মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
নাটোরের গুরুদাসপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে এক নারীর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গুরুদাসপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তিনি গুরুদাসপুরের শ্রীপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের একজন কৃষকের মেয়ে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, পারুল তার স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর থেকে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে বসবাস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিধবা ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা একই মোবাইলের সিমে নিবন্ধন করা এবং আলাদা সিমে টাকা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বাড়িতে যান। এ সময় বিভিন্ন কথাবার্তার মধ্যে চেয়ারম্যান তাকে জড়িয়ে ধরে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী ডাক-চিৎকার করলে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে তিনি গুরুদাসপুর থানায় বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. মৃদুলা জানান, ‘ওই নারীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আইন মোতাবেক রিপোর্ট পেশ করা হবে।’
মনিরুল ইসলাম দোলনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা নগরীর একটি ভবন থেকে মো. কিরণ মিয়া (৪০) নামে এক রংমিস্ত্রির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি কুমিল্লা হাউসিং এস্টেটের ১ নম্বর সেকশনের জনতা ব্যাংক নামে পরিচিত ভবনের ক্যাপসুল লিফটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে কিরণ মিয়ার কপাল ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত কিরণ মিয়া কুমিল্লা নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর এলাকার সুন্দর আলীর ছেলে। পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে কিরণ মিয়া ওই ভবনে রঙের কাজ করতে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজার জন্য বিভিন্ন স্থানে যান। পরে সন্ধ্যার দিকে কুমিল্লা সদর উপজেলা পরিষদের সামনে কেটিসিসির বিপরীতে অবস্থিত ওই ভবনে তাকে খোঁজা শুরু হয়। একপর্যায়ে ভবনের লিফট মেকানিক রেটজিটেক লিমিটেডের কর্মচারী রাজু লিফট খুললে নিচে কিরণ মিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
রেটজিটেক লিমিটেডের কর্মচারী রাজু জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর তিনি ঘটনাস্থলে যান। তখন ভবনের লোকজন কিরণ মিয়াকে খুঁজছিলেন। লিফটের ভেতরে কেউ আছেন কি না, সেটিও দেখার চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে লিফট খুললে নিচে মরদেহটি পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল বলেন, লিফটটি জেনারেটরের মাধ্যমে চলছিল। একটি সময়ে লিফটটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে কিরণ মিয়া কিভাবে লিফটের নিচে গেল এবং লিফটটি কিভাবে বন্ধ হলো, তা প্রশাসনের তদন্ত করে বের করা উচিত।
ভবনের মালিক খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা সারা দিন খুঁজেও তাকে পাইনি। পরে ধারণা করি, তিনি হয়তো এখানে থাকতে পারেন। এরপর লিফটের নিচে খোঁজ করে মরদেহ পাওয়া যায়।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ভবনের বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজও দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় সময় আসন্ন। আগামী ৩ অক্টোবর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সল্টলেক স্টেডিয়ামে (যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি বহুল প্রতীক্ষিত প্রীতি ম্যাচ, যেখানে স্বাগতিক ভারত মুখোমুখি হবে লাতিন ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিলের।
ফিফা র্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও সেলেসাওরা ভারতীয় দলকে একফোঁটাও হালকাভাবে নিচ্ছে না। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, গ্যাব্রিয়েল এবং এন্দ্রিকের মতো বিশ্ব ফুটবলের প্রথম সারির সুপারস্টারদের নিয়ে কলকাতায় পা রাখতে চলেছে তারা। তবে ব্রাজিলের পোস্টার বয় ভিনিসিয়ুসের জন্য এটি ভারতের মাটিতে প্রথমবার পা রাখা নয়।
২০১৬ সালের অক্টোবরে ব্রিকস অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল কাপে অংশ নিতে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ভারতীয় গোয়ায় এসেছিলেন। তৎকালীন ফ্লামেঙ্গোর যুব অ্যাকাডেমিতে থাকা ১৬ বছর বয়সী ভিনিসিয়ুস গোয়ার মাটিতে ব্রাজিলের হয়ে চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, রাশিয়া এবং স্বাগতিক ভারতের বিরুদ্ধে খেলে টুর্নামেন্টের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন।
সেই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভিনিসিয়ুস ৪টি লক্ষ্যভেদ করে সেরা গোলদাতার খেতাব অর্জন করেন। স্বাগতিক ভারতের বিরুদ্ধে ৩-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ৮২ মিনিটে ব্রাজিলের শেষ পেরেকটি পুঁতেছিলেন তিনিই। ভারতে জাদুকরী পারফরম্যান্স দেখানোর মাত্র এক বছরের মাথায় ৪৬ মিলিয়ন ইউরোর বিশাল ট্রান্সফার ফি-তে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমান তিনি।
পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। সূচি অনুযায়ী আবারও ভারতের মাটিতে নামার কথা ছিল এই উইঙ্গারের, কিন্তু সদ্য চুক্তি সই করানো তরুণ তারকাকে সেই টুর্নামেন্টের জন্য ছাড়েনি রিয়াল কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক দশক পর আবারও সেই ভারতে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তবে এবার যুব দলের জার্সির বদলে জাতীয় দলের মূল স্তম্ভ হয়ে সল্টলেকের লাখো দর্শকের সামনে খেলবেন ভিনিসিয়ুস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। তবে কিছু স্মৃতি কখনো পুরনো হয় না। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা ওমর সানী বিয়ের দিনের সেই বিশেষ সময়ে ফিরে গেছেন, একটি স্মৃতির ছবি প্রকাশ করে। ছবিতে নববধূর সাজে দেখা যায় তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী মৌসুমীকে। বিয়ের সাজে ধরা দিয়েছেন ওমর সানীও।
ওমর সানী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিন দশকের বেশি পুরনো ছবিটি প্রকাশ করেন। ছবির সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বৌভাতের দিন। স্থান রাওয়া ক্লাব মাঠ, মহাখালী।’
ছবিটি প্রকাশের পরপরই নেটিজেনদের নজর কাড়ে তারকা দম্পতির পুরনো স্মৃতি। সেইসঙ্গে নতুন করে আলোচনায় আসে তাদের প্রেম ও বিয়ের গল্পও।
ওমর সানী ও মৌসুমীর প্রেমের শুরু নব্বইয়ের দশকে। ১৯৯৪ সালে ‘দোলা’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ভালো লাগা তৈরি হয়। যদিও এরও আগে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল বলে বিভিন্ন সময় জানিয়েছেন ওমর সানী।
একপর্যায়ে সেই ভালো লাগা গড়ায় ভালোবাসায়। এরপর ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে গোপনে বিয়ে করেন তারা। সে সময় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেননি এই তারকা জুটি। অভিনয়জীবন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থেকেই বিষয়টি কিছুটা আড়ালে রেখেছিলেন তারা।
এরপর একই বছরের ২ আগস্ট ঘটা করে আয়োজন করা হয় তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার। রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাব মাঠে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে তাদের দাম্পত্যজীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকেই বিবাহবার্ষিকী হিসেবে উদযাপন করে আসছেন ওমর সানী ও মৌসুমী।
এই তারকা দম্পতির সংসারে রয়েছে দুই সন্তান—ছেলে ফারদীন এহসান ও মেয়ে ফাইজা। তিন দশকের বেশি সময়ের সংসারজীবনে নানা সময়ে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ও গুঞ্জন তৈরি হলেও একসঙ্গেই পথ চলেছেন ওমর সানী ও মৌসুমী। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বিশ্বাস ও ত্যাগকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ওমর সানী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর ছাগলনাইয়া-মুহুরীগঞ্জ সড়কের ভাঙাপুল এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি ট্রাক এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে তাবলিগ জামাতের সদস্য সিরাজুল ইসলাম (৫২) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় আরও তিনজন অটোরিকশা যাত্রী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ছাগলনাইয়া উপজেলার নিজপানুয়া এলাকার ভাঙাপুল নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিরাজুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন নুরুল ইসলাম (৩২), রাকিব (২২), এবং আনোয়ার বেগস (৬০)।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে সিরাজুল ছাগলনাইয়ার উত্তর মন্দিয়া গ্রামে তাবলিগ জামাতে দলগত চিল্লায় অংশ নিতে আসেন। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার সহযোগীরা তাকে চিকিৎসার জন্য ছাগলনাইয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই সময় ট্রাক এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় সিরাজুল ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং তিনজন আহত হন।
ছাগলনাইয়া থানার এসআই শাহীনুর আলম জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ