১২:০৩ এম
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে গুণগত মান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়।
তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক, সেতু, রেলপথ এবং অন্যান্য যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জনস্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (সিইএএ-ইউএপি) ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে প্রকৌশলীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশপ্রেমের চর্চা করা প্রয়োজন। তাদের প্রতিটি পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তা, জনস্বার্থ এবং দেশের ভবিষ্যৎ জড়িত।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আধুনিক নির্মাণপ্রযুক্তি, ডিজিটাল প্রকৌশল, স্মার্ট পরিবহনব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর গুরুত্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রকৌশল শিক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থী প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তারা দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম হন।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং পেশাগত যোগাযোগের মাধ্যমে বর্তমান শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারেন। নবীন প্রকৌশলীদের জন্য মেন্টরশিপ, ইন্টার্নশিপ, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে অ্যালামনাই সংগঠনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রকৌশল পেশায় নৈতিকতা, নিরাপত্তা এবং মানসম্মত কাজের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় তাদের সক্রিয় হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে এম মোজিবুল হক বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য কেবল বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অর্জনে সীমাবদ্ধ নয়; সাবেক শিক্ষার্থীদের পেশাগত সাফল্য, উদ্ভাবন এবং সমাজে অবদানও সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বহন করে।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন তালুকদার, ইউএপির সাবেক শিক্ষক ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. তারেক উদ্দিন, ইউএপির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. জি. আর. আহমেদ জামাল এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান সৈয়দ জামাল উদ্দিন আহমেদ।
ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যালামনাইদের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন