বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:০২ পি.এম
কানাডিয়ান ডলারের (লুনি) দরপতনের প্রভাবে জুন মাসে বিশ্বের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে। একই সময়ে দেশটির রফতানি এবং আমদানি- উভয়ই সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনে কানাডার পণ্য রফতানি আগের মাসের তুলনায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমদানিও ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এ কারণে মে মাসে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে। এই হলো টানা চতুর্থ মাসের মতো কানাডার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিশ্ব বাজারে ধরে রাখা।
এছাড়াও, স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা জানাচ্ছে, জুনে কানাডিয়ান ডলারের গড় বিনিময় হার ছিল প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় ৭১ সেন্ট, যা মে মাসের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৭ সেন্ট কম। এই হলো ২০২২ সালের অক্টোবরের পর লুনির সবচেয়ে বড় মাসিক দরপতন।
কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বেশিরভাগ লেনদেন মার্কিন ডলারে হওয়ায় কানাডিয়ান ডলারের অবমূল্যায়ন রপ্তানির মূল্যকে কানাডিয়ান ডলারে বাড়িয়ে দেখিয়েছে। এই কারণে রপ্তানি এবং আমদানির ডলার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বাড়ছে।
হয়তো মার্কিন ডলারের হিসাবে চিত্রটি ভিন্ন রকম। সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুনে প্রকৃত রপ্তানি ২ শতাংশ এবং আমদানি ২ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
অর্থনীতিবিদদের অভিমত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বেশিরভাগ লেনদেন মার্কিন ডলারে হওয়ায় কানাডিয়ান ডলারের অবমূল্যায়ন রফতানিকারকদের জন্য একটি সুবিধা তৈরি করেছে। বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে মার্কিন ডলারে পাওয়া অর্থ কানাডিয়ান ডলারে রূপান্তরের সময় উচ্চ মূল্য পাওয়ার ফলে রফতানি ও আমদানির কানাডিয়ান-ডলার হিসাব বৃদ্ধি হয়েছে।
এছাড়া, কানাডা মূলত স্বর্ণ ও কপার রফতানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ এ আই ডাটা সেন্টারের নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সরঞ্জাম আমদানি বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
এমনকি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শুল্ক বা ট্যারিফের ঝুঁকি সামলাতে বিশ্ববাজারে বাণিজ্যিক পরিধি সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা দেওয়ার জন্য কানাডা সরকার সম্প্রতি একটি স্ট্রাটেজিক এক্সপোর্ট অফিস প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইমন বর্ষণ যুক্তরাষ্ট্রের University of Wyoming-এ অর্থনীতি (Economics) বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি করার সুযোগ অর্জন করেছেন। সেখানে তিনি অর্থনীতি বিভাগের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর গবেষণার আগ্রহের ক্ষেত্র Climate Finance, Resource Economics এবং Applied Econometrics। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে নীতিনির্ধারণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
নিজের এই দীর্ঘ যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইমন বর্ষণ বলেন, কম সিজিপিএ থাকায় উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ তাঁর জন্য সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে ধারাবাহিক গবেষণার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষকতা তাঁর এই অর্জনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি জানান, ২০১৮ সালে বন্ধু ফিরোজ মিয়ার সঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিকীর তত্ত্বাবধানে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। শুরু থেকেই অধ্যাপক সিদ্দিকী তাঁদের গবেষণাপত্র পড়তে, নোট নিতে এবং গবেষণার ভিত্তি গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। গবেষণার বিভিন্ন জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি সবসময় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং হাতে-কলমে গবেষণার কৌশল শিখিয়েছেন।
ইমন বলেন, একসময় তিনি উচ্চশিক্ষার স্বপ্নও দেখতেন না। কিন্তু অধ্যাপক সিদ্দিকীর অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও সার্বক্ষণিক সহযোগিতা তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এ সাফল্যের জন্য তিনি তাঁর বাবা-মা, বোন, সহধর্মিণী, বন্ধু ফিরোজ মিয়া এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, তাঁদের যৌথভাবে লেখা একাধিক গবেষণা নিবন্ধ SSCI, SCIE ও Scopus-সূচিভুক্ত আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধগুলো Elsevier, Sage, Emerald এবং Springer Nature-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থার জার্নালে প্রকাশিত হওয়ায় পিএইচডি আবেদনের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে তাঁরা ‘Best Paper Award’ অর্জন করেন। যাত্রার শেষ পর্যায়ে Finland-এর LAB University of Applied Sciences-এর অধ্যাপক ড. সজল কবিরাজও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।
পিএইচডিতে ভর্তির অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইমন বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি অর্জন তুলনামূলকভাবে কঠিন। ভালো সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ হলেও গবেষণার অভিজ্ঞতা, মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা এবং শক্তিশালী সুপারিশপত্র (Recommendation Letter) একজন আবেদনকারীকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখে। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায় থেকেই গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।
ইমনের এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক ও তাঁর গবেষণা-তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ইমন ও ফিরোজ নিয়মিত গবেষণায় সময় দিয়েছেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের এই অর্জন বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং এটি ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করবে।
তিনি আরও বলেন, বিভাগের গবেষণামুখী পরিবেশই শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। বিভাগীয় প্রধান ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গবেষণাবান্ধব ও একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার দশমিনা উপজেলায় ১২০ গ্রাম গাঁজাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. হানিফ ফকিরকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৫০ টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার হানিফ ফকির উপজেলার মর্দনা গ্রামের মৃত মোতাহার ফকিরের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দশমিনা থানার এসআই মো. আজাদ হোসেন ও এসআই মো. শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বড় গোপালদী বাজারের পাগলা মোড়ে হানিফ ফকিরের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানকালে তাকে ১২০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৫০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বাসস’কে জানান, হানিফ ফকিরের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে একই বাজার এলাকা থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ২১ হাজার ২০ টাকাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা রয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় হানিফ ফকিরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারিগরি ত্রুটি মেরামতের পর প্রায় দুই সপ্তাহের বিরতির পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটি বয়লার গতকাল রাত থেকে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়েছে।
বুধবার রাতে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন।
তিনি জানিয়েছেন, তাদের এফএসআরইউতে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। দেশি এবং বিদেশি প্রকৌশলীরা সেটি মেরামতে অক্লান্তভাবে কাজ করেছেন। ফলে রাত থেকেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।
কেজিডিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের তথ্য অনুযায়ী, টার্মিনালে দুটি বয়লারের মধ্যে একটি বয়লার রাত থেকে চলতে শুরু করেছে। এর ফলে বন্ধ থাকা ৪৫০ এমএমসিএফটি (মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাসের সরবরাহ একলাফে না বাড়লেও বর্তমানে ২০০ থেকে ২৫০ এমএমসিএফটি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
তিনি এও বলেন, তারা পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রেখেছেন। আনোয়ারা থেকে গ্যাস গ্রহণ করে বর্তমানে প্রায় ২০০ এমএমসিএফটি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাভাবিক অবস্থায় এই সরবরাহ ২৬০ থেকে ২৭০ এমএমসিএফটিতে থাকার কথা ছিল।
গত ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছিল। পরে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় সংকট চরম রূপ ধারণ করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিডের বৈঠকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি সম্পর্কে এক প্রবল বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হওয়ার খবরকে মার্কিন প্রশাসন পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন ও ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের একটি বিস্ফোরক প্রতিবেদনের পর এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেন যে, এই কথা সত্য নয়। তিনি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পেন্টাগন প্রধানের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং তাঁরা একসঙ্গে অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।
মার্কিন একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সামনে আসেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর দূরপাল্লার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে। হেগসেথের কাছে তিনি জবাবদিহি চান এই বিষয়ে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি ও হ্রাস পাওয়া মজুতের কারণেই ইরানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে এই দাবি সম্পূর্ণ ‘অসত্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট। ট্রাম্প ও হেগসেথের মধ্যকার বৈঠকের সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে লিভিট জানান, সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রচারিত হয়েছে তা আসলে কখনো ঘটেনি। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন পোস্টকে আগে থেকেই বারবার এই সত্য জানানো সত্ত্বেও তারা মনগড়া খবর প্রকাশ করেছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
লিভিট একই সঙ্গে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে অত্যন্ত পছন্দ করেন এবং মনে করেন হেগসেথ তার দায়িত্ব অসাধারণভাবে পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ