মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
১০:৪৮ পি.এম
নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের নেতৃত্বে এবং নওগাঁ জেলার সম্মানিত সুধীজন, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও পেশাজীবী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নওগাঁ শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো এবং ডিজিটাল করার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে " সিসিটিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ' গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও স্যার ভিলেন্স জোরদার করা যাবে।
বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন ও কৌশল প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। AI-সক্ষম সিসিটিভি ব্যবস্থা চালু হলে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় স্থাপিত ক্যামেরাগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যানবাহন বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগে বা পরে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ফুটেজ দ্রুত বিশ্লেষণ করা যাবে, যা তদন্ত কার্যক্রমকে আরও সহজ ও কার্যকর করবে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, যানবাহন চুরি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও প্রতিরোধে AI-ভিত্তিক নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
এছাড়াও, এই উদ্যোগের ফলে একটি স্মার্ট ও নিরাপদ নওগাঁ গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, জনসচেতনতা এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে নওগাঁকে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আংগারগাড়া বাজারসংলগ্ন ‘বিল্লাল এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
এ ঘটনা রবিবার (১৪ জুন) রাত ১১টার দিকে ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও গোডাউনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেছেন যে, এতে তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে গোডাউনের পেছনের অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে গোডাউনের ভেতরে থাকা তুলাসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী লিলি আক্তার বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে বাইরে বের হয়ে দেখি আগুন লেগেছে। গোডাউনের পেছনের দিক থেকে আগুন দেখা যাচ্ছিল। পরে আশপাশের লোকজন এসে দেখে পেছনের দিক থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং আগুনে পুড়ে তুলার গোডাউন ছাই হয়ে গেছে।’
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোশারফ হোসেন বলেন, ‘পেছনের দিক থেকে পরিকল্পিতভাবে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আগুন লাগার সময় আমরা সবাই দোকানের সামনে খেলা দেখছিলাম। পরে একজন খবর দিলে এসে দেখি পেছনের দিক থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।’
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বিল্লাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. বিল্লাহ হোসেনও পূর্বশত্রুতার জেরে কেউ গোডাউনের পেছনের দিক থেকে আগুন দিয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার এই গোডাউনে কোনো বিদ্যুৎ–সংযোগ নেই। এখানে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা আমাদের জানা নেই।’ তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ জানা যায়নি। আমাদের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর জন্য দ্রুত ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে, এ পর্যন্ত মোট ৪১ হাজার ৫৫৫টি নমুনার ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এই কাজটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং সাতটি বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরি থেকে সম্পন্ন করা হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এসব বিষয় সম্পর্কে কথা বলেছেন।
সোমবার, জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে বর্তমান সরকার বিভিন্ন জোরালো পদক্ষেপ নিয়ে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করে চলেছে। এর আগে, সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান দেশে দীর্ঘদিন যাবৎ চলে আসা শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২৬ সংসদের ১ম অধিবেশনে পাস করা হয়েছে এবং এখন থেকে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের অপরাধগুলোর বিচার এই নতুন আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) আইন ২০১৪-এর বিধান অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক।
এছাড়া, ২০২৫ সালের বিশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে অধিকতর গতিশীল ও দ্রুততর করা হয়েছে। এতে অভিযোগ গঠনের পর একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার কঠোর বিধান সংযোজিত হয়েছে।
নারী ও শিশুর সার্বিক সুরক্ষার নিমিত্তে সরকারের বিভিন্ন আইন, বিধিমালা, নীতিমালা এবং কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের একটি চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নারী নীতি ২০১১, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২৬, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) আইন ২০১৪ ও বিধিমালা ২০১৭, বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা ২০১৮ এবং বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০১৮-২০৩০) প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের তাৎক্ষণিক সেবা দেয়ার পরিধি বাড়াতে, সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। বর্তমানে চালু থাকা ১৪টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, পুলিশি ও মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন, সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণ এবং আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এই সেবার আওতায় ইতোমধ্যে ৮২ হাজার ৬৭৮ জন সেবা পেয়েছেন।
এছাড়া, জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৯৫টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এ কেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার ৫২৩ জন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তাৎক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা সেবাদানকারী ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার-১০৯ (টোল ফ্রি)-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত রেকর্ডসংখ্যক ৮৮ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪০ জন নারী ও শিশুকে বিভিন্ন ধরনের জরুরি সেবা দেয়া সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার এবং ৩৭টি রিজিওনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে সেবা প্রসারিত করা হচ্ছে। বর্তমানে ন্যাশনাল ও ৮টি রিজিওনাল সেন্টার থেকে মোট ৩৮ হাজার ৬১ জন নারী ও শিশুকে মনোসামাজিক কাউন্সেলিং সেবা দেয়া হয়েছে। এখানে সারভাইভারদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে তথ্য, আইনি পরামর্শ, উদ্ধার, বাল্যবিবাহ বন্ধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় টেলিভিশনের জগত আবারও একটি নক্ষত্রপতনের সাক্ষী হলো। মাত্র ২২ বছর বয়সে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগাল জীবনের যুদ্ধ থামিয়ে দিলেন। রবিবার, ১৪ জুন, মুম্বাইয়ের নালাসোয়ারা পূর্ব এলাকায় তার নিজ আবাসন থেকেই উদ্ধার হয়েছে তার ঝুলন্ত মরদেহ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, তরুণী অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হিন্দি টেলিভিশন এবং বিনোদন জগতে।
পুলিশের সূত্রমতে, ঘটনাটি ঘটেছে নালাসোয়ারা পূর্বের আচোলে গ্রামের সাঁই সন্তোষী বিল্ডিংয়ে সঞ্চিতার নিজ বাসভবনে। আচোলে থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক বিনোদ বাঘ জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে সঞ্চিতা নিজের শোবার ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করেন। এরপর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে সাড়াশব্দ না পেলে পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন এবং সোজা ভাসাই-ভিরার মিউনিসিপ্যাল হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা সঞ্চিতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করার পর তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিনেত্রীর বাবা মাচ্ছিন্দ্র উগালের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আজ সোমবার, ১৫ জুন, আচোলে থানায় ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ (বিএনএসএস)-এর ১৯৪ ধারা অনুযায়ী অপমৃত্যুর (এডিআর) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। ঠিক কেন এই চরম পদক্ষেপ নিলেন ২২ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান অভিনেত্রী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পারিবারিক বা পেশাগত মানসিক অবসাদ এর পিছনে নিহিত কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বিনোদন দুনিয়ায় কিছু অল্প সময়ের মধ্যে নিজের জায়গা শক্ত করছিলেন সঞ্চিতা। টেলিভিশনের পাশাপাশি ওটিটি এবং বড় পর্দাতেও কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। জি টিভির অন্যতম দীর্ঘমেয়াদি সফল ধারাবাহিক ‘কুমকুম ভাগ্য’-এ ‘দিয়া ট্যান্ডন’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ ধারাবাহিকেও ‘রুচিতা জেইটলি’ চরিত্রে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দঙ্গল টিভির ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ধারাবাহিকে সোরাব বেদীর বিপরীতে ‘সুকুন’ চরিত্রে মূল নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ছোট পর্দার বাইরেও, মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত ওটিটি ফিল্ম ‘সাইলেন্স ২: দ্য নাইট আউল বার শুটআউট’ এবং ভিকি কৌশল অভিনীত ঐতিহাসিক ছবি ‘ছাবা’-তে তারারানীর অল্পবয়সী চরিত্রে তার অভিনয় প্রশংসনীয় ছিল।
ক্যারিয়ারের সফলতার মাঝেই এমন আকস্মিক চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তার সহকর্মী এবং অনুরাগীরা। পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১৫/০৬/২৬ ইং ১৮.৫০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদে পাওয়া যায় মান্দা থানাধীন ৪ নং মান্দা ইউনিয়নের অন্তর্গত কোচড়া বাদলঘাটা মৎস্যজীবী পাড়ার মাদ্রাসা মাঠ সংলগ্ন জনৈক মোঃ শাহিন আলম এর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদের উপর কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য গাজা সেবন করিতেছে।
পুলিশ সেখানে অভিযান করে ৬ জন মাদকসেবী আসামী ১। মোঃ শাহিন আলম (৩৬), পিতা- মোঃ মনতাজ মোল্লা, সাং- কোচড়া বাদলঘাটা, ২। মোঃ গোলাম রাব্বি(২০), পিতা- মোঃ আব্দুর জব্বার, ৩। মোঃ লিটন বাবু(১৭), পিতা- মোঃ ফয়জুল, ৪। মোঃ আরমান রানা(১৮), পিতা- মোঃ কামিজ উদ্দিন, ৫। মোঃ আবু তাহের(২১), পিতা- মোঃ আক্কাস আলী ৬। মোঃ মেহেদী হাসান(২৩), পিতা মোঃ জালাল উদ্দিন, সর্ব সাং- বাদলঘাটা মৎস্যজীবী পাড়া, থানা- মান্দা, জেলা- নওগাঁগন কে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মাদক সেবনরত অবস্থায় একই তারিখ ১৯.২০ ঘটিকার সময়ে আটক করা হয়।
সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ কালে তাহারা অবৈধ মাদকদ্রব্য গাজা সেবন করিয়াছে মর্মে স্বীকার করে। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ