০২:৪২ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৯ হাজার ৮২৫ পিস ইয়াবা সহ জেসমিন আক্তার নামের একজন নারী যাত্রীকে আটক করেছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। রবিবার (২১ জুন) তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জেসমিন আক্তার হলো চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট এলাকার চাঁদপুর শ্বেতছড়া গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার কন্যা।
বিমানবন্দর সূত্র থেকে জানা যায়, নভোএয়ারের ঢাকাগামী ফ্লাইট (ঠছ-৯২২)-এ ভ্রমণের জন্য ওই নারী তার বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করেন। এরপর হোল্ড লাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তার বহন করা একটি ল্যাপটপ ব্যাগকে সন্দেহজনক মনে করেন এবং সেটি তল্লাশি করেন।
এই সময় সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মী রাকেশ ঘোষ ব্যাগটির দুই পাশের ফোমের ভেতরে বিশেষ কৌশলে সেলাই করে লুকিয়ে রাখা ইয়াবার চালান শনাক্ত করেন।
পরে ব্যাগ থেকে মোট ৯ হাজার ৮২৫ পিস ইয়াবাসহ জেসমিন আক্তার আটক হন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার সাথে আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনুমোদনহীন এবং বাজারজাতের অভিযোগে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর মর্ডান ড্রাগে জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানের ফলে বেশকিছু ওষুধ, কাঁচামাল এবং উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) কুমিল্লার তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাত্র দুটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিলারদের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করে আসছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান মন্তব্য করেন, কারখানাটির বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো অনুমোদিত টেকনিশিয়ান ছাড়াই এখানে ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল।
জব্দ হওয়া মালামালের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কুমিল্লার অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার, যিনি জানান, জব্দ করা ২২ ধরনের ওষুধের কোনো অনুমোদনপত্র প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। এখনোও কিছু বিদেশি ব্র্যান্ডের ওষুধ উৎপাদিত হচ্ছিল। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি কিছু ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগের আংশিক স্বীকার করে বলেন, কিছু ওষুধ তৈরির অনুমোদন রয়েছে, তবে কিছু ওষুধের অনুমোদন এখনও নেওয়া হয়নি।
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তারা এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেখ সাদী, তরুণ সংগীতশিল্পী, সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। গত শুক্রবার পারিবারিকভাবে তাঁর আংটিবদল হয়েছে এবং এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
গণমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকারে শেখ সাদী জানিয়েছেন, আংটিবদলের সিদ্ধান্তটি ছিল একেবারেই আকস্মিক।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আংটিবদলের ব্যাপারটি একেবারে হুট করে হয়েছে। আমার আব্বু–আম্মু দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁরা কিছুদিন আগে দেশে এসেছিলেন।
এর মধ্যে আমার বিয়ের ব্যাপারে পারিবারিকভাবে কথাবার্তা হয়। তাঁরা আমার জন্য একজনকে পছন্দ করেন। তাঁদের পছন্দে আমি সম্মতি জানাই। এরপর তাঁর সঙ্গে আমার আংটিবদল হয়েছে।’
প্রাপ্ত তথ্যমতে, শেখ সাদীর হবু স্ত্রীর নাম সুরাইয়া আফরোজ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন এবং সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। গত শুক্রবার ঢাকার শাহজাদপুরে কনের বাসায় দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে আংটিবদলের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
‘ললনা’ গান দিয়ে আলোচনায় আসা এই শিল্পী অভিনয়েও নাম লিখিয়েছিলেন। তিনি ‘শহরের নতুন অতিথি’ নাটকে সামিরা খান মাহির বিপরীতে অভিনয় করেছেন।
এছাড়া, চিত্রনায়িকা পরীমনির ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে শেখ সাদীকে একাধিকবার দেখা গেছে। এক মামলায় আদালতে পরীমনির জামিনদার হয়ে নতুনভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। এর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনেও একাধিকবার শিরোনামে এসেছেন এই গায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের ধাওয়ানশীপুর (ধাওয়া) ও কোকতাড়া গ্রামের যে সংযোগ সড়কটি রয়েছে, তা সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে, স্থানীয় শত শত মানুষের মধ্যে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
দুই গ্রামের একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের সময়ে তো বটেই, হালকা বৃষ্টির ক্ষেত্রেও যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, ধাওয়ানশীপুর থেকে কোকতাড়া পর্যন্ত সড়কটি কাঁচা ও খানাখন্দে ভরা থাকায়, বৃষ্টি হলেই কাদায় পরিণত হয়ে যায়। এর ফলে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলও বেশ দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
জাতীয় অথবা স্থানীয় নির্বাচনের সময় সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও কোনো স্থায়ী সমাধান বাস্তবায়িত হয়নি।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা কাদা মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন। ধানবোঝাই অটোরিকশা ও চার্জার ভ্যানকে গর্ত পার করতে একাধিক ব্যক্তি মিলে ধাক্কা দিতে হচ্ছে।
হিলি পৌর শহরের ছাতনী চৌমুহনী বাজার থেকে ধান নিতে আসা অটোচার্জার চালক মোবাশ্বর হোসেন বলেন, "মহাজনের ধান নিতে এসে বিপদে পড়েছি। একটি ধানবোঝাই গাড়ি ৪–৫ জন মিলে গর্ত পার করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় ভাড়া অনুযায়ী কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।"
আরেক চালক রায়হান বলেন, "ধান নিতে এসে রাস্তায় চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে নিজেদের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে রাস্তা সংস্কার করে ধান নিয়ে যাচ্ছি। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।"
ধাওয়ানশীপুর থেকে কোকতাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আঞ্জুয়ারা খাতুন বলেন, "অনেক দিন ধরে রাস্তার এই অবস্থা। সামান্য বৃষ্টি হলেই স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়।" এই অবস্থায় অনেক শিক্ষার্থী তখন স্কুলে আসতে পারে না।
ছাতনী চৌমুহনী বাজারের ধান ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ মন্তব্য করেন, "রাস্তাটির কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। দ্রুত সংস্কার হলে ভাড়া কমতে পারে এবং কৃষকরাও তাদের ধানের ন্যায্যমূল্য পেতেন।"
কোকতাড়া গ্রামের ধান বিক্রেতা জামান আলী জানান, "শুধু ধান বিক্রি নয়, রাস্তার বেহাল দশার কারণে আমাদের গ্রামের ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতেও সমস্যা হচ্ছে। প্রতি মণ ধান প্রায় ১০০ টাকা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাই দ্রুত রাস্তার সংস্কার চাই।"
এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান জানান, "এডিপি প্রকল্পের অর্থায়নে ধাওয়া গ্রামের মাসুদের দোকান থেকে কোকতাড়া গ্রামের দিকে ৪১০ মিটার ইটের সলিং নির্মাণের টেন্ডার হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে। ভবিষ্যতে ১০ ফুট প্রস্থে সড়কটি পাকাকরণের লক্ষ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।"
আলিহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দীপংকর শাহা রিপন বলেন, "বর্ষা শুরু হওয়ায় দুই–এক দিনের মধ্যে সড়কটিতে রাবিশ বা ইটের টুকরা ফেলে চলাচল উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
আলিহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইমরান আলী জানান, "কোকতাড়া থেকে ধাওয়ানশীপুর সড়কে এডিপি প্রকল্পের আওতায় ইটের সলিং নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে।"
তবে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, যেকোনো প্রকল্পের আওতায় হলেও কোকতাড়া থেকে ধাওয়ানশীপুর পর্যন্ত পুরো সড়কটি দ্রুত পাকাকরণ বা ইটের সলিং করে স্থায়ী সমাধান করা হোক, যাতে সারা বছর নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ