ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ছুটি শেষ হলেও থামেনি নীল জলের ছোঁয়ায় ঈদ উৎসব


ছুটি শেষ হলেও থামেনি নীল জলের ছোঁয়ায় ঈদ উৎসব

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্র সৈকতজুড়ে ভিন্ন এক ঈদ উৎসবের আবহ চলছে। স্বচ্ছ নীল জলের ছোঁয়ায় মানুষে-মানুষে একাকার রয়েছে গত ৫ দিনের সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ।

ঈদের টানা ছুটি রোববার শেষ হলেও এ উৎসব যেন শেষ হচ্ছে না। পঞ্চম দিনে সোমবার (০১ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলেছে মানুষ জটের এক ভিন্ন পরিবেশ। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সী গাল পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট এবং কলাতলী পয়েন্ট জুড়ে দেখা মিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নীল জলের টানে ছুটে আসা মানুষের ঢল।

আনন্দ, হৈ-হুল্লোড় আর সাগরের নোনাজলে স্নানে মাতোয়ারা এসব মানুষ। ঈদের দিন থেকে আবহাওয়ায় কিছুটা উষ্ণতা থাকলেও রোববার ভোরের বৃষ্টিতে বদলে কক্সবাজারের পরিবেশ। তেমন গরমও না আবার ঠান্ডাও না। কিন্তু সোমবার সকাল থেকে তীব্র গরম শুরু হলে প্রশান্তির খোঁজে নোনাজলের স্রোতে শরীর ভাসিয়ে উল্লাস করতে দেখা মিলেছে অসংখ্য পর্যটকের।

আরও পড়ুন: যশোরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ৬০ বছর বয়সী পথচারী নিহত

শুধু সমুদ্রস্নানই নয়, সৈকতের বালিয়াড়ি, কিটকটে বসে সাগর উপভোগ, ঘোড়া বা বীচ বাইকে উঠে মুঠোফোনে ছবি ধারণ যেন এক প্রতিযোগিতায় মেতে ছিল এসব পর্যটক।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে স্নানরত পর্যটকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সী-সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভূট্টো বলেন, সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে দেড় লাখের বেশি পর্যটকের আনাগোনায় মুখরিত ছিল। যাদের বেশি ভাগই সমুদ্র স্নান করেছেন। ঈদুল আজহার দিন একটু কম উপস্থিতি হলেও পরদিন থেকে পর্যটক বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটকের দেখা মিলেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় লাইফ গার্ড কর্মীরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ঈদের প্রথম ৫ দিন কম হলেও ৫ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমনে এসেছেন। আগামি আরও ৪-৫ দিন কম-বেশি পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসবেন।

আরও পড়ুন: ওয়ারী-বটেশ্বর সভ্যতাকে তুলে ধরতে নির্মিত হচ্ছে ‘গঙ্গা ঋদ্ধি’ জাদুঘর

তিনি বলেন, কক্সবাজার শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস, কটেজ ও রিসোর্টের প্রায় ৯৫ শতাংশ কক্ষ বুকিং ছিল গত ৩ দিন।

সোমবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকদের একই কথা। সৈকতের পরিবেশ যান্ত্রিক জীবনের অবসান করে। তাই বার বার সৈকতে ছুটে আসা।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সমুদ্র যেন এক মায়াবী বন্ধনের নাম। এখানে যতবার আসি- মন বড়ে যাই।’

পর্যটক সিয়াম সিকাদার বলেন, শহরের ব্যস্ত জীবনে প্রকৃতিকে কাছ থেকে উপভোগ করার সুযোগ খুব কম মেলে। তাই ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছেন তারা। সমুদ্রের গর্জন, শীতল বাতাস, মনোরম আবহাওয়া ও বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে তারা দারুণ আনন্দ উপভোগ করছেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে এসে বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য নতুনভাবে অনুভব করা যায়।

আরও পড়ুন: নড়াইলে মাদকাসক্ত ছেলের বটির কোপে কৃষক বাবা নিহত, ছেলে পলাতক

লাবণী পয়েন্টে দায়িত্বরত কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৈকতের লাবণী, কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ট্যুরিস্ট স্কোয়াডের পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি), মোবাইল টিম ও স্ট্যান্ডবাই টিম কাজ করছে। কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সব ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুস শুক্কুর বলেন, পর্যটকদের আগমনে স্থানীয় অর্থনীতি আবারও চাঙা হয়ে উঠেছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, বিপণিবিতান ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের লেনদেন হচ্ছে। তার ধারণা, এবারের ঈদের ছুটিতে পর্যটন খাতকেন্দ্রিক ব্যবসার পরিমাণ ৭০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুন: বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কক্ষভাড়া ও খাবারের মূল্য আদায় ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে কাজ করছেন। কোনো অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকসুর ভিপি থেকে জাতীয় নেতা: তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য পথচলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ডাকসুর ভিপি থেকে জাতীয় নেতা: তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য পথচলা

প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে মারা যান তিনি। তোফায়েল আহমেদ ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার একটি মেয়ে এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন বর্ষীয়ান এ নেতা।

অন্যদিকে, তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী এবং মায়ের নাম ফাতেমা বেগম।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি একটি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতি অর্জন করেন।

পরে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন কেবল ২৭ বছর বয়সে। তোফায়েল আহমেদ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্ষীয়ান এ নেতা বর্তমানে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের বিএনপির একটি কার্যালয়ে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রবিবার (৩১ মে) রাতে আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটের সময় পিয়ারপুর গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জহুরুল করিম বিশ্বাস এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মুনতাজের মধ্যে বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুসারে জানা যায় রবিবার রাতে পিয়ারপুর গ্রামের মো. ফুরকান কসাই (৫৫), মো. এছেম (৫০) এবং মো. ফিরোজ (৪৮)-সহ মুনতাজের বেশকিছু কর্মী-সমর্থক দলীয় কার্যালয় ও পাশের একটি চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন। সেই সময় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয় লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ হামলায় আহত হন পিয়ারপুর এলাকার রহমত মণ্ডলের ছেলে মো. ফুরকান কসাই, হাজেদ্দিনের ছেলে মো. এছেম এবং আতর আলী কবিরাজের ছেলে মো. ফিরোজ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখার নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি চালাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই বিএনপি নেতার মধ্যে বিরোধের সুত্রেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার জন্য মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মুনতাজ অভিযোগ করেন, হামলার সঙ্গে জহুরুল করিম বিশ্বাস ও তার সমর্থকরা সরাসরি জড়িত। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জহুরুল করিম বিশ্বাস বলেন, তারা নিজেদের কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো রকমের সম্পৃক্ততা নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পিয়ারপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কিংবা পূর্ব বিরোধের কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে লিচুর ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


খাগড়াছড়িতে লিচুর ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

খাগড়াছড়িতে এ বছরে লিচুর বিপুল উৎপাদন হয়েছে। পৌর শহরে বর্তমানে শুধু লিচু এবং লিচু। চায়না টু ও চায়না থ্রি লিচু এখানেই বেশি পরিমাণে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। একশ লিচুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে আড়াইশো টাকার মধ্যে। পর্যটকরা যখন শহরে আসছেন, তারা পৌর শাপলা চত্বরের ফল বাজারে যাচ্ছেন এবং সেখান থেকে এসব লিচু কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।

তারা বলেছেন, এখানে উৎপাদিত লিচু ফরমালিনমুক্ত এবং অত্যন্ত সুস্বাদু। তাই তারা এখানে থেকে এসব ফলমূল, বিশেষ করে লিচু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, এখানে এই বছর ১৯৮৫ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। এবারের উৎপাদন ১০ হাজার ৯৭১ টন ধরা হয়েছে। প্রকৃতি ভালো থাকার কারণে লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগানীরাও এবারে ভালো দাম পেয়েছে।

খাগড়াছড়ির বাজারে বর্তমানে লিচুর সমারোহ দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ের এই ফরমালিনমুক্ত লিচু সমতলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঠে বসে ফ্রিতে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ১৪ হাজার দর্শক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


মাঠে বসে ফ্রিতে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ১৪ হাজার দর্শক

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে যখন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে উচ্চমূল্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তখন মেক্সিকোর প্রায় ১৪ হাজার দর্শক একটি ব্যতিক্রমী সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে আদালতের রায়ে তারা বিনা টিকিটে মাঠে বসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ উপভোগ করার অধিকার ফিরে পেয়েছেন।

আগামী ১২ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে একটি ম্যাচের মাধ্যমে শুরু হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। এই স্টেডিয়ামটি তিনটি বিশ্বকাপ আয়োজন করা প্রথম ভেন্যু হিসেবে নতুন ইতিহাস গঠন করতে চলেছে। আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সময় ১৪ হাজার আসনের মালিক দর্শকরা বিনামূল্যে গ্যালারিতে বসে থাকবেন।

ঘটনার শুরু হয় প্রায় ছয় দশক আগে। ১৯৬০-এর দশকে যখন স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় অর্থসংকট দেখা দেয়, তখন কর্তৃপক্ষ ৬০০টি বক্স এবং প্রায় ৮ হাজার গ্যালারি আসন আগাম বিক্রি করে। ক্রেতাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ২০৬৫ সাল পর্যন্ত স্টেডিয়ামে আয়োজিত যেকোনো ইভেন্টে তারা অতিরিক্ত টিকিট ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন।

এই সুবিধার আওতায় বিভিন্ন আয়োজন যেমন বিশ্বকাপ, আন্তর্জাতিক ফুটবল, কনসার্ট ইত্যাদির প্রবেশাধিকার বজায় ছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ফিফা এই আসনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি, ফলে মালিকরা তখনও বিনামূল্যে ঐতিহাসিক ম্যাচগুলি উপভোগ করেছিলেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ফিফা এবং স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ সেই আসনগুলো নিজেদের টিকিট ব্যবস্থার আওতায় আনতে চেষ্টা করলে আসন মালিকদের সংগঠন আদালতের দ্বারস্থ হয়। শেষ পর্যন্ত আদালত তাদের পক্ষেই রায় দেয়।

আসন মালিক সংগঠনের মহাসচিব রবার্তো রুয়ানো ওর্তেগা মন্তব্য করেন, "আমাদের অধিকার আদালত স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে আমাদের কোনো অর্থ দিতে হবে না।"

মেক্সিকান গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব আসন ফিফার জন্য বিক্রি করতে না পারার কারণে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষকে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে।

তবে এখনো কিছু জটিলতা কাটেনি। বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত দর্শকদের ইলেকট্রনিক টিকিট হাতে না পৌঁছানোয় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবেশে বাধা এলে তারা আবারও আদালতের সহায়তা নেবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন আজটেকা স্টেডিয়ামের সেই ১৪ হাজার দর্শক, যারা বিনামূল্যে দেখবেন ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%