০৮:৩৩ পি.এম
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দ্বীপে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্রসৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
এই তিন দিনব্যাপী কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি সৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য অপসারণের কাজ করা হবে।
আরও পড়ুন: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর-প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্ট মার্টিনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিন আমাদের ভালোবাসার জায়গা, অস্তিত্বের জায়গা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের একটাই সেন্ট মার্টিন। আমরা চাই, এই দ্বীপটিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে সেন্ট মার্টিনে আপাতত ২০ হাজার গাছ লাগানো হচ্ছে। উপকূলের যেখানে যে গাছ উপযোগী, সেখানে সেই গাছই লাগানো হবে, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে সহজে বেড়ে উঠতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফলদ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এসব গাছের পরিচর্যা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।’
আরও পড়ুন: মণ্ডপে ঢাকের শোভা, উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন ও বিজিএসের যৌথ সহযোগিতায় ৮ থেকে ১০ আগস্ট এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কর্মসূচির আওতায় আম, পেয়ারা, বহেরা, হরতকি, নিম, কুল, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সাগরলতা, কেয়া ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হচ্ছে।
পাশাপাশি দ্বীপের সমুদ্রসৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হচ্ছে।
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক, যুবসমাজ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন: রংপুরের গ্রিন ফিল্ড কারখানা জিতল ২০২৬ সালের রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন