মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা
০৬:৪৫ পি.এম
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় "জিয়া পরিষদ" এর কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। অধ্যক্ষ মোঃ অলিউল ইসলামকে সভাপতি, মোঃ নুরুজ্জামান পাড়কে সাধারণ সম্পাদক, হাফিজুর রহমান শিমুল সাংগঠনিক সম্পাদক ও মীর জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক করে মোট ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন-২৬) সকালে সাতক্ষীরা জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড় ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান মনি স্বাক্ষরিত কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক, সহ সভাপতি মোঃ জেহের আলী, সহ সভাপতি প্রভাষক আওছাফুর রহমান, সহ সভাপতি মোঃ খালিদ বিন আজিজ হিটলার, সহ সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান হবি, সহ সভাপতি মারুফ মুন্নুন দোলন, সহ সভাপতি মহিউদ্দীন গাজী। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাবিবুল্লাহ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টোকন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আমিনুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম জাহিদুর রহমান জাহিদ, দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সহ দপ্তর সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোড়ল, সহ প্রচার সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক এনাম, সহ অর্থ বিষয়ক গাজী জাহাঙ্গীর কবীর, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, সহ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক এস এম আহম্মদ উল্যাহ বাচ্ছু, সমাজ কল্যান সম্পাদক মীর জাহাঙ্গীর হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ শাহিন কবীর, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ শেখ গোলাম মোস্তফা, ক্রীড়া সম্পাদক মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ঢালী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক রীনা পারভীন, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিসেস সুফিয়া ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে শহিদুল ইসলাম সরদার, আবুল কালাম আজাদ, সাইফুল্যাহ, হাফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মাহবুবর রহমান কুদ্দুস, মাষ্টার মিজানুর রহমান, হোসেন আলী সরদার, মাষ্টার সাইদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, আনছার আলী গাজী, ইয়াছিন আরাফাত, মাহবুব রহমান, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মান্নান, কাজী খবির উদ্দীন ও আবুল হোসেন। উল্লেখিত কমিটি আগামী দুই বছর মেয়াদে দলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি পালন, উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে উপজেলা এলাকার জনগনের কল্যাণে পাশে থাকতে হবে। বিশেষ দ্রষ্টব্য এই যে, অদ্য হতে জিয়া পরিষদের বিগত কালিগঞ্জ উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ২ হাজার ৭০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) দুপুরের সময় সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতেই সরকারের এ প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সালমা সুলতানা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল মাহমুদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন এবং সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৭০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০ জন কৃষককে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, ৭০০ জনকে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, ২৯০ জনকে বৃক্ষের চারা, ৭০ জনকে গ্রীষ্মকালীন হাইব্রিড মরিচের বীজ এবং ৩৫ জনকে হাইব্রিড লেবুর চারা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে জিরো থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আশা করা যায়, ১৫ বা ২০ বছর পরে হলেও বাংলাদেশের ফুটবল বিশ্বসভায় জায়গা করে নেবে।’ রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমির মিলনায়তনে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬-এ প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে যারা বড় ভূমিকা রাখছেন ৩০০ ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে তাদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ক্রীড়া কার্ড আরো ২০০ বাড়িয়ে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে।’ কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খেলায় কৃতিত্বের সাক্ষর রাখায় ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী একাডেমির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে জাতীয় পুরুষ বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২৬-এর সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রায় এক যুগ আগে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ছবির দৃশ্য নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী এবং বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রিভলবার রানি’ সিনেমায় তাঁর এবং অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাসের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল।
সম্প্রতি এই দৃশ্য নিয়ে এক সাংবাদিক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে দাবি করেছেন, সিনেমার একটি চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুম্বন করতে থাকেন। এমনকি দাবি করা হয়েছে যে, এতে অভিনেতার ঠোঁট কেটে রক্তও বের হয়েছিল।
পডকাস্টে সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে।’ কঙ্গনার ‘রিভলবার রানি’ সিনেমার একটি দৃশ্যে তাঁকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দৃশ্য শেষ হওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছেন।
তবে এই দাবি সিমি চান্দোকের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ঘটনাটির পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া কঙ্গনা রানাউত কিংবা বীর দাস—কেউই নতুন করে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
তবে এই বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালেও একই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ পোস্টের সঙ্গে হাসি, জিভ বের করা এবং ফেসপাম ইমোজিও যুক্ত করেছিলেন তিনি। কঙ্গনার ওই প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট, তিনি অভিযোগটিকে গুরুত্ব না দিয়ে রসিকতার সুরেই উড়িয়ে দিয়েছেন।
কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ সিনেমায়। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। অন্যদিকে বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
“শিকড়ে লেখা ইতিহাস, পাতায় জীবনের গান, শতবর্ষী এই বৃক্ষ আমাদের গর্ব, আমাদের সম্মান।”
প্রকৃতি শুধু মানবজাতিকে অক্সিজেন ও ছায়াই দেয় না, বরং বুকে ধারণ করে রাখে শতাব্দীর ইতিহাসও। আর সেই ইতিহাসেরই এক जीवন্ত মহাকাব্য হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী এক শিমুল-তুলা গাছ, যার বয়স প্রায় ২০০ বছর।
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণবাড়ি এলাকার ঐতিহ্যবাহী 'সরকার বাড়ি'র আঙিনায় অবস্থিত এই বিশাল বৃক্ষটি এখন ওই অঞ্চলের একটি অনন্য গৌরব।
প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ঋতু পরিবর্তন, ঝড়-ঝঞ্ঝা, খরা আর প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে অটল দাঁড়িয়ে আছে এই গাছটি। এর বিশাল কাণ্ড, আকাশছোঁয়া উচ্চতা এবং চারদিকে বিস্তৃত ডালপালা যেন প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি।
যা দূর থেকেই পথচারীদের মুগ্ধ করে।
প্রতি বছর বসন্তের আগমনীতে এই শিমুল-তুলা গাছটি এক অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়। পাতাঝরা ডালে ডালে ফোটে টকটকে লাল রঙের দৃষ্টিনন্দন ফুল।
ফুল ঝরে যাওয়ার পর যখন ফল পরিপক্ব হয়, তখন ভেতর থেকে বের হওয়া সাদা তুলা বাতাসে ভেসে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
গ্রামীণ প্রকৃতির এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে এবং আলোকচিত্র ধারণ করতে প্রতি বছরই দূর-দূরান্ত থেকে বহু প্রকৃতিপ্রেমী, ভ্রমণপিপাসু ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।
স্থানীয় প্রবীণদের মতে, বহু বছর ধরে এই গাছের ছায়ায় গ্রামের মানুষ বিশ্রাম নিয়েছেন, আড্ডা দিয়েছেন এবং নানা সামাজিক মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়েছে এই প্রাচীন বৃক্ষ।
এটি কেবল একটি গাছ নয়, বরং ব্রাহ্মণবাড়ি এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক।
তবে গাছটি দেখতে আসা পর্যটকদের জন্য অন্যতম প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই এলাকার অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
সরকার বাড়ির উত্তরসূরী উত্তম সরকার এই প্রতিবেদককে জানান:
"আমাদের এই গাছটির বয়স প্রায় ২০০ বছর।
এটি দেখতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, এমনকি দেশের বাইরে থেকেও পর্যটকরা আসেন।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় দর্শনার্থীদের আসার পথে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়।
ঐতিহ্যবাহী এই গাছটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।"
একটি শতবর্ষী গাছ কেবল একটি বৃক্ষ নয়; এটি একটি অঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি, পরিবেশ এবং মানুষের স্মৃতির অমূল্য সম্পদ।
এমন গাছ হারিয়ে গেলে গ্রামীণ ইতিহাসের একটি বড় অধ্যায় বিলীন হয়ে যাবে।
স্থানীয় সচেতন মহল, পরিবেশবাদী এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে যেন—এই প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন শিমুল-তুলা গাছটিকে 'সংরক্ষিত ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
একই সাথে এর প্রয়োজনীয় পরিচর্যা, নিরাপত্তা এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন করা জরুরি।
সর্বোপরি, গাছ বাঁচলে বাঁচবে প্রাণ।
প্রকৃতির এই অমূল্য দানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে টিকিয়ে রাখতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দর্শনার্থী ও স্থানীয় প্রশাসনকে এখনই এগিয়ে আসতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ