বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৬ পি.এম
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৩ টাকা প্রদান করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেড (ইউসিএল), যা দেশের শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
এই অর্থের মধ্যে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ৭ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫২০ টাকা এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার ৫১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৩ টাকা প্রদান করেছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে দুইটি পৃথক চেকের মাধ্যমে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চেক হস্তান্তর করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুহুল কুদ্দুস খান এবং এইচআর ডিরেক্টর সৈয়দা দুরদানা কবির। অন্যদিকে, ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের পক্ষে চেক দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাহারুল ইসলাম মোল্লা। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ইউবিএল ও ইউসিএল ফাউন্ডেশনের তহবিলে অবদানের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এছাড়া, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মক্তবের ছুটি শেষ হওয়ার পর ৯ বছরের একটি শিশু কন্যাকে মসজিদের ভেতরে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, যিনি বেলাল মুন্সি নামেও পরিচিত (৫৫) এর বিরুদ্ধে।
ঘটনার তিন দিন পর, আজ বুধবার, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের সংগ্রামখেলি গ্রামের বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সভাপতি।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সকালে সংগ্রামখেলি গ্রামের একটি মসজিদে প্রতিদিনের মতো এলাকার অন্তত ৩০ জন শিশু আরবি পড়তে যায়। বেলাল মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে ওই মসজিদে সকালের মক্তব পড়াতেন। পড়া শেষে অন্যান্য শিশুদের ছুটি দিলেও ভুক্তভোগী ওই শিশু কন্যাকে কৌশলে আটকে রাখেন তিনি।
সব শিশু চলে যাওয়ার পর মসজিদের দরজা বন্ধ করে বেলাল মুন্সি শিশুটিকে নিজের কাছে ডাকেন। ভুক্তভোগী শিশু জানায়, ওই সময় হুজুর তার হাত ধরে কাছে টেনে নেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালান। শিশুটি বাধা দিলে এবং চিৎকার করতে চাইলে অভিযুক্ত জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে শিশুটি কোনোমতে তার হাত থেকে ফসকে দৌড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি চলে যায়।
কান্না করতে করতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিস্তারিত জানায়। পরে মা স্থানীয় মাতবরকে বিষয়টি জানান।
জানা যায়, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জামায়াত নেতা বেলাল মুন্সি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে পাড়ায় একটি সালিস বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তিন দিন পেরিয়ে গেলেও পরিবারটি কোনো সুষ্ঠু বিচার পায়নি।
আজ স্থানীয় জনতা দলবদ্ধ হয়ে অভিযুক্ত বেলাল মুন্সির বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেন। তবে বেগতিক দেখে তিনি আগেই এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেওয়ায় তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বেলাল মুন্সি বলেন, ওই দিন তিনি মেয়েটিকে নিজের মোবাইলে একটি নাম্বার প্রবেশ করাতে বলেন। কিন্তু না পারায় তিনি একটি চড় দিয়েছিলেন। এরপরই রাগ করে মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়ায়।
বাড়ি ছেড়েছেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জানের ভয়ে।
এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের আউটডোর খেলায় টানা বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু বিঘ্ন ঘটেছে। বিশেষ করে ক্রিকেটের ম্যাচগুলো ভেসে গেছে। অনুশীলনেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে সেমিফাইনালের আগে জাপানের করোগি স্পোর্টস পার্ক এলাকায় রোদ দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কোন ম্যাচ না খেললেও, ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি আগামী বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি মন্তব্য করেন, ‘জাপানে আসার পর আজই প্রথম রোদ দেখলাম। মাঠে অনুশীলনও করেছি। আবহাওয়া এ রকম থাকলে আগামীকাল একটা ভালো খেলার আশা করছি।’
রাব্বি আরও জানান, "প্র্যাকটিস সেভাবে হয়নি, মানসিকভাবে আমরা প্রস্তুত থাকার চেষ্টা করি। নেট অনুশীলন করেছি, ফুটবল মাঠে খেলেছি।" ডানহাতি এই ব্যাটার তার দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে কথা বলেন।
জাপানে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এর ফলে তিনি দেশে ফিরে আসছেন। তবে শান্তর পরিবর্তে বিসিবি কোনো ক্রিকেটারকে দলে ডাকেনি।
শান্তর অনুপস্থিতি নিয়ে রাব্বি বলেন, ‘এটা আনফরচুনেট, ওকে চলে যেতে হচ্ছে। আমাদের সামনে এগোতে হবে। ব্যাটিং অর্ডার যা আছে, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবার সুবিধা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে একটি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসক ডা. মাফরূহা সিদ্দিকা লিপির কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করেন ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।
অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের পর রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল মন্তব্য করেন, মেডিকেল সংস্কারের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের শুরুতে সংস্কার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের মেডিকেল সংস্কার নিয়ে একটি ইশতেহার ছিল। এই উপলক্ষে আজকের দিনটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা একটি অ্যাম্বুলেন্স বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে হস্তান্তর করেছি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এর মাধ্যমে মেডিকেল সংস্কারের একটি ধাপ অতিক্রান্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা মেডিকেলে লজিস্টিক সাপোর্ট এবং বিশেষায়িত ডাক্তারদের বিষয়ে প্রশাসন এবং মেডিকেলের পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি আশাবাদী যে, মেডিকেলটি খুব শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ মেডিকেলে রূপ নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইশতেহারে ১০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণের কথা বলা হয়েছিল এবং আশা করেন যে, প্রশাসনের সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়িত হবে।
এ সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক ও রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, আমরা রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য এই অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করেছি। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল সেন্টারের সমস্যা অন্যতম বড় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আজকের অ্যাম্বুলেন্সটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা দলমত নির্বিশেষে শিক্ষার্থীদের জন্য এই উপহারটি প্রদান করেছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বোঝাতে চাচ্ছি যে, এই ধরনের কাজগুলো তাদের পক্ষ থেকে করা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কষ্টগুলো লক্ষ্য করবে। প্রতিষ্ঠার এত বছর পরেও একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল প্রতিষ্ঠা করতে না পারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য একটি বড় ব্যর্থতা।
বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মাহফুজা সিদ্দিকা লিপি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতাল কাছে হওয়ায় আমাদের যাতায়াতের সমস্যা থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, একটি অ্যাম্বুলেন্স রোগী নিয়ে যাওয়ার পর সংকট দেখা দেয়। নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি যুক্ত হওয়ায় প্রশাসন যদি একটি ড্রাইভার নিয়োগ দেয়, তাহলে আমাদের সংকট দূর হবে। তিনি জানান, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপহার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এএইচএম খুরশীদ আলম, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসানসহ অন্যান্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) দ্বারা বিমল এলাচির বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রদান করেছেন শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফ। মহারাষ্ট্র এফডিএর কমিশনার তুকারাম মুন্ধে নিশ্চিত করেছেন যে, তিন অভিনেতার কাছ থেকে জবাব পাওয়া গেছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন অভিনেতার মধ্যে দুজন ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের শুনানি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এখন নোটিশের পরবর্তী প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
তুকারাম মুন্ধে মন্তব্য করেছেন, ‘তিনজন অভিনেতার কাছ থেকে নোটিশের জবাব পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন শুনানির আবেদন করেছিলেন। গতকাল তাদের শুনানি শেষ হয়েছে। এখন আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছি।’
আগস্ট মাসে বিমল এলাচির একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের জন্য শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে মহারাষ্ট্র এফডিএ নোটিশ প্রদান করেছিল। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, বিজ্ঞাপনটি পরোক্ষভাবে বা ‘সারোগেট অ্যাডভার্টাইজিং’-এর মাধ্যমে বিমল পানমসালা ব্র্যান্ডের প্রচার করতে পারে। মহারাষ্ট্রে পানমসালা নিষিদ্ধ থাকায় বিজ্ঞাপনটি নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করা হয়।
নোটিশে তিন অভিনেতার কাছে বিজ্ঞাপনে তাদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করার জন্য বলা হয়েছিল। এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছিল। এফডিএ অভিনেতাদের সঙ্গে করা চুক্তি, বিজ্ঞাপনের পরিকল্পনা, পারিশ্রমিকের তথ্য এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে যথাযথ যাচাই করা হয়েছিল কি না—এসব সংক্রান্ত নথিও চেয়েছিল।
এফডিএর দাবি, বিজ্ঞাপনটি মূলত বিমল ব্র্যান্ডের সঙ্গে পানমসালার সংযোগকে পরোক্ষভাবে তুলে ধরতে পারে। এই কারণে এটিকে ‘সারোগেট বিজ্ঞাপন’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্র এফডিএ পূর্বে জানিয়েছিল, পানমসালা বিক্রির ওপর রাজ্যে নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতেই বর্তমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার পর অভিনেতাদের ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনটির প্রচারণায় তাদের ভূমিকা বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রচারসামগ্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
এখন তিন অভিনেতার জবাব ও শুনানির তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে মহারাষ্ট্র এফডিএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ