ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পোরশায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক সভা


পোরশায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক সভা

নওগাঁর পোরশায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে বিশেষ সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় পোরশা থানা ও জেলা পুলিশের আয়োজনে মুশিদপুর দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আল-মামুন সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। পুলিশ সুপার মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ফেসবুক ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাইবার অপরাধ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের নিজেদের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের মানুষকে সচেতন করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মন, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান এবং পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান।এ সময় বক্তারা সাইবার জগতে নিরাপদ থাকার বিভিন্ন কৌশল, মাদকের ভয়াবহতা এবং মাদকমুক্ত সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আল-মামুন শিক্ষার্থীদের জন্য এমন জীবনমুখী ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করায় পোরশা থানা ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।অনুষ্ঠানে পোরশা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।এছাড়া মুশিদপুর দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সচেতনতামূলক এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিটিশ-ইসরাইলি তেল প্রকল্প বন্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


ব্রিটিশ-ইসরাইলি তেল প্রকল্প বন্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা

আর্জেন্টিনার বিভিন্ন সংগঠন মঙ্গলবার আদালতে মামলা করেছে ব্রিটিশ-ইসরাইলি একটি তেল প্রকল্প বন্ধের দাবিতে, যা বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের উপকূলের নিকটবর্তী।

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনা ‘লাস মালভিনাস’ নামে উল্লেখ করে। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা দ্বীপপুঞ্জটিকে ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণ থেকে নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, মামলাটি এমন এক সময়ে করা হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিন আগে বলেছেন, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্বিবেচনার বিষয়টি তিনি নাকচ করছেন না।

আর্জেন্টিনার ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি আর্জেন্টিনার জন্য ‘পবিত্র’ মালভিনাস ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।

মিলে প্রশ্ন তোলেন, ‘জাতীয় স্বার্থের জন্য মালভিনাস ইস্যুর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত আর কী বিষয় হতে পারে?’

ব্রিটিশ কোম্পানি রকহপার এক্সপ্লোরেশন এবং ইসরাইলি কোম্পানি নাভিটাস পেট্রোলিয়াম ‘সি লায়ন’ নামে পরিচিত এই তেলক্ষেত্রকে ঘিরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে চায়।

মামলাকারী যুদ্ধের সাবেক সৈনিক ও পরিবেশবিষয়ক আইনজীবীদের মতে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে বড় আকারের তেল উত্তোলন কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মামলাকারীরা দাবি করেছেন, জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবের সঙ্গে এই প্রকল্পের বিরোধ রয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো ভূখণ্ড নিয়ে বিরোধ চলমান থাকলে একতরফাভাবে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা বিরোধের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

যদিও প্রকল্পটি ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে মামলাকারীরা মনে করছেন, স্থানীয় আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত প্রকল্পটির অগ্রগতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

আইনজীবী এনরিক ভিয়ালে এএফপিকে বলেন, মামলায় আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো ‘কাজ শুরু বা চালিয়ে যাওয়া এবং হাইড্রোকার্বন উত্তোলন ও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের কার্যক্রম শুরু’ থেকে বিরত থাকে।

ফকল্যান্ড ইস্যুতে নতুন উত্তেজনা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে বিরোধ এখনও আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়।

গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে ২-১ গোলে জয়ের পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার একটি ব্যানার তুলে ধরেন, যাতে লেখা ছিল— ‘লাস মালভিনাস আর্জেন্টিনার।’

এই ঘটনার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি দপ্তর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র পাল্টা মন্তব্য করেন, ‘বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ অবশ্যই আমাদের।’

১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখলের চেষ্টা করলে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার দ্বীপপুঞ্জ পুনর্দখলের জন্য একটি নৌবহর পাঠান।

এর জেরে শুরু হওয়া যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন, ২৫৫ জন ব্রিটিশ এবং তিনজন দ্বীপবাসী নিহত হন।

সোমবার সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করেন, যুক্তরাষ্ট্র ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে কি না।

জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সব অবস্থানই পর্যালোচনা করি। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি।’

ফকল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্বিবেচনার বিষয়ে ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
১৯৯১-৯২ বিপর্যয়

আধুনিক ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখ যে ১২ মাস ভুলে যেতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


আধুনিক ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখ যে ১২ মাস ভুলে যেতে চায়

জার্মান ফুটবলের রাজকীয় আঙিনায় বায়ার্ন মিউনিখের লাল জার্সির যে দাপট প্রতিনিয়ত দেখা যায়, তার পেছনে রয়েছে এক একচ্ছত্র আধিপত্যের কাহিনী। রেকর্ড বুন্দেসলিগা ট্রফি এবং ইউরোপীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক বহনকারী এই বাভারিয়ানরা যেন নিখুঁত জয়ের এক অবিরত যন্ত্র।

 

ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, জার্ড মুলার, লোথার ম্যাথিউস এবং ফিলিপ লামদের হাত ধরে সাফল্য শব্দটিকে নিজেদের সমার্থক বানিয়ে ফেলা বায়ার্ন মিউনিখের ইতিহাস কিন্তু সম্পূর্ণরূপে রোদেলা নয়। তাদের সমৃদ্ধ ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় বিদ্যমান, যেখানে টানা ১২ মাস ইউরোপের এই জায়ান্ট এক চরম দিশেহারা ও গড়পড়তা দলে রূপান্তরিত হয়েছিল।

অথচ ঐতিহাসিক পতনের জন্য কোনো পূর্বাভাস ছিল না বাভারিয়ানদের আঙিনায়। ১৯৮০-এর দশকে প্রখ্যাত কোচ ইউপ হাইনকেসের জাদুকরী ছোঁয়ায় জার্মানির ফুটবল মসনদে একচ্ছত্র রাজত্ব করছিল বায়ার্ন মিউনিখ।

 

একের পর এক লিগ শিরোপা জয়ের পর ১৯৯০ সালের দলবদলে স্টিফান এফেনবার্গ এবং ব্রায়ান লাউড্রুপের মতো তারকাদের দলে ভিড়িয়ে নিজেদের শক্তি আরো বাড়িয়ে নেয় ক্লাবটি। তরুণ এফেনবার্গ তৎকালীন গণমাধ্যমে দম্ভ করে বলেছিলেন, ‘অন্য দলগুলো বুন্দেসলিগা জেতার জন্য বড্ড বোকা, তাই আমি বাভারিয়ায় এসেছি।’ তবে ফুটবলের সবুজ গালিচা যে কারো দম্ভ সহ্য করে না, তা হাড়েনাতে টের পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি বায়ার্নের। ১৯৯১-৯২ মৌসুম আসতেই একের পর এক নাটকীয় বিপর্যয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বায়ার্নের সেই সাজানো অহংকার।

 

পতনের রথটি আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটতে শুরু করে জার্মান কাপের (ডিএফবি-পোখাল) ম্যাচ দিয়ে। অলিম্পিক স্টেডিয়ামের বিশাল গ্যালারির সামনে অনামি ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল এফসি হোমবার্গের মুখোমুখি হয়েছিল বায়ার্ন। কিন্তু সেদিন বাভারিয়ান সমর্থকদের বাকরুদ্ধ করে দিয়ে অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ৪-২ গোলের ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।

ঘরের মাঠে পুঁচকে এক ক্লাবের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার এই ঘা শুকানোর আগেই বিশ্বমঞ্চে আরেক চরম লজ্জার মুখে পড়ে বাভারিয়ানরা। উয়েফা কাপের প্রথম রাউন্ডেই আয়ারল্যান্ডের আধা-পেশাদার দল কর্ক সিটির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বসে বায়ার্ন।

 

যে দলের ফুটবলাররা দিনে সাধারণ চাকরি করতেন আর বিকেলে খেলায় নামতেন, তাদের রুখতেই ঘাম ছুটে যায় কোটি টাকার বায়ার্ন তারকাদের। ধারাবাহিক এই ব্যর্থতার ঝড় সামলাতে না পেরে তৎকালীন বায়ার্ন বোর্ড তড়িঘড়ি করে ইউপ হাইনকেসকে ছাঁটাই করে দেয়। তবে সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা, হাইনকেসকে বরখাস্ত করার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও করুণ করে তোলে। পরবর্তীতে যে ঘটনা নিয়ে আফসোস করে বায়ার্নের বিখ্যাত জেনারেল ম্যানেজার উলি হ্যেনেস অকপটে স্বীকার করেছিলেন, ‘হাইনকেসকে ওই মুহূর্তে বিদায় দেওয়াটাই ছিল আমার পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল।’

হাইনকেসের স্থানে তড়িঘড়ি করে ডাগআউটে বসানো হয় সদ্য অবসর নেওয়া ৩২ বছর বয়সী ডেনিশ কিংবদন্তি সোরেন লারবিকে। কিন্তু প্রথমবার কোচিংয়ের চেয়ারে বসা লারবির হাতে তখন এমনকি কোনো অফিসিয়াল কোচিং লাইসেন্সও ছিল না! অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার এই বিশাল ঘাটতি নিয়ে বায়ার্নের মতো পাওয়ারহাউস পরিচালনা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েন লারবি।

লারবির হাত ধরে ডেনমার্কের মাটিতে ইতিহাসঘেরা এক মহালজ্জার সাক্ষী হয় বায়ার্ন মিউনিখ। উয়েফা কাপের পরবর্তী পর্বে ডেনিশ ক্লাব ‘বোল্ডক্লুবেন ১৯০৩’-এর বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে বায়ার্ন জালে হজম করে বসে এক ডজন গোলের অর্ধেক! ডেনিশ দলটি বাভারিয়ানদের রক্ষণভাগকে তছনছ করে ৬-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ইতিহাসে বায়ার্নের মতো পরাশক্তির এই ধস ছিল এক অভাবনীয় ট্র্যাজেডি। দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ না পেয়ে টুর্নামেন্ট থেকে অপমানজনক বিদায় নিতে হয় তাদের।

ইউরোপীয় ফুটবলের আঙিনা থেকে লজ্জাজনক বিদায়ের পর দেশের লিগেও ধস থামানো যাচ্ছিল না। ২০ দলের বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন টেবিলের ১৪ নম্বরে নেমে যায়—যা ছিল রেলিগেশন জোন থেকে মাত্র কয়েক ধাপ ওপরে! পতন ঠেকানোর চরম আকুতিতে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে লারবিকেও বরখাস্ত করা হয় এবং অভিজ্ঞ কোচ এরিখ রিবাক এসে কোনোমতে পতন সামলে দলকে ১০ নম্বর স্থানে রেখে মৌসুম শেষ করেন। সে মৌসুমে বায়ার্নের জয়ের চেয়ে হারের পাল্লা ছিল ভারী, ঘরের মাঠেই তারা হেরেছিল ৭টি ম্যাচ এবং পুরো মৌসুমে তাদের গোল ব্যবধান দাঁড়িয়েছিল ঋণাত্মক (-২)।

পরবর্তী মৌসুমে অবশ্য মেহমেত শল, থমাস হেলমার এবং ঘরের ছেলে লোথার ম্যাথিউসকে ফেরত এনে মোটা অঙ্কের দলবদলে নিজেদের আবারও পুনর্গঠন করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। বাভারিয়ানরা খুব দ্রুতই তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজসিংহাসন উদ্ধার করে ফুটবলের রাজত্ব কায়েম করেছিল ঠিকই, কিন্তু ১৯৯১-৯২ মৌসুমটি ইতিহাসের পাতায় আজ অবধি বড় এক সতর্কবার্তা হয়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলমান : দীনেশ ত্রিবেদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলমান : দীনেশ ত্রিবেদী

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সফর দুই দেশের জনগণের স্বার্থে হবে।

 

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তারা আলোচনা করেন, কিভাবে এই সম্পর্কের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে সংসদীয় ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা সম্ভব।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা আবার শুরু হয়েছে। এই আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আলোচনা সব সময় চলমান বিষয়।

 

গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায় তাহলে ওটা গণতন্ত্র না। গণতন্ত্রে আলোচনা হলো বহমান নদীর মতো। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সব আলোচনাই চলমান থাকবে।

 

দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের মধ্যে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানান। স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দেশের সংসদ কিভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে পারে, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরো কিভাবে উন্নত করা যায়, সেটি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে কোহলি-ওয়ার্নারকে ছুঁলেন ডি কক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে কোহলি-ওয়ার্নারকে ছুঁলেন ডি কক

দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার কুইন্টন ডি কক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি অসাধারণ মাইলফলক অর্জন করেছেন। তিনি ফরম্যাটটিতে নিজের ১০ম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিরাট কোহলি ও ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ব্যাটারদের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন।

 

টি-টোয়েন্টি সংস্করণে পাঁচম ব্যাটার হিসেবে ১০টি সেঞ্চুরি করার এই অনন্য গৌরব অর্জন করেছেন এই প্রোটিয়া তারকা।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস পেট্রিয়টসের বিরুদ্ধে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ডি কক। এই ম্যাচে তিনি ৫৭ বলে ১০৬ রানের একটি মারকুটে ইনিংস উপহার দেন। তার ইনিংসে ছিল ১৮৫.৯৬ স্ট্রাইক রেটের ঝড়ো খেলা, যেখানে তিনি ১১টি চার ও ৬টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকান।

 

ডি কক, কোহলি এবং ওয়ার্নার, তিনজনেই এখন সমান ১০টি করে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির মালিক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মাত্র দুইজন, ক্রিস গেইল (৪৬৩ ম্যাচে ২২টি সেঞ্চুরি) এবং বাবর আজম (৩৫৯ ম্যাচে ১৩টি সেঞ্চুরি) দ্বিতীয় স্থানে আছেন।

সেঞ্চুরির পাশাপাশি, ডি কক টি-টোয়েন্টিতে ১৩ হাজার রানের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। ইতিহাসের নবম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়তে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১৩৩ রান।

 

টি-টোয়েন্টিতে ৪৫৭ ম্যাচের ৪৩৩ ইনিংসে ৩১.৩০ গড়ে এবং ১৩৯.৭৮ স্ট্রাইক রেটে ১২,৮৬৭ রান সংগ্রহ করেছেন ডি কক। তার নামের পাশে রয়েছে ১০টি সেঞ্চুরি ও ৮৪টি হাফ-সেঞ্চুরি (সর্বোচ্চ ১৪০*)।

বর্তমানে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ সংগ্রাহকদের তালিকায় ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন ডি কক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কায়রন পোলার্ড, যার সংগ্রহ ৭৫১ ম্যাচে ১৫১.১৭ স্ট্রাইক রেটে ১৪,৯৩৩ রান।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%