মোঃ উজ্জ্বল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৬ পি.এম
নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল, পূর্বধলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। পরে দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
নেত্রকোনা জেলা তরুণ দলের সভাপতি শেখ ফারুকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন পূর্বধলা উপজেলা তরুণ দলের সদস্যসচিব মিজানুর রহমান মিজান।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব আবু তাহের তালুকদার। তিনি নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব বাবুল আলম তালুকদার, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সালাহউদ্দিন আহমেদ, নওয়াব সাঈদ আল মামুন, শহিদ ফকির, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন, রুহুল আমিন ফকির, আব্দুল গফুর ও আবুল কাশেম।
এ ছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তুরাগ, উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং তরুণ দলের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি তরুণদের সংগঠিত করা এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিহার শরিফে একটি গয়নার শোরুমের উদ্বোধনে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন জনপ্রিয় ভোজপুরি অভিনেত্রী কাজল রাঘওয়ানি। হাজারো ভক্ত তাকে একঝলক দেখার জন্য ভিড় জমায়। এক পর্যায়ে, ভিড় সামলাতে না পারায় সেখানে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তবে শোরুমের কর্মীদের সহায়তায়, কোনো ক্ষতি ছাড়াই তাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
অনুষ্ঠান শেষে, যখন কাজল রাঘওয়ানি গাড়িতে উঠছিলেন, তখন একদল লোক তার গাড়িটিকে ধাওয়া করে। এই সময় ভিড়ের চাপে তার গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন ভেঙে যায় এবং বেশ কয়েকটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, যানজটে আটকে থাকা গাড়িটির পেছনে বেশ কিছু মানুষ দৌড়াচ্ছে। পরবর্তীতে, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে জানান যে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ আছেন। তিনি তার অনুরাগী ও সমর্থকদের ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হবে। যদিও শোরুম মালিকদের দাবি, তারা গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুমোদনের জন্য জেলা প্রশাসনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গুজরাটি চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করলেও, ২০১৩ সালে ‘রিহাই’ সিনেমার মাধ্যমে ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতে নাম লেখান কাজল রাঘওয়ানি। ইতিমধ্যে তিনি ৫০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন, যার মধ্যে ‘পাটনা সে পাকিস্তান’, ‘সংগ্রাম’ ও ‘মেহেন্দি লাগা কে রাখা’ অন্যতম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’। এর প্রভাবে কান্তো অঞ্চলসহ পূর্ব জাপানের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টি ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও বেড়ে গেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানায়, টাইফুনটি টোকিও মহানগরীর নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পূর্ব জাপানের আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কান্তো অঞ্চলের মধ্যে টোকিও এবং এর আশপাশের প্রিফেকচারগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইতোমধ্যে ইজু দ্বীপপুঞ্জ ও চিবা প্রিফেকচারসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শনিবার থেকে কিছু কিছু এলাকায় ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, টাইফুনটি কান্তো অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে সোমবার বৃষ্টিপাতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, কান্তো ও মধ্য জাপানের কিছু এলাকায় ‘লিনিয়ার রেইন ব্যান্ড’ তৈরি হতে পারে। এ ধরনের বৃষ্টিপ্রবণ মেঘমালা নির্দিষ্ট এলাকায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত ঘটাতে সক্ষম। ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের আশঙ্কা বাড়ছে।
টাইফুনের প্রভাবে মধ্য জাপানের আইচি প্রিফেকচারে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের অশ্বারোহী ইভেন্টিং প্রতিযোগিতাও মঙ্গলবার পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
জাপানের কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাইক্লিংয়ের সময় পাথরের আঘাতের শিকার হয়েছেন ফারিবা। নিরাপত্তার খোঁজে ছেলের পোশাক পরে, মুখে একাধিক মাস্ক লাগিয়ে অনুশীলনে যেতে হয়েছে তাকে। শেষ পর্যন্ত নিজের দেশ আফগানিস্তানও ছাড়তে হয়েছে। সেই ফারিবা হাশিমিই এবারে এশিয়ান গেমসে নারীদের ব্যক্তিগত টাইম ট্রায়ালে সপ্তম স্থান অধিকার করেছেন।
২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরে আসার পর ফারিবা ইতালিতে চলে যান। বর্তমানে সেখানেই তার বসবাস। কঠিন সেই পথ অতিক্রম করে এশিয়ান গেমসে সপ্তম হওয়া ২৩ বছর বয়সী এই সাইক্লিস্টের কাছে একটি ভালো ফলের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তার দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী।
ফারিবা ১৫ বছর বয়সে তার বড় বোন ইউলদুজের সঙ্গে সাইক্লিং শুরু করেন। তবে আফগানিস্তানের ফারিয়াব প্রদেশে মেয়েদের সাইক্লিং করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অনুশীলনে যাওয়ার সময় তাকে ছেলেদের ছদ্মবেশ ধারণ করতে বাধ্য হতে হতো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ফারিবা জানান, “আমি অনুশীলনে যাওয়ার সময় পুরুষের পোশাক পরতাম। দুই-তিনটি আলাদা মাস্কও পরতাম, যাতে মানুষ আমাকে চিনতে না পারে বা আক্রমণ করতে না পারে। আমি ভয় পেতাম, তারা আমাকে চিনে ফেলবে।”
তিনি আরও বলেন, “কখনো বড় পাথর আমার মাথার দিকে ছুড়ে মারা হয়েছে। কেউ কেউ বোতল ছুড়ে ফেলেছে। তারা আক্রমণাত্মক আচরণ করে আমাদের বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করার চেষ্টা করত।”
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন সাইক্লিস্ট আলেসান্দ্রা কাপেলোত্তোর সহায়তায় দুই বোন ইতালিতে চলে যান। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকেও তারা অংশগ্রহণ করবেন।
ইতালিতে সুখী জীবনের সন্ধান পেলেও, আফগানিস্তানে ফিরে যেতে না পারার দুঃখ ফারিবার কণ্ঠে শোনা যায়, “নিজের দেশে থাকতে পারি না, এটা দুঃখের। অনেক দিন ধরে পরিবারের কাউকে দেখিনি। স্বপ্ন অনুসরণ করতে আমি দেশ ছেড়েছি। মানুষের ছোড়া পাথর থেকে বাঁচতে আমাকে পালাতে হয়েছে।”
ফারিবার আশা, একদিন আফগানিস্তানের মেয়েরা দেশ থেকেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন, “আমরা এখনো বেঁচে আছি এবং এখনো লড়ছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার থেকে কেউ দায়মুক্তি পান না। তবে এমপিদের গ্রেপ্তার ও আটকের ক্ষেত্রে সংবিধান, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি এবং দেওয়ানি কার্যবিধিতে কিছু বিশেষ সুরক্ষার বিধান বিদ্যমান। বিশেষত, সংসদের বাইরে ফৌজদারি মামলায় এমপিদের গ্রেপ্তার করতে সাধারণত স্পিকারের পূর্ব অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তবে গ্রেপ্তার, আটক বা কারাদণ্ডের বিষয়টি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় স্পিকারকে জানাতে হয়।
সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৭২ বিধিতে এ বিষয়ে বিধান রয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, যদি কোনো সংসদ সদস্য ফৌজদারি অভিযোগে বা ফৌজদারি অপরাধে গ্রেপ্তার হন, কারাদণ্ড দেওয়া হয় বা নির্বাহী আদেশে আটক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত ফরমে এর কারণ উল্লেখ করে অবিলম্বে স্পিকারকে জানাতে হবে।
অর্থাৎ, সংসদের বাইরে ফৌজদারি মামলায় এমপিদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং গ্রেপ্তার বা আটকের পর বিষয়টি স্পিকারকে অবহিত করার বিধান রয়েছে।
তবে সংসদের সীমানার ভেতরে কাউকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে নিয়মটি ভিন্ন। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৭৪ বিধিতে উল্লেখ রয়েছে, ‘নো অ্যারেস্ট শ্যাল বি মেড উইদিন দ্য প্রিসিঙ্কটস অব দ্য হাউস উইদাউট অবটেইনিং দ্য পারমিশন অব দ্য স্পিকার।’
অর্থাৎ, সংসদ ভবন ও এর নির্ধারিত সীমানার মধ্যে কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে আগে স্পিকারের অনুমতি নিতে হবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এই বিধানে শুধু সংসদ সদস্যের কথা বলা হয়নি; সংসদের সীমানার মধ্যে যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন।
এ কারণে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৭২ ও ১৭৪ বিধির মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। ১৭২ বিধিতে সংসদ সদস্যের গ্রেপ্তার, আটক বা কারাদণ্ডের পর স্পিকারকে অবহিত করার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে, ১৭৪ বিধিতে সংসদের সীমানার মধ্যে কাউকে গ্রেপ্তারের আগে স্পিকারের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
দেওয়ানি মামলায় সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা সুরক্ষা রয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫এ ধারায় সংসদের অধিবেশন চলাকালে এবং অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকের আগে ও পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো সংসদ সদস্যকে দেওয়ানি মামলায় গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক করা যাবে না।
তবে এই সুরক্ষা কেবল দেওয়ানি মামলায় গ্রেপ্তার বা আটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫এ ধারার এই সুরক্ষা কার্যকর নয়।
সংসদ সদস্যদের বিশেষাধিকারের বিষয়টি সংবিধানের ৭৮ অনুচ্ছেদেও উল্লেখ রয়েছে। সংসদে দেওয়া বক্তব্য, ভোট এবং সংসদীয় কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে সদস্যদের বিশেষ সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে। সংসদে বক্তব্য বা ভোট দেওয়ার কারণে কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে কার্যক্রম নেওয়া যাবে না।
তবে সাধারণ ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের গ্রেপ্তার থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দেয়নি সংবিধান।
এ ছাড়া, যদি কোনো সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হন, তবে অন্য নাগরিকের মতোই তার ক্ষেত্রেও সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদের গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে। গ্রেপ্তারের কারণ জানানো এবং আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার মতো সাংবিধানিক সুরক্ষা তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ