ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের মতো ক্লিনটনের সফরেও ছিল ছদ্মবেশী বিমানের ব্যবহার


ট্রাম্পের মতো ক্লিনটনের সফরেও ছিল ছদ্মবেশী বিমানের ব্যবহার

সম্প্রতি ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে এই বিতর্কের আবহেই ফাঁস হয়েছে আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রায় দুই দশক আগে, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের পাকিস্তান সফরের সময় একইভাবে ছদ্মবেশী বিমান ব্যবহৃত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রবীণ সাংবাদিক সুসান পেজ।

সুসান পেজের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, ২০০০ সালের মার্চ মাসে বিল ক্লিনটন যখন ভারত থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে সাংবাদিকদের এক বিশেষ ‘অব-দ্য-রেকর্ড’ ব্রিফিংয়ে ডাকা হয়েছিল। সেখানে নিরাপত্তাকর্মীরা একটি বিকল্প পরিকল্পনা বা ছদ্মবেশী কৌশল বাস্তবায়নের কথা জানান। পরে দেখা যায়, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ চিহ্নিত একটি বিমান অবতরণ করে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন

সেখান থেকে হুবহু প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের মতো দেখতে এক সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তা নেমে আসেন। তার কিছুক্ষণ পরেই কোনো চিহ্নিত নাম বা প্রতীক ছাড়া একটি সাধারণ বিমানে চড়ে নামেন মূল প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

বর্তমানে ইউএসএ টুডে’-র ওয়াশিংটন ব্যুরো প্রধান হিসেবে কর্মরত সুসান পেজ জানান, দুটো ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান বদল করা হলেও দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পার্থক্য ছিল। ক্লিনটনের সফরের সময় সাংবাদিকদের আগেভাগেই সতর্ক করে কিছুটা ধারণা দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু ট্রাম্পের ঘটনার ক্ষেত্রে বিমানে থাকা সংবাদকর্মী ও হোয়াইট হাউস কর্মীদের পুরোপুরি অন্ধকারে রাখা হয়। ট্রাম্পকে বিমানবন্দর থেকে খাবার সরবরাহের ক্যাটারিং ট্রাকে করে অন্য একটি সাধারণ সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। অথচ মূল বিমানটি সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে উড্ডয়ন করে এবং পুরো যাত্রাপথে তাদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

সাংবাদিক ও কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে প্রেসিডেন্টকে একা সরিয়ে নিয়ে মূল বিমানকে ফাঁদ বা মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই চতুর কৌশল নিয়ে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজা চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করলেন

এই বিষয়ে সরাসরি কোনো প্রতারণার কথা স্বীকার না করলেও হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অনেক শত্রু ও হুমকি সামলাতে হয়, আর সে জন্য আমাদের হাতে থাকা সর্বোচ্চ কৌশলই প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।’ অন্যদিকে ট্রাম্প নিজেও একে সিক্রেট সার্ভিস-এর নির্দেশিত সাধারণ নিরাপত্তা প্রটোকল বলেই উল্লেখ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিমিয় হার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৪ এম


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিমিয় হার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রেক্ষিতে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

প্রবাসী আয় বাংলাদেশে পাঠানো এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানাটা দৈনন্দিন জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কিছু তথ্য দেখে নেওয়া যাক। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো:

দেশ ও বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশি টাকা - ৳ (BDT):

মালয়েশিয়ার ১ রিংগিত : ৩০ টাকা ২০ পয়সা

সৌদি আরবের ১ রিয়াল :  ৩৩ টাকা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১ ডলার :    ১২২ টাকা ৮৪ পয়সা

ইউরোপের ১ ইউরো  :  ১৪৪ টাকা ৯৭ পয়সা

ইতালির ১ ইউরো  :  ১৪৪ টাকা ৯৭ পয়সা

ব্রিটেনের ১ পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ৭৭ পয়সা

সিঙ্গাপুরের ১ ডলার  :  ৯৬ টাকা ৯৩ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ার ১ ডলার :   ৮৭ টাকা ৪১ পয়সা

নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার :   ৭২ টাকা ৮২ পয়সা

কানাডার ১ ডলার :   ৮৮ টাকা ৩৮ পয়সা

আমিরাতের ১ দিরহাম  :  ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সা

ওমানের ১ রিয়াল  :  ৩২০ টাকা ২৫ পয়সা

বাহরাইনের ১ দিনার  :  ৩২৭ টাকা ৮৬ পয়সা

কাতারের ১ রিয়াল :  ৩৩ টাকা ৯৬ পয়সা

কুয়েতের ১ দিনার  :  ৪০২ টাকা ২২ পয়সা

সুইস ১ ফ্রেঞ্চ  :  ১৪৮ টাকা ৭৬ পয়সা

দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রান্ড  :  ৭ টাকা ৬৪ পয়সা

জাপানের ১ ইয়েন  :  ০.৭৭৮ টাকা

দক্ষিণ কোরিয়ার ১ ওন :  ০.০৮৭০১৫৫৫ টাকা

ভারতের ১ রুপি : ১ টাকা ২৫ পয়সা।

উল্লেখ্য, যে কোনো সময় মুদ্রা বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাক থেকে সৈন্য সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ হচ্ছে ২০ বছরের সামরিক উপস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৭ এম


ইরাক থেকে সৈন্য সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ হচ্ছে ২০ বছরের সামরিক উপস্থিতি

যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে অবশিষ্ট সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এটি ২০০৩ সালে শুরু হওয়া মার্কিন সামরিক উপস্থিতির সমাপ্তি ঘটাবে, যা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান ছিল।

বুধবার (১২ আগস্ট) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে এক বৈঠকে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক জোটের আইসিসের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমাপ্তির নির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত তারিখ। একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই সেনাবহরের প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের বেশিরভাগ প্রধান ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে, তবে উত্তর ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে কিছু সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছিল। দুইজন কুর্দি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে এরবিল ঘাঁটি থেকে মার্কিন কর্মী ও সামরিক সরঞ্জাম সরানোর কাজ শুরু হয়েছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, ২০০৭ সালে বিদ্রোহ দমন অভিযানের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরাকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। পরবর্তীতে, ২০১১ সালে প্রথম দফায় সব যুদ্ধরত সেনা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালে আইএসআইএস-এর উত্থানের কারণে ইরাক সরকারের আমন্ত্রণে আবার মার্কিন বাহিনী ফিরে আসে। ২০২১ সালে আইএসআইএস পরাজিত হলে যুদ্ধ অভিযান শেষ করে ২৫০০ সেনা প্রশিক্ষণ ও সন্ত্রাসবিরোধী সহায়তার জন্য সেখানে রেখে দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের দিকে ওয়াশিংটন ও বাগদাদ সেই মিশন পুরোপুরি গুটিয়ে নিতে একমত হয়েছে।

বিদেশি সেনার প্রস্থান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি, ইরাক সরকার দেশের ভেতরের সশস্ত্র অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সমর্পণের জন্য আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছেন।

তিনি বলেছেন, বিদেশি সেনা চলে গেলে দেশে আলাদা অস্ত্র হাতে রাখা সশস্ত্র গোষ্ঠীদের আর কোনো যৌক্তিকতা থাকে না।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে ব্যাপক সংশয় দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের কিছু শক্তিশালী ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠী ইতিমধ্যে অস্ত্র ত্যাগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে মার্কিন সেনামুক্ত ইরাকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৯ এম


ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

ঘটনাবহুল এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে নানান ঘটনা। বহু উদ্ভাবন-উন্মোচন হয়, অনেক কিছুর। লগতে জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও ঘটে অনেকের। রোজকার এসব ঘটনার মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা স্থায়ীভাবে দাগ কাটে মানুষের মনে। কিছু ঘটনা উঠে যায় ইতিহাসের আগের পাতায়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনার দিকে।

ঘটনাবলি

১৫৯৮ সাল - ফরাসি সম্রাট চতুর্থ হেনরি এক ঐতিহাসিক নির্দেশ জারি করেন। ১৬৪৫ সালে সুইডেন ও ডেনমার্ক শান্তিচুক্তি সম্পন্ন করে। ১৭৪০ সালে রটারড্যামে শুরু হয় অনশন ধর্মঘট। ১৭৮৪ সালে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে ভারত আইন গৃহীত হয়। ১৭৮৪ সালে ভারতে প্রশাসনিক সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া বিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হয়। ১৭৯২ সালে ফ্রান্সের বিপ্লবীরা রাজপরিবারের লোকদের বন্দি করে। ১৮৬৮ সালে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত পেরু ও ইকুয়েডরে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পে ৪০ হাজার লোক নিহত হয়। ১৮৮৯ সালে উইলিয়াম গ্রে কয়েন টেলিফোনের জন্য প্যাটেন্ট করেন। ১৯২৩ সালে মোস্তাফা কামাল পাশা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬০ সালে মধ্য আফ্রিকা ফরাসি উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানি মধ্যরাতে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণ শুরু করে। ১৯৬৪ সালে ব্রিটেনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সর্বশেষ ফাঁসির ঘটনা ঘটছে। ১৯৭২ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন সৈন্যদের প্রত্যাহার ঘটে। ১৯৯৪ সালে কলকাতা মেট্রোর দমদম-বেলগাছিয়া শাখা ১.৬২ কিলোমিটার সম্প্রসারিত হয়ে শ্যামবাজার পর্যন্ত পৌঁছায়। ২০০৮ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে মহিলাদের ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতার ফাইনালে ইতালির ফেডেরিকা পেলেগ্রিনি অলিম্পিক তথা বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন ১:৫৪.৮২ সময়ে। ২০১১ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, সাংবাদিক মিশুক মুনীরসহ পাঁচজনের মৃত্যু ঘটে।

জন্ম

১৮১৪ সালে অন্দের্শ ইয়োনাস অংস্ট্রেম, সুইডিশ পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮১৯ সালে জর্জ গ্যাব্রিয়েল স্টোকস, ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৪৮ সালে রমেশচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ ও সিভিলিয়ান জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৮৪ সালে হ্যারি ডিন, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৬৭ সালে উইলিয়াম আলেকজান্ডার ক্রেইগি, শব্দকোষপ্রণেতা জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৮৮ সালে জন বেয়ার্ড, টেলিভিশনের আবিষ্কারক জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৯৯ সালে স্যার আলফ্রেড জোসেফ হিচকক, ইংরেজ চলচ্চিত্র নির্দেশক ও প্রযোজক জন্মগ্রহণ করেন। ১৯০২ সালে ফেলিক্স ওয়াঙ্কেল, জার্মান প্রকৌশলী জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১১ সালে ড. ফুলরেণু গুহ, বাঙালি সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১২ সালে নোবেলজয়ী (১৯৬৯) ইতালীয় মার্কিন জীববিজ্ঞানী সালভাদর লুরিয়ান্ম জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৮ সালে ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার, ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২০ সালে নেভিল ব্র্যান্ড, আমেরিকান অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৬ সালে ফিদেল ক্যাস্ট্রো, কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে রবিন জ্যাকম্যান, ব্রিটিশ ভারতের শিমলায় জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৫ সালে পল গ্রিনগ্রাস, ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও সাবেক সাংবাদিক জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালে র‌্যান্ডি শুঘার্ট, মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান দলের সদস্য হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে কোজি কোন্দো, জাপানি সংগীত রচয়িতা, পিয়ানোবাদক এবং সংগীত পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে নিল মল্যান্ডার, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে শ্রীদেবী, ভারতীয় অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে শোয়েব আখতার, সাবেক পাকিস্তানি ডানহাতি ফাস্ট বোলার জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮২ সালে সেবাস্টিয়্যান স্ট্যান, রোমানিয়ান-মার্কিন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু

৬০৪ সালে সুই সম্রাট ওয়েন, চীনের সুই সাম্রাজ্যের (৫৮১-৬১৮) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্রাট মারা যান। ৯০৮ সালে আল-মুক্তাফি, ১৭শ আব্বাসীয় খলিফা মারা যান। ১৭৯৫ সালে অহল্যাবাঈ হোলকার, ভারতের মারাঠা মালওয়া রাজ্যের হোলকর রানি মারা যান। ১৮৬৩ সালে ওজেন দ্যলাক্রোয়া, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর মারা যান। ১৮৬৫ সালে ইগনাৎস জেমেলভাইস, হাঙ্গেরীয় চিকিৎসক ও হাত ধোয়া ব্যবস্থার প্রবর্তক মারা যান। ১৯১০ সালে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল, আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ মারা যান। ১৯১৩ সালে জার্মান সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা আগস্ট বেবেল মারা যান। ১৯১৭ সালে এডুয়ার্ড বুখনার, জার্মান রসায়নবিদ মারা যান। ১৯৩২ সালে কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য, বাঙালি পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ মারা যান। ১৯৩৬ সালে মাদাম কামা, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী মারা যান। ১৯৪৬ সালে হারবার্ট জর্জ ওয়েলস, একজন ইংরেজ লেখক মারা যান। ১৯৬৩ সালে শিশির কুমার মিত্র, ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী মারা যান। ১৯৬৫ সালে হায়াতো ইকদা, জাপানের আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ মারা যান। ১৯৬৮ সালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কর্মী অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী মারা যান। ১৯৭৭ সালে নাট্যসম্রাজ্ঞী মলিনা দেবী মারা যান। ১৯৮৪ সালে তিগ্রেন পেত্রোসিয়ান, সোভিয়েত-আর্মেনীয় গ্র্যান্ডমাস্টার মারা যান। ১৯৯৬ সালে অ্যান্টোনিও ডি স্পিনোলা, পর্তুগিজ সামরিক কর্মকর্তা, লেখক এবং রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ মারা যান। ১৯৯৮ সালে এডওয়ার্ড লিওনার্ড গিঞ্জটন, একজন ইউক্রেনীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী মারা যান। ১৯৯৯ সালে হাইমে গারসোন, কলম্বীয় সাংবাদিক, কমেডিয়ান, আইনজীবী, শান্তিবাদী ও রাজনৈতিক বিদ্রূপাত্মক মারা যান। ২০০০ সালে নাজিয়া হাসান, পাকিস্তানি গায়ক ও গীতিকার মারা যান। ২০১১ সালে তারেক মাসুদ, বাংলাদেশ বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক ও গীতিকার মারা যান। ২০১১ সালে মিশুক মুনীর, সম্প্রচার সাংবাদিকতার রূপকার, চিত্রগ্রাহক ও সাংবাদিকতা ব্যক্তিত্ব মারা যান। ২০১৮ সালে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ মারা যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতি অধ্যুষিত এলাকায় ১৫৯ রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৩ এম


হাতি অধ্যুষিত এলাকায় ১৫৯ রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সংরক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

মন্ত্রী বলেন, হাতির আগমন সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা, হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে হাতি অধ্যুষিত এলাকায় ১৫৯টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে।

বুধবার বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে আয়োজিত একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন।

মন্ত্রী আরও জানালেন, একসময় দেশে প্রচুর বন্যহাতি ছিল। তবে বর্তমানে আবাসস্থল দখল ও ধ্বংস, বন উজাড়, অবৈধ শিকার এবং বন্যপ্রাণী অপরাধের ফলে হাতির সংখ্যা কমে আসছে। হাতির আবাসস্থল রক্ষা করা মানে শুধু হাতিকে রক্ষা করা নয়; এর সঙ্গে বন ও পরিবেশের সুরক্ষাও জড়িত।

২০১৫ সালের জরিপের তথ্য উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, তখন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বন্যহাতি ছিল ২৬৮টি, এবং পরিযায়ী হাতি ছিল ৯৩টি। ফলে দেশে বন্যহাতির সংখ্যা মোট ৩৬১টি ছিল। এছাড়াও পোষা হাতি ছিল ৯৬টি।

মন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে দেশে আবার হাতি জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাতি সংরক্ষণের জন্য ৪০টি অগ্রাধিকার কার্যক্রম চিহ্নিত করে বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান (২০১৮-২০২৭) প্রণয়ন করা হয়েছে।

হাতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণকে সবচেয়ে বড় একটি শক্তি বলে উল্লেখ করছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণকে বাদ দিয়ে হাতি সংরক্ষণ কোনভাবেই টেকসই হবে না।

মানুষ ও হাতির সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত জানমালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালা ২০২১ অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির পরিবারকে তিন লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা এবং ঘরবাড়ি, ফসলসহ জানমালের ক্ষতির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। ২০১২ থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে হাতির আক্রমণে নিহত ৩২২ জনের পরিবার, আহত ১৬৯ জন এবং ঘরবাড়ি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন তিন হাজার ২১৫টি পরিবারকে প্রায় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%