সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৯ পি.এম
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল (সিপিএফ)-এর মুনাফার হার নির্ধারণ করেছে।
সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতির জন্য মুনাফার হার পূর্বের অবস্থানেই রাখা হয়েছে। তবে, জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ নাহিদুল করিম।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার ১৩ শতাংশ হবে। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির জন্য ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব স্থিতির ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রদান করা হবে। এই হারগুলো আগের অর্থবছরের মতোই রয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার উপরও সংশ্লিষ্ট স্তরের ভিত্তিতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদায় ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ১৫ লাখ টাকার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে, নতুন অর্থবছরে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদার মুনাফার হার এক শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে গেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ ভবিষ্য তহবিল ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের জন্য নির্ধারিত এই হারগুলো ১৯৭৯ সালের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২(১) বিধি এবং ১৯৭৯ সালের প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২ বিধির আওতায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সব প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলভুক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা সমান নয়। স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধানের আলোকে ছকে নির্ধারিত স্তরভিত্তিক হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ মোট ৬ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
২০২৪ এবং ২০২৫ সালে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাজীব দাস এবং সাবেক পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ঘটে যাওয়া জোড়া খুনের ঘটনার আগে, ঘাতক পুলিশ কর্মকর্তা ‘উবার ইটস’ ডেলিভারি বয় হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলস সুপ্রিম কোর্টে শুরু হওয়া বিচারে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রসিকিউটররা এই তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসেন। খবরটি বিবিসি থেকে প্রাপ্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা এবং মার্কিন সামরিক অভিযানের নতুন আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ইরানের রাজধানী তেহরানে সফর করছেন। চরম আঞ্চলিক উত্তেজনার আবহে, তিনি তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করার উদ্দেশ্যে সেখানে পৌঁছান।
ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং চলমান যৌথ পদক্ষেপগুলোর সমন্বয় সাধন।
পাকিস্তান শুরু থেকেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন কমানোর জন্য মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, নকভি এর আগে একাধিকবার তেহরান সফর করেছেন।
গত জুন মাসে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতার ভিত্তিতে একটি স্থায়ী চুক্তির লক্ষ্যে দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও পরবর্তীতে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালী'তে অবাধ নৌ চলাচলের অধিকার নিয়ে দু'দেশের মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টি হওয়ায় আলোচনা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, যেকোনো সময় নতুন করে মার্কিন হামলা বা সামরিক সঙ্ঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুরো অঞ্চলে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আকস্মিক তেহরান সফর কূটনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জেরে নিহত বৃদ্ধ ইসাহাক সরদার (৭৫) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালকিনি পৌরসভার উত্তর জনারদন্দি এলাকায় নিহতের বাড়ির সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মামলার এজাহার ও পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উত্তর জনারদন্দি গ্রামের ইসাহাক সরদারের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২২ আগস্ট রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঝালু মোল্লা, তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লাসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। একপর্যায়ে তার দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার কালকিনি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বড় মেয়ে ফাহিমা বেগম, ছোট মেয়ে নাহিদা আক্তার, ভাতিজা আলাউদ্দিন সরদার, মামাতো বোন জেসমিন রহমান, ভাতিজা আনোয়ার হোসেন ও রাসেল সরদারসহ স্বজনরা বক্তব্য দেন। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ