১২:২১ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজের কারণে যে বিস্ফোরণ ঘটে তাতে দগ্ধ হয়েছেন মা ও ছেলে। তাদের মৃত্যু ঘটার পর এবার মারা গেলেন পরিবারের কর্তা রাজমিস্ত্রি মাইদুল (২৪)।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল
মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল, যা মৃত্যুর প্রধান কারণ বলে জানা গেছে।
এর আগে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে মারা যান মাইদুলের স্ত্রী বিউটি (২৪)। বিউটির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং শুরু থেকেই তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।
এছাড়া, তাদের আট বছর বয়সী ছেলে মারুফও এর আগে গত শনিবার দুপুরে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মারুফের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
তাদের গ্রাম নাটোরে অবস্থিত। প্রায় এক বছর ধরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং ওয়ার্ডের বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া ছিলেন।
আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
ঘটনার দিন প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে, নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, টিনশেড ঘরের পাশের রান্নাঘরে তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস জমে ছিল। পরে এই জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
দগ্ধ বিউটির মা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস লাইনে লিকেজ থাকার কারণে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল। শুক্রবার ভোরে মাইদুল লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরানোর চেষ্টা করলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই আগুন পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মাইদুল, তার স্ত্রী এবং তাদের একমাত্র ছেলে দগ্ধ হয়ে যায়। আগুনের কারণে ঘরের আসবাবপত্রও পুড়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন