ভান্ডারিয়া ( পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৩:৪৯ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে জুয়া খেলারত অবস্থায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে।
গতকাল শুক্রবারের রাতে সাড়ে ১১ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা দক্ষিণ শিয়ালকাঠী বেপারি বাড়ি থেকে তাস দিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় এই চার জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, হানিফ বেপারী (৬৫), মো. জামাল মুন্সী (৪৫), মো. আব্দুল রাজ্জাক শরিফ (৫০) এবং মো. নিকসন শিকারী (৫৫)।
গ্রেফতার হওয়া চার জুয়ারি দক্ষিণ শিয়ালকাঠি গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা।
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জামাদি ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি ছিল, ছাত্রশক্তি তো দূরের কথা, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলও এ কালচারে ফিরে যেতে পারবে না।
তিনি শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরিবহণ চত্বরে এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেছেন।
সারজিস বলেন, এটা যেদিন ঘটবে, সেদিন আরেকবার ১৬ই জুলাই নেমে আসবে, যেদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কবর রচনা হয়েছিল। তিনি বলেন, অতীতের পরিণতি সবাই দেখেছে বলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সুযোগ কম।
এছাড়া, সারজিস আলম দেশে ফ্যাক্ট-চেকের চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকেও জবাবদিহির মধ্যে রাখা সহজ হবে এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধার দাবি আদায়ের বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সারজিস বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি ছাত্রশক্তির একজন প্রতিনিধিই থাকে, শিক্ষার্থীরা তার কাছে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটা আবেদনপত্র প্রদান করেন। প্রয়োজনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাব। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করব।’
একই সভায় এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা যে ভূমিকা রেখেছিলেন, তার সাথে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের মিল আছে। তবে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে প্রক্টররা শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দেন। বর্তমান সংসদের ক্ষমতাসীন দলের অধিকাংশ সাংসদ প্রায় ৫৯ শতাংশ পরিবারের লোক।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিজয়ী প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, জাতীয় নাগরিক কমিটির রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক ও মেয়র প্রার্থী মোবাশ্বের রাজ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ এনসিপি ও ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় ও রাজশাহীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী জানান, "আমি বালুর ব্যবসা বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব।" তিনি বলেন, "অবৈধ পাহাড় কাটা কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। মানুষের জীবন ও পরিবেশ রক্ষায় এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে টানা অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা তিনি পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি দুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ সহায়তা তুলে দেন। হুমাম কাদের পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জানান, "দ্রুত পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি এবং পাহাড়ধস নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, "যে পরিস্থিতি আমরা দেখতে পাচ্ছি, এটি শুধু রাঙ্গুনিয়া নয়; রাউজান, ফটিকছড়িসহ বেশ কিছু এলাকায় ফ্ল্যাশ ফ্লাড (আকস্মিক বন্যা) হিসেবে দেখা দিয়েছে।" তিনি আরও জানান, "আসন্ন দুই-তিন দিন আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে আশার কথা হলো, আমাদের সরকারি কর্মকর্তারা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।"
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গোলেস্তার প্রদেশের আক্কালা কাউন্টির রেল সেতুটি পুনরায় চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
ইরানের রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গোলেস্তানের গভর্নর আলি-আসগর তাহমাসবি বলেন, হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সেতুটি পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং এটি ‘শত্রুদের হুমকি ও কর্মকাণ্ডের প্রতি এই প্রদেশের একটি বাস্তবসম্মত জবাব’।
এর আগে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বুধবার ভোরে আক্কালার কাছে একটি রেল সেতুতে হামলা করা হয়। হামলায় গোরগান-ইনচে বোরুন রেললাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা তুর্কমেনিস্তান এবং বৃহত্তর মধ্য এশীয় নেটওয়ার্কের সাথে ইরানের উত্তরের রেল সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাওয়ার কারণে তাকে ‘স্বাগত জানিয়েছেন’ অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন? শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন।’
এই মন্তব্য তিনি শনিবার (১১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে করেছেন।
আসিফ নজরুল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘স্বাগতম, শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে। বর্তমান বিএনপি সরকারও একই উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার বলছে, তাঁকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে চায়। অন্যদিকে, শেখ হাসিনাও দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘যদি সেটিই সত্য হয়, তাহলে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন? শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন। বাংলাদেশের জনগণের সামনে এবং আদালতের সামনে আপনার অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় শত শত মানুষের প্রাণহানির দায় নিয়ে আপনার বক্তব্য কী?’
বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনার শাসনামলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, আয়নাঘর, ব্যাপক দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ—এসব বিষয়ে আপনার ব্যাখ্যা কী? কেন দীর্ঘ সময় ধরে দেশের জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল? কেন আমরা ভারতের আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছিলাম? এসব প্রশ্নের উত্তর ইতিহাসও খুঁজবে, আদালতও শুনতে চাইবে।’
আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আপনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে আপনার পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে আগেই বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আপনার সরকারের কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও আইনি পরিণতির ভার বহন করতে হয়েছে আওয়ামী লীগের অনেক সাধারণ নেতা-কর্মীদের। তাঁদের অনেকেই আজও বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি কিংবা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।’
‘তাহলে, যদি সত্যিই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে আর বিলম্ব করবেন না। ফিরে আসুন, আইনের মুখোমুখি হন এবং আদালতে আপনার অবস্থান তুলে ধরুন। আর যদি দেশে ফেরার বাস্তব পরিকল্পনা না থাকে, তাহলে বারবার ফেরার ঘোষণা দিয়ে নিজের দলের সাধারণ নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত কিংবা অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি মধ্যে ফেলবেন না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ