প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফলমূল খাওয়ার বিকল্প নেই। তবে, বর্তমানে বাজারে ফল কেনার সময় আমাদের বাড়তি সতর্কতা নেওয়া dringend হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পেঁপের মতো ফলগুলোকে দ্রুত পাকাতে অনেক সময় ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করে।
বাজারে উজ্জ্বল রং ও নিখুঁত আকৃতির পেঁপে দেখা খুবই আকর্ষণীয়, কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে থাকতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ফল নিয়মিত খেলে পেটের সমস্যা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা এমনকি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
জানা গেছে যে, অনেক ক্ষেত্রে পেঁপে পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এই রাসায়নিক ফলকে দ্রুত পাকানোর কাজ করলে, এটি স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ নষ্ট করে ফেলে।
কীভাবে চিনবেন রাসায়নিকমুক্ত পেঁপে? প্রথমত, পেঁপের রঙ্গ ও গঠনের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। রাসায়নিকভাবে পাকা পেঁপে সাধারণত খুব উজ্জ্বল হলুদ বা গাঢ় কমলা রঙের হয়ে থাকে এবং দেখতে প্রায় নিখুঁত লাগে। অন্যদিকে প্রাকৃতিকভাবে পাকা পেঁপেতে হালকা হলুদ, সবুজ ও কমলার মিশ্রণ থাকা উচিত এবং কোথাও কোথাও স্বাভাবিক দাগও দেখা যায়।
পেঁপের গন্ধও এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। স্বাভাবিকভাবে পাকা পেঁপেতে হালকা মিষ্টি ও সতেজ গন্ধ থাকে। কিন্তু রাসায়নিক দিয়ে পাকানো পেপে অনেক সময় কোনো ফলের গন্ধ পাওয়া যায় না, বরং অস্বাভাবিক বা কেমিক্যালের মতো গন্ধ অনুভূত হয়।
স্বাদের ক্ষেত্রেও পার্থক্য স্পষ্ট। প্রাকৃতিক পেঁপে সাধারণত মিষ্টি ও রসালো হয়। তবে রাসায়নিকভাবে পাকানো পেঁপে অনেক সময় তেতো বা অস্বাভাবিক স্বাদের হয়ে যায়। খাওয়ার সময় জিভে অস্বস্তি অনুভব হলে সেই ফল এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
এছাড়া, পেঁপে হাতে নিয়ে আলতো করে চাপ দিলে বোঝা যায় এর ভেতরের অবস্থা। রাসায়নিক পেঁপে বাইরে থেকে অতিরিক্ত নরম হতে পারে এবং চাপ দিলে আঙুলের দাগ বসে যায়। তাছাড়া, স্বাভাবিক পেঁপে তুলনামূলক শক্ত থাকে এবং চাপ দেওয়ার পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল ফল এখন একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তাই শুধুমাত্র ফলের রং বা দাম দেখে কেনার পরিবর্তে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়। মৌসুমি ফল কেনা, অতিরিক্ত চকচকে ফল এড়িয়ে চলা এবং ফলগুলো ভালোভাবে ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন