ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কূটনৈতিক পথে না গিয়ে ‘পুশ-ইন’ গ্রহণযোগ্য নয় : জামায়াত


কূটনৈতিক পথে না গিয়ে ‘পুশ-ইন’ গ্রহণযোগ্য নয় : জামায়াত

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নারীরা, পুরুষরা ও শিশুরা বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ-ইন) জন্য জামায়াতে ইসলামী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দলটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, 'কূটনৈতিক চ্যানেলে সমস্যার সমাধান না করে ভারতের ‘পুশ-ইন’ নীতি অগ্রহণযোগ্য।'

মঙ্গলবার (২ জুন) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “সীমান্তে অবৈধভাবে নাগরিকদের বাংলাদেশি পরিচয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ভারতীয় নীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। নাগরিকদের পরিচয় শনাক্তপূর্বক কূটনৈতিক চ্যানেলে সমস্যার সমাধান না করে ভারতের ‘পুশ-ইন’ নীতি অগ্রহণযোগ্য, যা সীমান্তকে অস্থিতিশীল, নিরাপত্তাহীন ও উদ্বেগপূর্ণ করে তুলেছে। আমি বিএসএফ ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের এমন নীতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত ৩১ মে দিনগত রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইনের বিষয়ে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে নারী-শিশুসহ ৮ থেকে ১০ জন ভারতীয় নাগরিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। অবিলম্বে নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য আমি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তিনি আরো বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কূটনৈতিক চ্যানেলে ভারতীয় বাহিনীর ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার প্রতিবাদ না করা এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতিরও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ রোধ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে আইনের কঠোর প্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা সমাধানে সরকারকে অভ্যন্তরীণ ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাওরের শত বছরের ঐতিহ্য চ্যাপা শুঁটকি, রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


হাওরের শত বছরের ঐতিহ্য চ্যাপা শুঁটকি, রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম অন্যতম হল চ্যাপা শুঁটকি। এই সুস্বাদু খাবারটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং এটি শুধু স্থানীয় মানুষের খাদ্যতালিকায় নয়, বরং এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সমাদৃত হচ্ছে। শত বছরের ঐতিহ্য বহনকারী এই চ্যাপা শুঁটকি কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের অর্থনীতিতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

হাওরবেষ্টিত নিকলী, অষ্টগ্রাম, ইটনা, মিঠামইনসহ বিভিন্ন উপজেলার খাল-বিল ও নদী থেকে ধরা তাজা পুঁটি মাছ দিয়ে মূলত চ্যাপা শুঁটকি তৈরি করা হয়। প্রথমে মাছগুলো রোদে শুকিয়ে সাধারণ শুঁটকি বানানো হয়। এরপর সেগুলো পরিষ্কার করে মাটির মটকা বা বিশেষ পাত্রে শক্তভাবে ভরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস সংরক্ষণ করা হয়। দীর্ঘ সময়ের এই প্রক্রিয়ার পর তৈরি হয় সুগন্ধি ও সুস্বাদু চ্যাপা শুঁটকি।

স্থানীয়দের মধ্যে চ্যাপা শুঁটকির ভর্তা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এছাড়াও শুঁটকি ভুনা, বিভিন্ন সবজির সঙ্গে রান্না, কুমড়া পাতার বড়া এবং চ্যাপা শুঁটকির পিঠাও বেশ সমাদৃত খাবার।

সম্প্রতি ইটনা উপজেলার চৌগাঙ্গা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, শুঁটকি তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। বাজার থেকে সংগ্রহ করা পুঁটি, টাকি, টেঙরা, মেনি, পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলি নারী শ্রমিকরা পরিষ্কার করছেন। এরপর বিশাল বাঁশের মাচা বা স্থানীয় ভাষায় ‘ডাঙ্গি’র ওপর মাছগুলি ছড়িয়ে দুই থেকে তিন দিন রোদে শুকানো হচ্ছে।

স্থানীয় শুঁটকি ব্যবসায়ী হারেছ মিয়া জানিয়েছেন, মাছের প্রকারভেদ অনুযায়ী ১০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে মাছ কেনা হয়। শুকানোর পর এসব শুঁটকি আকার ও মান অনুযায়ী ৮ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করা হয়। এক মৌসুমে তিনি প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মণ শুঁটকি বিক্রি করেন।

এছাড়াও আরেক ব্যবসায়ী নাঈম মিয়া জানিয়েছেন, চৌগাঙ্গা এলাকাতেই প্রায় ৫০টি শুঁটকি ডাঙ্গি রয়েছে। এছাড়া কুলিয়ারচর, নিকলী, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম জেলায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র।

কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ‘বড় বাজার’ চ্যাপা শুঁটকির অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যকেন্দ্র। প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও বৃহস্পতিবার সেখানে জমজমাট শুঁটকির হাট বসে। ব্যবসায়ীদের মতে, প্রতি হাটেই কয়েক কোটি টাকার শুঁটকি কেনাবেচা হয়। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি চ্যাপা শুঁটকি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিশোরগঞ্জের চ্যাপা শুঁটকি এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে নিয়মিত পার্সেল ও বাণিজ্যিকভাবে চ্যাপা শুঁটকি পাঠানো হচ্ছে। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে এছাড়াও এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেলাল বলেছেন, ‘কিশোরগঞ্জে শুঁটকি শিল্প স্থানীয় মৎস্য অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতে বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়। একই সঙ্গে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জে বছরে প্রায় ৯৬৬ দশমিক ৮৫ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের শুঁটকি উৎপাদিত হয়। সারা বছর সংরক্ষণ করতে পারায় এবং বাজারে এর স্থায়ী চাহিদা থাকায় শুঁটকি ব্যবসা লাভজনক ও সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, কিশোরগঞ্জের চ্যাপা শুঁটকি শুধুমাত্র একটি খাদ্যপণ্য নয়, এটি হাওরাঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। যথাযথ সংরক্ষণ ও আধুনিক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করল কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


তালতলীতে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করল কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদ

বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ১২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং তিনটি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণের মধ্যে ছিল লেখার খাতা, প্রয়োজনীয় বই, ক্যালকুলেটর, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, কলম, ইরেজার। উল্লিখিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালতলী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম, তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল বাশার, পঁচাকোরলিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান, তালতলী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জনাব এডভোকেট গোলাম সরোয়ার এবং সাংবাদিক বেলাল হোসেন মিলন।

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কিশোর কলির প্রতিষ্ঠাতা এইচ এম মহিববুল্লাহ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কিশোর কলির সভাপতি মিসেস হামিদা এনি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সাল থেকে কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদ মানবিক কাজে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। যার মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ছাত্র ছাত্রীদের পোশাক বিতরণ, ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, গরিব মানুষের মধ্যে শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রি পিস বিতরণ, রমজানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ ইমাম মোয়াজ্জিনদের সম্মানিত উপহার বিতরণ ও বিভিন্ন মানবিক কাজে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহাদাত বার্ষিকীতে আগৈলঝাড়ায় জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


শাহাদাত বার্ষিকীতে আগৈলঝাড়ায় জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে আগৈলঝাড়া এসএম বালিকা বিদ্যালয় হরুমে উপজেলা বিএনপি উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধের অবদান এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিকদার হাফিজুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য বাহাদুর সাজেদা আক্তার, খন্দকার মোহাম্মদ আলী, এনায়েত হোসেন খান মনু, আবুল মোল্লা, শামসুল হক খোকন ও মন্নান আকনসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোনাকোতে স্থায়ী হচ্ছেন আনসু ফাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


মোনাকোতে স্থায়ী হচ্ছেন আনসু ফাতি

বার্সেলোনার সঙ্গে আনসু ফাতির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এখন শেষ হওয়ার পথে। স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড ফরাসি ক্লাব মোনাকোতে স্থায়ীভাবে যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত মৌসুমে আনসু ফাতি মোনাকোর হয়ে ধারে খেলেছিলেন। ২২ বছর বয়সি এই ফুটবলার যেভাবে খেলেছেন তাতে ক্লাবটি সন্তুষ্ট হয়ে এবার তাকে স্থায়ী চুক্তিতে দলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, ফাতির ট্রান্সফারের জন্য মোনাকো বার্সেলোনাকে ১ কোটি ১০ লাখ ইউরো প্রদান করবে। এছাড়া খেলোয়াড়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ক্লাবটির আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শুধু কিছু আনুষ্ঠানিক বিষয় চূড়ান্ত হওয়া বাকি।

এই চুক্তিটি বার্সেলোনার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ ট্রান্সফার ফি পাওয়ার পাশাপাশি ক্লাবটির বেতন ব্যয়ও কমবে। ফাতি বছরে প্রায় ৬০ লাখ ইউরো বেতন পেয়ে থাকেন, যা বার্সেলোনার আর্থিক কাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল।

একসময় বার্সেলোনার সবচেয়ে প্রতিভাবান তরুণদের মধ্যে একজন ছিলেন আনসু ফাতি। লিওনেল মেসির বিদায়ের পর তাকে বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি অর্থাৎ স্কটেনারেকা দেওয়া হয়েছিল। তবে, বারবার চোটে পড়ার কারণে তিনি প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে তুলে ধরতে পারেননি।

তবে, মোনাকোতে নতুন পরিবেশে ফাতি আবারো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। তাই ফরাসি ক্লাবটি তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাখতে চায়। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে তার স্থায়ী দলবদলের ঘোষণা আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%