ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে


হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালে র‍্যাবের টিএফআই সেলে বন্দি রেখে নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ওই সময়ের র‍্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায়।

তদন্তে উঠে এসেছে যে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল। শনিবার (৮ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে দ্রুতই তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, গুমের পর ভারতে পাচারে যারা জড়িত ছিল, তাদের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তদন্ত কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন। দ্রুতই আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজভীর সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


রিজভীর সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

 

সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য ঘিরে দীর্ঘকাল ধরে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলে আসছে। সময়ের সঙ্গে সেই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন দাবি।

এবার সেই পুরনো বিতর্ক সম্পর্কে নতুন করে সরব হয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর।

সালমান শাহর মৃত্যুতে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং নিজে সালমান হত্যা মামলার রাজসাক্ষী রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের প্রেম ও বিয়ের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে শাবনূরের বিরুদ্ধে সালমান শাহর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছে রিজভী আহমেদ। এমনকি শাবনূরের সঙ্গে তার প্রেম ও বিয়ের দাবি পর্যন্ত করেছেন তিনি।

এসব কথা উল্লেখ করে শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘রিজভীর গালগল্প ও অসত্য বয়ান’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর।

পোস্টের শুরুতেই তিনি রিজভীর বক্তব্যের অসংগতি তুলে ধরেছেন। শাবনূর লিখেছেন, “সালমান শাহর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে যে ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছিল, তার নাম রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। এই ব্যক্তি অন্য একটি মামলায়, সালমান শাহর ছোট ভাই শাহরান চৌধুরী (বিল্টু)-কে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল।

ওই জবানবন্দিতে সে দাবি করে যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরো কয়েকজনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল। তখন সে প্রায় ৯ মাস কারাগারে বন্দি ছিল। তার নিজস্ব ভাষ্য মতে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই সে যুক্তরাজ্যে দেশান্তরিত হয়। পরে সেখানে অবস্থানকালে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় সে আবারও সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। কিন্তু ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সময় টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পূর্ণ ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে দাবি করে, সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিল।

আশ্চর্যের বিষয়, সালমানের মৃত্যুর দীর্ঘ ২৯ বছর পর অল্প কিছুদিন আগে ‘আরজে নীরব’ ও ‘সময় টিভি’কে দেওয়া দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারেও সে আবার একই দাবি করে যে সালমান শাহর মৃত্যু হত্যা নয়, বরং আত্মহত্যা। শুধু তা-ই নয়, সে ওই আত্মহত্যার জন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে দায়ী করে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আমার বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে এবং আমাকেও ওই ঘটনার জন্য বারবার দায়ী করে কথা বলে।”

রিজভীর বক্তব্যের পরস্পর বিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। তার কথায়, ‘একই ব্যক্তি যখন সময়ে সময়ে একই ঘটনার বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়, তখন তার সর্বশেষ দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। গত জুলাইয়ে প্রকাশিত তার দেওয়া দুটি সাক্ষাৎকারে সে বিভিন্ন বিষয়ে আরো অনেক অসংগতিপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছে। তার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনা করলে সবার কাছেই সেগুলো সাংঘর্ষিক, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হবে।’

এরপরই নিজের সঙ্গে রিজভীর প্রেম ও বিয়ের দাবি প্রসঙ্গে সরাসরি জবাব দেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, “অতি সম্প্রতি ‘আরজে নীরব’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ বলেছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসার কথা সে কোনো দিন প্রকাশ করতে পারেনি। তবে মনে মনে নাকি আমাকে এতটাই ভালোবাসত যে আমাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চেয়েছিল, এবং এখনো চায়! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় একই সময়ে ‘সময় টিভি’কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে সে আবার দাবি করেছে, আমি নাকি তার এক্স-গার্লফ্রেন্ড ছিলাম। শুধু তা-ই নয়, সে আরো দাবি করেছে যে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ২০১৮ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে! এখন প্রশ্ন হলো, সে তো ১৯৯৯ সাল থেকেই প্রায় ২৬-২৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে এবং তার নিজের দাবি অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশেই আসেনি। অন্যদিকে আমি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কখনোই যুক্তরাজ্যে যাইনি। তাহলে আমার সঙ্গে তার বিয়েটা কোথায় হলো? কিভাবে হলো? এর প্রমাণই বা কী? আরো মজার বিষয় হলো, সে যে সময়ের কথা বলছে, তার অনেক আগ থেকেই আমি বিবাহিত ছিলাম। তার সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাকে আমি কখনো দেখেছি বলেও মনে পড়ে না, আমি তাকে চিনিই না। তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’-ই হয়েছিল!”

রিজভীর বিরুদ্ধে সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, ‘রিজভী আহমেদ প্রবল বিদ্বেষের সঙ্গে দাবি করেছে যে আমি নাকি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম এবং তার আত্মহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করেছে। অথচ রিজভীর নাম আমি প্রথম শুনেছি সালমান শাহর মৃত্যুর পর, যখন সে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হলো, সে কিভাবে এবং কোন ভিত্তিতে দাবি করছে যে আমি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম? রিজভী দাবি করছে, আমি নাকি কূটনামী করতাম বা সালমান ও তার স্ত্রীর একের কথা অন্যের কানে লাগাতাম। এমন ভিত্তিহীন গুজব আরো কিছু অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের আচরণ কখনোই আমার স্বভাবের মধ্যে ছিল না। আমার পরিবারও আমাকে এমন শিক্ষা দেয়নি। আর এসব করার সময়ও আমার ছিল না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউই কোনো দিন বলতে পারবেন না যে আমি কারো সঙ্গে এমন কূটনামি করেছি।’

নিজের সঙ্গে রিজভীর কোনো ধরনের যোগাযোগ থাকার দাবিও নাকচ করেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘রিজভী আহমেদের সঙ্গে আমার কখনো কোনো যোগাযোগ ছিল না, এখনো নেই। সে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং অত্যন্ত মানহানিকর।’

সালমান শাহর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ধারণা, ওই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই তাকে এবং সালমানের মা নীলা চৌধুরীকে নিয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেওয়া হতে পারে।

শাবনূরের কথায়, ‘সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী (আন্টি) তার ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে পুনরায় মামলা করার পর, ওই মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার মোড় ঘুরে যাওয়ার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই আমার ধারণা, তাদের প্ররোচনায় বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে, এমনকি আর্থিক প্রলোভনে পড়েও রিজভী আহমেদ আমার ও নীলা আন্টির বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারে। নিজেদের রক্ষা করা এবং প্রকৃত সত্যকে আড়াল করাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। আমি বরাবরের মতোই স্পষ্ট করে বলতে চাই, সালমান শাহর মৃত্যু বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সংযোগ ছিল না। তিনি কিভাবে মারা গেছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় নায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় সহশিল্পী এবং বড় ভাইয়ের মতো একজন মানুষ। তার অকালমৃত্যু আজও আমাকে ব্যথিত করে।’

সর্বশেষে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শাবনূর। তিনি লিখেছেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে চাই, একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হোক এবং এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই তাঁর পরিবার দাবি করে আসছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিতর্কের মধ্যেই সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আইনি তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর ফলে পুরনো রহস্যটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।

শনিবার বিকালে রাজধানীর এবটি হোটেলে আয়োজিত ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট সেন্টার-জিআই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ট্রাভেল, ট্যুরিজম, এভিয়েশন এবং হসপিটালিটি এই চারটি খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন।

আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ট্রাভেল, ট্যুরিজম, এভিয়েশন এবং হসপিটালিটি খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আজকের এই প্ল্যাটফর্মটি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবিতে অনুষ্ঠিত হলো ৩৬তম বার্ষিক সিনেট সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


চবিতে অনুষ্ঠিত হলো ৩৬তম বার্ষিক সিনেট সভা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৩৬তম বার্ষিক সিনেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৪৮৯ কোটি ৯৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সংশোধিত এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মূল বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।

আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ আর মল্লিক ভবনের (প্রশাসনিক ভবন) উপাচার্য দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

সভায় উপাচার্য বলেন, চবিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রশাসন শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামো ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের আধুনিকায়নে কাজ করছে। ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে আউটকাম বেসড এডুকেশন (ওবিই) ও অভিন্ন সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।

ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চবি গবেষণা সেলের মাধ্যমে শিক্ষকদের গবেষণা অনুদান খাতে ১০ কোটি টাকা, এমফিলসহ অন্যান্য খাতে ৬৭ লাখ টাকা এবং পিএইচডি ও মাস্টার্স থিসিসে অর্থায়ন অব্যাহত রয়েছে। আগামী অর্থবছরের জন্য গবেষণা অনুদান বাবদ ইউজিসির কাছে ২৯ কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আরও দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।

এসব প্রকল্পের আওতায় ১০টি আবাসিক হল, বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন, ব্লু-ইকোনমি রিসার্চ সেন্টার, কেন্দ্রীয় জাদুঘর, গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় ভবন, স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, আধুনিক গবেষণাগার, ৫০ শয্যার হাসপাতাল, ডে-কেয়ার সেন্টার, ওয়াকওয়ে, ফুড কোর্ট ও ওয়েট মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।

সভায় উপাচার্যের বক্তব্য ও বাজেটের ওপর আলোচনা করেন সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, এরশাদ উল্লাহ, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও সাঈদ আল নোমান। এছাড়া সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ সিনেটের অন্যান্য সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যার হুমকি, আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি এক ব্যক্তির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যার হুমকি, আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি এক ব্যক্তির

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিকে মারার জন্য এক ব্যক্তি আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্র (আইপিসিসি) যেসব নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলা করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

শুধু একটি নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মেসিকে মারার জন্য বেশ কয়েকটি হুমকি পায়। সেগুলোর বিস্তারিতও প্রকাশ পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের মধ্যকার ম্যাচের আগে এক ব্যক্তি ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে হুমকি দেন যে, সে আরও দুই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে হাতে তৈরি বোমা ও একটি এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে হামলা চালাবেন। মেসিকে হত্যার উদ্দেশ্যেও তার হুমকিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল।

আর্জেন্টিনা ও মিশরের শেষ ষোলোর ম্যাচের আগেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। সন্দেহভাজনদের একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আমি আটলান্টা স্টেডিয়ামে ঢুকে শরীরে চারটি বোমা বেঁধে মেসিকে উড়িয়ে দেব।’

ওই ম্যাচ চলাকালীন পুলিশ আরও একটি ফোন পায়। সেখানে দাবি করা হয় যে, গ্যালারির কয়েকটি ময়লার বাক্সের মধ্যে তিনটি বোমা রাখা হয়েছে। পরে পুরো স্টেডিয়াম বিস্ফোরক শনাক্তকারী কুকুর দিয়ে তল্লাশি করার পর জানা যায় যে, এটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া সতর্কবার্তা।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও পর্তুগাল দলের হোটেলে একটি নিরাপত্তাজনিত ঘটনার শিকার হন। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ফিফা এফবিআইকে জানায় যে, একজন সন্দেহজনক ব্যক্তি রোনালদোর থাকার জায়গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। দুই দিন পর হিউস্টন পুলিশ ওই ব্যক্তিকে পর্তুগাল জাতীয় দলের অবস্থান করা একই হোটেলের ভেতর থেকে শনাক্ত করে এবং গ্রেফতার করে।

এ ধরনের আরেকটি ঘটনায় টরন্টোতে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ব্যক্তি রোনালদোর সঙ্গে লিফটে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন এবং দাবি করছিলেন যে, তিনি শুধু রোনালদোর সঙ্গে একটি সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%