ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০ বছর পর হলেও বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বসভায় স্থান পাবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


২০ বছর পর হলেও বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বসভায় স্থান পাবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে জিরো থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আশা করা যায়, ১৫ বা ২০ বছর পরে হলেও বাংলাদেশের ফুটবল বিশ্বসভায় জায়গা করে নেবে।’ রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমির মিলনায়তনে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬-এ প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে যারা বড় ভূমিকা রাখছেন ৩০০ ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে তাদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ক্রীড়া কার্ড আরো ২০০ বাড়িয়ে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে।’ কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খেলায় কৃতিত্বের সাক্ষর রাখায় ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী একাডেমির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে জাতীয় পুরুষ বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২৬-এর সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা!

প্রায় এক যুগ আগে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ছবির দৃশ্য নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী এবং বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রিভলবার রানি’ সিনেমায় তাঁর এবং অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাসের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল।

সম্প্রতি এই দৃশ্য নিয়ে এক সাংবাদিক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে দাবি করেছেন, সিনেমার একটি চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুম্বন করতে থাকেন। এমনকি দাবি করা হয়েছে যে, এতে অভিনেতার ঠোঁট কেটে রক্তও বের হয়েছিল।

পডকাস্টে সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে।’ কঙ্গনার ‘রিভলবার রানি’ সিনেমার একটি দৃশ্যে তাঁকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দৃশ্য শেষ হওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছেন।

তবে এই দাবি সিমি চান্দোকের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ঘটনাটির পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া কঙ্গনা রানাউত কিংবা বীর দাস—কেউই নতুন করে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

তবে এই বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালেও একই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।Kangana Ranaut-Vir Das' bloody kiss in 'Revolver Rani' (view pics) |  Bollywood News – India TV

তিনি লেখেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ পোস্টের সঙ্গে হাসি, জিভ বের করা এবং ফেসপাম ইমোজিও যুক্ত করেছিলেন তিনি। কঙ্গনার ওই প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট, তিনি অভিযোগটিকে গুরুত্ব না দিয়ে রসিকতার সুরেই উড়িয়ে দিয়েছেন।

কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ সিনেমায়। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। অন্যদিকে বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের জীবন্ত মহাকাব্য: বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠীর প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন শিমুল-তুলা গাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


ইতিহাসের জীবন্ত মহাকাব্য: বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠীর প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন শিমুল-তুলা গাছ

“শিকড়ে লেখা ইতিহাস, পাতায় জীবনের গান, শতবর্ষী এই বৃক্ষ আমাদের গর্ব, আমাদের সম্মান।”

প্রকৃতি শুধু মানবজাতিকে অক্সিজেন ও ছায়াই দেয় না, বরং বুকে ধারণ করে রাখে শতাব্দীর ইতিহাসও। আর সেই ইতিহাসেরই এক जीवন্ত মহাকাব্য হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী এক শিমুল-তুলা গাছ, যার বয়স প্রায় ২০০ বছর।

বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণবাড়ি এলাকার ঐতিহ্যবাহী 'সরকার বাড়ি'র আঙিনায় অবস্থিত এই বিশাল বৃক্ষটি এখন ওই অঞ্চলের একটি অনন্য গৌরব।

প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ঋতু পরিবর্তন, ঝড়-ঝঞ্ঝা, খরা আর প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে অটল দাঁড়িয়ে আছে এই গাছটি। এর বিশাল কাণ্ড, আকাশছোঁয়া উচ্চতা এবং চারদিকে বিস্তৃত ডালপালা যেন প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি।

যা দূর থেকেই পথচারীদের মুগ্ধ করে।

প্রতি বছর বসন্তের আগমনীতে এই শিমুল-তুলা গাছটি এক অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়। পাতাঝরা ডালে ডালে ফোটে টকটকে লাল রঙের দৃষ্টিনন্দন ফুল।

ফুল ঝরে যাওয়ার পর যখন ফল পরিপক্ব হয়, তখন ভেতর থেকে বের হওয়া সাদা তুলা বাতাসে ভেসে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রামীণ প্রকৃতির এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে এবং আলোকচিত্র ধারণ করতে প্রতি বছরই দূর-দূরান্ত থেকে বহু প্রকৃতিপ্রেমী, ভ্রমণপিপাসু ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, বহু বছর ধরে এই গাছের ছায়ায় গ্রামের মানুষ বিশ্রাম নিয়েছেন, আড্ডা দিয়েছেন এবং নানা সামাজিক মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়েছে এই প্রাচীন বৃক্ষ।

এটি কেবল একটি গাছ নয়, বরং ব্রাহ্মণবাড়ি এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক।

তবে গাছটি দেখতে আসা পর্যটকদের জন্য অন্যতম প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই এলাকার অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।

সরকার বাড়ির উত্তরসূরী উত্তম সরকার এই প্রতিবেদককে জানান:

"আমাদের এই গাছটির বয়স প্রায় ২০০ বছর।

এটি দেখতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, এমনকি দেশের বাইরে থেকেও পর্যটকরা আসেন।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় দর্শনার্থীদের আসার পথে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়।

ঐতিহ্যবাহী এই গাছটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।"

একটি শতবর্ষী গাছ কেবল একটি বৃক্ষ নয়; এটি একটি অঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি, পরিবেশ এবং মানুষের স্মৃতির অমূল্য সম্পদ।

এমন গাছ হারিয়ে গেলে গ্রামীণ ইতিহাসের একটি বড় অধ্যায় বিলীন হয়ে যাবে।

স্থানীয় সচেতন মহল, পরিবেশবাদী এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে যেন—এই প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন শিমুল-তুলা গাছটিকে 'সংরক্ষিত ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

একই সাথে এর প্রয়োজনীয় পরিচর্যা, নিরাপত্তা এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন করা জরুরি।

সর্বোপরি, গাছ বাঁচলে বাঁচবে প্রাণ।

প্রকৃতির এই অমূল্য দানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে টিকিয়ে রাখতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দর্শনার্থী ও স্থানীয় প্রশাসনকে এখনই এগিয়ে আসতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেলিংহ্যামের জাদুর সাহায্যে পানামাকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এই জয় তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছে এবং নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে হ্যারি কেইনরা। নকআউট পর্বে ইংল্যান্ড ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে। এছাড়া, এই ম্যাচে অংশ নিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য বিশ্বকাপ ইতিহাসে একটি অনন্য নজির গড়েছেন জর্ডান হেন্ডারসন।

এই ফুটবলার দেশের হয়ে চারটি ফিফা বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম ফুটবলার হিসেবে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন। বর্তমানে, তিনি ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার প্রিমিয়ার লিগে ব্রেন্টফোর্ডের হয়ে খেলছেন। এদিকে, ইস্ট রাদারফোর্ডের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পানামার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ‘গ্রুপ এল’-এর ম্যাচে ৮৪তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন।

২০১৯-২০ মৌসুমে লিভারপুলকে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতানোর সময় দলের নেতৃত্ব দেওয়া হেন্ডারসন এর আগে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ইংলैंडের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পানামার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল 'থ্রি লায়ন্স'-এর হয়ে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ অভিযান।

সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ফিফা বিশ্বকাপ আসরে অংশগ্রহণের রেকর্ডটি যৌথভাবে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির মনজনে। এই দুই কিংবদন্তিই ছয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এদিকে, হ্যারি কেইনও এই ম্যাচে অংশ নিয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনি এখন ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা। বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলা ৩২ বছর বয়সী এই ইংলিশ স্ট্রাইকার ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন।

পানামার বিপক্ষে এই গোলের মাধ্যমে তার বিশ্বকাপে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১-তে। এর ফলে, গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে তিনি টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন। গ্যারি লিনেকার ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে মোট ১২টি ম্যাচ খেলে ১০টি গোল করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার শ্বশুরবাড়ি পরিদর্শনে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার শ্বশুরবাড়ি পরিদর্শনে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাম্মুর শ্বশুরবাড়িতে উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম সেখানে গিয়েছেন। এ বিষয়ক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের বাসায় নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলম গিয়েছিলেন। মাসুদ আহমদ আব্দুল্লাহ আল সাম্মুর শ্বশুর বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়াও মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাবেক এমপি জিল্লুর রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে কাউন্সিলর মাসুদ আহমদ পরিচিত ছিলেন বলেও জানা গেছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলমের ওই সফরের বিষয়ে কিংবা ছাত্রলীগের নেতার শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া বলেন, "একান্ত ব্যক্তিগত দাওয়াতে এনসিপির নেতারা মাসুক কমিশনারের বাসায় গেছেন। এছাড়া মাসুক কমিশনার আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য বা কর্মী নন। তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় আমাদের খাবার ও পানি দিয়ে সবসময় সহযোগিতা করেছেন।"

জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাশের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, "এ বিষয়ে এনসিপির জেলা কমিটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%