বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:৩৭ পি.এম
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে হামলা চালায় তবে এর জবাব হিসেবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
এই বিষয়ে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও করেছে ইরান। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সূত্রগুলোর দাবি, বিষয়টির স্পর্শকাতরতা বিবেচনায় তারা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেওয়ার পরপরই ইরান আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে।
আলোচনার বিষয়ে অবগত দুই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা, উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি সূত্র এবং একজন আঞ্চলিক কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সৌদি আরব, তুরস্ক ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
আঞ্চলিক ওই কূটনীতিক জানান, ট্রাম্পকে নতুন সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন আরাকচি। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানে হামলা হলে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনা ও ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন স্বার্থগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। আরাকচির বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে ওই কূটনীতিক বলেন, “আমরা প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত। তবে কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করাই পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত ও ধ্বংস এড়ানোর সবচেয়ে ভালো পথ।”
উপসাগরীয় এক সূত্রও জানায়, ইরানের বার্তা ছিল স্পষ্ট- যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আঘাত আসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে সামরিক পদক্ষেপ পিছিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার অনুরোধ করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এই কূটনৈতিক তৎপরতা দেখাচ্ছে যে, তেহরান সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জবাবে আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে আলোচনার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা এবং জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল উপসাগরীয় দেশগুলো ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনার মধ্যে কঠিন অবস্থানে পড়েছে। আরেকটি উপসাগরীয় সূত্র জানিয়েছে, সতর্কবার্তাটি সব উপসাগরীয় দেশের জন্যই ছিল। তবে তা মূলত সৌদি আরব ও কাতারের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়।
গত কয়েক বছরে ইরান উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘকালীন আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবও রয়েছে। অন্য এক ইরানি কর্মকর্তা জানান, তেহরানের সতর্কবার্তার পর কাতার, ওমান ও সৌদি আরব ওয়াশিংটনকে নতুন সংঘাত এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। তারা সতর্ক করেছে, নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু হলে পুরো অঞ্চল বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে।
এর আগে, গত ২ আগস্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন- দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ থাকলে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে পারেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ (৩৫) নামে এক পাওয়ার টিলারচালক। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার দেওপাড়া রেলক্রসিংয়ে।
নিহত আবুল কালাম আজাদ নাচোল উপজেলার বান্দ্রা গ্রামের মহিবুর রহমানের পুত্র।
রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, আবুল কালাম আজাদ পাওয়ার টিলার নিয়ে তার বাড়ি বান্দা গ্রামে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে দেওপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় তিনি রাজশাহীগামী মহানন্দা ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নিহত হন। ঘটনাস্থলেই আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান রেলওয়ে পুলিশের ওই উপ-পরিদর্শক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, বাংলাদেশ এক সময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে হারিয়ে যাচ্ছিল। এখন আবার সেই বাংলাদেশ ফিরে আসছে। এতে আমরা খুব আনন্দিত।
বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে জানান, বাংলাদেশ একসময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে হারিয়ে যাচ্ছিল। এখন সেই বাংলাদেশ আবার ফিরে আসছে। এতে আমরা খুব আনন্দিত।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের মন্তব্য আমাদের উপলব্ধি করিয়ে দেয় যে, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে আর কখনো পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত হতে না দেওয়া।
ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, শুরু থেকেই বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বাংলাদেশকে আর কখনো পরনির্ভরশীল অবস্থায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সাফল্য বজায় রাখার দায়িত্বও আমাদের।’ শুরুতে গত বছরের আগস্ট মাসের শুরুতে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে দারুণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সে সময় জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ে কর্মরত সাবেক কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেন। তিনি মনে করছিলেন, বাংলাদেশে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের নীরব থাকা উচিত নয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি তাদের কাছে তুলে ধরেছিলাম। পরে অন্তত কিছু ক্ষেত্রে গুলিবর্ষণ বন্ধ হতে দেখা যায়। আমার ধারণা, দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতেও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের একটি ভূমিকা ছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম এবং ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য গণভোটের রায় বাস্তবায়ন সহ বিভিন্ন দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর মুক্তাগণ এলাকায় অনুষ্ঠিত জোটের অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দিয়েছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি জানান, "আমরা অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেমেছি। আমাদের আন্দোলন চলবে। খুনিদের বিচারের দাবিতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমরা জীবিত থাকতে বাংলাদেশে তারা আর আস্ফালন দেখাতে পারবে না।"
এসময় জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার, তেল-গ্যাসের দাম কমানো এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্য। পরে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, "যদি লংমার্চে কোনো বাধা দেওয়া হয়, তাহলে দ্বিগুণ শক্তিতে প্রতিহত করা হবে।"
রাজধানীর মুক্তাগণ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি আয়োজন করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঐক্য, যেটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি তেল-গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল এবং সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, "গণভোটের রায় না মেনে সরকার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বৃষ্টির মধ্যে আমরা রাজপথে এটিই সরকারের জন্য বার্তা। প্রয়োজনে ২৬ সালে আরেকটি বিপ্লব হবে। ৬ মাসে সরকার সব দিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা বিরোধী দলের-মতের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তারা ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা করছে। জুলাইয়ের যোদ্ধারা সেই চেষ্টা সফল হতে দেবে না।"
তিনি আরও বলেন, "গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ এর ভূতুড়ে বিল দিচ্ছে। মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে বিএনপি যেন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন না দেখে।"
এসময় নাহিদ ইসলাম সরকারকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, গ্যাসের দাম বাড়ালে সরকার গদিতে থাকতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এখন আগামী ২৪ আগস্টে ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর জহিরুল আমিনসহ আরো অন্যান্য প্রসিকিউটর।
২২ আসামির বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু হওয়ার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তাছাড়া, সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের নির্ধারিত দিন ছিল। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তারা নতুন তারিখকে নির্ধারণ করেন।
মামলায় পাঁচজন আসামী গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ এবং দেবাশীষ পাল দেবু।
এছাড়া, মামলার পলাতক অন্য আসামিরা হচ্ছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ এবং সুমন দে।
এর পূর্বে, ৭ এপ্রিল তিন অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপ্রিল ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশনের প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত এবং মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম এবং হৃদয় চন্দ্রকে শহীদ করার দায় দ্রষ্টব্য। তাছাড়া, জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার কথা তিন নম্বর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ