ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সেন্ট মার্টিনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী


সেন্ট মার্টিনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

 

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দ্বীপে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্রসৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এই তিন দিনব্যাপী কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি সৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য অপসারণের কাজ করা হবে।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর-প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্ট মার্টিনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিন আমাদের ভালোবাসার জায়গা, অস্তিত্বের জায়গা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের একটাই সেন্ট মার্টিন। আমরা চাই, এই দ্বীপটিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে সেন্ট মার্টিনে আপাতত ২০ হাজার গাছ লাগানো হচ্ছে। উপকূলের যেখানে যে গাছ উপযোগী, সেখানে সেই গাছই লাগানো হবে, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে সহজে বেড়ে উঠতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফলদ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এসব গাছের পরিচর্যা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।’

আরও পড়ুন: মণ্ডপে ঢাকের শোভা, উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন ও বিজিএসের যৌথ সহযোগিতায় ৮ থেকে ১০ আগস্ট এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মসূচির আওতায় আম, পেয়ারা, বহেরা, হরতকি, নিম, কুল, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সাগরলতা, কেয়া ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হচ্ছে।

পাশাপাশি দ্বীপের সমুদ্রসৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক, যুবসমাজ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: রংপুরের গ্রিন ফিল্ড কারখানা জিতল ২০২৬ সালের রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ত্রভাণ্ডার ‘ফাঁকা’, নিরাপত্তা নীতিতে কি পরিবর্তন আনবে যুক্তরাষ্ট্র?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


অস্ত্রভাণ্ডার ‘ফাঁকা’, নিরাপত্তা নীতিতে কি পরিবর্তন আনবে যুক্তরাষ্ট্র?

যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই গোলাবারুদ সঙ্কটে ভুগছে? এই প্রশ্নটি বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রেও এবং সামরিক বিশ্লেষকদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে নির্দেশ করা হয়েছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার কারণে মার্কিন সামরিক ভাণ্ডার প্রায় তলানিতে পৌঁছেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য প্রকাশ্যে দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের কোনো পরিমাণেই অভাব নাই, কিন্তু প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ইন্টারসেপ্টর পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ট্রাম্প বলেছে যে, এই অস্ত্রগুলো আমেরিকার নিজস্ব সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

পেন্টাগনের কিছু ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে জানা যায় যে, সংকটটি সাধারন অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং এটি সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের বাস্তবতা। ইরানের সঙ্গে চলমান এবং সম্ভাব্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। থাড এবং প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এখন মারাত্মকভাবে ফুরিয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার কারণে মার্কিন থাড ব্যবস্থার প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত একাধিক এক্স-ব্যান্ড রাডার গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যা মার্কিন সুরক্ষাবলয়ের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

এমনকি প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের অবস্থাও একই। তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র বাহিনী তাদের পিএসি-২ এবং পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টরের বড় একটি অংশ ইতিমধ্যেই ব্যবহার করে ফেলেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে যাওয়ার আগে আমেরিকায় যে পরিমাণ পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার একটি বড় অংশ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিহত করার কাজে ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে যে কয়েকটি ইন্টারসেপ্টর রয়েছে, তা দিয়ে কার্যক্ষম ব্যাটারিগুলো চালু রাখা খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও পুরোনো প্রযুক্তির পিএসি-২ মিসাইলগুলো মজুদ রয়েছে, সেগুলোর কার্যকারিতা আধুনিক ও জটিল হুমকির মোকাবিলায় যথেষ্ট সন্দেহজনক।

অস্ত্র উৎপাদনের গতি বর্তমান চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত ধীর। প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রধান উৎপাদক লকহিড মার্টিন এবং এর সহায়ক যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক বোয়িং সংস্থার উৎপাদন লাইনে বেশ কিছু জটিল ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে। একটি সম্পূর্ণ প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রস্তুত করতে এবং এর প্রয়োজনীয় মান নিশ্চিত করতে যাৎ দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। বর্তমান বৈশ্বিক চাহিদা এবং উৎপাদনের ব্যবধান এতটাই অনেক যে, পুরনো গতিতে উৎপাদন চালিয়ে গেলে এই ঘাটতি পূরণ করতে বহু বছর সময় লাগবে।

এ বিষয়টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং স্থলযুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এটিএসিএমএস মিসাইলের অবস্থাও প্রায় একই রকম। ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা প্রদান এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ব্যবহারের ফলে মার্কিন সেনাবাহিনীর এই দীর্ঘপাল্লার গাইডেড মিসাইলের ভাণ্ডারও প্রায় শূন্য হতে চলেছে। বিকল্প হিসেবে যে প্রিজম মিসাইল আসার কথা ছিল, সেটি এখনও উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে বর্তমানে ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য, কিংবা তাইওয়ান ও কোরিয়ার মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে এই বিশেষ মিসাইল সরবরাহের পথ আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে বললে চলে।

স্থলবাহিনীর পদাতিক যুদ্ধের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি ১৫৫ মিলিমিটার আর্টিলারি শেলের সাপ্লাই চেইনও কঠিন সংকটে রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে, ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ফ্রন্টলাইনে কোটি কোটি রাউন্ড শেল ব্যবহার হয়ে গেছে যার কারণে পশ্চিমা বিশ্বের মজুদে বড় ধরনের ধস নেমেছে। মার্কিন সরকার টেক্সাসে একটি নতুন স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করে উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালালেও বিভিন্ন প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত জটিলতার জন্য তা এখনও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারেনি। এর ফলে, নতুন কোনো নির্ভরযোগ্য বিকল্প না পাওয়া পর্যন্ত আর্টিলারি শেলের এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই বিশেষ অস্ত্র সংকট আগামী দশকে মার্কিন নিরাপত্তা নীতি ও বৈশ্বিক কৌশলগত স্থিতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে বাধ্য। বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষরা এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলস্বরূপ ইউক্রেনের পতন কিংবা তাইওয়ান এবং কোরিয়া উপদ্বীপে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী বিমান চলাচল এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে এখনও শক্তিশালী, তবে লজিস্টিক এবং যুদ্ধাস্ত্রের এই দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাবকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এখন তাদের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা কৌশল পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ব্যবস্থাকে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। মিত্র দেশগুলোকেও তাদের নিজস্ব নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নেওয়ার সময় এসেছে, কারণ আমেরিকান নিরাপত্তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার দিন শেষ হচ্ছে। আগামী দশকটি স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তির পর বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষার সময় হতে যাচ্ছে, যেখানে সামান্য ভুলের মাশুল গোটা বিশ্বকে দিতে হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সরকারের ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সরকারের ব্যাখ্যা

বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

শনিবার সন্ধ্যায় দেওয়া এই ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, দেশে নিরবিছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘প্রস্তাবিত নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা। সেব সঙ্গে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা, এই নীতিমালার লক্ষ্য।’

জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে এই ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কাজেই এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই। সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই নীতিমালা নিয়ে কিছু গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুমাননির্ভর ও অসত্য তথ্য প্রকাশ হচ্ছে, যা একেবারেই অনভিপ্রেত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালে র‍্যাবের টিএফআই সেলে বন্দি রেখে নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ওই সময়ের র‍্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায়।

তদন্তে উঠে এসেছে যে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল। শনিবার (৮ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে দ্রুতই তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, গুমের পর ভারতে পাচারে যারা জড়িত ছিল, তাদের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তদন্ত কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন। দ্রুতই আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজভীর সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


রিজভীর সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

 

সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য ঘিরে দীর্ঘকাল ধরে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলে আসছে। সময়ের সঙ্গে সেই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন দাবি।

এবার সেই পুরনো বিতর্ক সম্পর্কে নতুন করে সরব হয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর।

সালমান শাহর মৃত্যুতে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং নিজে সালমান হত্যা মামলার রাজসাক্ষী রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের প্রেম ও বিয়ের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে শাবনূরের বিরুদ্ধে সালমান শাহর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছে রিজভী আহমেদ। এমনকি শাবনূরের সঙ্গে তার প্রেম ও বিয়ের দাবি পর্যন্ত করেছেন তিনি।

এসব কথা উল্লেখ করে শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘রিজভীর গালগল্প ও অসত্য বয়ান’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর।

পোস্টের শুরুতেই তিনি রিজভীর বক্তব্যের অসংগতি তুলে ধরেছেন। শাবনূর লিখেছেন, “সালমান শাহর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে যে ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছিল, তার নাম রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। এই ব্যক্তি অন্য একটি মামলায়, সালমান শাহর ছোট ভাই শাহরান চৌধুরী (বিল্টু)-কে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল।

ওই জবানবন্দিতে সে দাবি করে যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরো কয়েকজনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল। তখন সে প্রায় ৯ মাস কারাগারে বন্দি ছিল। তার নিজস্ব ভাষ্য মতে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই সে যুক্তরাজ্যে দেশান্তরিত হয়। পরে সেখানে অবস্থানকালে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় সে আবারও সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। কিন্তু ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সময় টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পূর্ণ ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে দাবি করে, সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিল।

আশ্চর্যের বিষয়, সালমানের মৃত্যুর দীর্ঘ ২৯ বছর পর অল্প কিছুদিন আগে ‘আরজে নীরব’ ও ‘সময় টিভি’কে দেওয়া দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারেও সে আবার একই দাবি করে যে সালমান শাহর মৃত্যু হত্যা নয়, বরং আত্মহত্যা। শুধু তা-ই নয়, সে ওই আত্মহত্যার জন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে দায়ী করে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আমার বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে এবং আমাকেও ওই ঘটনার জন্য বারবার দায়ী করে কথা বলে।”

রিজভীর বক্তব্যের পরস্পর বিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। তার কথায়, ‘একই ব্যক্তি যখন সময়ে সময়ে একই ঘটনার বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়, তখন তার সর্বশেষ দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। গত জুলাইয়ে প্রকাশিত তার দেওয়া দুটি সাক্ষাৎকারে সে বিভিন্ন বিষয়ে আরো অনেক অসংগতিপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছে। তার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনা করলে সবার কাছেই সেগুলো সাংঘর্ষিক, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হবে।’

এরপরই নিজের সঙ্গে রিজভীর প্রেম ও বিয়ের দাবি প্রসঙ্গে সরাসরি জবাব দেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, “অতি সম্প্রতি ‘আরজে নীরব’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ বলেছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসার কথা সে কোনো দিন প্রকাশ করতে পারেনি। তবে মনে মনে নাকি আমাকে এতটাই ভালোবাসত যে আমাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চেয়েছিল, এবং এখনো চায়! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় একই সময়ে ‘সময় টিভি’কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে সে আবার দাবি করেছে, আমি নাকি তার এক্স-গার্লফ্রেন্ড ছিলাম। শুধু তা-ই নয়, সে আরো দাবি করেছে যে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ২০১৮ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে! এখন প্রশ্ন হলো, সে তো ১৯৯৯ সাল থেকেই প্রায় ২৬-২৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে এবং তার নিজের দাবি অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশেই আসেনি। অন্যদিকে আমি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কখনোই যুক্তরাজ্যে যাইনি। তাহলে আমার সঙ্গে তার বিয়েটা কোথায় হলো? কিভাবে হলো? এর প্রমাণই বা কী? আরো মজার বিষয় হলো, সে যে সময়ের কথা বলছে, তার অনেক আগ থেকেই আমি বিবাহিত ছিলাম। তার সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাকে আমি কখনো দেখেছি বলেও মনে পড়ে না, আমি তাকে চিনিই না। তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’-ই হয়েছিল!”

রিজভীর বিরুদ্ধে সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, ‘রিজভী আহমেদ প্রবল বিদ্বেষের সঙ্গে দাবি করেছে যে আমি নাকি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম এবং তার আত্মহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করেছে। অথচ রিজভীর নাম আমি প্রথম শুনেছি সালমান শাহর মৃত্যুর পর, যখন সে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হলো, সে কিভাবে এবং কোন ভিত্তিতে দাবি করছে যে আমি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম? রিজভী দাবি করছে, আমি নাকি কূটনামী করতাম বা সালমান ও তার স্ত্রীর একের কথা অন্যের কানে লাগাতাম। এমন ভিত্তিহীন গুজব আরো কিছু অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের আচরণ কখনোই আমার স্বভাবের মধ্যে ছিল না। আমার পরিবারও আমাকে এমন শিক্ষা দেয়নি। আর এসব করার সময়ও আমার ছিল না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউই কোনো দিন বলতে পারবেন না যে আমি কারো সঙ্গে এমন কূটনামি করেছি।’

নিজের সঙ্গে রিজভীর কোনো ধরনের যোগাযোগ থাকার দাবিও নাকচ করেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘রিজভী আহমেদের সঙ্গে আমার কখনো কোনো যোগাযোগ ছিল না, এখনো নেই। সে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং অত্যন্ত মানহানিকর।’

সালমান শাহর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ধারণা, ওই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই তাকে এবং সালমানের মা নীলা চৌধুরীকে নিয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেওয়া হতে পারে।

শাবনূরের কথায়, ‘সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী (আন্টি) তার ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে পুনরায় মামলা করার পর, ওই মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার মোড় ঘুরে যাওয়ার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই আমার ধারণা, তাদের প্ররোচনায় বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে, এমনকি আর্থিক প্রলোভনে পড়েও রিজভী আহমেদ আমার ও নীলা আন্টির বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারে। নিজেদের রক্ষা করা এবং প্রকৃত সত্যকে আড়াল করাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। আমি বরাবরের মতোই স্পষ্ট করে বলতে চাই, সালমান শাহর মৃত্যু বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সংযোগ ছিল না। তিনি কিভাবে মারা গেছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় নায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় সহশিল্পী এবং বড় ভাইয়ের মতো একজন মানুষ। তার অকালমৃত্যু আজও আমাকে ব্যথিত করে।’

সর্বশেষে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে চাই, একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হোক এবং এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই তাঁর পরিবার দাবি করে আসছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিতর্কের মধ্যেই সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আইনি তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর ফলে পুরনো রহস্যটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%