ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৮:৩৮ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম মহিলা কলেজ। অন্যদিকে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ১২ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। তিনটি শাখা মিলিয়ে উপজেলার মোট পাসের হার ৩৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সাধারণ এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি শাখায় মোট ১ হাজার ৫৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৫৭৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৯৮৪ জন। তিন শাখায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।
সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার পাঁচটি কলেজ থেকে ১ হাজার ৫১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৮২ জন। পাসের হার ৪২ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
কলেজগুলোর মধ্যে ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম মহিলা কলেজ থেকে ৩০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে আমানউল্লাহ মহাবিদ্যালয়ে ২৪২ জনের মধ্যে ১৩৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ছয়জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজে ৪১৬ জনের মধ্যে ১৩৯ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। সিংখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৪ জনের মধ্যে ১৩ জন এবং মানিক মিয়া কলেজে ৫৮ জনের মধ্যে ১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলার ১০টি মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষায় ৩৩৭ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭৫ জন। পাসের হার মাত্র ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন।
আলিম পরীক্ষায় ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন ফাজিল মাদ্রাসায় ৮২ জনের মধ্যে ২৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৩০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আলগাজ্জালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ১০১ জনের মধ্যে ২৩ জন পাস করেছে, পাসের হার ২২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পৈকখালী মোমেনিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে চারজন পাস করেছে, পাসের হার ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তেলিখালী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৩২ জনের মধ্যে ১০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ। মাফছার উলউলুম আলিম মাদ্রাসায় ৩৬ জনের মধ্যে সাতজন, পাসের হার ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দক্ষিণ শিয়ালকাঠী আলিম মাদ্রাসায় ১৫ জনের মধ্যে দুজন, পাসের হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। চড়াইল আব্দুল আলী আলিম মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে দুজন পাস করেছে, পাসের হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। উত্তর ধাওয়া আলহাজ কাশেমিয়া আলিম মাদ্রাসায় ৯ জনের মধ্যে একজন, পাসের হার ১১দশমিক ১১ শতাংশ। নয়াখালী মাটিভাংগা আলিম মাদ্রাসায় ১৮ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র একজন। পাসের হার ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার দুটি প্রতিষ্ঠানে ১৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৮ জন। পাসের হার ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সাবিহা খালেক টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ১৫৪ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং শিয়ালকাঠী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ১৭ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে। এ শাখায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভাণ্ডারিয়ায় সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার তুলনামূলক ভালো হলেও আলিম ও কারিগরি শিক্ষায় ফলাফল বেশ নিম্নমুখী। বিশেষ করে আলিম ও কারিগরি শাখার ফলাফল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
মো. তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নারায়ণগঞ্জ জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে অ্যাডভোকেট নবী হোসেন ও টিপু পরিষদের প্রার্থীরা পূর্ণ প্যানেলে বিজয় অর্জন করেছেন।
সহ সভাপতি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট নবী হোসেন। সাধারণ সম্পাদক পদে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু জয়লাভ করেছেন। তিনি ১৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রেজাউর করিম খান ১৫৪ ভোট পেয়েছেন। মোট ভোট পড়েছে ৩৩৮টি।
অন্যদিকে, পাঁচটি সদস্য পদে সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ২৯৯ ভোট, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ২৮১ ভোট, অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির ২৭৫ ভোট, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী ২৬৩ ভোট এবং ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন ২১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সদস্য পদে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে এনসিপি নেতা নিরব রায়হান ১১০ ভোট, হারুনুর রশীদ খান ৯১ ভোট এবং নাজমুল হক (নির্দলীয়) ৮৭ ভোট পেয়েছেন। সদস্য পদে মোট ভোট পড়েছে ১৬৭৯টি, যার মধ্যে ৫৫টি ভোট বাতিল হয়েছে। শনিবার ৩১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ভোট গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে আম্পায়ারিং সম্পর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের আম্পায়ার নীতিন মেনন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তার সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধি পায়।
ম্যাচের চতুর্থ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তাড়ার শুরুতেই বিতর্কের সূচনা ঘটে। মেহেদী হাসান মিরাজের প্রথম ওভারে জন ক্যাম্পবেলের বিরুদ্ধে পরপর দুটি এলবিডব্লিউর আবেদন করা হয়। তবে, অনফিল্ড আম্পায়ার নীতিন মেনন দুবারই সাড়া দেননি। প্রথম আবেদনে বাংলাদেশ রিভিউ নিলে বলের ইমপ্যাক্ট এবং স্টাম্পে লাগার ক্ষেত্রে আম্পায়ারস কল আসে। ফলে মাঠের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। পরবর্তী বলেও আবেদন করা হলেও বাংলাদেশ আর রিভিউ নেয়নি।
নাঈম হাসানের বোলিংয়ের সময়ও একই ধরনের হতাশার মুহূর্ত দেখা দেয়। ব্রেন্ডন কিংয়ের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। বল ট্র্যাকিংয়ে স্টাম্পে লাগার ক্ষেত্রে আম্পায়ারস কল আসে। ফলে কিংও বেঁচে যান। এসব সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশা বাড়লেও আম্পায়ারস কলের নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
যদিও আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তবুও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের কৃতিত্বকে অস্বীকার করা যায় না। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ব্রেন্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৫.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাভেম হজ অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। ৮ উইকেটের এই জয়ে এক দিন হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করে ক্যারিবীয়রা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের স্পিনারদের মোকাবেলা করতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হিমশিম খেয়েছিল। বাংলাদেশের ২৭২ রানের জবাবে তারা ২৪৫ রানে অলআউট হয়। নাঈম হাসান ৪ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিডও পেয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকেরা। তারা মাত্র ১৪২ রানে গুটিয়ে যায়, ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭০ রান। নাঈমের ৫২ রানের লড়াকু ইনিংস ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উল্লেখ করার মতো কোনো প্রতিরোধ ছিল না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রোস্টন চেজ ৫ উইকেট এবং জোমেল ওয়ারিক্যান ৪ উইকেট নেন।
এই হারের প্রভাব বাংলাদেশের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) লড়াইয়ে পড়েছে। ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ৫৫.৫৬ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিল। হারের পর পয়েন্ট শতাংশ নেমে ৪২.৮৬-এ চলে এসেছে, অবস্থানও নেমে গেছে পঞ্চম স্থানে। আর চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ভারত!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করার বিষয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের সময়সীমা কমিয়ে মাত্র দুই দিনে নিয়ে আসার জন্য একটি নতুন প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই সময়সীমা সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
আরাঘচি উল্লেখ করেন, “কাতারি পক্ষ ইরানের এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের মেয়াদ কমিয়ে পাঁচ দিন করার সুপারিশ করেছিল। তবে বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছানো নতুন প্রস্তাবটিতে এই সময়সীমা মাত্র দুই দিনে কমিয়ে আনা হয়েছে।”
ইরানের শর্তগুলোর কথা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, ইসলামাবাদ স্মারক স্বাক্ষরের পর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নিতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস করতে হবে। এছাড়া, ইরানের তেল বিক্রির ওপর সাময়িক ছাড় (ওয়েভার) পুনর্বহাল করা এবং কাতারসহ অন্যান্য দেশে আটকে থাকা সব ইরানি অর্থ ও সম্পদ অবিলম্বে মুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ওমানের সাথে আলোচিত হরমুজ প্রণালীর নির্দিষ্ট নৌ-পথগুলোর স্বীকৃতি দিতে হবে এবং বিকল্প অন্যান্য পথসমূহ বন্ধ করতে হবে।
তিনি জানান, ইরানের শর্ত সাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা হলে তা ওয়াশিংটনের সাথে অমীমাংসিত অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করার পথ প্রশস্ত করবে। সূত্র: ইরান প্রেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শত শত বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা করছে পুলিশ। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই কয়েকজনকে আটক করে সরিয়ে নেওয়ার ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্যান্ডার্ড এই তথ্য জানায়।
বিক্ষোভের আয়োজক সংগঠন ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ জানিয়েছে, এই কর্মসূচিতে প্রায় ৪০০ জন অংশগ্রহণ করতে পারেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘আমি গণহত্যার বিরোধিতা করি, প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করবেন।
যুক্তরাজ্য সরকার ২০২৫ সালের জুনে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকাভুক্ত করে। দেশটির সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ সংগঠনকে সমর্থন জানানো অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এ কারণে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের সতর্কবার্তা দিয়েছে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ।
পুলিশের কমান্ডার অ্যাডাম স্লোনেকি বলেন, "বিক্ষোভে অংশ নিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা জানেন যে নিষিদ্ধ সংগঠনকে সমর্থন জানানো বেআইনি। মূলত তারা ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ করার উদ্দেশ্যেই সেখানে সমবেত হচ্ছেন।"
তিনি আরও জানান, যারা বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনে প্রয়োজনীয় সহায়তা বা অন্যান্য সহযোগিতা দেবেন, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হতে পারে। বিক্ষোভটি দুপুর ১টায় শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ