ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার দিন শূন্যরেখায় থাকার পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ


চার দিন শূন্যরেখায় থাকার পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে পুশইনের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুদের সহ ১২ জনকে চার দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর তাঁদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি সূত্র থেকে জানা যায়, পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির উপঅধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপর দিকে, বিএসএফের রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে সমসংখ্যক সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ

বিজিবি জানায়, গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁদের শনাক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বিজিবি। বিষয়টি নিয়ে সেদিন বিকেলে পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরদিন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় দুই বাহিনীর মধ্যে অন্য একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে হয়।

বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে। তারা শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্ত করে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময় চায়।

পুশইনের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে উজির আলী (৫০), তাঁর স্ত্রী জয়নুর বেগম (৩৫), ছেলে শিহাদ (১৭), ইনজামুল (৮) ও আড়াই বছরের শিশু সামাদসহ কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। এছাড়া সেখানে রফিকুল গাজীর পরিবারের তিন সদস্য এবং আফরোজা খাতুনের পরিবারের চার সদস্য ছিলেন।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় দুজন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান, মশার উপদ্রব, প্রায় দুই সপ্তাহ গোসলের সুযোগ না পাওয়া এবং তীব্র গরমে পাটখেতে মানবেতর জীবনযাপন করার কারণে ১২ জনই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে বিএসএফ নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে নারীকে পিটিয়ে দুই দাঁত ভাঙার অভিযোগ, স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের দাবি; পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ চসিকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


চট্টগ্রামে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ চসিকের

চট্টগ্রাম মহানগরীতে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধান, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং নগর ব্যবস্থাপনাকে প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার জন্য এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আজ চসিকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় একটি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম নগরীর জন্য প্রস্তুতকৃত দুটি প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।

সভায় মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।

মেয়র বলেন, আমাদের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম।

চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের যানজট, ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা এবং সড়কে আইন অমান্যের প্রবণতা কমাতে এই প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

তিনি জানান, প্রকল্পটির আওতায় নগরীর ৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন এবং ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে। এতে স্মার্ট সিগন্যাল, ট্রাফিক ফ্লো মনিটরিং ক্যামেরা, আইন লঙ্ঘন শনাক্তকারী ক্যামেরা, নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, রেড সিগন্যাল ডিটেক্টর এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে এআই-ভিত্তিক। যদি কোনো যানবাহন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে, তবে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হবে। যানবাহনের নম্বরপ্লেট, চলাচলের ধরন এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। ফলে যানজট কমবে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং নাগরিকদের দুর্ভোগ হ্রাস পাবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম নগরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত ট্রাফিক করিডোর এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

ফলস্বরূপ, পুরো শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালনা করা যাবে।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম, আবু সাদাত তৈয়ব এবং কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ তাদের মতামত তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহের মধ্যে সরকার কিভাবে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট দেওয়ার একটি সংস্কৃতি বিদ্যমান রয়েছে।

এই ঘাটতি পূরণ করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়ে থাকে, এবং তার পরিশোধের চাপও বহন করতে হয়। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয়।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের সম্পূরক মঞ্জুরি দাবির ওপর চূড়ান্ত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ বিষয়ের কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, আর মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার হার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে এসেছে। একই সময়ে, বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা রপ্তানি হ্রাস এবং আমদানি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ফারহানা বলেন, শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে।

অন্যদিকে, গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকা ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুদের হার ও ডলারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের ওপর চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে কৃত্রিমভাবে বিনিময় হার ধরে রাখার ফলে ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, শেয়ারবাজার ও কর ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পুরো চাপ ব্যাংক খাতের ওপর গিয়ে পড়বে। কিন্তু খেলাপি ঋণের হার ইতোমধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এই অবস্থায় ব্যাংকগুলো কি বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ দিতে পারবে, এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে যে, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে পরবর্তী কিস্তি দিতে হলে নতুন সরকারের সঙ্গে একটি নতুন সমঝোতায় আসতে হবে। ফলে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে চীন বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকারের জন্য বাজেট কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা কিভাবে সম্ভব হবে, সেটিই বড় সমস্যা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে, এই তথ্য জানিয়েছেন ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইসমাঈল বাঘাই বলেছেন, “হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করতে আমাদের কিছু সময় প্রয়োজন হবে।”

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ফি আরোপের বিষয়ে তিনি বলেছেন, “ফি নেওয়া হবে।”

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এটি শুধু কোনও ধরনের চার্জ নয়; বরং জাহাজ চলাচলের জন্য বিভিন্ন ধরনের পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার অংশ হিসেবে এই অর্থ নেওয়া হবে।

তিনি বলেছেন, “পরিবেশ সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন সেবা প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। ইরান ও ওমানের পক্ষ থেকে আরও অনেক ধরনের সেবা দেওয়া হবে, আর এসব সেবার জন্য অর্থ ব্যয় হবে। সেই অনুযায়ী ফি থাকবে এবং বিষয়টি পরিষ্কার।”

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই নৌপথের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

ইরান ও ওমানের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল, জ্বালানি পরিবহন ব্যয় এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ শহরের নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সংযুক্তির পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


নওগাঁ শহরের নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সংযুক্তির পরিকল্পনা

 

নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের নেতৃত্বে এবং নওগাঁ জেলার সম্মানিত সুধীজন, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও পেশাজীবী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নওগাঁ শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো এবং ডিজিটাল করার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে " সিসিটিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ' গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও স্যার ভিলেন্স জোরদার করা যাবে।

বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন ও কৌশল প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। AI-সক্ষম সিসিটিভি ব্যবস্থা চালু হলে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় স্থাপিত ক্যামেরাগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যানবাহন বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগে বা পরে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ফুটেজ দ্রুত বিশ্লেষণ করা যাবে, যা তদন্ত কার্যক্রমকে আরও সহজ ও কার্যকর করবে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, যানবাহন চুরি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও প্রতিরোধে AI-ভিত্তিক নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

এছাড়াও, এই উদ্যোগের ফলে একটি স্মার্ট ও নিরাপদ নওগাঁ গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, জনসচেতনতা এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে নওগাঁকে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%