুলোতেও ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, এক বছরে পাশের হার কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশীয় পয়েন্ট, জিপিএ-৫ কমেছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০; শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও নেমেছে ৩৫-এ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

সম্প্রতি ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি করেছে। মস্কোর এসব উচ্চ প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র সামাল দিতে ভীষণভাবে ব্যর্থ কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলেনেস্কির প্রশাসন। এর ফলে প্রাণহানি ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি বেড়েই চলেছে। চাঞ্চল্যকর একটি তথ্য প্রকাশ করেছে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এইচইউআর)। তাদের দাবি, রাশিয়া তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে চলেছে। সামনের দিনগুলিতে ইউক্রেনের জন্য এটি সুসংবাদ বয়ে আনবে না।

কিয়েভ পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এইচইউআর-এর তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া এপ্রিল, মে এবং জুনে মোট ৩০২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এ বিষয়ে আরবিসি-ইউক্রেনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর প্রধান গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপ্রধান মেজর জেনারেল ভাদিম স্কিবিতস্কি জানিয়েছেন, রেকর্ড পরিমাণ ব্যালিস্টিক হামলা সত্ত্বেও রাশিয়া ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করবে না। কারণ মস্কো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম খাতেই রয়েছে।

এছাড়া, তারা আরো কার্যকর অস্ত্রের পরীক্ষাও অব্যাহত রেখেছে। রাশিয়া নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমাতে পারে, তবে হামলা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান এই সামরিক গোয়েন্দা উপপ্রধান।

এর আগে কিয়েভ পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, জুলাই মাসে রাশিয়া ভয়াবহ ৩৭৭টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে এই সতর্কতা সৃষ্টি হয়। এই সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্কান্দার এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস৪০০ সিস্টেম থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং জিরকন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।

বর্তমানে, রাশিয়ার ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে মাত্র ৩৬টি প্রতিহত বা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে, যেখানে প্রায় ২৯ শতাংশ সফল হয়েছে। প্রতিটি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিপরীতে তিনটি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়েছে, যা রাশিয়ার হামলার তীব্রতার প্রতিফলন।

রাশিয়া চলতি মাসে ১৫৩টি খ-১০১, কালিব্র এবং খ-৩২ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে এইচইউআরের উপপ্রধান জানান, 'আপনাদের মনে আছে, আগে তারা প্রতি ১০ দিনে একবার হামলা চালাত। এরপর তা সপ্তাহে একবার হয়েছিল। এখন হামলার ঘটনা আরো ঘনঘন ঘটছে।'

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া তাদের বেশ কয়েকটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। স্কিবিটস্কির তথ্যমতে, মস্কো বর্তমানে তাদের প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে নির্ধারিত মাসিক পরিকল্পনার চেয়ে ১১০% থেকে ১২০% বেশি উৎপাদন করছে। এমনকি চলতি বছরের ৩ আগস্টের মধ্যে জিরকন এবং আধুনিকায়িত ওনিক্স ক্ষেপণাস্ত্রের বার্ষিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা তারা পূরণ করেছে।

মস্কো এখন নির্দিষ্ট কিছু কার্যকর অস্ত্র উৎপাদনে অধিক মনোযোগ দিচ্ছে এবং সেদিকেই সম্পূর্ণ অর্থ খরচ করছে। কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে, রাশিয়া তাদের সামরিক সম্পদের পুনর্বিন্যাস করছে। স্কিবিটস্কি জানান, গত এপ্রিল মাস থেকে কিনঝাল ও খ-৩২ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন স্থগিত রাখা হয়েছে। রাশিয়া মূলত খ-৩২ ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুলতা বাড়ানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে ইউক্রেনে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দিতে পারেনি। রুশ বাহিনী সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে উন্নয়নের জন্য ফেরত পাঠিয়েছিল এবং উৎপাদন পরিকল্পনা স্থগিত হয়েছে।

একইভাবে কিনঝাল ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুলতায়ও মস্কো সংকটে পড়েছে। স্কিবিটস্কি আরও বলেন, 'একটি কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার ব্যবধান ৫-৭ মিটারের বেশী হওয়া উচিত নয়, অথচ তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ক্ষেত্রে এই ব্যবধান ৩০ মিটার বা তারও বেশী। ফলে কিনঝাল ও খ-৩২ প্রোগ্রামে বরাদ্দকৃত তহবিল অন্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদনে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।'

রাশিয়া তাদের ড্রোন উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। চলতি আগস্ট মাসে, মস্কো প্রায় ১১ হাজার অ্যাটাক ইউএভি ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা করছে। তাদের মূল ফোকাস টার্বোজেট ইঞ্জিনচালিত ‘গেরান-৪’ ও ‘গেরান-৫’ ড্রোনের দিকে। সাম্প্রতিক একটি রুশ হামলায় ব্যবহার হওয়া ড্রোনগুলোর প্রায় অর্ধেক টার্বোজেট চালিত ইউএভি ছিল।

স্কিবিটস্কি আরো বলেন, 'সাম্প্রতিক একটি হামলায় ৫০% ড্রোনই ছিল টার্বোজেট চালিত।' এই দ্রুতগতির ড্রোনগুলো প্রতিহত করার জন্য ভিন্ন ধরনের ইন্টারসেপ্টর বা স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, ফলে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠছে।

মহাকাশ প্রযুক্তিতে রাশিয়া নিজেদের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। ইলন মাস্কের স্টারলিংকের বিকল্প হিসেবে রাশিয়া 'রাসভিয়েত' নামে নিজস্ব স্যাটেলাইট যোগাযোগ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন দ্রুততর করছে। গত মার্চ মাসে তারা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ১৬টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ২৯২টি এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ৯২৪টি স্যাটেলাইটের এক বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে এই ব্যবস্থা ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের উপরে মাঝে মাঝে কাজ করছে, তবে এটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে তা স্টারলিংকের মতো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে ইউক্রেন সতর্ক করেছে।

ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার মতে, রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলাগুলো মূলত ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প, লজিস্টিকস, বন্দর, রেলপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সহায়তাকারী জ্বালানি কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে। এইচইউআরের তথ্য অনুযায়ী, মস্কো আগামী শরৎ ও শীতকালীন অভিযানের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় মজুদ গড়ে তুলছে। এর ফলে, রাশিয়া যদি একক কোনো হামলায় অস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে দেয়, তাহলেও ইউক্রেনকে দীর্ঘকাল ধরে ধারাবাহিক ও অবিরাম হামলার মুখোমুখি হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াড়িসহ গ্রেফতার ১৮, ইয়াবা-হেরোইন জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াড়িসহ গ্রেফতার ১৮, ইয়াবা-হেরোইন জব্দ

রাজশাহী মহানগরজুড়ে পৃথক অভিযান চালিয়ে পুলিশ অনলাইন জুয়াড়িসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।

অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, হেরোইন, মাদক বিক্রির নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং একটি স্কুটি জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া individuals-এর মধ্যে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত একজন, ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী, একজন মাদকসেবী, ৮ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ৩ জন অন্যান্য মামলার আসামি রয়েছে।

সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেলে নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কোর্ট স্টেশন মোড় এলাকায় বিশেষ অভিযানের সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত আসাদুজ্জামান রনি (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তার কাছ থেকে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে।

এদিকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং কাটাখালী, চন্দ্রিমা, কর্ণহার ও আরএমপির বিশেষ মাদকবিরোধী টিমের অভিযানে কয়েকজন মাদক কারবারী এবং একজন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই অভিযানে মোট ১০৬ পিস ইয়াবা, ৮৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ০.৩ গ্রাম হেরোইন, মাদক বিক্রির ২ হাজার ৫৭০ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন এবং একটি স্কুটি জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির ঊর্ধ্বতন ৭ কর্মকর্তাকে বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


ডিএমপির ঊর্ধ্বতন ৭ কর্মকর্তাকে বদলি

ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার সাত জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ সই করা এক আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

এই আদেশে বলা হয়, গোয়েন্দা রমনা বিভাগে বদলির আদেশপ্রাপ্ত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আল আমিন হোসাইনকে বাড্ডা জোনে বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও, ট্রাফিক-তেজগাঁওয়ে বদলির আদেশপ্রাপ্ত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এহসানুল কামরান তানভীরকে ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ কমিশনার জিয়াউল হক শাহকে প্যাট্রল-মোহাম্মদপুরে বদলি করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ কমিশনার রাকিবুল হাসান সাকিবকে প্যাট্রল-উত্তরা-পূর্বে বদলি করা হয়েছে এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল্লাহকে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম-উত্তররের ওয়েববেজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। প্যাট্রল-উত্তরা-পূর্বের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমানকে অপারেশনস বিভাগের ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার-৩-এ বদলি করা হয়েছে। পিওএম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহিবুল ইসলামকে লজিস্টিক বিভাগের অস্ত্রাগারে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া, আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ৬ আগস্ট মোতাবেক ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার তানিয়া সুলতানার বদলির আদেশ বাতিল করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%