ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শুক্রবারের মধ্যে শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স


শুক্রবারের মধ্যে শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া আগামী শুক্রবারের মধ্যেই প্রকাশিত হবে।

ভ্যান্স মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ওয়াশিংটন এই দলিলটি আরো দ্রুত প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছে।

কিন্তু মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা কাতার ও পাকিস্তানের আলোচকরা বলেছেন, ‘অল্প সময়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ করা না করার অনুরোধ’ রয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দুঃখজনক, পর্যালোচনা চলবে : আইনমন্ত্রী

ভ্যান্স বলেন, মার্কিন জনগণের জন্য এটি একটি ভালো চুক্তি হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছেন, ‘আমরা এটি আজই প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছি, কারণ আমরা চাই মার্কিন জনগণ যেন জানতে পারে এই চুক্তিতে কী আছে।’

গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া খসড়া সম্পর্কে প্রতিবেদনগুলোর প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, চুক্তির বিষয়ে কিছু ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরো স্পষ্ট করেন যে, এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি ‘অবিলম্বে’ উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরো জানান, ‘ইরান যদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ করতে এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা থেকে সরে আসা বিষয়ে আমাদের চাহিদা পূরণ করে, তবেই তারা কিছু সুবিধা পাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ পাবে।’

আরও পড়ুন: হরমুজে নৌ-মাইনের বিস্ফোরণে দুই তেল ট্যাংকারে আগুন

এখানে তিনি ইরানের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ইঙ্গিত দেন। ভ্যান্স দাবি করেন, ‘আমরা তাদের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তাদের এমন প্রণোদনা দিতে চাইছেন যাতে তারা দীর্ঘ মেয়াদে আর সেই কর্মসূচি পুনর্গঠন করার চেষ্টা না করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি, বিস্তৃত নদ-নদী ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ প্রবণ দেশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় পানি সম্পদ খাতে সরকার বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহন করেছে।"

আজ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. রবিউল আওয়াল-এর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, খরা, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।" তিনি আরও জানান যে, এসব দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, "বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।" এ লক্ষ্যে পানি সম্পদ খাতে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, নদীভাঙন রোধ, বন্যা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি কৃষিজমিতে লবণাক্ততা হ্রাসসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, "গত ১৩ মে (২০২৬) তারিখে ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় অনুমোদন করা হয়েছে।" প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি সংরক্ষণ ও প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ কমবে, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার হবে, সেচ সুবিধা ও পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এছাড়া প্রকল্প থেকে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জাতীয় জিডিপিতে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সেচ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।"

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত অন্যান্য উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।" তিনি জানান, "জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।"

তিনি জানান, "বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।" এর আওতায় উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য প্রাকৃতিক জলাধার গড়ে তোলা, জলবায়ু অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ জীবিকা নিশ্চিতকরণ এবং নারী, শিশু, জেলে ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সুরক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় টেকসই বেড়িবাঁধ, সাইক্লোন শেল্টার এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে।"

তিনি আরও জানান, "জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের আওতায় প্রণীত জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্ল্যান-এনএপি) বাস্তবায়নের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় ‘এনএপি ইনভেস্টমেন্ট রোডম্যাপ’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে সরকার থার্ড ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি-৩.০) প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এর আওতায় ২০৩৫ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।" এছাড়া চারটি ওয়েস্ট-টু-এনার্জি কেন্দ্র, ২৬টি ইন্টিগ্রেটেড ল্যান্ডফিল অ্যান্ড রিসোর্স রিকভারি ফ্যাসিলিটি স্থাপন এবং উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলে এক লাখ হেক্টর এলাকায় বনায়ন ও পুনর্বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে ‘লং টার্ম লো এমিশন ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি’ প্রণয়নের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, "প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬ এর আওতায় একটি সুসংহত কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্বন বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করবে।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে ত্রাণ নির্ভরতা থেকে ঝুঁকি হ্রাস ভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে।" এর ফলে দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বিমানভর্তি অর্থ দিয়েছিলেন ওবামা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


‘ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বিমানভর্তি অর্থ দিয়েছিলেন ওবামা’

বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে দাবি করেছেন যে, ওবামা প্রশাসন বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) চুক্তির আওতায় ইরানকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার নগদ দেওয়া হয়েছিল, আলজাজিরার খবর অনুযায়ী।

ট্রাম্প মঙ্গলবার (১৬ জুন) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।

তিনি ঘটনাটির প্রমাণ হিসেবে নিজ কাছে থাকা ছবির উল্লেখ করে জানান, ওবামার করা জেসিপিওএ চুক্তির জন্য ব্যাংক থেকে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তারা বিমানটির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল।

ওবামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ট্রাম্প বলেন, তিনি ঘুষ দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমি তা করার চেষ্টা করিনি।’’

ট্রাম্প সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, জানেন ইরানিরা কী করেছিল? তারা ওবামাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছিল এবং তাকে গালি দিয়েছিল।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত জেসিপিওএ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে তেহরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা। তবে ২০১৮ সালে যখন ট্রাম্প প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি জেসিপিওএ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি জয়েন্ট কমপ্রেহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ)-এর সময় ইরান যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছিল, সে বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প শুরু থেকেই সমালোচনা করে আসছেন।

বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের প্রশ্নে ট্রাম্পের অবস্থান অনেকটাই নির্ভর করে ইরানকে তিনি কতটা অর্থনৈতিক সুবিধা দিতে রাজি হন তার ওপর। ওয়াশিংটনের মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট-এর ইরান বিশেষজ্ঞ আলেক্স ভাটানকা মন্তব্য করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর মূল চাবিকাঠি অর্থ।

তাদের দাবি অনুযায়ী, কয়েক দফা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন ও আরব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে অনীহাই আলোচনার অচল হওয়ার প্রধান কারণ।

ইরান প্রস্তাব দিয়েছিল যে, তারা পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুকে আপাতত আলোচনার বাইরে রেখে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে প্রস্তুত। তবে আলোচনায় জড়িত সূত্রগুলোর মতে, প্রকৃত জটিলতা পারমাণবিক ইস্যু নয়, বরং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রশ্নে।

ট্রাম্প দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় অংশজুড়ে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি জেসিপিওএ চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে এসে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, যা ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২তম জাতীয় এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


১২তম জাতীয় এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর গুলশানে শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনে আজ একটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে ১২তম জাতীয় এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশের শুটিংয়ের একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুটাররা আমাদের দেশের জন্য অনেক সম্মান বয়ে এনেছে। তবে বিগত কিছু বছরে শুটিং থেকে কাঙ্খিত সাফল্য পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের নিজেদের মধ্যে আরও ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সকল ফেডারেশনকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক মানের তিন থেকে চারটি এবং জাতীয় পর্যায়ে পাঁচ থেকে ছয়টি ইভেন্ট আয়োজন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া ক্রীড়াবিদদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিতে স্পোর্টস ভিলেজে শুটিং ও আর্চারির জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখা হবে। খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের জন্য আপনাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়ে খেলতে হবে।

দেশের ক্রীড়া খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মোঃ আমিনুল হক জানান, আমরা একদম শূন্য থেকে শুরু করেছি। এই উদ্যোগের ফলাফল রাতারাতি পাওয়া যাবে না, তবে আগামী তিন থেকে চার বছর পর দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি দৃশ্যমান সাফল্য আসবে। সামনে আমাদের এশিয়ান গেমস রয়েছে এবং সেখানে খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের জন্য পদক আনা এবং এই লক্ষ্য পূরণে আমরা সবাই এক পরিবারের মতো কাজ করতে চাই।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, শুটিং ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ রেজাউল মাকসুদ জাহেদী এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, এনডিসি, পিএসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

মেক্সিকোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়া আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর দীর্ঘ দুই দশকের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাচ্ছে। চলমান বিশ্বকাপ হবে জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর শেষ টুর্নামেন্ট।

৪০ বছর বয়সী ওচোয়া ২০০৫ সালে মেক্সিকোর হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক করেছিলেন। এরপর ২০০৬ বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু হয়েছে তাঁর বৈশ্বিক মঞ্চের যাত্রা, যা এখন পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপে বিস্তৃত হয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে তিনি ১৫০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে মেক্সিকোর রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ওচোয়া বলেন, ‘মেক্সিকো জাতীয় দল ছাড়া আমার ক্যারিয়ার কল্পনা করা কঠিন। জাতীয় দলই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ। বিশ্বকাপের পর আমি আর ফুটবল খেলে যাওয়ার মানে দেখি না।’

ক্লাব ক্যারিয়ারের বড় অংশ মেক্সিকোর ঘরোয়া লিগে কাটালেও ইউরোপে অল্প সময়ের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন তিনি। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি বারবার নিজের দক্ষতা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে বড় টুর্নামেন্টে তাঁর একাধিক অসাধারণ পারফরম্যান্স মেক্সিকোকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছে অনেকবার।

ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী দেশগুলোর একটি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বমঞ্চে ধারাবাহিক সাফল্য না পেলেও, ওচোয়া ছিলেন দলের অন্যতম স্থিতিশীল স্তম্ভ। তাঁর বিদায়ের ঘোষণার মাধ্যমে মেক্সিকান ফুটবলে এক দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে।

বিশ্বকাপ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বুট তুলে রাখবেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%