ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং
শেরপুর সীমান্তে

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে ৯ বাংলাদেশি আটক


অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে ৯ বাংলাদেশি আটক

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ৯ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটককৃতদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কর্ণজোড়া বিওপির টহলদল হারিয়াকোনা এলাকা থেকে তাদের আটক করে। আটক কৃতরা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাদের মধ্যে আছেন ভোলার মনপুরা উপজেলার আন্ধিরপাড়া গ্রামের আপন জল দাস (৩০), নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার আঠারবেকি গ্রামের নয়ন তারা (২৫), চর আমানউল্লাহ গ্রামের বিজয় হরি জল দাস (৪৬), লম্বরিয়া গ্রামের সুলক্ষী (৪২) এবং লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরী গ্রামের বীনা দাস (৩১)। তাদের সঙ্গে থাকা চারজন শিশুও আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সুমন মিয়া, সাজু, আজিবর ও কালু মিয়ার সঙ্গে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে নেওয়ার চুক্তি করেন তারা। সেই অনুযায়ী বুধবার রাতে আটককৃতরা ঢাকা থেকে শেরপুরের শ্রীবরদীতে আসেন। এরপর তারা আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৯৫-এর প্রায় ১৫০ গজ অভ্যন্তরে হারিয়াকোনা পাহাড়ি এলাকার জঙ্গলে অবস্থান নেন। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে তারা বুধবার রাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার রাতে ভারতে প্রবেশের পরিকল্পনা থাকলেও, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির টহলদল সে সময় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

কর্ণজোড়া বিওপি ইনচার্জ নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান বলেন, "আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আটক নয়জনকে শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।" এ ঘটনায় বিজিবির নায়েক নাজমুল হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, "আটক ৯ জনের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।" এ ঘটনায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং পাসপোর্ট আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, এই ঘটনায় জড়িত মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে ভৈরবে নারীর সংবাদ সম্মেলন, সামাজিক ও পারিবারিক সংকটে তানিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেলান্দহে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারাগাছ বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


মেলান্দহে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারাগাছ বিতরণ

জামালপুরের মেলান্দহের মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘরের গান্ধী আশ্রমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে চারা গাছ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ জুন, বিকেল ৪টায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসের উপলক্ষে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আলোচনা সভা, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ জনউদ্যোগ নামে একটি সামাজিক সংগঠন। এই অনুষ্ঠানে সংগঠনের আহবায়ক রাজিয়া সামাদ ডালিয়া সভাপতিত্ব করেছেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘরের ট্রাস্টি ও পরিচালক প্রবীন সাংবাদিক উৎপল কান্তি ধর।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক, এভারেস্ট বিজয়ী নূরুন্নাহার নিম্মি, পর্বতারোহী ড. শাহনাজ আক্তার, লেখক ফারুক মঈনুদ্দিন, প্রজাপতি বিশেষজ্ঞ মনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. আশরাফুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব. নূরুল হুদা এবং জনউদ্যোগের সমন্বয়ক হিল্লোল সরকার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা জার্সির পেছনের ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা জার্সির পেছনের ইতিহাস

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম প্রতীকগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা ডোরাকাটা জার্সি একটি। মাঠে নামলেই এই রঙ দেশটির ফুটবল ঐতিহ্য, গর্ব এবং কোটি সমর্থকের আবেগের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। জার্সির নকশা ও প্রযুক্তিতে পরিবর্তন এলেও আকাশি-সাদা রঙের ঐতিহ্য আজও অটুট রয়েছে।

১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনা এই বিখ্যাত আকাশি-সাদা ডোরাকাটা জার্সি পরে খেলছে। এরপর থেকে বিশ্ব ফুটবলের একটি অন্যতম পরিচিত পরিচয়ে পরিণত হয়েছে এই জার্সি। বর্তমানে জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জন্য জার্সি তৈরি করছে। ১৯৯০ বিশ্বকাপের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি দলটির অফিসিয়াল কিট প্রস্তুতকারক হিসেবে কাজ করছে, যদিও মাঝে মাঝে অল্প সময়ের জন্য এই সম্পর্কের বিরতি ঘটেছে।

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন জার্সিতেও ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা ডোরাকাটা নকশা রাখা হয়েছে। ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী জার্সির বিভিন্ন নকশাগত উপাদান থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে নতুন জার্সিটি অতীতের গৌরব ও বর্তমানের উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক প্রতীকী সংমিশ্রণে পরিণত হয়েছে।

শুধু জার্সিই নয়, আর্জেন্টিনার শর্টসের ইতিহাসেও পরিবর্তনের ছাপ রয়েছে। শুরুতে তারা গাঢ় নীল শর্টস ব্যবহার করলেও ১৯৭৮ সালের পর ধীরে ধীরে কালো শর্টস নিয়মিত ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি ধীরে ধীরে দলের পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে।

তবে আর্জেন্টিনার জার্সির ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায়টি নিঃসন্দেহে ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে গরম ও আর্দ্রতার কারণে দলের নির্ধারিত গাঢ় নীল দ্বিতীয় জার্সি খেলোয়াড়দের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

সময়ের স্বল্পতায় নতুন জার্সি তৈরি করা যায়নি বলে কোচ কার্লোস বিলার্দো তার সহকারী রুবেন মোশেল্লাকে মেক্সিকো সিটির বিভিন্ন দোকানে আরামদায়ক নীল রঙের জার্সি খুঁজতে পাঠান। শেষে একটি দোকান থেকে দুটি নমুনা জার্সি আনা হয়। সেখান থেকে একটি হাতে নিয়ে অধিনায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, "এই জার্সি পরেই আমরা ইংল্যান্ডকে হারাব।"

এরপর একই দোকান থেকে আরও ৩৮টি জার্সি সংগ্রহ করা হয়। তড়িঘড়ি করে প্রতিটিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাজ ও নম্বর সেলাই করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পরে সেই জার্সি গায়ে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা।

সেদিনই ফুটবল ইতিহাসের দুটি সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত; ম্যারাডোনার 'হ্যান্ড অব গড' এবং 'গোল অব দ্য সেঞ্চুরি' জন্ম নেয়। সেই ম্যাচের অবিস্মরণীয় জয়ের সঙ্গে ইতিহাসে জায়গা করে নেয় মেক্সিকোর একটি দোকান থেকে হঠাৎ করেই সংগ্রহ করা গাঢ় নীল জার্সিটিও।

আজ আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি শুধুমাত্র একটি খেলার পোশাক নয়। এটি বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব, ম্যারাডোনার جাদুকরী অধ্যায়, লিওনেল মেসির নেতৃত্বে নতুন সাফল্য এবং কোটি সমর্থকের ভালোবাসা ও আবেগের প্রতীক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রজেক্ট হেডওয়ের বার্ষিক সমাবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রজেক্ট হেডওয়ের বার্ষিক সমাবর্তন

জমকালো আয়োজনে শিক্ষানগরী রাজশাহীর অন্যতম ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রজেক্ট হেডওয়ের বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজি নজরুল মিলনায়নে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এই সমাবর্তনে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

সমাবর্তনে প্রধান অতিথি ছিলেন, ক্যামব্রিজ ইউনিভারসিটির কান্টি লিড প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনের সারোয়াত রেজা ও রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আব্দুল আল মামুন লিটন।

সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার জান্নাতুল ফেরদৌস সিগমা, ক্যামব্রিজ ইউনিভারসিটির রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার নাকিব হায়দার ও বদরুদ্দোজা, রাবির মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবিব।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্ট হেডওয়ে গ্রামার স্কুলের ফাউন্ডার প্রিন্সিপাল ইশতিয়াক মিলন পল।

বক্তারা আলোচনা করেছেন যে, গত এক দশক ধরে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষতা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় গড়ে তুলতে কাজ করছে। পিয়ারসন-এডেক্সেল চেকপয়েন্ট পরীক্ষায় কান্ট্রি হায়েস্ট ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও সমাবর্তন অনুষ্ঠানটিতে সর্বোচ্চ ‘প্রিন্সিপ্যাল অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পলাশবাড়ীতে রাম মূর্তি অপসারণ, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


পলাশবাড়ীতে রাম মূর্তি অপসারণ, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমাবেশ

গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশটি পলাশবাড়ীতে নির্মিত মন্দিরে রাম মূর্তি অপসারণ এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিল। এই সমাবেশটি শুক্রবার বাদ জুমা গাইবান্ধা বড় মসজিদ সংলগ্ন গোলচত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বড় মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ মাহমুদুল হাসান কাশেমী, সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল মাজেদ, মুফতি আল আমিন বিন হোসাইন, মওলানা এনামুল হাফিজ, মওলানা হাফিজ মানসুর, মাওলানা আবুল বাশার, মোঃ জহুরুল হক সরকার, মোঃ মনিরুজ্জামান সবুজ, মুফতি ইদরিস আলি, মুফতি আব্দুল আজিজ, মোঃ মওদুদ আহমেদ, মোঃ আবু সাইদ এবং মুনতাকিনুজ্জামান প্রমুখ। বক্তারা বিভিন্ন বক্তব্যে জানান, পলাশবাড়ীতে নির্মিত রাম মন্দিরের বাহিরে রয়েছে রামের ৮১ ফুট উচ্চতার বিশাল মূর্তি। তারা বলেন, রাম ঘরে থাকবে, বাহিরে কেন থাকবে? বক্তারা উল্লেখ করেন, ভারতে মুসলমানদের উপর জুলুম নির্যাতন করা হচ্ছে এবং মসজিদ ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এখানে মুসলমানেরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে জীবন-যাপন করছে, নামাজ পড়তে দেয়া হচ্ছে না। তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে উল্লেখ করেন, এই নির্যাতন বন্ধ হওয়া উচিত এবং মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর পূর্বে, বিভিন্ন মসজিদ থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে মুসল্লিরা সমাবেশে যোগদান করেন এবং পরে একটি বিশাল মিছিল গাইবান্ধা শহর প্রদক্ষিণ করে। অপরদিকে, পলাশবাড়ীতে অসামপ্রদায়িক সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পলাশবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে পালন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%