প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজে ঘটে যাওয়া ড্রোন হামলার অভিযোগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ‘বোকামিপূর্ণভাবে লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তোলার পর শুক্রবার এই হামলা সংগঠিত হয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোতে নির্ভুলভাবে হামলা করা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, এটি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে চালানো ড্রোন হামলার ‘শক্তিশালী জবাব’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ঘটনার ফলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক সমঝোতার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিবিসি জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) হামলাকারী ড্রোন একটি কার্গো জাহাজে আঘাত হানে। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
হামলার ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইরানের হামলার জবাব দেওয়া হবে কি না, তা দেখা যাবে।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানি বাহিনীর আগ্রাসন হচ্ছে যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি স্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসাথে তারা দাবি করে, ইরানের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা সমন্বয় এবং সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এ বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে চলাচল সীমিত করে। পরে ১৭ জুন উভয় দেশ ১৪ দফা সমঝোতায় সংঘাত বন্ধে সম্মত হয়, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এখন আবার এই পথে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন