ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএনসিসির পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী


ডিএনসিসির পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে পার্ক এবং খেলার মাঠগুলোকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সাথে, ভবিষ্যতে খেলার মাঠ ও পার্কগুলোর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদের একটি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব বক্তব্য প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মোট ১৮৯টি পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি হচ্ছে ডিএনসিসির নিজস্ব মালিকানাধীন (২৪টি পার্ক, ৬টি খেলার মাঠ, ৪টি শিশু পার্ক এবং ৪টি ঈদগাহ)। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বৈদ্যুতিক বাতি লাগানো এবং নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

ইতোমধ্যে ২০টি পার্ক এবং ৪টি খেলার মাঠসহ মোট ২৮টি স্থাপনার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১৫১টি স্থান, যা রাজউক ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে, সেগুলোর উন্নয়ন কাজও পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

সংসদে জানানো হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সংস্থাটির নিজস্ব এবং অন্যান্য সংস্থার মালিকানাধীন মোট ২৫৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে ফুটপাত এবং খেলার মাঠ থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ডিএসসিসি সর্বদা তৎপর রয়েছে।

বর্তমানে মালিটোলা পার্ক, শহীদ মতিউর রহমান পার্ক (গুলিস্তান), ওসমানী উদ্যান, নবাবগঞ্জ পার্ক এবং বাসাবো খেলার মাঠসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ দ্রুতগতির নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে বর্তমানে মাঠের সংখ্যা কম থাকলেও ৮টি জোনে ৮টি এবং ৫৭টি ওয়ার্ডে ৫৭টি খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ এবং বরিশালসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনেও পার্ক ও মাঠ দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ভারতকে 'বাংলাদেশ' বানানোর চক্রান্তে লিপ্ত, নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা দখল করতে চায়

প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশে খেলাধুলার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুরা যেন পর্যাপ্ত খোলা জায়গায় খেলাধুলা করতে পারে, সেজন্য প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতে চলমান থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগের চেয়ে আরও উষ্ণ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


আগের চেয়ে আরও উষ্ণ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া

 গত শতাব্দীর প্রচলিত ব্রিটিশ আবহাওয়ার তুলনায় এখন যুক্তরাজ্যের জলবায়ু মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।

দেশটিতে তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনাও ঘন ঘন ঘটছে।

বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

মেট অফিসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পর্যবেক্ষণভিত্তিক তথ্যপ্রমাণ দেখায়, সবচেয়ে গরম ও সবচেয়ে শীতল আবহাওয়ার যে পরিস্থিতিকে আমরা আমাদের ‘স্বাভাবিক’ জলবায়ু বলে মনে করি, তা বিংশ শতাব্দীর বেশিরভাগ সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।’

লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানায়।

মে ও জুন মাসে যুক্তরাজ্যে নজিরবিহীন দুটি তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এই সময় ইংল্যান্ডে মাসভিত্তিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ে যথাক্রমে ৩৫ দশমিক ১ এবং ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের গড় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ১৯১০ সালের পর ওই বছরটি ছিল সবচেয়ে বেশি রৌদ্রোজ্জ্বলও।

মেট অফিসের প্রতিবেদনে বলেছে, বসন্ত ও গ্রীষ্ম মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

এসময় মোট সূর্যালোকের পরিমাণ ছিল ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের ১২৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে একে রেকর্ড করা শুরুর পর থেকে ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ ও সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের উপকূলীয় এলাকা এই পরিবর্তন থেকে রেহাই পায়নি। ২০২৫ সালে দেশটির উপকূলবর্তী সমুদ্রসীমায় ২৯৭ দিন সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। ১৯৮২ সালের পর এটি সর্বোচ্চ ঘটনা। ২০২৩ সালের ১৭৮ দিনের আগের রেকর্ডও পাশ কাটিয়েছে।

বার্ষিক রেকর্ডের বাইরেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮০’র দশক থেকে প্রতি দশকে যুক্তরাজ্যের জলবায়ুর গড় তাপমাত্রা প্রায় শূন্য দশমিক ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে বেড়েছে।

১৮৮৪ সালের পর রেকর্ড করা সবচেয়ে উষ্ণ পাঁচ বছরের মধ্যে শেষ চার বছরই রয়েছে।

এর পাশাপাশি চরম আবহাওয়ার ঘটনাও বেড়ে গেছে। ১৯৬১ থেকে ১৯৯০ সালের তুলনায় গ্রেটার লন্ডনে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিন এবং ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার রাতের সংখ্যা চার গুণেরও বেশি বেড়েছে।

খাদ্য ও পোশাক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার সম্প্রতি ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে সক্ষম সরঞ্জামে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে ইউরোস্টারও তাদের ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী উচ্চগতির ট্রেনগুলোর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭১ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


১৭১ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ১৭১ রানের লক্ষ্য পেল।

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৯

নাহিদ উইকেট নেওয়ার পর বাংলাদেশের উদযাপন। ছবি : ক্রিকইনফো

বুলাওয়েতে মাঠে নামার আগে নাহিদ রানার নামের পাশে উইকেট ছিল ৩টি। আজ এক ম্যাচেই তিনি ৩ ম্যাচে পাওয়া উইকেট ছাড়িয়ে গেলেন।

তিনি ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন।

নির্ধারিত ওভার শেষে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদ। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের কারণেই ইনিংসটা আরো বড় করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। তবে যা হয়েছে তাতে কম কী।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় জিম্বাবুয়ের। ওপেনিং জুটিতে ৩.৩ বলে ৩৭ রানে যোগ করেন দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানশে মারুমানি। ব্যক্তিগত ১৪ রানে সাইফ হাসানের হাতে মারুমানিকে ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদ।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


শেরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ২১

শেরপুরের নকলা পৌর শহরে পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে শিশু, পথচারী, শিক্ষার্থী এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা রয়েছেন। এর পাশাপাশি, কুকুরটির আক্রমণের ফলে গৃহপালিত পশুও আহত হয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই সকালে, সকাল ৮টা থেকে কুকুরটি শহরের গ্রিনরোড, দড়িপাড়া এবং উত্তর কায়দাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে যাকেই সামনে পেয়েছে, তার ওপর আক্রমণ শুরু করে। এ ঘটনাকারী ভুক্তভোগীদের চিৎকারের কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে, দুপুর ১টার দিকে, স্থানীয় লোকজন লাঠি ও সোঁটা নিয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে এবং পিটিয়ে মরে ফেলে।

নকলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিন্টু মিয়া অভিযোগ করেন, ভবঘুরে ও উন্মত্ত কুকুরের উপদ্রব দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এদিকে, ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি জলিল মিয়া জানান, তার মেয়ে সকালে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে। তিনি বলেন, তাকে দ্রুত নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, "আমরা চরম আতঙ্কে আছি।"

নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, কুকুরের কামড়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী টিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুইজনের অবস্থায় গুরুতর হওয়ায় তাদের শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নকলা পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নকলা পৌরসভার একাধিক স্থানে পাগলা কুকুরের কামড়ের কারণে অনেকেই আহত হয়েছেন। তিনি জানান, তাদের চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করবে নকলা পৌরসভা। এ ছাড়া, উপজেলায় এমন পাগলা কুকুর শনাক্ত করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা চোখের সামনে ভিটেমাটি গিলে খাচ্ছে, নদীপাড়ের মানুষ হচ্ছে নিঃস্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


পদ্মা চোখের সামনে ভিটেমাটি গিলে খাচ্ছে, নদীপাড়ের মানুষ হচ্ছে নিঃস্ব

বর্ষা এলেই যেন পদ্মার ক্ষুধার্ত রূপ একটি নতুন মাত্রা পায়। উত্তাল ঢেউ এবং প্রচণ্ড স্রোতের মধ্যে শুরু হয় নদীতীরের মানুষদের নির্ঘুম রাত। একদিকে ভাঙনের গর্জন ভেসে আসে, অন্যদিকে মাথা গোঁজার একমাত্র আশ্রয়টুকু হারানোর আতঙ্ক। চোখের সামনে, নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা বসতভিটা, ফসলি জমি এবং জীবিকার অবলম্বন। কান্না, আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তা এখন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাপাড়ের মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের অন্তর্গত শয়তানখালী, বেপারীডাঙ্গী, মুন্সিরচর ও আকোটেরচর এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েকদিনের তীব্র স্রোত এবং পানি বৃদ্ধির ফলে নদীভাঙন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে, যার ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের দাবি আছে, ইতোমধ্যে প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শত শত বিঘা ফসলি জমি, প্রায় দুই শতাধিক বসতঘর, কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একটি ইটভাটা এবং গুরুত্বপুর্ণ সড়কের অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢেউখালী ইউনিয়নের শয়তানখালী, বেপারীডাঙ্গী, মুন্সিরচর এবং আকোটেরচর ইউনিয়নের ছলেনামা, আকোট, কালিখোলা, মোল্যাকান্দা ও খালাসীগ্রাম এলাকায় অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিনই বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের আতঙ্কে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, ভাঙন যদি অব্যাহত থাকে তবে আকোট জনসংঘ উচ্চ বিদ্যালয়, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিয়াজখালী বাজার, সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্প, গুচ্ছগ্রামসহ প্রায় ১০টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া চর নাসিরপুরের চৌধুরীর হাট ও শিমুলতলী বাজার ঘাটও হুমকির মুখে পড়েছে।

ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নদীশাসনের দাবি উঠলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষায় নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের একটাই দাবি— 'ত্রাণ নয়, স্থায়ী বাঁধ চাই'। তাদের মতে, সাময়িক সহায়তার চেয়ে টেকসই নদীশাসন প্রকল্পই পারে এ অঞ্চলের মানুষকে ভাঙনের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে।

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন জানান, পদ্মা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি উপজেলা প্রশাসন গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষকে সতর্ক করার কাজ চলছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করা হচ্ছে।

পদ্মার ভয়াল থাবায় বছরের পর বছর ধরে ভিটেমাটি হারানো মানুষের দীর্ঘশ্বাস যেন থামছেই না। বর্তমানে তাদের একমাত্র প্রত্যাশা— স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদে নিজের ভিটেমাটিতে বসবাসের নিশ্চয়তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%