ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই দশক পর উর্মিলা-রামগোপাল ভার্মার ‘গোপন বিয়ের’ সংবাদ প্রকাশ করলেন সাংবাদিক


দুই দশক পর উর্মিলা-রামগোপাল ভার্মার ‘গোপন বিয়ের’ সংবাদ প্রকাশ করলেন সাংবাদিক

নব্বইয়ের দশকে বলিপাড়ার একটি আলোচিত ও চর্চিত জুটি হিসাবে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা রামগোপাল ভার্মা এবং অভিনেত্রী উর্মিলা মাতোন্ডকর পরিচিত ছিলেন। তাদের কর্মক্ষেত্রের সম্পর্ক পেরিয়ে প্রেমের গুঞ্জন দীর্ঘকাল ধরেই হিন্দি সিনেমা জগতে ভেসে বেড়িয়েছে। যদিও সেই পুরোনো অধ্যায় ঘিরে এবার এক বিস্ফোরক দাবি সামনে এসেছে।

এক প্রবীণ চিত্রসাংবাদিক দাবি করেছেন, প্রেম চলাকালীন সময়েই গোপনে বিয়ে করেছিলেন রামগোপাল ভার্মা ও উর্মিলা মাতোন্ডকর। দুই দশকেরও বেশি সময় পর এই নতুন জল্পনা সামনে আসার পর বিনোদন জগতে বিষয়টি নিয়ে আবারও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয় ইউটিউবার সিদ্ধার্থ কান্নানের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রবীণ চলচ্চিত্র সাংবাদিক জ্যোতি ভেঙ্কটেশ এই চাঞ্চল্যকর দাবিটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, দক্ষিণী মেগাস্টার চিরঞ্জীবী তাকে প্রথম এই গোপন বিয়ের খবরটি জানিয়েছিলেন। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘জেন্টলম্যান’ সিনেমার সেটে চিরঞ্জীবীর সঙ্গে যখন তার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তখন অভিনেতা তাকে বলেছিলেন, ‘জ্যোতি, সাংবাদিক হিসেবে তুমি তো সব বিষয়েই লেখো, কিন্তু রামগোপাল ভার্মার সঙ্গে উর্মিলার বিয়ের খবরটা কেন লিখলে না?’

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে চুরি হওয়া লাগেজ উদ্ধার, একজন গ্রেফতার

মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর মুখে এমন চমকপ্রদ খবর শুনে সাংবাদিক জ্যোতি ভেঙ্কটেশ বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার সত্যতা যাচাই করতে চান। জবাবে চিরঞ্জীবী জানান, অন্ধ্রপ্রদেশের একটি মন্দিরে অত্যন্ত গোপনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিল। এমনকি যিনি ওই বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন, তার মোবাইল নম্বরও সাংবাদিককে দেন চিরঞ্জীবী।

তবে খবরটি পত্রিকায় প্রকাশ করার আগে সত্যতা যাচাই করতে সরাসরি অভিনেত্রী উর্মিলা মাতোন্ডকরকে ফোন করেন জ্যোতি ভেঙ্কটেশ। সাংবাদিকের দাবি অনুযায়ী, বিয়ের খবরের কথা শুনতেই ফোনে কান্নায় ভেঙে পড়েন উর্মিলা। কান্নাভেজা কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ‘আপনি আমার সম্পর্কে এমন খবর কীভাবে লিখতে পারেন? আমি যখন থেকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছি, তখন থেকেই তো আপনি আমাকে চেনেন ও জানেন।’ অন্যদিকে, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য রামগোপাল ভার্মার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পরিচালক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না।

সাক্ষাৎকারে তাদের বিচ্ছেদের পেছনের সম্ভাব্য কারণ নিয়েও আলোকপাত করেছেন জ্যোতি ভেঙ্কটেশ। তার ভাষ্যমতে, উর্মিলা মাতোন্ডকর রামগোপাল ভার্মার সঙ্গে আইনি ও সামাজিকভাবে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে রামগোপাল ভার্মা অধিকার নিতে বা সেই বড় পদক্ষেপটি নিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না। আর এই মতপার্থক্য ও অনিশ্চয়তার কারণেই শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের ইতি ঘটে।

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে ২০০০ সালের শুরুর দিকে রামগোপাল ভার্মা ও উর্মিলা মাতোন্ডকর একসঙ্গে বেশ কয়েকটি কালজয়ী ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। ‘রঙ্গিলা’, ‘দৌড়’, ‘সত্যা’ এবং ‘প্যায়ার তুনে ক্যায়া কিয়া’-এর মতো দর্শকনন্দিত সিনেমাগুলো তাদের রসায়নেই পূর্ণতা পেয়েছিল। পেশাগত সাফল্যের সময়েই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে গুঞ্জন জোরালো হয়ে ওঠে। তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, তাদের সম্পর্ক শুধু কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, যার প্রভাব পরবর্তীতে রামগোপাল ভার্মার সঙ্গে তার স্ত্রী রত্না ভার্মার সম্পর্কের ওপরও পড়েছিল।

আরও পড়ুন: বিএনপির এমপির ফুলেল শুভেচ্ছা, সাধারণ সম্পাদককে শোকজ

পরবর্তীতে নিজের আত্মজীবনী ‘গানস অ্যান্ড থাইস: দ্য স্টোরি অব মাই লাইফ’-এ উর্মিলার প্রতি তার মুগ্ধতার কথা খোলামেলাভাবেই স্বীকার করেছিলেন রামগোপাল ভার্মা। বইটির ‘উইমেন ইন মাই লাইফ’ নামের একটি বিশেষ অধ্যায় তিনি উৎসর্গ করেছিলেন উর্মিলার নামে। সেখানে আরজিবি লিখেছিলেন যে, উর্মিলার অপরূপ সৌন্দর্য তাকে গভীরভাবে মোহাবিষ্ট করেছিল এবং সেই বিশেষ মুগ্ধতা থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়ে তিনি ‘রঙ্গিলা’ চলচ্চিত্রে উর্মিলাকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার জন্য আমেরিকানদের প্রস্তুতি এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ এম


মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার জন্য আমেরিকানদের প্রস্তুতি এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নজিরবিহীন মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার চরম আশঙ্কার মুখে, গোটা অঞ্চলজুড়ে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনে দ্রুত স্থান ত্যাগ অথবা দেশ ছাড়তে প্রস্তুত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের নতুন সামরিক হামলা চালাতে পারে—এমন খবরের পরেই শনিবার (১ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এই নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের ফ্লাইট বাতিল, সাময়িক আকাশসীমা বন্ধ এবং ভ্রমণের মারাত্মক বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের নির্দেশনায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ এর বাইরের বিভিন্ন মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরান এবং তার সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্রগোষ্ঠী পুরো বিশ্বজুড়ে আমেরিকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থান বা মার্কিন নাগরিকদের ওপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকানদের চরম সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তাদের দেশ ত্যাগ করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত অথবা দ্রুত চলে যাওয়ার প্রস্তুত থাকা উচিত। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে অবস্থানরত যেসব নাগরিক এই অঞ্চলে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের সফর পুনর্বিবেচনা করার জন্য কড়া পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো একযোগে এই জরুরি নিরাপত্তা সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করে নিজেদের নাগরিকদের আকস্মিক সামরিক উত্তেজনার বিষয়ে সতর্ক করেছে। এর আগে তেহরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য দায়ী করে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতা করা যেকোনো আঞ্চলিক রাষ্ট্র যুদ্ধের আগুনে ঝলসে যাবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে তীব্র হামলার নির্দেশ দিতে পারেন।

মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ বোমারু হামলার পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার ট্রাম্পের ক্যাবিনেট বৈঠকেও এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। যদিও হোয়াইট হাউসের কিছু শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা এই ধরনের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, 'আমরা তাদের (ইরানিদের) ওপর খুব কঠিন আঘাত হানব এবং একপর্যায়ে তারা বাধ্য হয়ে বলবে যে আমরা আর এটা সহ্য করতে পারছি না।'

এর আগে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী কঠোর পাল্টা হামলা সম্পন্ন করার কথা জানায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করে যে, তারা ইরানের ইসলামি রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ডজনখানেক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে, মার্কিন সেই হামলায় দুই বছরের এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। কয়েক দিনের আপেক্ষিক শান্তির পর চলতি সপ্তাহে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ইরাকে অবস্থানরত ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে যৌথ সামরিক হামলা চালায়।

গত ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ থেকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রত্যক্ষ যুদ্ধ শুরু হয়। কয়েক মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর এপ্রিলে একটি অস্ত্রবিরতি হলেও জুনে তা ভেস্তে যায়। এরপর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করে বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে বোমা বর্ষণ করছে, অন্যদিকে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সম্পত্তি ও হরমুজ প্রণালির বাণিজ্যিক জাহাজে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মস্কোর রেস্তোরাঁর গেটে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিরাপত্তা কর্মী সহ নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ এম


মস্কোর রেস্তোরাঁর গেটে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিরাপত্তা কর্মী সহ নিহত ৩

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কেন্দ্রস্থলের কাছে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁয় এক নারীর আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিরাপত্তাকর্মী ও দর্শনার্থীসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায়, রুশ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সূত্রে জানানো হয়েছে, আরও অন্তত ২১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার রাতের আনুমানিক ৮টার দিকে শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা কুধরিনস্কায়া স্কয়ারের কাছে এই ঘটনা ঘটে।

রাশিয়ার ন্যাশনাল অ্যান্টি-টেররিজম কমিটি (এনএকে) নিশ্চিত করেছে যে, হামলাকারী নারী একটি হাতে তৈরি বিস্ফোরক ডিভাইস (আইইডি) নিয়ে রেস্তোরাঁয় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু, প্রবেশদ্বারে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মী তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেন। বাধা পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সেই নারী রেস্তোরাঁর বাইরেই নিখুঁতভাবে নিজের শরীরে থাকা বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটান। বিস্ফোরণের শক্তি এতটাই তীব্র ছিল যে, রেস্তোরাঁর নিরাপত্তাকর্মী এবং কাছাকাছি অবস্থানরত এক দর্শনার্থী ঘটনার স্থলেই প্রাণ হারান, এবং আত্মঘাতী হামলাকারী নিজেও ছিন্নভিন্ন হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় রেস্তোরাঁটিতে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান বা প্রাইভেট পার্টি চলছিল। বিস্ফোরণে বিকট শব্দের সৃষ্টি হলে চারদিকে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখতে পান যে, ভেতরে থাকা মানুষ রক্তে ভেসে যাচ্ছে এবং পরে উদ্ধারকারীরা তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।

বিস্ফোরণের পরপরই প্রাথমিক খবরে জানানো হয়েছিল যে, দুর্ঘটনাটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘরের ভেতর ঘটেছে। কিন্তু পরে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানায় যে, রেস্তোরাঁর ভেতরের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল এবং যা ঘটেছিল তা সম্পূর্ণ বাইরের নিরিখে সংঘটিত হয়েছে।

ঘটনার পরপরই কুধরিনস্কায়া স্কয়ারের চারপাশের প্রধান সড়কগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। ওই রাতে শহরের মধ্যে একটি নাইট সাইকেল রাইডের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশ নিতে আসা অনেক সাইক্লিস্ট জড়ো হচ্ছিলেন। কিন্তু বিস্ফোরণের ভয়াবহতার কারণে সেই অনুষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়।

রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ-এর প্রকাশিত ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, ভারী অস্ত্রে সজ্জিত আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং ভারী নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে পুরো এলাকাটি সাধারণ মানুষের জন্য অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উগান্ডার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেতানিয়াহুর বড় ভাইয়ের ভাস্কর্য উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ এম


উগান্ডার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেতানিয়াহুর বড় ভাইয়ের ভাস্কর্য উন্মোচন

উগান্ডার ঐতিহাসিক পুরোনো এনটেবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বড় ভাই লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইয়োনাতান ‘ইয়োনি’ নেতানিয়াহুর একটি পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালে এনটেবে বিমানবন্দরে জিম্মি উদ্ধার অভিযানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ)-এর এলিট ফোর্সের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ঠিক যে স্থানে তিনি নিহত হয়েছিলেন, সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) আয়োজিত এক আবেগঘন অনুষ্ঠানে উগান্ডার সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা উপস্থিত থেকে ভাস্কর্যটির পর্দা উন্মোচন করেন এবং এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা বলেন, ১৯৭৬ সালের ৪ জুলাই এনটেবে অভিযানের সময় সাহসিকতা, কর্তব্যপরায়ণতা ও নিঃস্বার্থ সেবার অনন্য প্রতীক হয়ে ওঠা ইসরায়েলি উদ্ধারকারী দলের বীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইয়োনি নেতানিয়াহুর এই স্মৃতিস্তম্ভ উন্মোচনে এই ঐতিহাসিক স্থানে উপস্থিত হতে পেরে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ও গর্বিত বোধ করছেন। এ সময় ঐতিহাসিক এই ঘটনায় প্রাণ হারানো সাধারণ জিম্মিদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন উগান্ডার সেনাপ্রধান।

জিন-জ্যাক মাইমোনি, পাসকো কোহেন, ইদা বোরোচোভিচ এবং ডোরা ব্লচ নামের নিহত চার জিম্মির নাম উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, সেই করুণ ঘটনায় জীবন হারানো নিরপরাধ জিম্মিদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং তাদের স্মৃতি এই ভাবগম্ভীর ইতিহাসের এক অপরিহার্য অংশ। তিনি বলেন, উগান্ডা ও ইসরায়েলের মধ্যকার বন্ধুত্ব কেবল ১৯৭৬ সালের ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বহু বছর ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বাস্তবিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে।

বিশেষ এই স্মারক তৈরির প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল এই বছরের শুরুর দিকে, যখন উগান্ডার সেনাপ্রধান ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ইওয়েরি মুসেভেনির ছেলে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা ঘোষণা দেন যে ইয়োনি নেতানিয়াহু যেখানে নিহত হয়েছিলেন ঠিক সেই স্থানে তার একটি মূর্তি স্থাপন করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এবং পরবর্তীতে মুছে ফেলা এক পোস্টে সেনাপ্রধান দাবি করেছিলেন, এই ভাস্কর্য নির্মাণের পেছনে তার এক ঐশ্বরিক দর্শন ও অনুপ্রেরণা রয়েছে। তিনি লিখেছিলেন, গত চার বছর ধরে তার ঈশ্বর স্বপ্নে আবির্ভূত হয়ে এন্টেবেতে ইয়োনি নেতানিয়াহুর স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বিশ্বকে ভয় না পাওয়ার বার্তা দিয়েছেন।

১৯৭৬ সালের সেই বিশ্ব আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল যখন তেল আবিব থেকে প্যারিসগামী ২৪৬ জন যাত্রী বহনকারী এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমান এথেন্সে যাত্রাবিরতির পর ছিনতাই হয়েছিল। পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন এবং জার্মানির রেভোলিউশনারি সেলসের যৌথ হাইজ্যাকার দলটি বিমানটিকে উগান্ডায় নিয়ে যায়। সেখানে তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক ইদি আমিন বিমান ছিনতাইকারীদের আশ্রয় দেন এবং তারা ৫ মিলিয়ন ডলার মুক্তিপণ ও ৫৩ জন ফিলিস্তিনপন্থী বন্দির মুক্তির দাবি জানায়। বিমানবন্দরে অবতরণের পর ছিনতাইকারীরা ইসরায়েলি ও ইহুদি যাত্রীদের পৃথক করে দেয় এবং বাকিদের দুই দিন ধরে ধাপে ধাপে মুক্তি দেয়।

বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ পর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর চারটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে এনটেবে বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অত্যন্ত দুঃসাহসিক ও নাটকীয় সেই উদ্ধার অভিযান মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। অভিযানে ছিনতাইকারীদের কবল থেকে অধিকাংশ জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও চারজন জিম্মি এবং আইডিএফ ফোর্সের একমাত্র সামরিক সদস্য হিসেবে কমান্ডার ইয়োনি নেতানিয়াহু নিহত হন। ৫০ বছর পর সেই ঐতিহাসিক এনটেবে অভিযানের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে উগান্ডা সরকারের উদ্যোগে এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুধু রিলসে ক্ষমা করবেন, নাকি মামলাও তুলবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ এম


শুধু রিলসে ক্ষমা করবেন, নাকি মামলাও তুলবেন

দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের মাঝে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কটুভাষা ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করার আহ্বান জানিয়ে প্রচারিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও বার্তা নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী যখন ভিডিওর মাধ্যমে কিশোরদের ক্ষমা করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন, তখন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন—এই মানবিক ক্ষমা প্রদর্শন কি শুধু ভিডিও রিলস হাসিল করার কৌশল, নাকি প্রকৃতপক্ষে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আইনি মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হবে?

শুক্র ও শনিবার প্রকাশিত মোদির সেলফি-স্টাইলের ভিডিওর প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দীপকে লেখেন, ‘বন্ধু, শুধু রিলেই ক্ষমা করবেন, নাকি মামলাও প্রত্যাহার করে নেবেন?’

ঘটনার সূত্রপাত দিল্লির যন্তর মন্তরে পরীক্ষা-সংক্রান্ত সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের সময়। বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে গালাগাল ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে নয়ডার এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার মোদি নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আজ আমার শুধু আপনাদের সঙ্গে কিছু কথা বলতে ইচ্ছে করছে। যন্তর মন্তরে কী ঘটেছে তা দেশ ও বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিশু অত্যন্ত অশালীন ও কটুভাষা ব্যবহার করেছে, যা কোনো সভ্য সমাজের সঙ্গে মানানসই নয়। আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গালি দেওয়া হয়েছে, এমনকি আমার প্রয়াত মাকেও গালিগালাজ করা হয়েছে। এটি সত্যিই এক জঘন্য দৃশ্য ছিল।

নিজের ভিডিও বার্তায় মোদি এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রকাশ পাওয়ার বিষয়টিকে স্বীকৃতি দিলেও তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেসব তরুণ ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে, তাদের স্থায়ীভাবে দায়ী না করে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া উচিত। তিনি দীর্ঘমেয়াদি আইনি পদক্ষেপ বা সামাজিকভাবে কাউকে একঘরে করে রাখার বিপক্ষে মত ব্যক্ত করেন। মোদি আরও যোগ করেন, তাদের শাস্তি দেওয়া, আদালতের চত্বরে টানটান করা কিংবা সমাজে হয়রানি করা—এর কোনোটিই পরিস্থিতির পরিবর্তন আনবে না। আমি তাদের ক্ষমা করে দিতে চাই। সমাজেরও উচিত এই বিষয়টি মেনে নেওয়া। ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

তবে মোদির এই সহানুভূতির বার্তাকে সস্তা প্রচার বলে অভিহিত করে কঠোর সমালোচনা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপ অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন এখানে আইনের দ্বিমুখী নীতি প্রয়োগ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বিজেপিকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, শুধু গালি দেওয়ার অভিযোগে যদি মামলা করা হয়, তবে বিজেপির আইটি সেলের যেসব সদস্য বিগত বহু বছর ধরে অনলাইনে নারীদের নিয়ে কটুভাষা ব্যবহার করে আসছে, তাদের বিরুদ্ধে কখন মামলা হবে? তিনি দাবি করেন, বিজেপির সঙ্গে যুক্ত একাধিক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত নারীদের অসম্মানজনক ভাষায় আক্রমণ করে এবং তারা নিজেদের বায়োতে সগর্বে ‘ফলোড বাই পিএম মোদি’ লিখে রাখে। তাদের বিরুদ্ধে কি কোনো মামলা দায়ের হবে?

ভিডিও বার্তার সঙ্গে দেওয়া পোস্টে দলটি সরাসরি প্রশ্ন তোলে, বহু বছর ধরে নারীদের উদ্দেশে গালিগালাজ ছড়ানো আইটি সেলের সদস্যদের বিরুদ্ধেও পুলিশ কি এফআইআর বা মামলা দায়ের করবে? দীপকের মতে, অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য বা বাদানুবাদের ঘটনাকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে তাৎক্ষণিক মামলা দেওয়া উচিত নয়। তিন বলেন, কটুভাষার অপরাধে যদি আইনি পদক্ষেপ নিতেই হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি মামলা হওয়া উচিত বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং তাদের আইটি সেলের বিরুদ্ধে, কারণ তাদের নেতারাও বহু বছর ধরে এমনকি ভারতের জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরেও অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করেছেন।

উল্লেখ্য, মোদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নিয়ে অভিজিৎ দীপকের পাশাপাশি সমালোচনা নতুন নয়। এর আগে বৃহস্পতিবার পরীক্ষা-সংক্রান্ত নতুন গৃহীত প্রশ্নফাঁসবিরোধী আইন তুলে ধরে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, যা পরীক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে দাবি করা হয়। সেই ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে দীপকে কটাক্ষ করে লিখেছিলেন, ‘দেশের ভবিষ্যতের চেয়েও আপনার গায়ের চামড়া বেশি উজ্জ্বল।’

সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক ও সাইবার অঙ্গনে বর্তমানে তর্ক-বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%