ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চিরিরবন্দরে হুইপের বড় ভাইয়ের দাফন সম্পন্ন


চিরিরবন্দরে হুইপের বড় ভাইয়ের দাফন সম্পন্ন

 

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপির বড়ভাই মোঃ আসাদুজ্জামান মিয়া (৬৯) দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জুন শুক্রবার বিকেল ৫ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

মরহুমের প্রথম জানাজা গতকাল ২০ জুন শনিবার সকাল ৯ টায় দিনাজপুর শের-ই-বাংলা ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় জানাজা বেলা ১১ টায় নিজ গ্রাম চিরিরবন্দরের দক্ষিণ পলাশবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে মরহুমের দাফন পারিবারিক কবরস্থানে সম্পন্ন করা হয়।

আরও পড়ুন: কাউনিয়া থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, টার্গেটে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি সমর্থকদের কাছে যেভাবে প্রিয় হয়ে উঠছে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


বিদেশি সমর্থকদের কাছে যেভাবে প্রিয় হয়ে উঠছে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশি সমর্থকদের কাছে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে প্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভিসা ইস্যু, উচ্চ টিকেট মূল্যসহ বেশ কিছু কারণে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। আয়োজক দেশের জনগণের মধ্যে আগ্রহের কমতির কারণে বিদেশি দলের ফুটবলপ্রেমীরা উদ্বেগের মধ্যে ছিলেন।

তবে, খেলা শুরু হওয়ার পর মার্কিন শহরগুলোর উষ্ণ আতিথেয়তা এবং স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যর্থনা বিদেশি সমর্থকদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।

কঠোর ভিসা নীতিমালার কারণে ইরান, হাইতি, আইভরি কোস্ট এবং সেনেগালের মতো বেশ কিছু দেশের বড় অংশ স্থানীয় গ্যালারিতে যোগ দিতে পারছে না। এই শূন্যতা পূরণ করতে সাধারণ মার্কিন নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। স্থানীয় আমেরিকানরা স্টেডিয়ামে নিজেদের দেশের মতো সমর্থন না পাওয়া আন্ডারডগ দলগুলোকে পাশে নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মন জয় করছেন।

বর্ণিল আয়োজন, সুসজ্জিত ফ্যান জোন এবং স্থানীয়দের আন্তরিক অভ্যর্থনা মাঠের বাইরের পরিবেশকে আরো আনন্দময় করে তুলেছে, যা টুর্নামেন্টের উত্তেজনাকে বাড়িয়ে তুলছে এবং বিশ্বজুড়ে প্রশংসার পাত্র হচ্ছে।

বোস্টনের একটি পাবে পৌঁছেছেন ‘টারটান আর্মি’র স্কটিশ ভক্ত গেইল নিকোল। তিনি জানিয়েছেন, ‘বোস্টনের একটি পাবে দুজন চমৎকার মেয়ের সাথে আমার দেখা হয়। সেদিন মেয়েটির জন্মদিন ছিল, সে ককটেল খাচ্ছিল। আমি তাকে আরেকটি কিনে দিলাম এবং তারা বারবার বলছিল ‘বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে স্বাগতম!’ তারা আমাদের খুব পছন্দ করেছে, আমরাও তাদের পছন্দ করেছি... এখানকার সবাই খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, খুব ভালো।’

‘এখানকার মানুষের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও খোলামেলা মনমানসিকতা আমার কাছে একেবারেই নতুন’— জুরিখ থেকে আসা এক সুইস সমর্থকের এমন মন্তব্য আলোচনা তৈরি করেছে।

এছাড়াও, বিশ্বকাপ দেখতে আসা বিদেশি ভ্রমণকারীরা পরিচিতি নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও অরল্যান্ডোর বাইরেও কানসাস সিটি, আটলান্টা ও হিউস্টনের মতো শহরের সাথে পরিচিত হচ্ছেন।

কানসাস সিটিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল অবস্থান করেছে। শহরটি সমবেত হওয়া আর্জেন্টিনার নাগরিকদের নিয়ে গঠিত, যারা সংস্কৃতিতে 'আসাদো' বারবিকিউ খাওয়াকে ফুটবলের মতোই অপরিহার্য বলে মনে করেন—সেখানকার স্থানীয় 'ড্রাই রাব' ঘরানার গ্রিল করা মাংসের স্বাদ নিতে তারা সম্মিলিত হয়েছেন।

খেলা দেখতে আসা আর্জেন্টিনার সমর্থক ক্রিশ্চিয়ান গাস্তেস বরেছেন, 'আর্জেন্টাইন বারবিকিউ আমার সবচেয়ে প্রিয়। তবে এটি সত্যিই বেশ চমৎকার।'

ডালাসে ডুসেলডর্ফ থেকে আসা জার্মান সমর্থক মাক্সিমিলিয়ান কির্খও সেখানকার বারবিকিউর স্বাদ নিচ্ছেন—এবং নিজের নতুন কেনা টেক্সান কাউবয় হ্যাটটি প্রদর্শন করে তিনি বলেন, ‘আমি এই সংস্কৃতির আরো অভিজ্ঞতা নিতে চাই।’

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যেসব উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল, তার কয়েকটি এখনও অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মায়ামির মতো স্থানের তীব্র গরম খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে; অথচ ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে গ্রীষ্মের আরো এক মাস বাকি। যদিও ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, গ্যালারিতে দর্শকদের উপস্থিতি বেশ ভালো। তবে টিকিট এবং যাতায়াতের উচ্চ খরচের কারণে অনেকেই এই সফরে আসতে অনাগ্রহী। তাছাড়া, ভিসার কড়াকড়ি এবং ভিসা না পাওয়া কারণে অনেক ফুটবল ভক্তকে শেষ পর্যন্ত ঘরে বসে টিভিতে খেলা দেখতে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের মাঝেই অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


বিশ্বকাপের মাঝেই অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো অবসর ভেঙে ফিরে এসেছেন। ছবিটি দেওয়া হয়েছে ইন্সটাগ্রামে।

কি, শিরোনামটি পড়ে আপনি চমকে উঠেছেন?

এটা অপ্রত্যাশিত বলাই যায়। আপনার মনে হতে পারে, যে ব্যাক্তিটি ২০১৫ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন, তিনি আবারও কি বিশ্বকাপের মাঝেই ব্রাজিল দলের হয়ে ফিরছেন!

কিন্তু বিষয়টি মোটেই এমন নয়।

রোনালদিনহো অবসর ভেঙে এসেছেন ঠিকই, কিন্তু তিনি ইতালির ঘরোয়া ফুটবলের তৃতীয় স্তরের ক্লাব রাভেন্নার হয়ে খেলার জন্য। ক্লাবটির সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

ইতালির শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ট জানাচ্ছে, ৪৬ বছর বয়সী রোনালদিনহো সিরি ‘সি’ এর ক্লাব রাভেন্নার সঙ্গে চুক্তি করেছেন। তিনি ক্লাবটির শেয়ারও কিনেছেন এবং এর উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

রাভেন্না, আগামী ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোনালদিনহোর যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে। সভাপতির পক্ষ থেকে ইনাৎসিও চিপরিয়ানি দীর্ঘদিন ধরে রোনালদিনহোকে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে আসছেন।

রোনালদিনহো তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেছেন, ‘নতুন রং। তবে একই হাসি।

আমি আবারো বল নিয়ে নাচতে এবং ইনাৎসিও চিপরিয়ানির পরিবারের সঙ্গে নতুন গল্প লিখতে মুখিয়ে আছি। ফুটবল সবসময়ই আমার কাছে আনন্দের উৎস। আর সেই আনন্দের অনুভূতিটাই আমি রাভেন্নায় নিয়ে যেতে চাই।’

বিশেষ কয়েকটি ম্যাচে রোনালদিনহোকে খেলতে দেখা যাবে। তবে রাভেন্নার প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে তাকে নিয়মিত দেখা যাবে।

২০০২ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার সাফল্য যা রোনালদিনহো অর্জন করেন। ২০০৫ সালে ব্যালন ডি’অর জিতে নাটকীয় এক সাফল্যের গল্প লেখেন। ২০০৬ সালে বার্সেলোনাকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে জিতাতেও নিহিত ছিল তার অবদান।

রোনালদিনহো সর্বশেষ পেশাদার ফুটবল খেলেছেন ২০১৫ সালে, আর প্রায় এক যুগ পর তার এই প্রত্যাবর্তন ফুটবল বিশ্বে নতুন করে সাড়া ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান: অলাভজনক ও বন্ধ কারখানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান: অলাভজনক ও বন্ধ কারখানা

দেশের অলাভজনক এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

এরই অংশ হিসেবে আজ শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে একটি বিশেষ রোড শো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী দেশের শিল্প খাতের বিকাশ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতি সচল করার জন্য বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোকে নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশি বন্ধুদের, বিশেষ করে জাপানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশের সুবিধা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

এতে সরকারের নীতিনির্ধারক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং দেশি-বিদেশি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রোড শোতে অংশ নেন।

বিনিয়োগের এই বড় আয়োজনে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা যোগ দেন। তাদের মধ্যে প্রাণ-আরএফএল, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটন, মেঘনা, রানার, টি কে গ্রুপ, ব্র্যাক, নাবিল, স্কয়ার, ট্রান্সকম, আকিজ এবং লাল তীরসহ বিভিন্ন বড় শিল্পগোষ্ঠীর কর্ণধাররা উপস্থিত ছিলেন।

দেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক, বিশেষ করে জাপানি বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এই অনুষ্ঠানে। জাপানি কোম্পানি মারুবেনি করপোরেশন, টয়োটা সুশো করপোরেশন, সুমিতোমো করপেরেশন, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড, মিতসুই অ্যান্ড কোং (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেড, সোজিৎস এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং জেট্রো বাংলাদেশ অফিসের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারাও এই সময় উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, এই রোড শো-এর মাধ্যমে দেশের বন্ধ ও লোকসানি শিল্প খাতগুলোতে নতুনভাবে বিদেশি এবং বেসরকারি পুঁজির প্রবাহ বাড়বে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৫৬ খাল দখলমুক্ত করা হবে, চলবে স্থায়ী সংরক্ষণ কার্যক্রম : প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


ঢাকার ৫৬ খাল দখলমুক্ত করা হবে, চলবে স্থায়ী সংরক্ষণ কার্যক্রম : প্রতিমন্ত্রী

আজ রাজধানীর মিরপুর-১২ এলাকার মুসলিম বাজার খালের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সরকার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন মোট ৫৬টি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত দুটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকা উত্তরের ২৭টি এবং দক্ষিণের ২৯টি খালের দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আজ রাজধানীর মিরপুর-১২ এলাকার মুসলিম বাজার খালের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খালগুলো দখলমুক্ত করার পর ডিমার্কেশনের মাধ্যমে উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ খাল দখল করতে না পারে। তিনি কথা বলেন, ‘ঢাকার খালগুলো সংরক্ষণ করা না গেলে নগরী একসময় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। তাই নগরবাসীর স্বার্থেই খাল পুনরুদ্ধার ও স্থায়ী সংরক্ষণে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।’

তিনি জানান, বর্তমানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধীন ছোট-বড় ৫৬টি খালের ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ চলছে এবং এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

মীর শাহে আলম অভিযোগ করেন যে, গত ১৯ বছরে আন্তরিকতার সঙ্গে নগরীর খাল ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নগরবাসীর স্বার্থে অলিগলি থেকে শুরু করে খাল-বিল পর্যন্ত সর্বত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করেছে।

তিনি বলেন, মুসলিম বাজার খাল থেকেই ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫০ ট্রাক ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য খালও পরিষ্কার করা হবে। খালগুলোর ময়লা অপসারণের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খালগুলো দখলমুক্ত ও ময়লামুক্ত করা না গেলে ঢাকা নগরী ক্রমেই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠবে।’ তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খাল পুনরুদ্ধার, ডিমার্কেশন, গাইড ওয়াল নির্মাণ এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান থাকবে।

এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার করার পর কেউ যদি সেখানে কিংবা রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং জরিমানা করা হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নগরবাসীর চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে সকল সেবামূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমরা নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

তিনি জানান, গত ৫ জুন থেকে এ পর্যন্ত মুসলিম বাজার খাল থেকে ৪১৬ ট্রাক তলদেশের পলি, স্লাজ ও ময়লা অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা এসব বর্জ্য অপসারণের ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসক অভিযোগ করেন, গত ১৯ বছরে এ ধরনের ব্যাপক খাল পরিষ্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ডিএনসিসির আওতাধীন সব খাল পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার করা হবে এবং নগরবাসীকে জলাবদ্ধতামুক্ত নগর উপহার দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার লক্ষ্যেও সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা প্রতিনিয়ত নগরীর অলিগলি, জলাশয় ও খালপাড়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে একই রাস্তা বারবার খননের পরিবর্তে ওয়াসা, ডেসকোসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হবে।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ও ডিএনসিসি প্রশাসক মুসলিম বাজার খালের আশপাশের অঞ্চলে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%