বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:১৩ এম
হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সংরক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
মন্ত্রী বলেন, হাতির আগমন সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা, হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে হাতি অধ্যুষিত এলাকায় ১৫৯টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে।
বুধবার বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে আয়োজিত একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রী আরও জানালেন, একসময় দেশে প্রচুর বন্যহাতি ছিল। তবে বর্তমানে আবাসস্থল দখল ও ধ্বংস, বন উজাড়, অবৈধ শিকার এবং বন্যপ্রাণী অপরাধের ফলে হাতির সংখ্যা কমে আসছে। হাতির আবাসস্থল রক্ষা করা মানে শুধু হাতিকে রক্ষা করা নয়; এর সঙ্গে বন ও পরিবেশের সুরক্ষাও জড়িত।
২০১৫ সালের জরিপের তথ্য উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, তখন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বন্যহাতি ছিল ২৬৮টি, এবং পরিযায়ী হাতি ছিল ৯৩টি। ফলে দেশে বন্যহাতির সংখ্যা মোট ৩৬১টি ছিল। এছাড়াও পোষা হাতি ছিল ৯৬টি।
মন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে দেশে আবার হাতি জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাতি সংরক্ষণের জন্য ৪০টি অগ্রাধিকার কার্যক্রম চিহ্নিত করে বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান (২০১৮-২০২৭) প্রণয়ন করা হয়েছে।
হাতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণকে সবচেয়ে বড় একটি শক্তি বলে উল্লেখ করছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণকে বাদ দিয়ে হাতি সংরক্ষণ কোনভাবেই টেকসই হবে না।
মানুষ ও হাতির সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত জানমালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালা ২০২১ অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির পরিবারকে তিন লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা এবং ঘরবাড়ি, ফসলসহ জানমালের ক্ষতির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। ২০১২ থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে হাতির আক্রমণে নিহত ৩২২ জনের পরিবার, আহত ১৬৯ জন এবং ঘরবাড়ি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন তিন হাজার ২১৫টি পরিবারকে প্রায় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করে আবারও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে ফিরে গেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে ১০টায় তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন, এমনটি জানিয়েছেন নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ।
১৫ মাসের টানা চিকিৎসার পর গত ৩ আগস্ট দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দেশে থাকাকালীন তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো ছিল বলেও জানান তার ছেলে মিরাজুল মইন জয়। তিনি মন্তব্য করেন, বাবাকে (ইলিয়াস কাঞ্চন) ভবিষ্যতে আর কেমোথেরাপি নিতে হবে না। চিকিৎসার পরবর্তী ধাপে তাকে ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হবে। চিকিৎসকদের আশা, তার সুস্থতার বিষয়ে তারা আশাবাদী বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া, বাবার জন্য সবাইকে দোয়া করতে বলেন মিরাজুল মইন জয়।
লন্ডনে ফেরার আগের রাতে ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে লিটন এরশাদের দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার সেই আলাপে নিজের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান তিনি। সেইসাথে, নিজের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাইকে আরও এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
লিটন এরশাদ বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন বারবার সুস্থতার জন্য দোয়া করতে এবং নিরাপদ সড়ক চাইয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন। তিনি সংগঠনটিকে আরও শক্ত অবস্থানে দেখতে চান বলেও জানান।
২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ওই বছরের আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের বড় একটি অংশ অপসারণ করতে সমর্থ হলেও পুরোপুরি তা অপসারণের ঝুঁকি থেকে বিরত থাকেন। পরে তার ব্রেন ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার খবরও আসে।
এখন, লন্ডনে আবার ফিরে মাউন্ট ভার্নন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে তিনি যাচ্ছেন। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি পরবর্তী চিকিৎসা কার্যক্রমও চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৯৯ সালের পর ব্রিটেনের আকাশে প্রথমবারের মতো দেখা গেল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যটি উপভোগ করেছেন হাজারো মানুষ।
ব্যতিক্রম ছিল না খেলার মাঠও। ক্রিকেট, ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসের দর্শকেরা কিছু সময়ের জন্য খেলাধুলা থেকে চোখ সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়েছেন।
কাল ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের এজবাস্টনে চলছিল দ্য হান্ড্রেডের ম্যাচ। মুখোমুখি হয়েছিল বার্মিংহাম ফিনিক্স ও এমআই লন্ডন।
ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকেরা স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকেই সূর্যগ্রহণের দৃশ্য দেখার সুযোগ পান। অনেক পর্যবেক্ষক চোখের সুরক্ষায় বিশেষ চশমা ব্যবহার করেছেন।
চাঁদ সূর্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি অংশ ঢেকে ফেলায় চারপাশের আকাশে অস্বাভাবিক অন্ধকার নেমে আসে। সূর্যকে তখন সরু এক টুকরো বাঁকা রেখার মতো দেখা যাচ্ছিল।
এই বিশেষ দৃশ্য তৈরি করে এক ভিন্ন পরিবেশ।
বার্মিংহামে চলছিল ইউরোপিয়ান অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপও। সূর্যগ্রহণের আগে আলেকজান্ডার স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট উজ্জ্বল করা হয়।
বিশেষ চশমা পরে দর্শকরা সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন। ছবি: সংগৃহীত
স্টেডিয়ামের পশ্চিম গ্যালারির নিচের অংশে ছোট ছোট দলে জড়ো হন কয়েকজন দর্শক এবং অ্যাথলেট।
তাদের মধ্যে ছিলেন সুইডেনের অ্যাথলেট এরিকা ওয়ার্ফ ও টিলডে বিজেরাগার। কেউ বিশেষ কাগজের চশমা ব্যবহার করেছেন, আবার কেউ মোবাইল ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে দৃশ্যটি ধারণ করেছেন।
তবে যখন গ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন মেঘের আড়ালে চলে যায় এই বিরল দৃশ্য। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে গ্রহণের সর্বাধিক পর্যায় ছিল।
অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন ফুটবলপ্রেমীরা। শতাংশ সেখানে উয়েফা সুপার কাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অ্যাস্টন ভিলা ও পিএসজি।
ম্যাচ শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট আগে সূর্যগ্রহণ ঘটে। ফলে স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকদের বড় একটি অংশ খেলা শুরুর আগে আকাশের দিকে তাকানোর সুযোগ পান।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা ছিল মাদরিং ফর্মুলা-১ সার্কিটের লা মনুমেন্তাল। বিশাল গ্যালারি এবং মাদ্রিদ শহরের আকাশরেখাকে পেছনে রেখে সেখানে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
সার্কিটের উত্তর অংশে অবস্থিত ১২ নম্বর বাঁকটি এ জন্য ছিল বিশেষ একটি স্থান। প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য এবং মোটরস্পোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মেলবন্ধন দর্শকদের জন্য একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর লন্ডনের টটেনহাম হটস্পারের সঙ্গে পাঁচ বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের ইতি টেনে স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। ২৮ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাককে দলে ভেড়াতে স্পার্সদের সঙ্গে ৩৪.২ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ৫৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা) একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে অ্যাতলেতিকো।
চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে রোমেরোকে অন্য ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের ১৫ শতাংশ টটেনহাম পাবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালও এই তারকা ডিফেন্ডারকে পেতে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে নিজেদের কট্টর নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে দলের অধিনায়ককে বিক্রি করতে না চেয়েছে টটেনহ্যাম কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্টা থেকে ধারে এসে টটেনহামে যাত্রা শুরু হয়েছিল রোমেরোর।
পরবর্তীতে ৪২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের স্থায়ী চুক্তিতে তিনি দলের রক্ষণভাগের মূল স্তম্ভ হয়ে ওঠেন। পাঁচ মৌসুমে স্পার্সদের হয়ে ১৫৬টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৩টি গোলের অবদান রেখেছেন এই আর্জেন্টাইন সতীর্থ।
সদ্য সমাপ্ত উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার রানার্সআপ হওয়ার মিশনে রোমেরোর ভূমিকা ছিল অনন্য। টুর্নামেন্টে মাত্র একটি ম্যাচ ছাড়া বাকি সব কটিতে মাঠে নেমেই মাঠে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিশ্বকাপ যাত্রা শেষে অতিরিক্ত ছুটি কাটানো রোমেরোর চলতি সপ্তাহে টটেনহ্যামের প্রাক-মৌসুম অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
তবে তার আগেই ক্লাব বদলের চূড়ান্ত বার্তা পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, গত মৌসুমে রোমেরোর অধিনায়কত্বেই টটেনহাম চরম টানটান উত্তেজনার মাঝে প্রিমিয়ার লিগে অবনমন এড়িয়েছিল।
রোমেরোর ক্লাব ছাড়ার খবর স্পার্স সমর্থকদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। তার ওপর ইংল্যান্ডের তরুণ ফুল-ব্যাক জেড স্পেন্সকেও হারানোর দ্বারপ্রান্তে ক্লাবটি। ২৫.৬ মিলিয়ন পাউন্ডে (৩০ মিলিয়ন ইউরো) ইন্টার মিলানে তার যোগ দেওয়ার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম আজ সকালে ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যের আওতায়, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, সর্বশেষ ১১ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
আসন্ন দাম সমন্বয়ের মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে দেশে ১০২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৫১ বার বাড়ানো হয়েছে, ৫০ বার কমানো হয়েছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আগের বছর ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ