ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল নিয়ে যা বললেন জাভি ও মাসচেরানো


স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল নিয়ে যা বললেন জাভি ও মাসচেরানো

স্পেন ও আর্জেন্টিনা একে অপরের বিরুদ্ধে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। ফাইনালটি যদিও দুই দেশের জাতীয় জার্সিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তবে এই ম্যাচের সর্বত্র বার্সেলোনার ছায়া প্রতিফলিত হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন দুই কিংবদন্তি—স্পেনের জাভি হার্নান্দেজ এবং আর্জেন্টিনার হাভিয়ের মাসচেরানো।

শনিবার (১৮ জুলাই) নিউ ইয়র্কের বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকার সামনে সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের সাথে আলাপকালে তাদের এই মন্তব্য করা হয়।

স্পেনের লা মাসিয়া (বার্সার একাডেমি) থেকে উঠে আসা তরুণ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বার্সেলোনা একাডেমির সবচেয়ে উজ্জ্বল আবিষ্কার—লিওনেল মেসি, যিনি তাঁর ৩৯ বছর বয়সেও নিজের ইচ্ছামতো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন—এখনকার পরিস্থিতিতে ক্লাবের প্রভাব সর্বত্র অনুভব করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

জাভি ছিলেন স্পেনের সেই সোনালি প্রজন্মের মূল স্তম্ভ, যাদের ‘টিকি-টাকা’ পজিশন গেম ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় দেশকে প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল। অন্যদিকে, মাসচেরানো ছিলেন বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা দলের মেসির সাবেক সতীর্থ এবং এই বছরের শুরুতে ইন্টার মায়ামিতে তাঁর কোচ।

স্পেন দলে বার্সার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে, যার মধ্যে লামিনে ইয়ামাল এবং পাউ কুবারসি অন্তর্ভুক্ত। যখন ওই দুই খেলোয়াড় কিশোর ছিল, তখন জাভি নিজেই তাদের পেশাদার ফুটবলে অভিষেক করিয়েছিল। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা দলে আছেন মেসি, যিনি চার বছর আগে কাতারে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিলেন এবং ৩৯ বছর বয়সেও সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে নিয়ে এসেছেন।

৪২ বছর বয়সী মাসচেরানো বলেন, মেসির কোনো কীর্তিই এখন আর কারও জন্য বিস্ময়কর হওয়া উচিত নয়—যদিও বাস্তবতায় তা এখনো সবাইকে অবাক করে।

মাসচেরানো বলেন, 'সে একজন অনন্য সাধারণ খেলোয়াড়। আপনি তাঁর সাথে কারও তুলনা করতে পারবেন না। সে সম্পূর্ণ আলাদা, একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবার যখন আমরা তাঁকে দেখি, প্রতিবারই তা এক বিস্ময় নিয়ে আসে। কারণ সে এমন অনেক কিছু করছে যা আমরা অন্য কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে কখনই দেখব না। তাই আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে তাঁর মতো খেলোয়াড় খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। আমি মনে করি এটা অসম্ভব।'

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে

বার্সেলোনায় মেসির সাথে বছরের পর বছর ধরে মাঝমাঠের জাদু দেখানো ৪৬ বছর বয়সী জাভি এবং মাসচেরানো একই সাথে বসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলে জয়ী ম্যাচটি দেখছিলেন। এ সময় জাভি বলেন, 'আমরা একসাথে ম্যাচটি দেখছিলাম এবং মাসচেরানো আমাকে বলল, '৩৯ বছর বয়স, আর সে মাঠে কী করছে?' এটি সত্যিই অসাধারণ। সে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় এবং সে এখনো মাঠে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাঁর মনোভাব—সে একজন যোদ্ধা। সে নিঃসন্দেহে সর্বকালের সেরা।'

জাভির থেকে আরো একধাপ এগিয়ে মাসচেরানো বলেন, 'মেসি এখনো যেন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে ধরে রেখেছেন। আমার মনে হয় সে এখনো প্রমাণ করছে যে সেই এই খেলার মালিক। বল যখন তাঁর পায়ে থাকে, তখন সে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় যে সে ম্যাচটি জেতাতে যাচ্ছে এবং সে ঠিক সেটাই করে দেখায়।'

জাভির জন্য আগামী রবিবারের ফাইনালের গর্ব শুধুমাত্র মেসিকে ঘিরেই নয়। তিনি জানান, ১৫ বছর বয়সের লামিনে এবং ১৬ বছর বয়সের কুবারসিকে খুব কাছ থেকে দেখার পর, আজ তাদেরকে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট হিসেবে পরিপক্ক হতে দেখাটা তাঁর জন্য অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক। জাভি বলেন, 'বার্সেলোনার ফুটবল দর্শন এই দুই ফাইনালিস্টের মধ্যেই প্রবাহিত হচ্ছে।' যদিও মাসচেরানো দ্রুত মনে করিয়ে দেন বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে বার্সেলোনার খুব বেশি খেলোয়াড় নেই।

মাসচেরানো যোগ করেন, 'আমাদের দলে বার্সার খুব বেশি খেলোয়াড় নেই, তবে খেলার ধরনটা অনেকটাই সেরকম। আমার কাছে, এই টুর্নামেন্টের তারাসেরা দুটি দল। যারা একই শৈলীতে খেলে। তারা বল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করে এবং বল না থাকলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। সম্ভবত যে দল বলের দখল বেশি রাখতে পারবে, তারা ম্যাচটির গতি নিয়ন্ত্রণ করবে।'

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ স্থলভাগে প্রবেশ, উপকূলে তাণ্ডবের আশঙ্কা

এটি আমাদের জন্য সম্ভাব্য সেরা একটি ফাইনাল হবে বলে জানান এই দুই সাবেক ফুটবলার। তবে জয়ী কে হবে তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতেননি কেউই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ-১১ আসনের এমপিকে বিএনপির শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


ময়মনসিংহ-১১ আসনের এমপিকে বিএনপির শোকজ

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য এবং ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে একটি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সই করা একটি চিঠির মাধ্যমে ওই নোটিশটি দেওয়া হয়।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশের সূত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে, এই অপরাধের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আবেদনের প্রেক্ষিতে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর ওই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তার প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

তবে এরপরেও, তিনি এবং তার ঘনিষ্ঠ লোকজনের বিরুদ্ধে আবারও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নানান অনৈতিক অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগ ওঠে।

ফলে, এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে নোটিশে বলা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এই সম্পর্কে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার যথাযথ কারণ জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর রিসার্চ অন ন্যাশনালিজম অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (সিআরএনডি) আয়োজনে অভিষেক অনুষ্ঠানে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানিয়ে বলেন, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে গবেষণার বিশাল ক্ষেত্র রয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, গ্রন্থটি গবেষণাধর্মী একটি কাজ, যেখানে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন, রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, প্রশাসনিক চিন্তা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক তথ্যভিত্তিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বইটির যতটুকু পড়েছি, তাতে প্রতিটি অধ্যায়ে গবেষণার স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। লেখক দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সূত্র ও রেফারেন্স ব্যবহার করেছেন, যা বইটির গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি করেছে।

উপাচার্য আরও বলেন, জিয়াউর রহমানকে পুরোপুরি না জানলে এবং তার রাষ্ট্রচিন্তার বিষয়ে অবগত না হলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হবে না। তাই বইটি সবার কাছে পড়ার জন্য উপযোগী।

গ্রন্থটির লেখক বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (সিআইডি) ড. মো. রুহুল আমিন সরকার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শনের ভিত্তি ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা, গণতন্ত্র, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, জাতীয় সংহতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের সমন্বিত দর্শন।

তিনি আরও জানান, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, গ্রামকেন্দ্রিক উন্নয়ন, নাগরিকভিত্তিক জাতীয়তাবাদ, সামাজিক সংহতি এবং বাজারমুখী অর্থনীতির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন জিয়াউর রহমান।

তার রাষ্ট্রচিন্তাকে জন লক, রুশো, টকভিল, ডার্কহেইম, অ্যাডাম স্মিথ, হায়েক, জোসেফ নাই, কিওহেন, আর্নেস্ট রেনাঁ, বেনেডিক্ট অ্যান্ডারসন ও অ্যান্থনি স্মিথসহ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চিন্তাবিদদের আলোকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, এই আয়োজন আসলে একটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন নয়, বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা, জাতীয়তাবাদ ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে যদি আরও প্রাথমিক দলিল, আন্তর্জাতিক গবেষণা এবং তুলনামূলক বিশ্লেষণ যুক্ত হয়, তাহলে গ্রন্থটির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি পাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার (লিংকন) বলেন, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ ও গণতান্ত্রিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শিক ভিত্তি, যার প্রাসঙ্গিকতা এখনো বিদ্যমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ শরিফ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গবেষণাধর্মী বই রচনা একটি খুব কঠিন কাজ এবং ড. রুহুল আমিন সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মানসুরা আলম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সহসভাপতি সাঈদ ইকবাল টিটুসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজাকাররা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


রাজাকাররা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘রাজাকাররা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাই আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।’

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদীর গাংকুলকান্দী ভূইয়া বাজার মাঠ সংলগ্ন মাঠে নব দিগন্ত ক্লাব আয়োজিত মেধা বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরে একটি গোষ্ঠী আমাদের মা-বোনদের পাক হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল। সেই রাজাকারদের রাজনৈতিকভাবে বর্জন করতে হবে। নয়তোবা এই বাংলাদেশ থাকবে না।

তাদের এবং পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছি।’

নব দিগন্ত ক্লাবের চেয়ারম্যান ও নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ ও মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তির ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল্লাহ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন, ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি: বাবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


আল্লাহ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন, ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি: বাবর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদের ছেলে আলী আহমাদ মাবরুর ফেসবুকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে নিয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএনপির সংসদ সদস্য বাবরের নামাজ, সিজদা নিয়ে তার মুগ্ধতার কথা বলেন এবং তাদের অতীত স্মৃতিগুলো রোমন্থন করেন। স্ট্যাটাসে তিনি তুলে ধরেন, যখন নামাজ প্রসঙ্গে কথা হচ্ছিল, লুৎফুজ্জামান বাবর সৃষ্টিকর্তার প্রতি আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘যদি পারতাম সারা দিন সিজদা দিয়ে থাকতাম। আমার তো ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি। আমার আল্লাহ আমাকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে এসেছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন। অপমানের জীবন থেকে আজকের জায়গায় এনেছেন। ১৭ বছর কারাগার আর কনডেম সেলের জীবন থেকে আবার সংসদে এনেছেন। আমি যদি সারাদিন সিজদা দিয়ে থাকি, তাহলেও তো আল্লাহর শুকরিয়ার কিছুই আদায় করা হবে না।’

এ-সংক্রান্ত ফেসবুক স্ট্যাটাসে আলী আহমাদ মাবরুর বলেন, ‘সংসদের গত অধিবেশন চলাকালীন একটি স্মৃতি। সংসদ ভবনের মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করতে গিয়েছি। ফরজ ও সুন্নাত পড়ে আর সবার মতো আমিও বের হচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল একজন মানুষ সিজদা দিয়ে রয়েছেন। ২-৩ মিনিট তো হবেই। তিনি নফল পড়ছেন আর টানা সিজদা দিচ্ছেন। তাকিয়ে দেখি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেব। আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম। ওনাকে ওখানে পাব, এমন কোনো ধারণা ছিল না। তাই কথা বলার প্ল্যানও ছিল না। কিন্তু এভাবে কয়েক মিনিট ধরে সিজদা দেওয়ার দৃশ্য দেখে হুট করেই কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলাম। বারবার সালাম ফিরিয়ে তিনি আবার নামাজে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। তাই যখন বুঝলাম, নামাজ শেষ করেছেন, তখন আস্তে গিয়ে পাশে বসলাম। বললাম, একটু কথা বলতে চাই। তিনি বললেন, “বলেন না, কী বলবেন।”

ফেসবুক পোস্টে মাবরুর আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি বললাম, আমি আপনাকে (বাবর) বহুদিন ধরে দেখেছি কোর্টে আনা-নেওয়া করতে। আপনার কি আমার চেহারা মনে পড়ে? তিনি বললেন, চেনা তো মনে হয়। এরপর আমি আব্বার কথা বললাম। জানালাম, আপনি ও আব্বা দুজনেই ২১ আগস্ট মামলার কো-একিউজড ছিলেন। আমি সারা দিন কোর্টের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতাম, আদালত যেদিন অনুমতি দিত, সেদিন ভেতরে গিয়ে সাক্ষাৎ করতাম। কতবার সাক্ষাৎ হয়েছে আপনার সঙ্গে। সবাই মিলে খাবার শেয়ার করেছি। তিনি বসা অবস্থাতেই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তুমি মুজাহিদ সাহেবের ছেলে। তোমরা কেমন আছো? আমি তোমার বাবার খুব ক্লোজ ছিলাম..এভাবে অনেক কথা বললেন। ইমোশনাল হয়ে গেলেন রীতিমতো।’

জিজ্ঞেস করার পর, সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরকে দীর্ঘ (লম্বা) সিজদা নিয়ে জানালেন আলী মাবরুর, তিনি (বাবর) বলেছেন, ‘আংকেল, যদি পারতাম সারা দিন সিজদা দিয়ে থাকতাম। আমার তো ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি। আমার আল্লাহ আমাকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে এসেছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন। অপমানের জীবন থেকে আজকের জায়গায় এনেছেন। ১৭ বছর কারাগার আর কনডেম সেলের জীবন থেকে আবার সংসদে এনেছেন। আমি যদি সারাদিন সিজদা দিয়ে থাকি, তাহলেও তো আল্লাহর শুকরিয়ার কিছুই আদায় করা হবে না।’

আলী মাবরুর বলেন, বিষয়টি নিজেকে ছোঁয়ায়। তবে সেদিন তার সিজদা দেখে, তার শুকরিয়া আদায়ের ভঙ্গিমা দেখে এবং তার বিনয় দেখে তিনি ভালো লাগলেন। আল্লাহ আরও অনেককেই অনেক খারাপ অবস্থা থেকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু সকলেই এভাবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে পারে না। অনেকে এরই মধ্যে অতীত ভুলে গেছেন।

তিনি আরও লিখেন, মসজিদ থেকে বেরিয়ে অনেকেই দেখলাম তার সঙ্গে ছবি তুলছে। আমার এসব জায়গায় বরাবরই আড়ষ্টতা কাজ করে। কিন্তু সেদিন যেন কী হলো। আমি নিজেই বললাম, আপনার সঙ্গে একটি স্মৃতি ধরে রাখি। তিনি বললেন, ‘আমার আংকেলের সঙ্গে তো আমিই ছবি তুলব। মজলুম পরিবার তোমরা। ভালো থেকো।’ তার শেষ কথা আর দোয়া নিয়ে এরপর চলে আসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%