বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪০ এম
চাঁদপুরে গত কয়েকদিন ধরে ইলিশের আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও, ক্রেতাদের জন্য আশানুরূপ দাম কমেনি, যা তাদের হতাশ করেছে। বিক্রেতাদের দাবি, অন্যান্য বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ মাছও ঘাটে আমদানি হচ্ছে না, ফলে তাদের লোকসান হচ্ছে।
বুধবার মাছঘাট পরিদর্শন করে দেখা গেছে, স্থানীয় জেলেদের জালে ইলিশের পরিমাণ কম হলেও, সাগর অঞ্চল থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ মণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, যদিও ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও দাম কমেনি। বিক্রেতাদের মতে, অন্যান্য বছরের তুলনায় ইলিশের আমদানি অনেক কম, যার কারণে দাম বেশি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন জানান, ইলিশের মৌসুম শেষের দিকে। অন্যান্য বছর এই সময় হাতিয়া, সন্দীপ, চর আলেকজান্ডার, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রচুর ইলিশ চাঁদপুর বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আসতো। গত বছর থেকে সেই পরিমাণে ইলিশ আসা একেবারে কমে গেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে, তার দাম অনেক বেশি। এর ফলে ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছে। এক মাস পর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু হবে, তখন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বেচা-বিক্রি বন্ধ থাকবে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
ক্রেতা কুদ্দুছ মুন্সী ও শাহজাহান সিদ্দিকী বলেন, ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পেলেও দাম না কমায় তারা হতাশ। ইলিশের মৌসুম হওয়ায় ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাছ কিনতে চাঁদপুর ঘাটে আসছে। তবে, বাজারে মাছের দাম কমেনি, এবং চাঁদপুরের বাজারে বিক্রেতারা ইলিশের দাম কিছুটা বেশি হাঁকছেন।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে ১ কেজি থেকে ১২০০ গ্রামের ইলিশের দাম ৩ হাজার থেকে ৩১০০ টাকা, ১ কেজি ওজনের ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশ ২৩০০ থেকে ২৫০০ টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ছোট ১ হালি ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজ থেকে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ৯.৩৩ কেজি। এই স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি একটি গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
কাস্টমস হাউসের সূত্র থেকে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের একটি দল গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যদের নিয়ে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে অভিযান চালায়। এ সময় ফ্লাইটের একটি সিটের নিচে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস হাউসের সূত্র জানায়, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা এবং স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, পশ্চিমারা নিজেদের উদ্যোগে দেয়াল তুলে সম্পর্ক ছেদ করলেও রাশিয়া কখনোই ইউরোপের পিছু ছুটবে না এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য আকুতি জানাবে না। তিনি এই মন্তব্যটি রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তক শহরে অনুষ্ঠিত 'ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরাম' (ইইএফ)-এর একটি বিশেষ বক্তৃতায় করেন।
ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া কখনোই ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের মাঝে দেয়াল তোলেনি। বরং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো মনে করেছিল যে, গত বছরের পারস্পরিক সহযোগিতা রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মস্কো ক্ষমা চেয়ে তাদের কাছে ফিরে যাবে। তবে, তিনি এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল বলে উল্লেখ করেন এবং জোর দিয়ে বলেন, এমন কিছু কখনো ঘটবে না।
সের্গেই ল্যাভরভ আরও উল্লেখ করেন যে, রাশিয়ার নিজস্ব জাতীয় মর্যাদা ও আত্মসম্মানবোধ রয়েছে এবং রাশিয়া কারো অনুকম্পার ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বলেন, মস্কো ইউরোপের সদিচ্ছার ওপর বিন্দুমাত্র নির্ভরশীল নয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার পর্যাপ্ত বন্ধু ও অংশীদার রয়েছে যারা সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে রাশিয়ার সাথে সৎ ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’, যা বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) এর হল নম্বর-৪ এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কসমেটিকস শিল্পের বিভিন্ন শীর্ষ কোম্পানির কর্মকর্তারা এবং শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর, শামা ওবায়েদ আইসিসিবিতে কসমেটিকা ঢাকার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এই আয়োজন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। এবারের কসমেটিকা ঢাকায় বিশ্বের ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, প্রযুক্তি, জ্ঞান, বিনিয়োগ ও নতুন বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপ আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীর সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
আয়োজকরা উল্লেখ করেছেন, কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ শুধুমাত্র পণ্য প্রদর্শনের আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি পরিচিতি ও শিল্পসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ উপস্থাপনা, প্রশিক্ষণ সেশন, শিল্পভিত্তিক আলোচনা এবং বিভিন্ন জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
এই তিন দিনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। এতে প্রবেশের জন্য কোনো টিকিট বা প্রবেশমূল্যের প্রয়োজন হবে না। অনলাইনে নিবন্ধনের পাশাপাশি প্রদর্শনীর ভেন্যুতেও সরাসরি নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি চিত্রাঙ্গনের মডেল ও তারকা, সৌন্দর্যপ্রেমী, মেকআপ শিল্পী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের এ আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার ফলে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে পরিচালিত মার্কিন হামলায় ১৮ জন নিহত এবং ১০৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলে ইরানি রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলের কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার ফলে চারজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। নতুন করে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরো অঞ্চলে উদ্বেগের মাত্রা বাড়ছে।
এদিকে, ইরান দাবি করেছে যে, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরেও দেশের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়। তবে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
জুলাইয়ে সংঘাতের পূর্ববর্তী দফা শেষ হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। এই সময়ে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা চললেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন। তবে, যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধ ব্যাপক জনপ্রিয় নয়। সংঘাতের ফলে দেশটিতে পেট্রোল ও জ্বালানির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী যুদ্ধের বিস্তার ঠেকাতে কাজ করছেন। চারজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাত দিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য নির্বাচনী ক্ষতি এড়াতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামরিক অভিযান আরও জোরদারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে, ব্যাপক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও ইরান তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইরানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার খবরকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বলে তার মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানিয়েছেন।
দুজারিক বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব বেসামরিক মানুষের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা করেছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পার্থক্য বজায় রাখা, আনুপাতিকতা এবং সতর্কতার নীতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্বাধীন ইরানি মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএনএ) জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানে মোট ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৭০১ জন বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধে দেশটির ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক ই-মেইলে জানিয়েছেন, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পর্কে তারা অবগত। তবে, তিনি দাবি করেছেন, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী কখনো বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না।
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ভবনের পাশে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং ভবনের ছাদে বড় একটি গর্ত রয়েছে। স্থিরচিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কাছে রেড ক্রিসেন্টের পোশাক পরা কয়েকজনকে দেখা যায়। সেখানে বিদ্যুৎ বা যোগাযোগের একটি টাওয়ারও মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘটনাস্থলের অবস্থান যাচাই করেছে। ওই চিত্র অনুযায়ী, পড়ে থাকা টাওয়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে ১৩৬ মিটার বা ১৪৯ গজ দূরে অবস্থিত।
বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার এই ঘটনা ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথাও সামনে এনেছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন একটি মেয়েদের স্কুলে চালানো ওই হামলায় ১৬০ জন নিহত হন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা, হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো বিদেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা এবং ইরানিদের সরকার উৎখাতে উৎসাহিত করাকে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।
অন্যদিকে, মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।
সূত্র : রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ