ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফুটপাতেও ব্যবহার করতে হবে বাংলা কিউআর: গভর্নর


ফুটপাতেও ব্যবহার করতে হবে বাংলা কিউআর: গভর্নর

ডিজিটাল লেনদেনকে সহজতর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে বাংলা কিউআর ফুটপাতেও ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হবে।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল বেলায় রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটসংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর তুলে ধরেন, ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা যাচ্ছে এবং ফুটপাতেও এর ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

এ সময় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, যারা টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে, তাদের শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না। এ জন্য ১০টি এজেন্সি কাজ করছে। অনেক দেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং এটি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। পাচারকারীরা বিভিন্ন দেশে সম্পত্তি ট্রান্সফার করে ফেলছে। কিন্তু আমরা পাচারকারীদের পিছু ছাড়ব না।

গভর্নর আরও বললেন, গত ১৭ বছর জ্বালানিতে আমরা সমুদ্র বিজয় দেখেছি। কিন্তু যেসব জায়গায় গ্যাস পাওয়া যেতে পারে সেগুলোতে খুঁজে দেখেনি। এটি পুরোপুরি আমদানি নির্ভরতায় চলেছে।

বাপেক্সকে শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশি সহায়তা নেওয়া হবে। ব্লকগুলো না পাওয়া পর্যন্ত এই উদ্যোগ চলবে। এছাড়া, রফতানি বাড়াতে সোলারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লিখিত করেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারণে অন্য সূত্র থেকে জ্বালানি ক্রয় করতে হচ্ছে। এভাবে জ্বালানি নিশ্চয়তায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের তেল ক্রয় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

গভর্নর বলেন, বিদ্যুৎ খাত হিসাববিহীনভাবে চলছে। এখানে ব্যয় বেশি, আয় নেই। বড় ঘাটতি ছিল। ৫৬ হাজার কোটি টাকা আইপিবিতে বকেয়া পেমেন্ট সরকারের দায়িত্ব নেয়ার সময় এসে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধের ফলে ইরানের ৫০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


যুদ্ধের ফলে ইরানের ৫০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত

চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের হামলা চালানোর ফলে ইরানের অন্তত ৫০টিরও বেশি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সদরদফতর, বিমানঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র এবং নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

স্যাটেলাইট ছবি পর্যালোচনা করে বিবিসি ভেরিফাই জানিয়েছে, দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হামলায় ইরানের যুদ্ধবিমান, নৌযান এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ১৩ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

সবশেষ গত মঙ্গলবার এবং বুধবার রাতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলা ঘটে। একই সময়ে ইসরাইল এবং ইরানও একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাচ্ছে। ইসরাইল দক্ষিণ বৈরুত এবং ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

যদিও এক মাসেরও বেশি সময় ধরে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ইরানকে পরাজিত করেছে। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের নৌবাহিনী পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তাদের বিমানবাহিনীও সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে।’

তবে বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির টানেল প্রবেশপথ মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অঞ্চলের স্যাটেলাইট চিত্রের প্রাপ্যতা সীমিত করার চেষ্টা করছে। মার্চ মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেটকে ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এলাকার নতুন ছবি প্রকাশ সীমিত করার অনুরোধ জানিয়েছে।

প্ল্যানেট জানায়, তাদের এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল যাতে স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে কোনো প্রতিপক্ষ শক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও ন্যাটো অংশীদারদের সামরিক বা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা করতে না পারে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি যে কোনো সময় আবারও সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফুটবল: কোন তারকা কোন দলের সমর্থক?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


বিশ্বকাপ ফুটবল: কোন তারকা কোন দলের সমর্থক?

বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে উন্মাদনা শুরু হলে বাংলাদেশ যেন রঙে রঙে ভাগ হয়ে যায়। দেশের অলিগলি থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই চলে প্রিয় দল নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক এবং সমর্থনের প্রকাশ।

এই আবেগ থেকে দূরে নন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। কেউ ব্রাজিলের সাম্বা ফুটবলের ভক্ত, আবার কেউ আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সির প্রেমে মুগ্ধ। অন্যদিকে কয়েকজন তারকা ইউরোপের দলগুলোকেও সমর্থন করেন।

বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের মধ্যে মোশাররফ করিম, জয়া আহসান, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, আফরান নিশো, আসিফ আকবর, অপু বিশ্বাস, শবনম বুবলী এবং বিদ্যা সিনহা মিম ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

নিজের পছন্দের দল নিয়ে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বলেন, ‘ব্রাজিলের খেলার মধ্যে একটা ছন্দ আছে। একটু অন্য রকম খেলে। খুব পছন্দ করি। দলটির জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা।’

একই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন বিদ্যা সিনহা মিম। তিনি বলেন, ‘ব্রাজিল আমার পছন্দের দল। ফুটবলের জাদুকর পেলের দেশ ব্রাজিল। ছোটবেলা থেকেই ওদের খেলা পছন্দ করি। এবারের বিশ্বকাপে প্রিয় দল ভালো করবে, সেই প্রত্যাশা করছি।’

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের তালিকাও বেশ দীর্ঘ। এই তালিকায় রয়েছেন জাহিদ হাসান, রাফিয়াথ রশীদ মিথিলা, পরীমনি, চঞ্চল চৌধুরী, মেহজাবীন চৌধুরী, আব্দুন নূর সজল, মামনুন ইমন, পূজা চেরী, খায়রুল বাসার, ইরফান সাজ্জাদ, জায়েদ খান এবং তানজিকা আমিনসহ আরও অনেকে।

চঞ্চল চৌধুরী নিজের সমর্থনের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। বুঝতে শেখার পর থেকেই এই দলের প্রতি আমার ভালোবাসা জন্মেছে। আমি যেমন আর্জেন্টিনা সমর্থন করি, আমার পুত্রও তাই করে। দুজনের পছন্দের দল এবারের বিশ্বকাপে ভালো কিছু করুক—এটাই প্রত্যাশা।’

অভিনেতা আব্দুন নূর সজল বলেন, ‘অনেক কারণেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ম্যারাডোনা। খুব ছোটবেলায় প্রিয় খেলোয়াড়ের খেলা দেখার স্মৃতি আজও মনে পড়ে।’

রাফিয়াথ রশীদ মিথিলাও আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে বলেন, ‘শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা সমর্থন করি। ম্যারাডোনার দেশ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকে ওরা নান্দনিক খেলা উপহার দিয়ে যাচ্ছে বহু বছর ধরে। আমি ম্যারাডোনার খেলা যেমন ভালোবাসি, মেসির খেলাও ভালোবাসি। এই বিশ্বকাপে প্রিয় দল ভালো কিছু করুক, রেকর্ড করুক, সেটাই চাওয়া।’

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বাইরে অন্য দেশের সমর্থকও রয়েছেন শোবিজ অঙ্গনে। অভিনেতা সিয়াম আহমেদের পছন্দের দল স্পেন।

তিনি বলেন, ‘দেখা গেছে, বেশির ভাগ মানুষ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থন করলেও আমার পছন্দের দল স্পেন। ওদের খেলা খুব ভালো লাগে। খুব উপভোগ করি। অন্য রকম ছন্দ নিয়ে খেলে ওরা, যা আমাকে মুগ্ধ করে। এবার কোন দল জিতবে কেউ জানি না, কিন্তু আমার প্রত্যাশা স্পেন ভালো কিছু করুক।’

বিশ্বকাপের সময় দলভেদে মতপার্থক্য থাকলেও একটি জায়গায় সবাই একমত—ফুটবল যেন উপহার দেয় স্মরণীয় সব মুহূর্ত, আর প্রিয় দল যেন নিজেদের সেরাটা দিয়ে ভক্তদের আনন্দিত করতে পারে সে প্রত্যাশাই সবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম ম্যাচে নিজেদের চমক দেখাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


প্রথম ম্যাচে নিজেদের চমক দেখাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে টুর্নামেন্টের আবহ ছড়িয়ে পড়বে। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশ সময় আগামীকাল সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে। নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের শুরুতে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে তারা।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকে প্যারাগুয়ে ৪০তম স্থানে রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ নম্বরে। কাগজের কথা বলার বাইরেও স্বাগতিকদের পক্ষে রয়েছে নানা সুবিধা। পরিচিত পরিবেশ, সমর্থকদের সঙ্গে গ্যালারি পূর্ণ ও নিজেদের মাঠে খেলার বাড়তি আত্মবিশ্বাস, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দারুণ শুরুর প্রত্যাশা করছে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে দলের আর্জেন্টাইন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো নিজের বিশ্বাসের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো প্রতিভা আমাদের আছে এবং আমরা দারুণ কিছু করতে পারব। এই বিশ্বাস রাখার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।”

প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে সেই স্বপ্নযাত্রার সূচনা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে অপরাজিত থাকা সত্ত্বেও তাঁরা শেষ ষোলোতেই বিদায় নিয়েছিল। এবারের দলে ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান ফুটবলারদের নিয়ে তারা আরও ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়েছে।

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স যুক্তরাষ্ট্রকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। সেনেগালকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে তারা। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হেরলেও পুরো ম্যাচজুড়ে সমানতালে লড়াই করে দেখিয়েছে তাদের শক্তি।

দলের আক্রমণভাগে অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ অন্যতম ভরসা। তাঁর সৃজনশীলতা এবং ফোলারিন বালোগানের গোল করার দক্ষতা যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি। প্রথম ম্যাচেই নিজেদের সামর্থ্য বিশ্বকে দেখানোর জন্য তারা মুখিয়ে আছে।

তবে প্যারাগুয়েকে হালকাভাবে নেওয়ারও সুযোগ নেই। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে মাত্র একটি ম্যাচ হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে তারা। সেই পথেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে এই দলটি।

প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ গড়ে উঠেছে গুস্তাভো গোমেস ও ওমার আলদেরেতেকে ঘিরে, যা যথেষ্ট দৃঢ়। আক্রমণে হুলিও এনসিসো, মিগেল আলমিরন ও আন্তোনিও সানাব্রিয়া যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

এ কারণে ম্যাচটি শুধু দুই দলের মুখোমুখি লড়াই নয়, বরং দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের সংঘর্ষ। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুতগতির আক্রমণাত্মক ফুটবল, অন্যদিকে প্যারাগুয়ের সংগঠিত রক্ষা ও বাস্তববাদী কৌশল।

দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে। তারা এখন পর্যন্ত ৯ বার মুখোমুখি হয়েছে, এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জিতেছে ৫ ম্যাচে, প্যারাগুয়ের জয় ২টিতে এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ম্যাচ দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হবে। ম্যাচ শুরুর আগে আয়োজন করা হবে একটি বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ থাকবেন জনপ্রিয় মার্কিন সংগীতশিল্পী কেটি পেরি। এছাড়া পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন আটলান্টার খ্যাতিমান র‍্যাপ শিল্পী ফিউচার, সঙ্গে থাকবেন আনিস্তা, লিসা, রেমা ও টাইলা।

সুতরাং, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি জমকালো আয়োজনেও চোখ থাকবে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে কী আছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে কী আছে?

যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

এই বিষয়ে একটি কূটনৈতিক সূত্র সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও আলোচনার পথ তৈরি করা হবে।

সূত্রটি জানায়, উভয় পক্ষ সমঝোতা স্মারকের খসড়ার ভাষার বিষয়ে একমত হয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হবে—চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে পুনরায় খুলে দেয়া হবে এবং এ পথে চলাচলের জন্য জাহাজ থেকে ইরান কোনো ফি আদায় করতে পারবে না। চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে এই জলপথের চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ে ফিরে যাবে।

ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেয়া হবে এবং চুক্তির অগ্রগতি ও সদিচ্ছাপূর্ণ সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমার উল্লেখ করা হয়নি।

সম্ভাব্য এ চুক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব শর্ত পূরণের কথা রয়েছে, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন না করার অঙ্গীকার এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতসংক্রান্ত বিষয়। চুক্তিটির নাম হবে ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’।

তবে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি—বিদেশে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলারের তহবিল মুক্ত করার বিষয়টি চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি ওই কূটনীতিক।

তিনি বলেন, আলোচনার শেষ পর্যায়ে হরমুজ প্রণালির অবস্থা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ছিল প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের অবসান হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইউরোপে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হতে পারে। সেখানে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অংশ নিতে পারেন।

সিএনএনকে আরেক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের স্থান হতে পারে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান সেখানে হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুদ্ধের বৈধ সমাধানের লক্ষ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে বাঘাই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে গণমাধ্যমের জল্পনা-কল্পনা প্রত্যাখ্যান করেন এবং ইরানের দৃঢ় ও নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘পাঠ্যগত দিক থেকে নথির প্রধান অংশগুলো প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। সমস্যা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী অবস্থান সব সময় এই প্রক্রিয়ায় অস্থিরতা ও বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।’

ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সদিচ্ছা ও পূর্ণ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন, নতুন ও অবাস্তব দাবি তুলেছেন এবং আলোচনার মধ্যেই সামরিক হামলা চালিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%