শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৮ পি.এম
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠেয় ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্স (সিপিসি)-এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আজ (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা ত্যাগ করবেন। প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি, ও মিজ্ সাকিলা ফারজানা এমপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহবুবুল আলম এমপি কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া প্রতিনিধিদলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ১৩ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক আইন ও সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ: কমনওয়েলথের নেতৃত্ব’ প্রতিপাদ্য সম্পর্কিত আলোচনা, মতবিনিময় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিমিয়ার অব দ্য ওয়েস্টার্ন কেপ এলান উইন্ডের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। গণতন্ত্র চর্চা সুসংহতকরণের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সিপিসি নেতাদের সঙ্গে এক সংসদীয় কর্মশালায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিদল। সম্মেলন শেষে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রতিনিধিদলটির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) নগরীতে ছিনতাই প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে চিহ্নিত ১০ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আজ শুক্রবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে সুযোগ বুঝে ছিনতাই করার কথা স্বীকার করেছে।
পথচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পুলিশের কাছে এসেছে।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, কুমিল্লা নগরীতে ছিনতাই প্রতিরোধ ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিবিড়ভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন জানিয়েছেন, প্রতিটি শাখা এবং প্রতিটি উপজেলায় এক থেকে পাঁচজন উদ্যোক্তা তৈরি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা কিউআর কোড, স্কুল ব্যাংকিং, নারী উদ্যোক্তা ঋণ এবং প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আজ শুক্রবার সকালে নগরের টাউন হল মুক্তমঞ্চে আলোচনা শেষে এসব কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।
কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং কিউআর কোড নিয়ে কৃষি ব্যাংক কাজ করছে। বিশেষভাবে ফ্যামিলি কার্ডের দায়িত্ব সরকার তিনটি ব্যাংকের উপর দিয়েছে, যার মধ্যে কৃষি ব্যাংকও রয়েছে। এটি আমাদের জন্য সরকারের একটি স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমরা যে এটি করতে সক্ষম, এটি তার প্রমাণ। কিউআর কোডের ক্ষেত্রে আমরা অগ্রসর হচ্ছি এবং লক্ষাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
পরে, তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে বিভাগীয় সম্মেলনে ব্যাংকারদের সঠিক দায়িত্ব পালনের জন্য শতভাগ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক জামিল আহমেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রহিম, মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির ভেনিসে চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণের সময় হামলার শিকার হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই সময় তিনি দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্টে এসব বিষয় উল্লেখ করেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, "জীবন যখন আপনাকে কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, ঠিক ওই সময় মনে রাখবেন, অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে।"
নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বাঁধন বলেন, "কী এক দীর্ঘ অধ্যায় ছিল এটি। এই অধ্যায়ে ছিল কঠিন সব মুহূর্ত; ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকে পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি।"
তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি একটি গভীর সত্য উপলব্ধি করেছেন। তার ভাষায়, "কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে সব সমর্থন ও সহায়তা আসে।"
কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ ও ইতালি সরকারের, ইতালিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, "আমার যখন সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন আপনারা।"
এ সময় কিছু কাছের মানুষ যখন তার থেকে দূরত্ব তৈরি করেছিলেন, তখন এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিই তার সুরক্ষার উৎস হয়ে উঠেছিল বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি যারা তার খোঁজ নিয়েছেন, পাশে দাঁড়িয়েছেন কিংবা তাকে সাহস জুগিয়েছেন, তাদের সবার প্রতিও হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানান এই অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে গেছেন বাঁধন। ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রদর্শনী ঘিরেই সেখানে অবস্থান করছেন তিনি।
গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে তাদের ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসন বাঁধনকে সহযোগিতা করে। এ ঘটনায় দেশ-বিদেশ থেকে অনেকে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের ৪ সদস্যকে হত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটির নেতারা প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার দাবি করেছেন। তারা সতর্ক করেছেন যে, মামলাটি যেন কোনোভাবেই ‘জজ মিয়ার নাটকে’ পরিণত না হয়।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর মাছুয়াপাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। এর আগে দুপুরে রংপুর আইনজীবী সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও প্রয়োজন রয়েছে। এ দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছে। আগামী রবিবার এর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আইনজীবীদের অভিযোগ, তদন্তের স্বার্থে নিহতদের বাড়ির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থান পরিদর্শনের সুযোগ তারা পাননি। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।
বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার সাহা বলেন, গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এজন্য সাবেক একজন বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়া দত্ত ভট্টাচার্য বলেন, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো ধরনের গরমিল বা প্রশ্ন তৈরি হওয়া উচিত নয়। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে। তারা আবারও সতর্ক করেছেন যে, মামলাটি যেন কোনোভাবেই ‘জজ মিয়ার নাটকে’ পরিণত না হয়।
আইনজীবী নেতারা বলেন, শুধু পুলিশের তদন্তের ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজন হলে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখা উচিত। তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে মামলাটি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নেরও অবসান হবে।
গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় একটি বাড়ি থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আগে রংপুর আইনজীবী সমিতির সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সংগঠনটির সভাপতি শাহ্ মো. কামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি মো. আবু তাহের আলী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সহ-সম্পাদক আতাউর রহমান, শফিকুল ইসলাম, হারুন উর রশীদ ও সুফিয়া খাতুন, সদস্য বাহাউজ্জামান রয়েল, শামীম ও আফরুজ্জামান তারেক এবং আজীবন সদস্য ধীরেন্দ্র নাথ বর্মন, নির্মল চন্দ্র মহন্ত, বীরেন্দ্র নাথ, অনুপ কুমার ও নরেশ চন্দ্র উপস্থিত ছিলেন।
পরে ঢাকা থেকে আসা প্রতিনিধি দলটি নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলে অ্যাডভোকেট জয়া দত্ত ভট্টাচার্য, সুধাংশু বিশ্বাস, অঞ্জন কুমার দাস, অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, খগেন চন্দ্র রায়, প্রভাষ চন্দ্র রায়, মিন্টু চন্দ্র দাস, দীপেন্দ্র নাথ রায়, মনোজিত মণ্ডল, নিবারণী দে, হরিপদ সরকার, বহ্নিশিখা দাস, প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সুভাষ তরফদার, পবিত্র মিস্ত্রি ও দিলীপ নন্দী ছিলেন।
আইনজীবীদের দাবি, তদন্তের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ