ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মরিনিওর তিন ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কুপোকাত বার্সা


মরিনিওর তিন ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কুপোকাত বার্সা

লোকে বলে এল ক্লাসিকো নাকি অত হিসাব-নিকাশের ধার ধারে না। গেল রাতের ম্যাচটা তার দারুণ একটা প্রমাণ দিয়ে গেল।

এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ জিতবে, তা বোধ হয় পাঁড় রিয়াল-ভক্তও ভাবেননি। কিন্তু শেষমেশ হলো সে ‘অভাবনীয়’ ঘটনাটাই। লস ব্ল্যাঙ্কোসরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েছে ন্যু ক্যাম্পে। তুলে নিয়েছে ২-১ গোলের দুর্দান্ত এক জয়।

আর এই দাপুটে জয়ের নেপথ্যে কলকাঠি নেড়েছেন দলটির কোচ জোসে মরিনিও। ম্যাচের আগে আর ম্যাচ চলাকালে তিনি বড় ৩টি সিদ্ধান্ত নেন। দিনশেষে সেগুলোই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হয়ে গেল। খেলার চেহারাটাই বদলে দিল রীতিমতো।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ১: বের্নার্দো সিলভা

এই ম্যাচে কোচ মরিনিও ফিরে গিয়েছিলেন তার ৪ জনের মিডফিল্ডের কৌশলে। যেখানে ডাবল পিভোটে রক্ষণাত্মক ভূমিকায় দেখা গেছে বের্নার্দো সিলভা। এই এক সিদ্ধান্তই রিয়ালের মাঝমাঠে ভারসাম্য নিয়ে এসেছে।

রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর থেকে সিলভাকে কোচ মরিনিও শুরুর একাদশে রেখেছেন মোটে ৪ বার। তাও সেসব ম্যাচে তিনি খেলেছেন আরও বেশি সেন্ট্রাল ভূমিকায়। গেল রাতের মতো রক্ষণাত্মক দায়িত্ব পালন করতে হয়নি। বার্সেলোনার বিপক্ষে সেটাই গছিয়ে দেওয়া হয় তার কাঁধে, সে ভূমিকাতে তিনি শুধু উতরেই যাননি, দলকেও তরিয়ে দিয়েছেন দারুণভাবে। সিলভার মতো একজন টেকনিক্যাল খেলোয়াড়, যিনি আবার রক্ষণকাজটাও সারছেন দুর্দান্তভাবে, এমন একজনের উপস্থিতি দলের ওপরের দিকের খেলোয়াড়দের নির্ভার করে দেয়। রিয়াল মাদ্রিদ বল পায়ে বার্সার বিপক্ষে আরও বেশি সৃজনশীলতা দেখাতে পেরেছে, পেছনে তিনি ছিলেন বলেই তো।

মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ২: প্রেস রেজিস্ট্যান্সি

আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনা প্রেসিং ফুটবল খেলে অভ্যস্ত। সেই বার্সার প্রেসকে হারানোর কার্যকর উপায় এই রাতে বের করে দেখিয়েছেন মরিনিও। রিয়ালের খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষকে নিজেদের দিকে টেনে এনেছে, এরপর বল নিয়ে এগিয়েছে সেই জায়গা দিয়ে, যেখানে বার্সেলোনার রক্ষণে ফাঁকা জায়গা তৈরি হচ্ছিল।

এই বল সার্কুলেশনই বার্সার বিপক্ষে দারুণ কাজে লাগে। কারণ কাতালানরা রক্ষণের পেছনে অনেক বেশি জায়গা রেখে এসেছে সবসময়। এমবাপ্পে ছাড়াও আরও একজন সবসময় লেট রান নিয়েছেন রক্ষণের পেছনের ফাঁকা জায়গায়। ফলে বার্সার রক্ষণকে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফাঁকা মনে হয়েছে গেল রাতে। প্রতি আক্রমণে অন্তত ৪ বার রিয়াল সংখ্যাগত আধিক্য নিয়ে ঢুকেছে বার্সার বিপদসীমায়।

মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ৩: এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা

মরিনিওর শুরুর পরিকল্পনা যেমন ফল এনে দিয়েছে, তেমনি বেঞ্চ থেকে তার পরিবর্তনও ছিল সমান জরুরি। ফ্লিক ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংকে মাঠে এনে মাঝমাঠের দখল নিতে চেয়েছিলেন আরও ভালোভাবে। ফলে একটা সময় মনে হচ্ছিল অন্তত একটা পয়েন্ট নিয়ে বার্সা মাঠ ছাড়ছেই।

আরও পড়ুন: স্টার্কের ছয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চাপে, দিনের শেষে অলআউট

ঠিক তখনই নিজের দ্বিতীয় চালটা দেন মরিনিও। তিনি নামান এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে। তাকে ব্যবহার করা হয়েছে আরও একটু ওয়াইড এরিয়াতে। জয়সূচক গোলে ভূমিকাটা তিনি রেখেছেন ওই ওয়াইড এরিয়াতেই। বেলিংহ্যামের বাড়ানো বল ধরে এগিয়ে গেছেন বার্সা রক্ষণে। সেখানে প্রায় পুরো ম্যাচ নিখুঁত খেলে চলা পাউ কুবারসিকে ধোঁকা দেন দারুণ এক মুভে, শেষমেশ তার বাড়ানো বলটা অনায়াসেই বার্সার জালে জড়ান এমবাপ্পে। কামাভিঙ্গার অবদান পেয়ে যায় তার যথার্থ পুরস্কার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন ৩,৫০০ পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন, ফি ১০০ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ এম


সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন ৩,৫০০ পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন, ফি ১০০ টাকা

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাসের জন্য পর্যটকদের দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। তবে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে পর্যটক ভ্রমণের সময়সূচি ও শর্তাবলী জানিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমন বিষয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দ্বীপটির পরিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটক চলাচল ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত চালু থাকবে। পর্যটকবাহী অনুমোদিত জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে চলাচল অব্যাহত রাখবে।

এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।

পর্যটক পরিবহন ও নৌযান চলাচলসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে। ফলে পর্যটক চলাচলের নতুন সময়সীমা নির্ধারণের পাশাপাশি আগের পরিবেশ সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধিনিষেধও কার্যকর থাকবে।

এদিকে, পর্যটন মৌসুম শুরুর খবরে দ্বীপের বাসিন্দা, হোটেল-রিসোর্ট মালিক, নৌযানসংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধের কারণে পর্যটননির্ভর মানুষের আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছিল। নতুন মৌসুমে পর্যটকদের আগমন তাদের জীবিকায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

পর্যটন খুলে দেওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা আনন্দ মিছিল করেন। তারা জানান, পর্যটকদের সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। "আমরা অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলাম। পর্যটন মৌসুম চালু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি। পর্যটকেরা আনন্দের সঙ্গে দ্বীপে আসতে পারবেন, পাশাপাশি স্থানীয় আমাদের আয়-রোজগারের সুযোগও বাড়বে।"

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম বলেন, "পর্যটন মৌসুম চালু হওয়ায় দ্বীপবাসী অনেক খুশি। গত দুই বছর পর্যটন ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় এখানকার মানুষ অনেক কষ্টে দিন কাটিয়েছেন। দ্বীপের মানুষের জীবিকা মূলত পর্যটননির্ভর। নতুন মৌসুমে পর্যটকদের আগমন তাদের কষ্ট অনেকটা লাঘব করবে বলে আশা করছি। এ সিদ্ধান্তের জন্য সরকারের প্রতি দ্বীপবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।"

টেকনাফ উপজেলা সেক্রেটারি, যুব ও ক্রীড়া বিভাগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বরত আবদুর রহমান নুরী বলেন, "অতীতে কোনো সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ফি নামে কোনো ফি নেওয়ার রেকর্ড নেই। তাই সেন্টমার্টিন পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ জনপ্রতি ১০০ টাকা করে যে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, এ ফি ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব সেন্টমার্টিন ও দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট করতে হবে।"

এই বিষয়ে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশাকে কয়েকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন

বাংলাদেশি ওমরাহ পালনকারীদের শেষ কাফেলার ৪০ সদস্য আজ নিরাপদে দেশে ফিরেছেন, যারা সৌদিতে হামলার কারণে আটকে পড়েছিলেন। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর নির্দেশনায় পরিচালক (হজ) মো. লোকমান হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান।

গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে এসব ওমরাহযাত্রী আটকে পড়েছিলেন। আজ দুপুরে তারা জেদ্দা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ওমরাহযাত্রীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সার্বিক সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

ধর্মমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌদি আরবে অবস্থানরত ওমরাহযাত্রীদের জন্য দুই দিনের আপ্যায়ন ও পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর তাদের আপ্যায়নের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ শহরে পৌঁছানোর জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়।

কাফেলার নেতৃত্বে থাকা মুয়াল্লিম আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী নিয়মিত তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সার্বক্ষণিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, লাগেজ না পাওয়ার কারণে বিপাকে পড়া যাত্রীদের জন্য ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনায় খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর আপ্যায়ন ও সিরাজগঞ্জে নিরাপদে পৌঁছানোর জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করায় তারা ধর্মমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ওমরাহযাত্রীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং আল্লাহর মেহমানদের সেবায় তাকে আরো বেশি কাজ করার তৌফিক দেওয়ার জন্য দোয়া করেন।

এদিকে, ওমরাহযাত্রীরা তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস, মক্কা ও মদিনা হজ মিশন, রাজকীয় সৌদি সরকার এবং সৌদি এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় আহত বাংলাদেশি ওমরাহ কাফেলার সাতজন সদস্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বন্ধ থাকবে দোকানপাট ও মার্কেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বন্ধ থাকবে দোকানপাট ও মার্কেট

ঢাকার বাসিন্দারা বিভিন্ন প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটের উদ্দেশ্যে বের হন। কিন্তু যদি তারা তীব্র যানজটের পর গিয়ে দেখেন যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাবে। তাই সোমবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জানা প্রয়োজন।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলানগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।

অর্ধদিবস বন্ধ যেসব মার্কেট

পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ থেকে কক্সবাজারে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে মহানগর এক্সপ্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ এম


আজ থেকে কক্সবাজারে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে মহানগর এক্সপ্রেস

ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে আন্ত নগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস। নতুন রুটে চলাচল শুরু হবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে। একই সঙ্গে কার্যকর হবে ট্রেনটির নতুন সময়সূচি। এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ট্রেনটি রাত ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর রাত ৩টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

ফিরতি পথে, কক্সবাজার থেকে ট্রেনটি সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

এতদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় এসব স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুবিধা পেতেন না। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন রুট চালু হলে মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীদের ভ্রমণ আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি রেলওয়ের আয়ও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসে থাকবে ১৬টি কোচ। ট্রেনটিতে আসনসংখ্যা হবে ৭০৬ থেকে ৭৩৬টি। প্রতি সপ্তাহের রবিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে সূত্র। গত ১৬ অক্টোবর থেকে এই রুটের টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে।

নতুন এই পরিষেবা চালু হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের জন্য কক্সবাজার যাতায়াত আরো সহজ ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%