বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ এম
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ এবং একটি যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক বিমানের মধ্যে বিপজ্জনকভাবে দূরত্ব কমে যাওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলের এই ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে মেরিন ওয়ান অ্যান্ড্রুস বিমান ঘাঁটির দিকে যাওয়ার জন্য হোয়াইট হাউস থেকে উড্ডয়ন করে। একই সময়ে নিকটবর্তী রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে ‘এনভয় এয়ার’ পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক বিমান (এমব্রেয়ার ই-১৭০) উড্ডয়ন করে।
সাধারণ নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের বিমান বা হেলিকপ্টার চলাচলের সময় আশেপাশের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্থগিত রাখার কথা থাকলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল তা করতে ব্যর্থ হয়। যোগাযোগের অস্পষ্টতা ও বিলম্বের কারণে আকাশে হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমানের দূরত্ব ১ মাইলেরও নিচে চলে আসে।
উল্লেখ্য, ফেডারেল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী দুইটি উড্ডয়নরত যানের মধ্যে আনুভূমিকভাবে অন্তত ১.৫ মাইল অথবা উল্লম্বভাবে ৫০০ ফুট নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট কোনো মুহূর্তেই বিপদের মুখে ছিলেন না। মেরিন ওয়ান বিশ্বের সেরা বৈমানিকদের দ্বারা পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা চলছে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মার্কিন বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা এফএএ জানায়, দুইটি বিমানের দূরত্ব নির্ধারিত নিরাপত্তার নিচে নেমে যাওয়ার মুহূর্তটিতেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল উভয় বিমানের পাইলটদের সাথেই সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছিল।
উল্লেখ, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনের একই বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান ও সেনা হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এই আকাশসীমায় নিরাপত্তা প্রটোকল অত্যন্ত কড়া করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কোনো বড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও প্রটোকল ভঙ্গের এই মারাত্মক ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিমান চলাচল প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন আদালতে বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা প্রায় আট হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে নিম্ন আদালতে রয়েছে ৩ হাজার ৪৩৮টি মামলা এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে রয়েছে আরো ৪ হাজার ৮১৬টি মামলা।
৩০ জুন পর্যন্ত দুদকের সর্বশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নিম্ন আদালতে বিচারাধীন ৩ হাজার ৪৩৮টি মামলার মধ্যে কমিশনের করা মামলার সংখ্যা ৩ হাজার ১১১টি এবং বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর (বিডিবি) মামলা ৩২৭টি। এসব মামলার মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এক হাজার ৪৩টি মামলা এবং ঢাকার বাইরের জেলা আদালতগুলোতে রয়েছে ২ হাজার ৩৯৫টি মামলা।
অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে ৭০৮টি মামলা। হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন মামলা সংখ্যা ৪ হাজার ১০৮টি। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে রিট, ফৌজদারি বিবিধ মামলা, ফৌজদারি আপিল ও রিভিশন মামলা। উচ্চ আদালতে আসামিদের পক্ষ থেকে মূলত জামিন, মামলা বাতিল কিংবা সাজা স্থগিত বা বাতিলের আবেদন করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুদকও বিভিন্ন মামলায় জামিন বাতিল এবং নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখতে আবেদন করেছে।
দুদকের বিচারাধীন মামলাগুলোর বড় অংশই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, আয়কর ফাঁকি, সম্পদের তথ্য গোপন, ঘুষ গ্রহণ, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ সংক্রান্ত। এসব মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাবেক ও বর্তমান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করার পর থেকে কমিশন নেতৃত্বশূন্য রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সংস্থাটি নতুন কোনো অনুসন্ধান শুরু করতে পারেনি। একই সঙ্গে নতুন কোনো মামলা দায়ের বা অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলও করা হয়নি। আদালতেও এই সময় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশরীয় ফরোয়ার্ড এবং জাতীয় দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে নেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে তুর্কি ক্লাব ট্র্যাবজনস্পোর। বুধবার, তিনি ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে শত শত সমর্থক তাকে ঘেরাবন্দি করে উল্লাসে মেতে ওঠেন।
এ সময় এই তারকা ট্র্যাবজনস্পোরের জার্সি পরে সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন।
৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড গত মৌসুম শেষে অ্যানফিল্ড ত্যাগ করেন। লিভারপুলের হয়ে নয় বছরের দীর্ঘ সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ২৫৭টি গোল করেছেন। ফ্রি এজেন্ট হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কারণে তার ট্রান্সফার ফি লাগেনি, যার ফলে তুর্কি সুপার লিগের ক্লাবটি তাঁকে আকর্ষণীয় বেতন দিতে পারছে।
যদিও, তার সঠিক পারিশ্রমিকের পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
গত মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলে চ্যাম্পিয়ন গালতাসারাইয়ের তুলনায় আট পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে তিন নম্বরে শেষ করেছিল ট্র্যাবজনস্পোর। ফলে, আগামী মৌসুমে তারা ইউরোপা লিগে সালাহকে দেখা যেতে পারে। যদি ক্লাবটি প্লে-অফ অতিক্রম করে ইউরোপা লিগের মূল পর্বে জায়গা না পায়, তবে কনফারেন্স লিগে খেলতে হবে।
এর আগে, সালাহ ২০২৫ সালের এপ্রিলে লিভারপুলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বেতনের চুক্তি করেছিলেন, যেখানে তার সাপ্তাহিক আয় ছিল প্রায় চার লাখ পাউন্ড।
আজ বৃহস্পতিবার, পাপারা পার্কে সালাহর জন্য এক জাঁকজমকপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ট্র্যাবজনস্পোর। ক্লাবটি সমর্থকদের নতুন মৌসুমের জার্সি পরে স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে এই ‘ঐতিহাসিক মুহূর্তের’ সাক্ষী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
‘ব্ল্যাক সি স্টর্ম’ নামে পরিচিত ট্র্যাবজনস্পোর এ পর্যন্ত সাতটি লিগ শিরোপা জিতেছে, যার ছয়টিই এসেছিল ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে। তারা ৩৮ বছরের খরা কাটিয়ে সর্বশেষ ২০২২ সালে লিগ ট্রফি ছোঁয়।
তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ট্র্যাবজনের এই ক্লাবটি সুপার লিগ জেতা মাত্র ছয়টি দলের একটি।
সাবেক লিভারপুল স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল স্টারিজ এবং আর্সেনালের উইঙ্গার নিকোলাস পেপের পর, ট্র্যাবজনস্পোরের রক্তিম-আকাশি জার্সি গায়ে জড়াতে যাচ্ছেন সালাহ। ক্লাবের ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে বড় চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুলের হয়ে দুটি প্রিমিয়ার লিগ, একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ, উয়েফা সুপার কাপ, এফএ কাপ এবং দুটি ইএফএল কাপ জিতেছেন সালাহ। ইংল্যান্ডে খেলার সময় তিনি চারবার প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা (গোল্ডেন বুট) হওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছেন, পাশাপাশি ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৫ সালে তিনবার পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
২০২৪-২৫ মৌসুমে লিভারপুলের লিগ জয়ে ২৯টি গোল ও ১৮টি অ্যাসিস্ট করে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন সালাহ। তবে, এর পরের মৌসুমে তৎকালীন কোচ আর্নে স্লটের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ক্লাবে তার খেলার সময় অনেকটা কমে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির ও জাতীয় ছাত্র শক্তির সংঘর্ষের পর আজ তিন ছাত্র সংগঠনের ঘোষিত সভা-সমাবেশকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সকল ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আইডি কার্ড বহন বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
সরেজমিন সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ প্রতিটি প্রবেশপথে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নিরাপত্তাকর্মী, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। প্রবেশের সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড যাচাই করে ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। যাদের কাছে আইডি কার্ড নেই, তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তিন ছাত্র সংগঠনের সভা-সমাবেশকে ঘিরে ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আজকের জন্য ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সকল ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথে অনেক শিক্ষার্থীকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্ধৃত করে বলেন, “ম্যাডাম খালেদা জিয়া আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্র নাই, সব বস্তির টোকাই।’ এটি আমাদের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নয়, এটি বেগম খালেদা জিয়ারেরই বক্তব্য।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানাতে রংপুরের শাপলা চত্বরে ১১ দলের ঐক্যের গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী তার বক্তব্যে বলেন, ‘ইংরেজি ক্যালেন্ডারে আজ ৫ আগস্ট হলেও তরুণ প্রজন্মের ক্যালেন্ডারে আজ ৩৬শে জুলাই। এই ৩৬শে জুলাইয়ে বর্তমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কারাগার থেকে বেরিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘ছোট ছোট মাসুম বাচ্চারা আজ আমাদেরকে কারাগার থেকে মুক্ত করেছেন।’
তবে দুই বছর পেরিয়ে যেতে না যেতেই সেই মাসুম বাচ্চারা নাকি আজ তাদের কাছে বড় বেয়াদব হয়ে গেছে। এই পরিবর্তন তরুণ প্রজন্ম দেখতে চায় না।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচন ও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসায় হঠাৎ করে ছাত্রলীগের প্রতিচ্ছবি জাতির সামনে ভেসে উঠেছে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্র শিবির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল, সেদিন থেকেই তাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন জুলাই প্রদর্শনী চলছিল, তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা গিয়ে সাঈদী, নিজামী ও মুজাহিদের ছবি সরাতে বলেন। অথচ এই নেতাদের পাশে নিয়ে একসময় বেগম খালেদা জিয়া নিজেই সরকার পরিচালনা করেছেন।
তাদের বিচার যদি অন্যায় হয়, তবে খালেদা জিয়ার মামলা কিংবা তারেক জিয়ার সাজাও জুলুম ছিল। আমরা স্পষ্ট বলি, ফ্যাসিবাদের আমলের সকল বিচারই ছিল বিচারের নামে জুলুম।”
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ আপনাদেরকে লালকার্ড দেখিয়েছে। ছাত্র-জনতার গণজোয়ার দেখে সেদিন আপনারা দিকবিদিক পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরদিন টোকাইদের সম্মেলন ডেকে তাদের হাতে রামদা ও অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন।’
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মতিউর রহমান নিজামীর ব্যানারে আঘাত করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আলেম-ওলামাদের ব্যানারে জুতা দিয়ে আঘাত করেছেন, তাদের লক্ষণ ভালো নয়। শাহবাগেও এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল, যার পরিণতিতে হ্যালিকপ্টারে চড়ে পালায়ন করতে হয়েছিল। আলেম-ওলামা এবং জাতির কলিজার টুকরা সাঈদীকে নিয়ে তামাশা করবেন না।’
গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল।
মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজলের সঞ্চালনায় সমাবেশে ১১ দলের ঐক্যের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, মহানগর সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুফতি নেয়ামত উল্লাহ, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মাহবুব, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর জেলা সভাপতি হামিদুর রহমান, মহানগর সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রাকিব মুরাদসহ ১১ দলের ঐক্যের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ