০৮:৪৯ পি.এম
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘আই’-এর শেষ ম্যাচ হিসেবে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে চলেছে নরওয়ে ও ফ্রান্স। দুই দলই ইতোমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। এবার তাদের লড়াই হবে গ্রুপসেরা হওয়ার জন্য।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ২৮ বছর পর ফিরে আসা নরওয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছে। প্রথম ম্যাচে তারা ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে ফেলেছে, এবং দ্বিতীয় ম্যাচে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দুই জয়ে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে স্তালে সলবাক্কেনের দল।
এদিকে, সমান ছয় পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ফ্রান্স গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে। ফলে, নরওয়েকে গ্রুপসেরা হতে হলে শেষ ম্যাচে তাদের জয় ছাড়া বিকল্প নেই। আর্লিং হলান্ডের দুর্দান্ত ফর্ম নরওয়ের জন্য বড় ভরসা। তিনি প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি, এক্সের অনুবাদে বিব্রত জাপানি মন্ত্রী
অন্য দিকে, ২০১৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্সও নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দেখিয়েছে। প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ইরাককে ৩-০ গোলে পরাজিত করে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে আছে দিদিয়ের দেশমের দল।
দুই ম্যাচেই গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইরাকের বিপক্ষে আরও একটি গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। তারা আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গ্রুপ পর্ব শতভাগ জয়ে শেষ করতে চায়। ফ্রান্সের জন্য সমীকরণ বেশ সহজ। ড্র করলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, তবে তারা জয় নিয়েই শেষ করতে চাইবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অতীত পরিসংখ্যানে ফ্রান্সের পক্ষে। দুই দলের সর্বশেষ দেখায় ২০১৪ সালে ফ্রান্স ৪-০ গোলের বিশাল জয় পেয়েছিল। কিন্তু ২০১০ সালে নিজেদের মাঠে নরওয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করেছিল।
দারুণ ফর্মে থাকা দুই দলের লড়াইয়ে জমজমাট এক ম্যাচের অপেক্ষায় রয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। গ্রুপসেরা নির্ধারণের এই স্পর্ধায় সামান্য এগিয়ে থাকলেও ফ্রান্স মোটেও নরওয়েকে হালকা ভাবে নিতে পারবে না।
আরও পড়ুন: নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময় ও খেলাধুলার আলোচনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন