বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ এম
সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির ও জাতীয় ছাত্র শক্তির সংঘর্ষের পর আজ তিন ছাত্র সংগঠনের ঘোষিত সভা-সমাবেশকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সকল ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আইডি কার্ড বহন বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
সরেজমিন সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ প্রতিটি প্রবেশপথে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নিরাপত্তাকর্মী, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। প্রবেশের সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড যাচাই করে ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। যাদের কাছে আইডি কার্ড নেই, তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তিন ছাত্র সংগঠনের সভা-সমাবেশকে ঘিরে ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আজকের জন্য ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সকল ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথে অনেক শিক্ষার্থীকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্ধৃত করে বলেন, “ম্যাডাম খালেদা জিয়া আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্র নাই, সব বস্তির টোকাই।’ এটি আমাদের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নয়, এটি বেগম খালেদা জিয়ারেরই বক্তব্য।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানাতে রংপুরের শাপলা চত্বরে ১১ দলের ঐক্যের গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী তার বক্তব্যে বলেন, ‘ইংরেজি ক্যালেন্ডারে আজ ৫ আগস্ট হলেও তরুণ প্রজন্মের ক্যালেন্ডারে আজ ৩৬শে জুলাই। এই ৩৬শে জুলাইয়ে বর্তমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কারাগার থেকে বেরিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘ছোট ছোট মাসুম বাচ্চারা আজ আমাদেরকে কারাগার থেকে মুক্ত করেছেন।’
তবে দুই বছর পেরিয়ে যেতে না যেতেই সেই মাসুম বাচ্চারা নাকি আজ তাদের কাছে বড় বেয়াদব হয়ে গেছে। এই পরিবর্তন তরুণ প্রজন্ম দেখতে চায় না।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচন ও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসায় হঠাৎ করে ছাত্রলীগের প্রতিচ্ছবি জাতির সামনে ভেসে উঠেছে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্র শিবির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল, সেদিন থেকেই তাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন জুলাই প্রদর্শনী চলছিল, তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা গিয়ে সাঈদী, নিজামী ও মুজাহিদের ছবি সরাতে বলেন। অথচ এই নেতাদের পাশে নিয়ে একসময় বেগম খালেদা জিয়া নিজেই সরকার পরিচালনা করেছেন।
তাদের বিচার যদি অন্যায় হয়, তবে খালেদা জিয়ার মামলা কিংবা তারেক জিয়ার সাজাও জুলুম ছিল। আমরা স্পষ্ট বলি, ফ্যাসিবাদের আমলের সকল বিচারই ছিল বিচারের নামে জুলুম।”
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ আপনাদেরকে লালকার্ড দেখিয়েছে। ছাত্র-জনতার গণজোয়ার দেখে সেদিন আপনারা দিকবিদিক পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরদিন টোকাইদের সম্মেলন ডেকে তাদের হাতে রামদা ও অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন।’
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মতিউর রহমান নিজামীর ব্যানারে আঘাত করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আলেম-ওলামাদের ব্যানারে জুতা দিয়ে আঘাত করেছেন, তাদের লক্ষণ ভালো নয়। শাহবাগেও এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল, যার পরিণতিতে হ্যালিকপ্টারে চড়ে পালায়ন করতে হয়েছিল। আলেম-ওলামা এবং জাতির কলিজার টুকরা সাঈদীকে নিয়ে তামাশা করবেন না।’
গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল।
মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজলের সঞ্চালনায় সমাবেশে ১১ দলের ঐক্যের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, মহানগর সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুফতি নেয়ামত উল্লাহ, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মাহবুব, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর জেলা সভাপতি হামিদুর রহমান, মহানগর সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রাকিব মুরাদসহ ১১ দলের ঐক্যের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের প্রসপেক্ট হিল শহরে গোলাগুলির একটি ঘটনা ঘটেছে। এই গোলাগুলির ঘটনাটি একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘটে, যার ফলে সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং একজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার সকালে ৮টার (জিএমটি ১২:০০) ঠিক আগে জরুরি বার্তা পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ক্যাশওয়েল কাউন্টির শেরিফ টনি ডারডেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক এবং তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।
নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এসবিআই) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ একাধিক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে। তাদের মধ্যে একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে ডিউক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং বাকিদের ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়।
তবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শেরিফ কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এই পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় শেরিফ দপ্তরের যোগাযোগ বা কোনো ঝামেলা ছিল এমন কোনো রেকর্ড নেই।
বর্তমানে এসবিআই-এর অপরাধ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল থেকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনাটি পুরোপুরি পারিবারিক হওয়ায় সাধারণ জনগণের জন্য নতুন করে কোনো হুমকির আশঙ্কা নেই।
ঘটনার মূল কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও রাশিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। একই সঙ্গে, দুই দেশ জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
বিশেষ করে ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার কাজ অগ্রগতি লাভ করছে। এছাড়া, রাশিয়ায় দক্ষ ভারতীয় কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ দ্রুত বাড়ছে।
রাশিয়ায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় কুমার বুধবার এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য উপস্থাপন করেছেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যৌথভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের লক্ষ্যে কাজ করছে।
সেই লক্ষ্যে উভয় দেশ কার্যকরীভাবে কাজ করে চলেছে। রাষ্ট্রদূত এই প্রসঙ্গে জানান, বর্তমানে যেসব খাতে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, নতুন নতুন খাতে সহযোগিতার সুযোগ খুঁজে দেখা হচ্ছে, যাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হয়।
বিনয় কুমার আরও বলেছেন, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বে জ্বালানি সহযোগিতা এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তিনি তথ্য জানিয়েছেন, রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা রোসআতোম ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তার মতে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ৩ ও ৪ নম্বর ইউনিটের নির্মাণকাজে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান, গত কয়েক বছরে রাশিয়ায় ভারতীয় দক্ষ কর্মীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে ভারতীয় পেশাজীবীদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেছেন, দুই থেকে তিন বছর আগে রাশিয়ায় ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার ছিল। বর্তমানে, এই সংখ্যা বেড়ে এক লাখেরও বেশি হয়েছে। বিনয় কুমার বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে দুই দেশের চলমান সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি, নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আগে এসেছে। ২০২৬ সালে ব্রিকসের চেয়ার দেশ হিসেবে ভারত আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে এই সম্মেলন আয়োজন করবে। সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সব ধরনের প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক শেরপুরের নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কবিতা আবৃত্তি, হামদ-নাতসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসব অনুষ্ঠিত হয়।
সহকারী শিক্ষক শওকত আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সুপার মাওলানা ফজলুল করিম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. মোশারফ হোসাইন, সহকারী মৌলভী হযরত আলী ও মাহদী মাসুদসহ বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
বক্তারা জাতীয় জীবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্যদেন। এ গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সত্যিকারের বৈষম্যহীন ও দুর্নিতীমুক্ত সমাজ এবং জনকল্যাণমূখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তারা।
এসময় সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোসাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, সহকারী শিক্ষক নুসরাত জাহান নিপা, জেসমিন আক্তার, আবু রায়হান, সহকারী মৌলভী ফুলেছা খাতুন, সবুজা খাতুন ও সোহাগী বেগম, সহকারী শিক্ষক তাহেরা সুলতানা, আবু রায়হান, মোজাহিদুল ইসলাম, আয়শা সিদ্দিকা, কব্দুল হোসেন, ইয়াছিন আহাম্মেদ, উজ্জল মিয়া, আরিফ হোসেন ও লাবনী বেগমসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ