ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা


রংপুরে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

তরুণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করার লক্ষ্যে আজ রংপুরে তিন দিনব্যাপী বিভাগীয় পর্যায়ের বিজ্ঞান মেলা, দশম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং দশম কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে আয়োজন করা এই অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন এই আয়োজন করেছে।

রংপুর বিভাগের বিভিন্ন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হয়েছেন। তারা মোট ৪৩টি স্টল স্থাপন করেছে, যেখানে তারা বৈজ্ঞানিক প্রকল্প, গবেষণা কার্যক্রম, উদ্ভাবন এবং আইসিটি-ভিত্তিক প্রযুক্তি তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুন: মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি

রংপুর জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারের মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজন করা এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সাধারণ) মো. আব্দুল মোতালেব সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. আবু জাফর এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানে বলেন, বিজ্ঞান হলো বিশেষ জ্ঞান এবং সেই জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ মানব সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে। তিনি আরো বলেন, গবেষক ও চিন্তাবিদগণ তাদের মেধা ও শ্রমকে একত্রিত করে মূল কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ভাবন সৃষ্টি করেন। সেই উদ্ভাবনগুলো বিশ্বের মানব কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন: মহাসপ্তমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএমপি কমিশনার

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাদের বৈজ্ঞানিক চর্চার প্রতি আরো মনোযোগী হতে হবে এবং এমন উদ্ভাবন করতে হবে যা দেশের ১৮ কোটি মানুষের কল্যাণের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে মানব কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

বিজ্ঞান মেলা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বিজ্ঞানের এই যুগে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে এ ধরনের মেলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

সমাপনী বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মোতালেব সরকার বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ পালনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক হতে অনুপ্রাণিত করা। তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এম পি কামরুজ্জামান কামরুল

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়তে জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ এম


টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়তে জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

 

অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, মাসের শুরুতে হাতে টাকা থাকলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। মাসের শেষ দিকে গিয়ে খরচ সামলানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। আয় থাকলেও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়, পরিকল্পনার অভাব এবং নিয়ন্ত্রণহীন খরচের কারণে সঞ্চয় গড়ে তোলা সম্ভব হয় না। তবে কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তন করলে ধীরে ধীরে সঞ্চয় করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থিতি তৈরি করতে সাহায্য করে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে টাকা সঞ্চয়ের কয়েকটি কার্যকর উপায় নিচে তুলে ধরা হলো।

প্রথমত, সঞ্চয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। লক্ষ্য স্পষ্ট হলে সঞ্চয়ের প্রক্রিয়া সহজ হয়। বড় অঙ্কের লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে মাসিক ভিত্তিতে সঞ্চয় করলে চাপ কমে এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

দ্বিতীয়ত, মাসিক খরচ কমানো এবং অপ্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন বাতিল করা উচিত। অনেকেই না বুঝে বিভিন্ন সেবার জন্য অর্থ ব্যয় করেন। ব্যাংক স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় খরচ চিহ্নিত করলে সঞ্চয় বাড়ানো সম্ভব। প্রয়োজনীয় সেবার ক্ষেত্রেও নিয়মিত প্ল্যান পরিবর্তন বা খরচ কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, দৈনন্দিন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে খাওয়া কমানো, বাসায় খাবার প্রস্তুত করা এবং সাশ্রয়ী জায়গা থেকে কেনাকাটা করলে খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়।

চতুর্থত, বেশি সুদের সঞ্চয় হিসাব ব্যবহার করলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়। সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং তুলনামূলক বেশি সুদ প্রদানকারী ব্যাংক হিসাব বেছে নেওয়া ভালো।

পঞ্চমত, স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত কার্যকর। বেতন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সরাসরি সঞ্চয় হিসাবে জমা হলে সঞ্চয়ের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হয়।

ষষ্ঠত, অতিরিক্ত আয় যেমন বোনাস বা উপহার থেকে একটি অংশ অবশ্যই সঞ্চয়ে রাখা উচিত। এতে সঞ্চয় দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক নিরাপত্তা শক্তিশালী হয়।

জরুরি পরিস্থিতির জন্য শুরুতেই একটি ইমার্জেন্সি ফান্ড তৈরি করা প্রয়োজন, যা হঠাৎ খরচ সামলাতে সহায়তা করে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, সঞ্চয় রাতারাতি সম্ভব নয়। ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তন, খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত পরিকল্পনাই দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয় দিয়ে শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০০ এম


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয় দিয়ে শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

 জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১১টায় শুরু হবে।

এই সিরিজের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে সর্বশেষ ঘরের মাঠে অসিদের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছিল টাইগাররা। সেই তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল।

পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, ওয়ানডে ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ভালো করতে পারেনি। তারা ২২বারের দেখায় মাত্র একবার জয় পেয়েছে। সেই জয়ও এসেছে ২১ বছর আগে। ২০০৫ সালের ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কার্ডিফে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল। ১০১ বলে ১১টি চারে ১০০ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসে ছিলেন আশরাফুল। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এবার বাংলাদেশ ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে, তাই আত্মবিশ্বাসের সাথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামছে। গেল ছয় মাসে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে।

সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছে টাইগাররা। এছাড়াও এই সিরিজটি আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘অনেক দিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ওডিআই সিরিজ খেলতে যাচ্ছি। দল হিসেবে আমরা সবাই এই সিরিজ নিয়ে খুব উত্তেজিত এবং অধিনায়ক হিসেবে আমিও খুব উত্তেজিত। আমরা যদি ভালোভাবে শুরু করতে পারি, তবে সেটি দলের জন্য ইতিবাচক হবে। কারণ প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা খুবই সহজ। ভালো ক্রিকেট খেলা এবং ম্যাচ জেতা।’

এই সিরিজের জন্য সবুজ উইকেট প্রস্তাব করা হচ্ছে। যা পেসারদের সহায়তা করবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশে সর্বশেষ সিরিজেও পেসাররা সহায়তা পেয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিশ জানান, ‘এখানে অনুষ্ঠিত নিউজিল্যান্ড সিরিজ আমরা দেখেছি। উইকেটে ঘাস কিছুটা বেশি ছিল এবং নতুন বল সুইং করছিল। এটিকে স্পিন-নির্ভর না হয়ে বরং পেস বান্ধব বেশি মনে হয়েছে। আমরা বিষয়টি বিবেচনায় রাখব, তবে আমরা যেকোন কিছুর জন্য প্রস্তুত।’

নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডকে ছাড়াই ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। তাদের অনুপস্থিতি অনুভব করলেও, ইংলিশ আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে তরুণ ক্রিকেটারদের পরীক্ষা করার জন্য এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘যখনই আপনি মার্শ এবং হেডকে দল থেকে বাদ দেবেন, আপনি কিছু একটা হারাবেন। কারণ তারা খুবই ভালো খেলোয়াড়। কিন্তু কিছু তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য এই ধরনের পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন কম্বিনেশন পরখ করে দেখাটা জরুরি।’

বাংলাদেশের বোলাররা ঘরের মাঠে খেলার সুবাদে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে। ইংলিশ বিষয়টি ভালো করেই জানেন। তিনি নিজ দলের পেসারদের উপরও আস্থা রেখেছেন। ইংলিশ বলেন, ‘আমাদের দল থেকে কিছু বড় খেলোয়াড়ের না থাকা সত্ত্বেও, ন্যাথান এলিস, জেভিয়ার বার্টলেট এবং বেন ডোয়ারশাইসের মতো খেলোয়াড়রা বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তারা দারুণ বোলার এবং এই সিরিজে তারা কী করতে পারে সেটি দেখার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।’

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার। মিডল অর্ডার ব্যাটার মিচেল মার্শের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৩০৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করে জয় পায় অসিরা। ১৩২ বলে অনবদ্য ১৭৭ রান করেছিলেন মার্শ।

বাংলাদেশ নিজেদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে সদ্য পাকিস্তান সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

ব্যক্তিগত মাইলফলকের ওয়ানডেতে ২ হাজার রানের ক্লাবে নাম লেখানোর দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। এজন্য তাকে ৮৬ রান প্রয়োজন।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লেগ-স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ২শ উইকেট শিকারের কাছে তিনটি উইকেট দূরে রয়েছেন। তাহলেই তিনি অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ২শ উইকেট শিকারের মালিক হবেন।

প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ দল : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।

অস্ট্রেলিয়া দল : জশ ইংলিশ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ার্ষিষ, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, ম্যাট রেনশ, তানভির সাঙ্ঘা, লিয়াম স্কট, অ্যাডাম জ্যাম্পা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে জব্দ ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফেরাতে প্রক্রিয়া শুরু: গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


যুক্তরাজ্যে জব্দ ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফেরাতে প্রক্রিয়া শুরু: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার অগ্রগতির বিষয়ে। তিনি বলেছেন, স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ওই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত ও জব্দের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ চলছে। এছাড়াও, তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, জব্দ করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সভায় তিনি ব্যাংকিং খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়েও কথা বলেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, খেলাপি ঋণ কমানো, দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, কিছু প্রশাসনিক এবং ব্যবস্থাপনাগত পরিবর্তন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংকগুলোর কোর ব্যাংকিং সিস্টেম উন্নয়ন এবং সমন্বয় শেষ হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমে আরও গতি আসবে।

ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বড় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

গভর্নর জানিয়েছেন, খেলাপি ঋণ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ‘অর্থঋণ আদালত আইন’ সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। একই সময়ে, আদায় অযোগ্য ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি অ্যাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পরিচালনা ও ঋণ বিতরণে পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য।

ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রসারের বিষয়ে গভর্নর বলেন, একটি সমন্বিত ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর আওতায় ডিজিটাল ন্যানো-ঋণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঋণ মূল্যায়ন এবং ক্রেডিট ব্যুরো অনুমোদন সম্পর্কিত কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডেন্টিটি, ওয়ান ওয়ালেট’ ধারণা বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবস্থা ব্যবহার করে নগদবিহীন লেনদেন বাড়ানো এবং লেনদেন রিপোর্টিং ব্যবস্থায় আনা গেলে রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি জানান, বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত সীমার বেশি ডলার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের আবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, ইউপাস এলসির ক্ষেত্রে বিল ডিসকাউন্টিংয়ের জন্য ব্যবহৃত তহবিলের সুদহার কমানো হয়েছে, যা আমদানিপণ্যের মূল্য হ্রাসে সহায়ক হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবীর, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, শামসুল হক জাহিদ, মতিউর রহমান চৌধুরী, মতিউর রহমান, এএমএম বাহাউদ্দীন, শাহেদ মুহাম্মদ আলী ও মোস্তফা মামুন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নররাও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আম কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ এম


আম কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

 

বাজারে এখন হিমসাগরসহ নানা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। মৌসুম হওয়ায় এখন প্রতিটি ঘরেই আম খাওয়ার চল প্রকাশ পাচ্ছে। অনেক মানুষ পাকা আম শুধু ধুয়ে কেটে খান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, এটি যথেষ্ট নয়। খাওয়ার আগে আম কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিত।

এর কারণ হলো, আমের খোসায় ধুলো-ময়লা ছাড়াও চাষের সময় ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার লেগে থাকতে পারে। সাধারণ ধোয়ার মাধ্যমে এসব উপাদান পুরোপুরি দূর হয় না। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এসব ক্ষতিকর উপাদান কিছুটা কমে যায়।

এছাড়া আমের খোসায় ফাইটিক অ্যাসিডসহ কিছু অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট থাকতে পারে। এসব শরীরের পুষ্টি শোষণে বাধা দিতে পারে বলে ধারণা করা হয়। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এসব উপাদানের প্রভাব কমে যায়, ফলে আমের পুষ্টিগুণ শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।

এছাড়া, আমের বোঁটা থেকে বের হওয়া আঠালো কষ ত্বক বা ঠোঁটে লাগলে চুলকানি বা অ্যালার্জির সমস্যা তৈরি করতে পারে। এটি গলা অস্বস্তিকরও করতে পারে। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এই কষ অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

সাধারণভাবে খাওয়ার আগে ৩০ মিনিট থেকে ১-২ ঘণ্টা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে আম ভিজিয়ে রাখা ভালো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%