মোঃ রাসেল সরকার, ( স্টাফ রিপোর্টার)
০২:১৩ পি.এম
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এর দলীয় পদ স্থগিত করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে ব্যাপক অসন্তোষ।
নির্যাতিত সহায় সম্বলহীন চাকুরীচ্যুত দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর চাকরি চুতোদের চাকরি ফিরে পাওয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানাযায় ।
এ বিষয়ে বিএনপি'র তৃনমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
দীর্ঘদিনের রাজপথের সামনের কাতারের সংগ্রামী নেতাদের বারবার কারা নির্যাতিত এই নেতাদের বিরুদ্ধে দলীয় এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া কঠিন মনে করছেন তারা।
ফেসবুকের মাধ্যমে এই দুই নেতার পদ ফিরে পাওয়ার জন্য নেতাকর্মীরা
মাননীয় মানবিক প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন জানিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছে।
উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের পদ ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অসংখ্য পোস্ট করেছেন সেখানে তারা উল্লেখ করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বেকার সমস্যার সমাধানের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন সেই সময়ে মিল্কভিটার সহায় সম্বলহীন কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছাঁটাই করছে। সেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার অপরাধে দীর্ঘদিনের রাজপথের পরীক্ষীত জিয়ার সৈনিক,
শাহজাদপুর তৃনমুল বি,এন,পির নেতাকর্মীদের আস্থা ও ভালোবাসার মানুষ সৎ, মেধাবী, কর্মীবান্ধব নেতা
উপজেলা যুবদলের বিপ্লবী সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম এর দলীয় পদ স্থগিত দলের নিবেদিত নেতাকর্মীদের প্রানে আঘাত লেগেছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দিন। মহান রাব্বুল আলামিন মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের উপর সহায় হউন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে প্রকৌশলে পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেছিলেন নায়লা শারাফ। পরে তিনি জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। তার সামনে প্রচলিত অর্থে ভালো বেতন, পদমর্যাদা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল। তবে এসবের কোনোটিই তাকে ধরে রাখতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত নায়লা শারাফ বেছে নিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনা সদর উপজেলার পঞ্চাননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি। প্রান্তিক পরিবারের শিশুদের পড়ানো এবং তাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাকেই জীবনের বড় অর্জন মনে করেন এই সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী।
নায়লার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। এরপর তিনি বুয়েট থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষ করার পর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু কাজের পরিবেশ এবং কিছু অনিয়মের সঙ্গে আপস করতে না পেরে অল্প সময়ের মধ্যেই চাকরি ছেড়ে দেন।
এরপর তিনি জনতা ব্যাংকে এক্সিকিউটিভ অফিসার পদে যোগদান করেন। কিন্তু ব্যাংকের চাকরির যান্ত্রিকতা তাকে টানেনি। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হলেও সেই চাকরিতে যোগদান করেননি। শেষ পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকেই নিজের পেশা হিসেবে বেছে নেন।
উচ্চ বেতন ও সামাজিক মর্যাদার সুযোগ ছেড়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে নায়লা শারাফ বলেন, অর্থ বা খ্যাতির প্রতি তার কোনো মোহ নেই। তিনি অল্পতেই সুখী। নায়লা বলেন, "অর্থ বা খ্যাতির প্রতি কোনো মোহ নেই। আমি সাধারণ জীবন পছন্দ করি। দিন শেষে একটা নিশ্চিন্ত ও পরিতৃপ্তির ঘুম চাই।"
নায়লার পাঠদান শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের সত্যবাদী, সাহসী ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি চেষ্টা করেন। শিশুদের উৎসাহিত করেন যাতে তারা কোনো কাজ সঠিক কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করে।
পাঠদানকে আনন্দময় ও সহজ করতে বিদ্যালয়ের সময়ের বাইরেও কাজ করেন নায়লা। নিজের হাতে ছবি আঁকার পাশাপাশি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত করেন।
নায়লার এই সিদ্ধান্ত স্বজন ও পরিচিত অনেকের কাছে একসময় ‘পাগলামি’ মনে হয়েছিল। তবে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। বরং শৈশবে ভিকারুননিসায় যে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন, প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাও যেন সেই সুযোগ পায়—এটাই তার প্রত্যাশা।
এ প্রসঙ্গে নায়লা বলেন, "অন্য বিভাগে থাকলে হয়তো অনেক টাকার মালিক হতাম, সবাই মেধাবী বলত। কিন্তু এখানে আমি ভালোবাসা পাই। আমি এই ভালোবাসার কাঙাল। বাচ্চারা যখন এসে ভালোবাসা জানায়, এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর হতে পারে না।"
দেশের মেধাবী তরুণদের প্রাথমিক শিক্ষায় আসার আহ্বান জানিয়ে নায়লা শারাফ বলেন, প্রতিদানের আশা না করে শুধু দেওয়ার মানসিকতা থাকলেই প্রাথমিক শিক্ষায় আসা উচিত। তার মতে, বিশ্বজুড়ে প্রাথমিক শিক্ষকতা সম্মানজনক একটি পেশা। বাংলাদেশেও এই পেশাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করা সম্ভব, যদি মেধাবী ও আন্তরিক তরুণেরা এতে এগিয়ে আসেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লীলা রানী ভৌমিক বলেন, "বুয়েটে পড়েও তিনি যেভাবে প্রান্তিক শিশুদের নিজের সন্তানের মতো ভালোবেসে পড়াচ্ছেন, তা সত্যিই বিরল। তিনি আমাদের বিদ্যালয়ের অমূল্য সম্পদ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ নওগাঁয় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১২টা থেকে নওগাঁ সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু।
নওগাঁ ফয়েজ উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আইয়ুব আলী সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নূরুল আমিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদও উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধান অতিথি নজরুলগীতি, নজরুলের কবিতা, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ ও নাত, উপস্থিত বক্তৃতা এবং রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্দ্বীপের সার্বিক উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একাধিক ডিও লেটার দিয়েছেন চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল পাশা।
ডিও লেটারগুলোর মাধ্যমে সন্দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সমস্যা ও উন্নয়ন চাহিদা প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনার জন্য তুলে ধরেছেন তিনি।
এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো জরুরি ভিত্তিতে উড়ির চরের দক্ষিণাংশে ভাঙ্গন রোদে স্থায়ী প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ প্রদান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ, সন্দ্বীপের শতভাগ বিদ্যুতায়ন নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘সন্দ্বীপ বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্প’ গ্রহণের প্রস্তাব। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ, নতুন বিতরণ লাইন স্থাপন, সোলার লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যমান এনাম নাহার সাবস্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া সন্দ্বীপের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে কুমিরা–সন্দ্বীপ জেলা মহাসড়ক (জেড-১০২৫)-এর অবশিষ্ট ৮.৫০ কিলোমিটার সড়কাংশ প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের জন্যও প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন এমপি মোস্তফা কামাল পাশা।
একই সঙ্গে সন্দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও ঈদগাহ উন্নয়নে ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং অন্যান্য সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্যও পৃথক প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
ডিও লেটারগুলোতে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সন্দ্বীপের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজীকরণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে এসব প্রকল্প অত্যন্ত জরুরি।
সন্দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল পাশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আসলেন দেখলেন জয় করলেন’— বার্সেলোনায় লিওনেল মেসির কাহিনী এমন হলেও, আর্জেন্টিনার মানুষের হৃদয় জয় করা এই সর্বকালের অন্যতম সেরা মহাতারকার জন্য সহজ ছিল না। এক সময় তো তিনি দেশের সমর্থকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর কথাও বলেছিলেন এলএম-টেন। তবে যখন ভাগ্য বিধাতা শেষের গল্পটি রূপকথার মতো লেখেন, তখন মর্ত্যের মানুষের পক্ষে সেই গল্প বদলানো সম্ভব নয়।
মেসির বিদায়ি ম্যাচের আয়োজনই প্রমাণ করে যে, তিনি অবসর ভেঙে ফিরে এসে দেশের জন্য কত কিছু করেছেন। তিনি জিতেছেন দুটি কোপা আমেরিকা, একটি ফিনালোসিমা এবং ফুটবলের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের শিরোপা, বিশ্বকাপ।
এত কিছুর পরেও আর্জেন্টিনা ভক্তদের মনে হয়তো বাজছিল—‘এই পথ যদি না শেষ হয়…’। তবে সব পথেরই শেষ আছে। পাহাড় থেকে বয়ে চলা নদীও একসময় সাগরের বুকে মিলিত হয়। আর রোজারিওর মেসি আজ আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রেখে মহাকালের গল্পে মিশে যাবেন। সেই গল্পে রয়েছে উত্থান-পতন এবং ব্যর্থতার পর সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর কাহিনী।
আগামীকাল বাংলাদেশ সময় ভোরে মেসি শেষবারের মতো মাঠে নামবেন। ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে লাখখানেক দর্শক উপস্থিত থাকবেন মেসির শেষ ম্যাচের সাক্ষী হতে। জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছেন, মেসির বিদায়ি ম্যাচে এমন তিনটি স্টেডিয়ামের টিকিট সহজেই বিক্রি হয়ে যেত।
স্বপ্নের এই সমাপ্তির আগে, মেসির জন্মশহর রোজারিওর ন্যাশনাল ফ্ল্যাগ মনুমেন্টে বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেছেন রোজারিওবাসী। তারা বিশাল এক ১০ নাম্বার জার্সিতে সোনালি রঙে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ’।
মেসি আসলে আর্জেন্টিনাবাসীর জন্য যা করেছেন, তার জন্য আরও বড় করে ‘ধন্যবাদ’ লিখলেও তা কম হয়ে যায়। তবে দেশের ফুটবলের রাজাকে রাজকীয় বিদায় দেওয়ার বিষয়ে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
দেশের জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার আগে আবেগ ধরে রাখতে বেগ পাচ্ছেন মেসি, যিনি কঠিন মুহূর্তে ঠাণ্ডা মাথায় একের পর এক ডিফেন্ডারকে ধরাশায়ী করেছেন। আবেগ চেপে রাখতে না পেরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন, ‘বিশেষ কিছু মুহূর্ত, জানি এগুলো খুব মিস করব।’
রেকর্ড ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলারকেও যে ভক্তরা মিস করবেন, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ইতিমধ্যে ভক্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বী সবার মনে বিষণ্ণতার কালো মেঘ জেঁকে বসেছে।
এ কারণে কেউ স্টেডিয়ামে, আবার কেউ টিভির পর্দায় অশ্রুসিক্ত চোখ নিয়ে আগামীকাল ভোরে দেখতে বসবেন মেসির ‘লাস্ট ড্যান্স’। তাই স্বাভাবিক খেলার চেয়ে কাল আবেগই হয়তো বেশি ভেসে উঠবে মাঠে, যা ছড়িয়ে পড়বে কোটি ভক্তের হৃদয়ে। সবাই তখন একসঙ্গে চিৎকার করে উঠবে—‘গ্রাসিয়াস মেসি’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ